ঢাকা, বাংলাদেশ   শুক্রবার ০৩ জুলাই ২০২৬, ১৯ আষাঢ় ১৪৩৩

যেসব জেলায় ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের আভাস

যেসব জেলায় ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের আভাস

দেশের কয়েকটি অঞ্চলের ওপর দিয়ে মঙ্গলবার দুপুরের মধ্যে ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ী দমকা বা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর। একই সঙ্গে বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টিরও সম্ভাবনা রয়েছে। মঙ্গলবার দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য দুপুর ১টা পর্যন্ত দেওয়া সতর্কবার্তায় এ তথ্য জানানো হয়। সতর্কবার্তায় বলা হয়, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, ময়মনসিংহ ও সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে দক্ষিণ অথবা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এ সময় বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনাও রয়েছে।  এ কারণে এসব অঞ্চলের নদীবন্দরগুলোকে মঙ্গলবার ভোর ৫টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

circluar
circluar
এমপি হিসেবে শপথ নিতে পারবেন না আসলাম চৌধুরী

এমপি হিসেবে শপথ নিতে পারবেন না আসলাম চৌধুরী

চট্টগ্রাম-৪ (সীতাকুণ্ড) আসন থেকে নির্বাচিত বিএনপি নেতা আসলাম চৌধুরী ঋণখেলাপি হওয়ায় জাতীয় সংসদের সদস্য হিসেবে শপথ নিতে পারবেন না বলে রায় দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। মঙ্গলবার প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন চার সদস্যের আপিল বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন। আদালতের এ আদেশের ফলে ঋণখেলাপি-সংক্রান্ত জটিলতা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত আসলাম চৌধুরী সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নিতে পারবেন না। আসলাম চৌধুরীর পক্ষে শুনানিতে অংশ নেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ব্যারিস্টার এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন ও ব্যারিস্টার মিফতাহ উদ্দিন চৌধুরী। তাদের সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী রোকন উদ্দিন মো. ফারুক। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল। অন্যদিকে ব্যাংক এশিয়া পিএলসির পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী কামাল উল আলম। এর আগে গত ১৫ জুন শুনানি শেষে আপিল বিভাগ রায়ের জন্য ৩০ জুন দিন ধার্য করেছিলেন।

টেকনাফে ক্রিস্টাল মেথ আইস ও অস্ত্র-গুলি উদ্ধার

টেকনাফে ক্রিস্টাল মেথ আইস ও অস্ত্র-গুলি উদ্ধার

কক্সবাজারের টেকনাফের সীমান্ত এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে ২ কেজি ক্রিস্টাল মেথ আইস ,একটি জি-থ্রি রাইফেল, একটি দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্র এবং বিপুল পরিমাণ গোলাবারুদ উদ্ধার করেছে বিজিবি।বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) ভোরে টেকনাফ উপজেলার সাবরাং ইউনিয়নের সাবরাং বাজার সংলগ্ন এলাকায় এ অভিযান চালানো হয় বলে জানান, বিজিবির টেকনাফ ২ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. হানিফুর রহমান ভূঁইয়া। তবে পাচারকারিরা পালিয়ে যাওয়ায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি বলে জানান তিনি।লে. কর্নেল হানিফুর রহমান ভূঁইয়া জানান, বৃহস্পতিবার ভোররাতে সাবরাং ইউনিয়নের ডেইলপাড়া-মুন্ডার ডেইল সড়ক দিয়ে মাদকদ্রব্য, দেশি-বিদেশি অস্ত্র ও গুলির একটি চালান পাচারের খবরে বিজিবির সদস্যরা একটি বিশেষ অভিযান চালায়। এক পর্যায়ে সন্দেহজনক কয়েকজন ব্যক্তিকে একটি ইজিবাইকযোগে সাবরাং বাজার হতে মেরিন ড্রাইভ সড়কের দিকে আসতে দেখে বিজিবি সদস্যরা থামার জন্য নির্দেশ দেন। এতে বিজিবির সদস্যদের উপস্থিতি টের পেয়ে পাচারকারিরা ইজিবাইকটি সড়কে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়।পরে ইজিবাইকটি তল্লাশি করে চালকের আসনের নিচে বিশেষ কৌশলে লুকানো অবস্থায় পাওয়া যায় আনুমানিক ১০ কোটি টাকা মূল্যের ২ কেজি ক্রিস্টাল মেথ আইস। এসময় ইজিবাইকটির ছাদের ভেতরে লুকানো অবস্থায় উদ্ধার করা হয় ১ টি জি-৩ রাইফেল, ১ টি দেশীয় তৈরী বন্দুক, ১ টি ম্যাগাজিন ও ১৩ টি গুলি। তিনি জানান, উদ্ধার করা মাদক, অস্ত্র ও গুলির চালান পাচারের সাথে জড়িতদের চিহ্নিত করে গ্রেপ্তার বিজিবির তথ্য সংগ্রহের কাজ অব্যাহত রয়েছে। উদ্ধার করা মাদক, অস্ত্র ও গুলি টেকনাফ থানায় হস্তান্তর করে মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে জানান, লে. কর্নেল মো. হানিফুর রহমান ভূঁইয়া।

ভারতীয় ভিসা আবেদন জমার প্রথম দিনেই দীর্ঘ লাইন

ভারতীয় ভিসা আবেদন জমার প্রথম দিনেই দীর্ঘ লাইন

জনকণ্ঠ রিপোর্ট প্রায় দুই বছর পর বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য পুনরায় পর্যটন (ট্যুরিস্ট) ভিসা চালু করেছে ভারত। গত রবিবার থেকে দেশের পাঁচটি ভারতীয় ভিসা আবেদন কেন্দ্র (আইভ্যাক)-এ আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হয়। সোমবার ছিল আবেদনপত্র জমা নেওয়ার প্রথম দিন। আর প্রথম দিনেই রাজধানীর যমুনা ফিউচার পার্কে অবস্থিত আইভ্যাক কেন্দ্রে আবেদনকারীদের দীর্ঘ সারি দেখা যায়। সকালের প্রথম প্রহর থেকেই অনেক আবেদনকারী ভিসা আবেদন জমা দিতে কেন্দ্রের সামনে ভিড় করেন। দীর্ঘদিন পর পর্যটন ভিসা চালু হওয়ায় আবেদনকারীদের মধ্যে স্বস্তি ও উচ্ছ্বাস লক্ষ্য করা যায়। এর আগে গত বৃহস্পতিবার যমুনা ফিউচার পার্কে অবস্থিত ভারতীয় ভিসা আবেদন কেন্দ্র পরিদর্শনকালে বাংলাদেশে নবনিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য পুনরায় ট্যুরিস্ট ভিসা চালুর ঘোষণা দেন। উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট বাংলাদেশে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর নিরাপত্তাজনিত কারণ দেখিয়ে ভারত নিয়মিত ভিসা ইস্যু স্থগিত করে। এরপর সীমিত পরিসরে মেডিকেল, বিজনেস ও স্টুডেন্ট ভিসা চালু থাকলেও পর্যটন ভিসা সম্পূর্ণ বন্ধ ছিল। ভারতের নতুন হাইকমিশনার দায়িত্ব গ্রহণের পর সেই অচলাবস্থার অবসান হলো। প্রাথমিকভাবে ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, সিলেট ও খুলনার আইভ্যাক কেন্দ্রে ট্যুরিস্ট ভিসার আবেদন গ্রহণ করা হচ্ছে। পর্যায়ক্রমে দেশের অন্যান্য কেন্দ্রেও এ সেবা চালু করা হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

উৎসবের জুতা

উৎসবের জুতা

ঈদ মানেই নতুন পোশাক, নতুন সাজ আর আনন্দের দিন। নতুন পোশাকের সঙ্গে মানানসই জুতা না হলে পুরো সাজটাই যেন অসম্পূর্ণ থেকে যায়। তাই ঈদের কেনাকাটার তালিকায় পোশাকের পাশাপাশি জুতাও গুরুত্বপূর্ণ জায়গা দখল করে থাকে। তবে শুধু দেখতে সুন্দর হলেই চলবে না-ঈদের জুতা হতে হবে আরামদায়ক, টেকসই এবং পোশাকের সঙ্গে মানানসই। আরামই হোক প্রথম শর্ত ঈদের দিনে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত বিভিন্ন জায়গায় যাওয়া-আসা, আত্মীয়স্বজনের বাসায় বেড়ানো কিংবা বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা-সব মিলিয়ে অনেক সময় জুতা পায়ে থাকে। তাই ঈদের জুতা কেনার সময় আরামকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিতে হবে। নরম সোল, হালকা ওজন এবং ভালো ফিটিংয়ের জুতা হলে দীর্ঘ সময় পরেও পায়ে অস্বস্তি হবে না। পোশাকের সঙ্গে মিল ঈদের পোশাকের রং ও ডিজাইনের সঙ্গে জুতার মিল থাকা জরুরি। ছেলেদের পাঞ্জাবি-পায়জামার সঙ্গে লোফার, নাগরা বা স্যান্ডেল ভালো মানায়। অন্যদিকে মেয়েদের শাড়ি, সালোয়ার-কামিজ বা ফিউশন পোশাকের সঙ্গে হিল, কিটেন হিল বা স্টাইলিশ স্যান্ডেল বেশ মানানসই। বর্তমানে মিনিমাল ডিজাইনের জুতা বেশ জনপ্রিয়, যা প্রায় সব ধরনের পোশাকের সঙ্গেই মানিয়ে যায়। আবহাওয়ার কথাও ভাবুন ঈদ অনেক সময় গরমের সময় পড়ে। তাই এমন জুতা নির্বাচন করা ভালো যাতে পা ঘেমে না যায়। খোলা ডিজাইনের স্যান্ডেল বা বাতাস চলাচল করতে পারে এমন উপকরণের জুতা হলে আরাম বেশি পাওয়া যায়। মানসম্মত উপকরণ জুতা কেনার সময় শুধু ডিজাইন নয়, উপকরণের দিকেও নজর দিতে হবে। ভালো মানের চামড়া বা টেকসই কৃত্রিম উপকরণের জুতা হলে তা দীর্ঘদিন ব্যবহার করা যায়। সোল শক্ত হলেও যেন খুব শক্ত না হয়, আবার খুব নরমও না হয়-এমন ভারসাম্যপূর্ণ জুতা বেছে নেওয়াই ভালো। ট্রেন্ডি জুতা এখনকার ফ্যাশনে অতিরিক্ত ভারী বা জটিল ডিজাইনের জুতার চেয়ে হালকা, পরিষ্কার ডিজাইনের জুতা বেশি জনপ্রিয়। নিউট্রাল রং যেমন-কালো, বাদামি, বেইজ বা সোনালি-সহজেই বিভিন্ন পোশাকের সঙ্গে মানিয়ে যায়। তাই অনেকেই এখন এমন জুতা বেছে নিচ্ছেন যা ঈদের পরেও নিয়মিত ব্যবহার করা যায়। সঠিক সাইজ নিশ্চিত করুন অনেকে তাড়াহুড়ো করে জুতা কিনে পরে বুঝতে পারেন সাইজ ঠিক হয়নি। তাই কেনার সময় অবশ্যই জুতা পায়ে পরে দেখে নেওয়া উচিত। খুব টাইট বা খুব ঢিলা জুতা দুইটাই সমস্যার কারণ হতে পারে। সব মিলিয়ে ঈদের জুতা হওয়া উচিত স্টাইলিশ, আরামদায়ক ও ব্যবহার উপযোগী। কারণ ঈদের আনন্দ যেন অস্বস্তিকর জুতার কারণে ম্লান না হয়ে যায়। সঠিক জুতা বেছে নিতে পারলে ঈদের সাজও হবে পরিপূর্ণ, আর দিনটাও কাটবে স্বাচ্ছন্দ্যে ও আনন্দে। ফ্যাশন প্রতিবেদক

শিশুর স্বাচ্ছন্দ্য

শিশুর স্বাচ্ছন্দ্য

ঈদের উৎসব প্রতিটি শিশুর কাছে অনেক রঙিন। রোজার শুরু থেকেই তাদের ঈদ নিয়ে থাকে নানা জল্পনা-কল্পনা। বন্ধুদের মধ্যে হয় উৎসবমুখর কথোপকথন। কে কয়টা ড্রেস কিনল, কীভাবে সাজবে এমন অনেক কিছু। সকাল, দুপুর ও রাতের পোশাকের সঙ্গে সাজ ও গহনা এক্সেসরিজের বিষয়ে বর্তমানে বড়দের থেকে ছোটরা  বেশি স্মার্ট ও সচেতন। আর তাদের বায়না পূরণ করতে বাবা-মায়েরা ছুটছে বিভিন্ন শপিং মল ও মার্কেটে। প্রকৃতির বদলের খেলায় বাড়ছে তাপদাহ। তাই পরিবর্তন আসেেছ পোশাকেও। বিশেষ করে এই সময়ে সবচেয়ে বেশি ভাবতে হয় বাড়ির শিশুদের নিয়ে। কেননা গরমে শিশুর পোশাক কেমন হবে, কী ধরনের পোশাক শিশুদের জন্য আরামদায়ক হবে। এসব ভাবনা চলে আসে প্রকৃতির রূপ বদলের সঙ্গে সঙ্গে। এ কারণে আমাদের দেশীয় ফ্যাশন হাউসগুলোও এ সময়ে শিশুদের জন্য তৈরি করে ফ্যাশনেবল সব আরামদায়ক পোশাক। বাজার ঘুরে দেখা গেল, বিভিন্ন রং ও নকশায় অলঙ্কৃত করা হয়েছে শিশুদের পোশাক। প্রায় সব মার্কেট আর ফ্যাশন হাউসে এখন মিলবে শিশুদের জন্য সুতির পোশাক। ভয়েল, সুইস ভয়েল, আদ্দি, ভিসকস, মিক্সড ভয়েল, বেক্সি ভয়েলসহ নানারকম সুতি কাপড়ে তৈরি হচ্ছে কোমলমতিদের পোশাক। এ ছাড়া কটনের সঙ্গে ফেব্রিক দিয়েও তৈরি হচ্ছে পোশাক। বাজারে আছে সুতি, লিনেন ও গেঞ্জি কাপড়ের বিভিন্ন ডিজাইনের পোশাক। আরামদায়ক উপকরণ হিসেবে ডিজাইনাররা বেছে নিয়েছেন সুতি, গ্যাবার্ডিন, লিনেন ও নরম জিন্স এর মতো নরম কাপড়। শিশুরা যেহেতু বেশি ছোটাছুটি করে তাই ঘাম হয় বেশি। এ কারণে গরমকালে শিশুদের পোশাক নির্বাচনে সুতির কাপড় বেছে নিতে হবে। বিভিন্ন ধরনের ভয়েল, পাতলা তাঁত কাপড়ও আরামদায়ক। গরমে যেসব কাপড় তাপ শোষণ করে কম এমন হালকা রঙের পোশাক যেমন আকাশি, হালকা সবুজ, গোলাপি, সাদা, ধূসর, বাদামি ইত্যাদির ওপর রঙিন ছাপা বা প্রিন্টের পোশাক বেছে নিতে পারেন। এতে শিশুদের দেখতে বেশ ভালো লাগে। তবে তারা যেহেতু খেলাধুলা বা ছোটাছুটি করে বেশি, তাই রঙিন পোশাক পরাতে চাইলে ব্লক বা বাটিকের পাতলা সুতি পোশাক বেছে নিতে পারেন। এছাড়াও শিশুদের জন্য ছোট বা মাঝারি প্রিন্টের পোশাক বেশি মানানসই। ফুল, পাতা, পাখি, জ্যামিতিক নকশা বা বল প্রিন্টের পোশাকও পরাতে পারেন। এতে শিশুদের প্রাণবন্ত ও উচ্ছল লাগে। তবে শিশুদের জন্য যে ধরনের পোশাকই নির্বাচন করা হোক না কেন, তা যেন খুব বেশি আটসাঁট না হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। বাতাস চলাচল করতে পারে এমন ঢিলেঢালা পোশাক শিশুদের জন্য বেশি উপযোগী। ছেলে ও মেয়ে শিশুদের পোশাকে খুব একটা পার্থক্য দেখা যায় না বললেই চলে। ছেলেদের জন্য আছে ঢিলেঢালা গেঞ্জি, টি-শার্ট, ফতুয়া, নিমা, হাফ-প্যান্ট ও থ্রি-কোয়ার্টার প্যান্ট, ট্রাউজার, ফুল-প্যান্ট। মেয়েদের জন্য এসব ছাড়াও পাওয়া যাচ্ছে নানারকম ডিজাইনের ফ্রক, লেহেঙ্গা, সালোয়ার-কামিজ, স্কার্ট, টপস, প্লাজো, শার্ট, টি-শার্ট, পোলো টি-শার্ট ইত্যাদি। এক ডিজাইনার বলেছেন, ‘আমরা সবসময়ই বাংলাদেশের আবহাওয়ার কথা মাথায় রেখে কাপড় বেছে নেই। গরমে শিশুদের পোশাকটা যেন স্বাচ্ছন্দ্যময় হয়। সোনামণিদের পোশাকে প্যার্টানের দিক থেকে রয়েছে লিল্যাকজিন সিস্টেম যেমন প্রয়োজনে পোশাকটি ছোট-বড় করা যাবে এবং ঢিলেঢালা হলে টাইট করে নিতে পারবেন।’ কোথায় পাবেন লা রিভ, টুয়েলভ, আড়ং, রঙ বাংলাদেশ, বিশ্বরঙ, কে ক্র্যাফট, অঞ্জন’স, মেনজ ক্লাব, সীমান্ত স্কয়ার, বসুন্ধরা সিটি, যমুনা ফিউচার পার্কসহ বিভিন্ন শপিং মল ও মার্কেটে পাবেন শিশুর আরামদায়ক পোশাক। দাম পড়বে ৫০০ থেকে ৩০০০ টাকার মধ্যে। একটু কম দামের জন্য বেছে নিতে পারেন রাজধানীর নিউমার্কেট, নুরজাহান মার্কেট, বঙ্গবাজার, মৌচাক মার্কেট, তালতলা মার্কেট। গ্যাবার্ডিন ও জিনসের প্যান্টগুলোর দাম পড়বে ৩০০ থেকে ১০০০ টাকার মধ্যে।