//

ঢাকা, বাংলাদেশ   সোমবার ২৯ জুন ২০২৬, ১৬ আষাঢ় ১৪৩৩

circluar
circluar
তাড়াশ থানার এসআই এর বিরুদ্ধে ঘুষ নেয়ার অভিযোগ : তদন্ত কমিটি গঠন

তাড়াশ থানার এসআই এর বিরুদ্ধে ঘুষ নেয়ার অভিযোগ : তদন্ত কমিটি গঠন

সিরাজগঞ্জের তাড়াশ থানার সাব-ইন্সপেক্টর (এসআই) মো: আলমগীর হোসেনের বিরুদ্ধে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। মামলার ফাইনাল রিপোর্ট দেয়া ও বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের গ্রেফতার না করার কথা বলে, লাখ লাখ টাকা উৎকোচ গ্রহণ করেছেন। এ সংক্রান্ত দুটি অডিও কল রেকর্ড ইতোমধ্যেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। অবশ্য এসআই আলমগীর হোসেন তার বিরুদ্ধে আনা এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন, উর্ধতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে তিনি বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনের একটি মামলার আসামীদের তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে কুচক্রী মহলের অপপ্রচারের শিকার হয়েছেন। তাড়াশ থানার অফিসার- ইন-চার্জ (ওসি) মো: হাবিবুর রহমান অভিযোগ উঠার পর এসআই আলমগীর হোসেনের বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি গঠনের তথ্য নিশ্চিত করেছেন। ফাঁস হওয়া দুটি অডিও রেকর্ডের মধ্যে উপজেলার সগুনা ইউনিয়নের ঈশ্বরপুর গ্রামের একটিতে পিটিশন মামলার আসামী মো: সাকিব হোসাইনের কাছে ২৩ জন আসামী কে বাদ দেয়ার শর্তে ৭০ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করেন। এরমধ্যে সাকিব ১৩ হাজার টাকা দেয়ার পর অবশিষ্ট টাকা দিতে না পারায় ওই মামলায় তিনি চার্জশীট দেন। এ নিয়ে তাদের মধ্যে টাকা নিয়ে তর্ক বিতর্ক করতে শোনা যায়। অপর অডিও কল রেকর্ডে বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনের সময় হামলা চালানোর অভিযোগে দায়ের করা একটি মামলার আসামীর বক্তব্য থেকে জানা যায়, আসামীদের গ্রেফতার না করার শর্তে আট জনের কাছ থেকে নগদ ১ লাখ ৩৬ হাজার টাকা ঘুষ নেন। আরো ঘুষ দাবি করায় আসামীরা টাকা দিতে অস্বীকার করলে, গ্রেফতার হয়ে তাদের কে ইফতার তাড়াশ থানায় করতে হবে মর্মে হুমকী দেন এসআই মো: আলমগীর হোসেন। এ ছাড়াও নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক ব্যক্তি জানান, এসআই মো: আলমগীর হোসেন তাড়াশ থানায় যোগদানের পরপরই সেকেন্ড অফিসারের দায়িত্ব পান। এর পরেই তিনি বেপরোয়া হয়ে ওঠেন। বিভিন্ন মামলার বাদী বিবাদী উভয় পক্ষের কাছ থেকে উৎকোচ আদায় সহ বিরোধী দলীয় নেতাকর্মীদের গ্রেফতার না করা, বিভিন্ন মামলায় ফাঁসানোর হুমকী দিয়ে লাখ লাখ টাকা আদায় করেন। এসআই আলমগীর হোসেনের ঘুষ ও চাঁদাবাজিতে অতিষ্ঠ হয়ে মো: গোলাম মোস্তফা নামের একজন সমাজকর্মী তার ফেসবুকে পোস্ট দিয়েছেন, অভিযোগের পাহাড় আপনার বিরুদ্ধে তাড়াশ থানার এসআই আলমগীর ভাই। সম্মানের সাথে বদলি নিয়ে চলে যাওয়াই ভালো। এ প্রসঙ্গে অভিযোগকারী মো: সাকিব হোসাইন বলেন, আমাদের একটি বিবদমান জমি নিয়ে পৃথক দুটি মামলা হয়। একটি মামলা তাকে সহ ২৩ জন কে আসামী করা হয়। ওই মামলায় তদন্ত চলাকালে আমার কাছে এসপি সহ বিভিন্ন পর্যায়ে অফিসার কে ম্যানেজ করে, ফাইনাল রিপোর্ট দেয়ার কথা বলে ৭০ হাজার টাকা দাবি করেন। তারা নগদ ১৩ হাজার টাকা এসআই আলমগীর কে দেন। পরে অবশিষ্ট টাকা দিতে না পারায় তাদের বিরুদ্ধে চার্জশীট দেন। তিনি এসআই আলমগীর হোসেনের দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তি দাবি করেন। অপর দিকে উপজেলার খালকুলা বাজারে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলন চলাকালে হামলা চালানোর অভিযোগে দায়ের করা মামলার আট জন আসামীর কাছ থেকে, মোট ১ লাখ ৩৬ হাজার টাকা ঘুষ নেন তিনি। এ প্রসঙ্গে ওই মামলার আসামী মো: আব্দুস সালাম মহুরী বলেন, আওয়ামী লীগে আমার কোনো পদ পদবী নেই। সমর্থন করি এই যা। তারপরও এসআই মো: আলমগীর হোসেন আমাদের কে গ্রেফতার করবেনা মর্মে কয়েক দফায় মোট ১ লাখ ৩৬ হাজার টাকা ঘুষ নেন। ঈদ কে সামনে রেখে আরো টাকা দাবি করলে আমরা তা দিতে অপারগতা প্রকাশ করায়, আমাদের গ্রেফতার করে থানায় ইফতারি করাবে মর্মে হুমকি দিচ্ছেন। পরিবারের সাথে ঈদ করতে পারবো কি না শঙ্কায় রয়েছি। তিনি আক্ষেপ করে বলেন, এভাবে আর কতদিন চলা যায় বলেন, আল্লাহর কাছে বিচার দিলাম। বিভিন্ন অভিযোগের বিষয়ে এসআই মো: আলমগীর হোসেনের কাছে মুঠোফোনে জানতে চাওয়া হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি। কিছুক্ষণ পর প্রতিনিধির হোয়াটআপে ম্যাসেজ পাঠিয়ে দাবি করেন, সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন তথ্য। ডিআইজি স্যারের নির্দেশনায় এজাহার নামীয়, আওয়ামী লীগের সদস্যদের এনআইডি কার্ডের ফটোকপির জন্য দুএক জনের বাড়ির লোক কে ফোন দেয়া হয়েছে। কাউকে হুমকি দেয়া হয়নি। এ প্রসঙ্গে তাড়াশ থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) মো: হাবিবুর রহমান বলেন, ঘটনাটি জানার পর উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি। এ বিষয়ে একটি তদন্ত টিম গঠন করা হয়েছে। তদন্তে ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয় হবে।

কালকিনিতে ইয়াবা ট্যাবলেটসহ তিনজন মাদক ব্যবসায়ী আটক

কালকিনিতে ইয়াবা ট্যাবলেটসহ তিনজন মাদক ব্যবসায়ী আটক

মাদারীপুরের কালকিনিতে তিনজন মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে থানা পুলিশ। এসময় তাদের কাছ থেকে ৩০৫ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। আজ শনিবার ভোরে পৌর এলাকার পুরান বাজার এলাকা থেকে ওই মাদক ব্যবসায়ীদেরকে আটক করা হয়। আটককৃতরা হলেন পৌর এলাকার দক্ষিন কৃষ্ণনগর গ্রামের ইকবাল সরদারের ছেলে মোঃ ফেরদাউস সরদার-(৩২), একই গ্রামের কালু মুন্সীর ছেলে মোঃ পলাশ মুন্সী-(২৪) ও উপজেলার টুমচর গ্রামের এসকেন্দার বেপারীর ছেলে মোঃ মেহেদী হাসান-(২৪)। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কালকিনি থানার ওসি মোঃ জহিরুল আলমের দিক নির্দেশনায় এস.আই দেবব্রত সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে পৌর এলাকার পুরান বাজারে অভিযান চালায়। এসময় আটককৃত ওই মাদক ব্যবসায়ীরা পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে দ্রুত পালানোর চেষ্টা করে। পরে ঘন্টা ব্যাপী অভিযান চালিয়ে ওই মাদক ব্যবসায়ীদেরকে একটি দোকান থেকে আটক করেন। এসময় তার কাছ থেকে ৩০৫ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। এ ব্যাপারে কালকিনি থানার ওসি মোঃ জহিরুল আলম জানান, আটককৃত আসামীদের বিরুদ্ধে থানায় একটি মাদক মামলা দায়ের করা হয়েছে।

উৎসবের জুতা

উৎসবের জুতা

ঈদ মানেই নতুন পোশাক, নতুন সাজ আর আনন্দের দিন। নতুন পোশাকের সঙ্গে মানানসই জুতা না হলে পুরো সাজটাই যেন অসম্পূর্ণ থেকে যায়। তাই ঈদের কেনাকাটার তালিকায় পোশাকের পাশাপাশি জুতাও গুরুত্বপূর্ণ জায়গা দখল করে থাকে। তবে শুধু দেখতে সুন্দর হলেই চলবে না-ঈদের জুতা হতে হবে আরামদায়ক, টেকসই এবং পোশাকের সঙ্গে মানানসই। আরামই হোক প্রথম শর্ত ঈদের দিনে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত বিভিন্ন জায়গায় যাওয়া-আসা, আত্মীয়স্বজনের বাসায় বেড়ানো কিংবা বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা-সব মিলিয়ে অনেক সময় জুতা পায়ে থাকে। তাই ঈদের জুতা কেনার সময় আরামকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিতে হবে। নরম সোল, হালকা ওজন এবং ভালো ফিটিংয়ের জুতা হলে দীর্ঘ সময় পরেও পায়ে অস্বস্তি হবে না। পোশাকের সঙ্গে মিল ঈদের পোশাকের রং ও ডিজাইনের সঙ্গে জুতার মিল থাকা জরুরি। ছেলেদের পাঞ্জাবি-পায়জামার সঙ্গে লোফার, নাগরা বা স্যান্ডেল ভালো মানায়। অন্যদিকে মেয়েদের শাড়ি, সালোয়ার-কামিজ বা ফিউশন পোশাকের সঙ্গে হিল, কিটেন হিল বা স্টাইলিশ স্যান্ডেল বেশ মানানসই। বর্তমানে মিনিমাল ডিজাইনের জুতা বেশ জনপ্রিয়, যা প্রায় সব ধরনের পোশাকের সঙ্গেই মানিয়ে যায়। আবহাওয়ার কথাও ভাবুন ঈদ অনেক সময় গরমের সময় পড়ে। তাই এমন জুতা নির্বাচন করা ভালো যাতে পা ঘেমে না যায়। খোলা ডিজাইনের স্যান্ডেল বা বাতাস চলাচল করতে পারে এমন উপকরণের জুতা হলে আরাম বেশি পাওয়া যায়। মানসম্মত উপকরণ জুতা কেনার সময় শুধু ডিজাইন নয়, উপকরণের দিকেও নজর দিতে হবে। ভালো মানের চামড়া বা টেকসই কৃত্রিম উপকরণের জুতা হলে তা দীর্ঘদিন ব্যবহার করা যায়। সোল শক্ত হলেও যেন খুব শক্ত না হয়, আবার খুব নরমও না হয়-এমন ভারসাম্যপূর্ণ জুতা বেছে নেওয়াই ভালো। ট্রেন্ডি জুতা এখনকার ফ্যাশনে অতিরিক্ত ভারী বা জটিল ডিজাইনের জুতার চেয়ে হালকা, পরিষ্কার ডিজাইনের জুতা বেশি জনপ্রিয়। নিউট্রাল রং যেমন-কালো, বাদামি, বেইজ বা সোনালি-সহজেই বিভিন্ন পোশাকের সঙ্গে মানিয়ে যায়। তাই অনেকেই এখন এমন জুতা বেছে নিচ্ছেন যা ঈদের পরেও নিয়মিত ব্যবহার করা যায়। সঠিক সাইজ নিশ্চিত করুন অনেকে তাড়াহুড়ো করে জুতা কিনে পরে বুঝতে পারেন সাইজ ঠিক হয়নি। তাই কেনার সময় অবশ্যই জুতা পায়ে পরে দেখে নেওয়া উচিত। খুব টাইট বা খুব ঢিলা জুতা দুইটাই সমস্যার কারণ হতে পারে। সব মিলিয়ে ঈদের জুতা হওয়া উচিত স্টাইলিশ, আরামদায়ক ও ব্যবহার উপযোগী। কারণ ঈদের আনন্দ যেন অস্বস্তিকর জুতার কারণে ম্লান না হয়ে যায়। সঠিক জুতা বেছে নিতে পারলে ঈদের সাজও হবে পরিপূর্ণ, আর দিনটাও কাটবে স্বাচ্ছন্দ্যে ও আনন্দে। ফ্যাশন প্রতিবেদক

শিশুর স্বাচ্ছন্দ্য

শিশুর স্বাচ্ছন্দ্য

ঈদের উৎসব প্রতিটি শিশুর কাছে অনেক রঙিন। রোজার শুরু থেকেই তাদের ঈদ নিয়ে থাকে নানা জল্পনা-কল্পনা। বন্ধুদের মধ্যে হয় উৎসবমুখর কথোপকথন। কে কয়টা ড্রেস কিনল, কীভাবে সাজবে এমন অনেক কিছু। সকাল, দুপুর ও রাতের পোশাকের সঙ্গে সাজ ও গহনা এক্সেসরিজের বিষয়ে বর্তমানে বড়দের থেকে ছোটরা  বেশি স্মার্ট ও সচেতন। আর তাদের বায়না পূরণ করতে বাবা-মায়েরা ছুটছে বিভিন্ন শপিং মল ও মার্কেটে। প্রকৃতির বদলের খেলায় বাড়ছে তাপদাহ। তাই পরিবর্তন আসেেছ পোশাকেও। বিশেষ করে এই সময়ে সবচেয়ে বেশি ভাবতে হয় বাড়ির শিশুদের নিয়ে। কেননা গরমে শিশুর পোশাক কেমন হবে, কী ধরনের পোশাক শিশুদের জন্য আরামদায়ক হবে। এসব ভাবনা চলে আসে প্রকৃতির রূপ বদলের সঙ্গে সঙ্গে। এ কারণে আমাদের দেশীয় ফ্যাশন হাউসগুলোও এ সময়ে শিশুদের জন্য তৈরি করে ফ্যাশনেবল সব আরামদায়ক পোশাক। বাজার ঘুরে দেখা গেল, বিভিন্ন রং ও নকশায় অলঙ্কৃত করা হয়েছে শিশুদের পোশাক। প্রায় সব মার্কেট আর ফ্যাশন হাউসে এখন মিলবে শিশুদের জন্য সুতির পোশাক। ভয়েল, সুইস ভয়েল, আদ্দি, ভিসকস, মিক্সড ভয়েল, বেক্সি ভয়েলসহ নানারকম সুতি কাপড়ে তৈরি হচ্ছে কোমলমতিদের পোশাক। এ ছাড়া কটনের সঙ্গে ফেব্রিক দিয়েও তৈরি হচ্ছে পোশাক। বাজারে আছে সুতি, লিনেন ও গেঞ্জি কাপড়ের বিভিন্ন ডিজাইনের পোশাক। আরামদায়ক উপকরণ হিসেবে ডিজাইনাররা বেছে নিয়েছেন সুতি, গ্যাবার্ডিন, লিনেন ও নরম জিন্স এর মতো নরম কাপড়। শিশুরা যেহেতু বেশি ছোটাছুটি করে তাই ঘাম হয় বেশি। এ কারণে গরমকালে শিশুদের পোশাক নির্বাচনে সুতির কাপড় বেছে নিতে হবে। বিভিন্ন ধরনের ভয়েল, পাতলা তাঁত কাপড়ও আরামদায়ক। গরমে যেসব কাপড় তাপ শোষণ করে কম এমন হালকা রঙের পোশাক যেমন আকাশি, হালকা সবুজ, গোলাপি, সাদা, ধূসর, বাদামি ইত্যাদির ওপর রঙিন ছাপা বা প্রিন্টের পোশাক বেছে নিতে পারেন। এতে শিশুদের দেখতে বেশ ভালো লাগে। তবে তারা যেহেতু খেলাধুলা বা ছোটাছুটি করে বেশি, তাই রঙিন পোশাক পরাতে চাইলে ব্লক বা বাটিকের পাতলা সুতি পোশাক বেছে নিতে পারেন। এছাড়াও শিশুদের জন্য ছোট বা মাঝারি প্রিন্টের পোশাক বেশি মানানসই। ফুল, পাতা, পাখি, জ্যামিতিক নকশা বা বল প্রিন্টের পোশাকও পরাতে পারেন। এতে শিশুদের প্রাণবন্ত ও উচ্ছল লাগে। তবে শিশুদের জন্য যে ধরনের পোশাকই নির্বাচন করা হোক না কেন, তা যেন খুব বেশি আটসাঁট না হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। বাতাস চলাচল করতে পারে এমন ঢিলেঢালা পোশাক শিশুদের জন্য বেশি উপযোগী। ছেলে ও মেয়ে শিশুদের পোশাকে খুব একটা পার্থক্য দেখা যায় না বললেই চলে। ছেলেদের জন্য আছে ঢিলেঢালা গেঞ্জি, টি-শার্ট, ফতুয়া, নিমা, হাফ-প্যান্ট ও থ্রি-কোয়ার্টার প্যান্ট, ট্রাউজার, ফুল-প্যান্ট। মেয়েদের জন্য এসব ছাড়াও পাওয়া যাচ্ছে নানারকম ডিজাইনের ফ্রক, লেহেঙ্গা, সালোয়ার-কামিজ, স্কার্ট, টপস, প্লাজো, শার্ট, টি-শার্ট, পোলো টি-শার্ট ইত্যাদি। এক ডিজাইনার বলেছেন, ‘আমরা সবসময়ই বাংলাদেশের আবহাওয়ার কথা মাথায় রেখে কাপড় বেছে নেই। গরমে শিশুদের পোশাকটা যেন স্বাচ্ছন্দ্যময় হয়। সোনামণিদের পোশাকে প্যার্টানের দিক থেকে রয়েছে লিল্যাকজিন সিস্টেম যেমন প্রয়োজনে পোশাকটি ছোট-বড় করা যাবে এবং ঢিলেঢালা হলে টাইট করে নিতে পারবেন।’ কোথায় পাবেন লা রিভ, টুয়েলভ, আড়ং, রঙ বাংলাদেশ, বিশ্বরঙ, কে ক্র্যাফট, অঞ্জন’স, মেনজ ক্লাব, সীমান্ত স্কয়ার, বসুন্ধরা সিটি, যমুনা ফিউচার পার্কসহ বিভিন্ন শপিং মল ও মার্কেটে পাবেন শিশুর আরামদায়ক পোশাক। দাম পড়বে ৫০০ থেকে ৩০০০ টাকার মধ্যে। একটু কম দামের জন্য বেছে নিতে পারেন রাজধানীর নিউমার্কেট, নুরজাহান মার্কেট, বঙ্গবাজার, মৌচাক মার্কেট, তালতলা মার্কেট। গ্যাবার্ডিন ও জিনসের প্যান্টগুলোর দাম পড়বে ৩০০ থেকে ১০০০ টাকার মধ্যে।