ঢাকা, বাংলাদেশ   বুধবার ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ৮ ফাল্গুন ১৪৩০

অমর একুশে আজ

ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাবে জাতি
অমর একুশে আজ

‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো’ একুশে ফেব্রুয়ারি আজ। আজ ‘মাথা নত না করা’র অমর একুশে। ১৯৫২ সালের এই দিনে বাঙালি শুধু প্রাণ বিসর্জন দেয়নি, বাংলার প্রতি ঘরে বুনে দিয়েছিল একুশের রক্তবীজ। সে বীজ থেকেই ভাষাকেন্দ্রিক জাতিরাষ্ট্র। আজকের স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশ। ২১ ফেব্রুয়ারি তাই আলাদা তাৎপর্যের। সুমহান মর্যাদার।  প্রতি বছরের মতো আজও রাষ্ট্রীয় নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে মহান শহীদ দিবস পালন করা হচ্ছে। অর্ধনমিত রাখা হবে জাতীয় পতাকা। পাশাপাশি কালো পতাকা উত্তোলন করা হবে। দিবসটি উপলক্ষে বাণী দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।  একই দিন দুনিয়াজুড়ে পালিত হবে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। নিজ নিজ মাতৃভাষার প্রতি সম্মান জানানোর উপলক্ষ হিসেবে দিবসটিকে গ্রহণ করেছে আন্তর্জাতিক বিশ্ব। বাঙালির ভাষা-চেতনা দ্বারা তারাও আজ উদ্বুদ্ধ হবে। নিজ নিজ ভাষার প্রতি যতœবান হবে।  তবে দেশের প্রেক্ষাপটে বললে, আজ এমন সময়ে অমর একুশে পালন করা হবে যখন বাংলাদেশের মানুষের দেশবোধ, ভাষা চেতনা, ইতিহাসের জ্ঞান, শিক্ষা, সংস্কৃতিপ্রেম সবই প্রশ্নের মুখে পড়েছে। বিশেষ করে শেকড় বিচ্ছিন্ন তরুণ প্রজন্ম স্থূল চর্চায় এমনভাবে মজে আছে যে, ভবিষ্যৎ নিয়ে শঙ্কা দেখা দিয়েছে। এ অবস্থায় ব্যক্তি সমাজ ও রাষ্ট্রকে সতর্ক করতে, পথ দেখাতেই যেন এসেছে ২১ ফেব্রুয়ারি।  ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি বাঙালি জাতিসত্তার যে স্ফুরণ ঘটেছিল তাই পরবর্তীতে বাঙালি জাতিরাষ্ট্র বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় মনস্তাত্ত্বিক ও সাংস্কৃতিক প্রেরণা জুগিয়েছিল। ভাষার অধিকারের পক্ষে লড়াইয়ের পাশাপাশি ঔপনিবেশিক প্রভুত্ব ও শাসন- শোষণের বিরুদ্ধে একুশ ছিল বাঙালির প্রথম প্রতিরোধ। নিজস্ব জাতিসত্তা, স্বকীয়তা ও সাংস্কৃতিক স্বাতন্ত্র্য রক্ষার সংগ্রাম হিসেবেও এর রয়েছে আলাদা তাৎপর্য। এদিন পাকিস্তানিদের সবেচেয়ে ভালো চিনতে পেরেছিল বাঙালি। তাদের সঙ্গে যে থাকা যাবে না- বুঝে গিয়েছিল।   তারও আগে ১৯৪৭ সালে দ্বিজাতি তত্ত্বের ভিত্তিতে ভারতবর্ষ বিভক্ত হয়। জন্ম নেয় পৃথক দুই রাষ্ট্র ভারত ও পাকিস্তান। পাকিস্তানের দুই অংশ ছিল পূর্ব পাকিস্তান ও পশ্চিম পাকিস্তান। সংখ্যাগরিষ্ঠ পূর্বাঞ্চলের মানুষ ছিল মূলত বাঙালি। মাতৃভাষা ছিল বাংলা। অপরদিকে পশ্চিমাঞ্চলে প্রচলিত ছিল সিন্ধী, পশ্তু, বেলুচ, উর্দুসহ আরও কয়েকটি ভাষা।

waltonbd
waltonbd
Sopno
Sopno
অশিক্ষার অন্ধকারে কেউই থাকবে না

অশিক্ষার অন্ধকারে কেউই থাকবে না

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আধুনিক প্রযুক্তি জ্ঞানসম্পন্ন শিক্ষিত-দক্ষ জনশক্তি গড়ে তুলতে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের কথা তুলে ধরে বলেছেন, কেউই অশিক্ষার অন্ধকারে থাকবে না। একুশ আমাদের শিখিয়েছে মাথা নত না করা। কাজেই আমরা মাথা নত করে নয়, মাথা উঁচু করেই চলব এবং বিশ^দরবারে মর্যাদা নিয়ে এগিয়ে যাব। মঙ্গলবার অমর একুশে ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ২১ জন বিশিষ্ট ব্যক্তির মাঝে ‘একুশে পদক-২০২৪’ প্রদানকালে দেওয়া প্রধান অতিথির বক্তৃতায় প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, আমরা ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ে তুলেছি। সামনে আমাদের লক্ষ্য স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তোলা। কাজেই কেউই অশিক্ষার অন্ধকারে থাকবে না।সবাই যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে যেন শিক্ষিত হয়ে বা তাদের দক্ষতা, কর্মশক্তিটা বিকশিত হতে পারে, সেদিকে আমরা বিশেষভাবে দৃষ্টি দিচ্ছি।

https://www.facebook.com/profile.php?id=100001110224047
https://www.facebook.com/profile.php?id=100001110224047
SomajVabna
বিএনপির শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে বাধা দেওয়া হবে না

বিএনপির শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে বাধা দেওয়া হবে না

বিএনপির শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে বাধা দেবে না সরকার। তবে আন্দোলনে সহিংসতার উপাদান যুক্ত হলে বাধা আসবে বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। মঙ্গলবার রাজধানীর ধানমন্ডিস্থ আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা জানান।  ওবায়দুল কাদের বলেন, বাধা দেওয়ার মতো সহিংস তৎপরতা, সন্ত্রাস, অগ্নিসন্ত্রাস এসব উপাদান যদি আন্দোলনে যুক্ত হয় তাহলে বাধা আসবে। তারা শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি দিলে আমরা বাধা দেব কেন? বিএনপির বর্তমান রাজনৈতিক কর্মসূচি নিয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, বাংলাদেশে বিরোধী দলের রাজনীতির মূল ইস্যুই হচ্ছে ‘যত দোষ নন্দ ঘোষ’ সরকার। সরকারই সব অপরাধে অপরাধী। তারা নালিশ করতে যায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে। বিএনপি নেতা মঈন খান মার্কিন দূতাবাসে গিয়ে নালিশ করেছেন, দেশে মানবাধিকার নেই, গণতন্ত্র নেই। এ হচ্ছে আমাদের রাজপথের প্রধান বিরোধীদলের অবস্থা। তিনি বলেন, বিএনপি নেতাদের কাছে জানতে চাই, ৫৪ দলের সরকার বিরোধী যে ঐক্যজোট, এ জোটের শরিকরা কোথায়? সেই ঐক্য কোথায়? জগাখিচুড়ি ঐক্যজোট কোথায়? এখন সরকারের ওপর দোষ দিয়ে পার পাওয়া যাবে?   নির্বাচনে আওয়ামী লীগ হেরেছে, বিএনপি জিতেছে – বিএনপি নেতাদের এমন বক্তব্যের বিষয়ে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, সবাই জানে নির্বাচনে কারা জিতেছে। নির্বাচনে অংশ না নিয়েই বিএনপি জিতে গেল? এটা পাগলের প্রলাপ ছাড়া আর কি? চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের সংঘর্ষের ঘটনা নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নে ওবায়দুল কাদের বলেন, ব্যবস্থা হচ্ছে, নতুন করে চিন্তা-ভাবনা করছি। দলে সিদ্ধান্ত হয়েছে, এসব ঘটনার পূনরাবৃত্তি রোধে যত কঠোর হওয়া দরকার তাই হবে। সংবাদ সম্মেলনে আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল হক, আবু সাঈদ আলম মাহমুদ স্বপন, এস এম কামাল হোসেন, মির্জা আজম, ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক আমিনুল ইসলাম আমিন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

IFIC
IFIC
বাংলাদেশীরা ক্রেডিট কার্ডে বেশি খরচ করছে ৩ দেশে

বাংলাদেশীরা ক্রেডিট কার্ডে বেশি খরচ করছে ৩ দেশে

দেশের বাইরে গিয়ে বাংলাদেশীরা ক্রেডিট কার্ডে বিভিন্ন পণ্য ও সেবা কিনতে সবচেয়ে বেশি অর্থ খরচ করে কয়েকটি দেশে। এর মধ্যে শীর্ষে রয়েছে ভারত, যুক্তরাষ্ট্র ও আরব আমিরাত। বিদেশে বাংলাদেশীদের ক্রেডিট কার্ডের মোট খরচের ৪২ দশমিক ৮৩ শতাংশই এ তিনটি দেশে হয়ে থাকে। বাংলাদেশীদের একটি বড় অংশ প্রতি মাসে ভারতে ভ্রমণ ও চিকিৎসার জন্য যান। সাম্প্রতিক সময়ে দেশটিতে বাংলাদেশীদের ভ্রমণ উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। এ কারণে বাংলাদেশীদের ক্রেডিট কার্ড সবচেয়ে বেশি ব্যবহার হচ্ছে ভারতে। গত নভেম্বরে প্রতিবেশী দেশটিতে ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করে বাংলাদেশীরা ১১৫ কোটি ৬০ লাখ টাকা খরচ করেছেন, যা নভেম্বরে ছিল ৮৭ কোটি টাকা।

ফেব্রুয়ারিতে কে ক্র্যাফট

ফেব্রুয়ারিতে কে ক্র্যাফট

অমর একুশের চেতনা আমাদের সংস্কৃতিতে এতটাই গভীর যে বহু বছর ধরেই এই দিনে নানা আয়োজনের সঙ্গে পোশাকেও ধারণ করা হয় একুশের শোক, শ্রদ্ধা ও গৌরবগাথা বিষয়গুলো। প্রতি বছরের মতোই কে ক্র্যাফট পূর্ণ মর্যাদা ও শ্রদ্ধার সঙ্গে এই দিনটি উপলক্ষে বিশেষ পোশাকের সংগ্রহ নিয়ে এসেছে।     এবারের নকশা অনুপ্রেরণায় বর্ণ ও শব্দ মালার বিন্যাস, ফুলেল ও জ্যামিতিক নিয়ে সৃজনশীল অলঙ্করণে তৈরি হয়েছে শাড়ি, সালোয়ার-কামিজ, কুর্তি, লং কুর্তি, পাঞ্জাবি, শার্ট, টিশার্ট। শিশুদের জন্য রয়েছে- সালোয়ার-কামিজ, কুর্তি, টপস পাঞ্জাবি ও শার্ট।      পরিবারের সকলের উপযোগী পোশাক এবং যুগল পোশাকসহ একুশের আয়োজন কে ক্র্যাফটের সকল বিক্রয় কেন্দ্র ছাড়াও অনলাইন শপ শধুশৎধভঃ.পড়স এবং ফেসবুক পেজ থেকে অর্ডার করা যাবে।

রঙ বাংলাদেশের আয়োজন

রঙ বাংলাদেশের আয়োজন

প্রতি বছর ফেব্রুয়ারির একুশ তারিখে পালন করা হয় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। এমনকি হৃদয়ের গভীর থেকে পোশাকের ক্যানভাসেও ডিজাইন হিসেবে উঠে আসে একুশে ফেব্রুয়ারি। অমর একুশ সামনে রেখে ভাষার মাসে দেশের শীর্ষস্থানীয় ফ্যাশন হাউজ রঙ বাংলাদেশ একুশের সংগ্রহ সাজিয়েছে গ্রীক মিথোলজির ফোর এলিমেন্টস এর মাটি বা আর্থ, ভাষার অনুষঙ্গ অক্ষর, কলম ও দৈনিক পত্রিকার থিম দিয়ে। মূল রং সাদা, কালো আর অ্যাশ এর সঙ্গে একুশে সংগ্রহে আরও যোগ করা হয়েছে লাল।  রঙ বাংলাদেশের ঢাকা ও ঢাকার বাহিরের সকল আউটলেটেই পাওয়া যাচ্ছে একুশ উৎসবের আয়োজন। এছাড়া অনলাইন প্ল্যাটফর্মে একুশ আয়োজনের পণ্য ক্রয়ে ভিজিট করুন www.rang-bd.com  অথবা রঙ বাংলাদেশের ফেসবুক পেজ www.facebook.com/rangbangladesh। যে কোনো প্রয়োজনে যোগাযোগ করুন রঙ বাংলাদেশের হোয়াটস্ অ্যাপ সংবলিত ০১৭৭৭৭৪৪৩৪৪ ও ০১৭৯৯৯৯৮৮৭৭ হটলাইনে।

×