ঢাকা, বাংলাদেশ   শনিবার ০২ মার্চ ২০২৪, ১৭ ফাল্গুন ১৪৩০

মধ্যপ্রাচ্যে বাংলাদেশী নারী নির্যাতন

মধ্যপ্রাচ্যে বাংলাদেশী নারী নির্যাতন

মধ্যপ্রাচ্য থেকে যে রেমিটেন্স দেশে আসে সেখানে নাকি নারী শ্রমিকের বেতন-মজুরি তার পুরুষ সহকার্মীর  চাইতে বেশি। কিন্তু তার বিনিময়ে প্রবাসী বাঙালি নারীকে কত যে খেসারত দিতে হয় সেটা লোকচক্ষুর আড়ালেই থেকে যায়। তেমন ভুক্তভোগী নারী শ্রমিক যতক্ষণ না জীবিত বা মৃত অবস্থায় দেশে ফিরে আসেন। একসময়ের ঘরবন্দি নারীরা প্রচলিত সমাজ সংস্কারকে পেছনে ফেলে অসম সাহসিকতায় গৃহের সীমাবদ্ধ আলয় থেকে সম্প্রসারিত বিশ্বে পা বাড়ায় সেখানেই প্রচ্ছন্ন হয়ে থাকে নির্ভীক এক অনমনীয় চেতনা। নি¤œবিত্তের সাধারণ ঘরের অভিবাসী নারী শ্রমিকের বিদেশে কতখানি ঝুঁকিপূর্ণ জীবন তা আন্দাজও করতে পারে না

লাইফস্টাইল বিভাগের সব খবর

ফেব্রুয়ারিতে কে ক্র্যাফট

ফেব্রুয়ারিতে কে ক্র্যাফট

অমর একুশের চেতনা আমাদের সংস্কৃতিতে এতটাই গভীর যে বহু বছর ধরেই এই দিনে নানা আয়োজনের সঙ্গে পোশাকেও ধারণ করা হয় একুশের শোক, শ্রদ্ধা ও গৌরবগাথা বিষয়গুলো। প্রতি বছরের মতোই কে ক্র্যাফট পূর্ণ মর্যাদা ও শ্রদ্ধার সঙ্গে এই দিনটি উপলক্ষে বিশেষ পোশাকের সংগ্রহ নিয়ে এসেছে।     এবারের নকশা অনুপ্রেরণায় বর্ণ ও শব্দ মালার বিন্যাস, ফুলেল ও জ্যামিতিক নিয়ে সৃজনশীল অলঙ্করণে তৈরি হয়েছে শাড়ি, সালোয়ার-কামিজ, কুর্তি, লং কুর্তি, পাঞ্জাবি, শার্ট, টিশার্ট। শিশুদের জন্য রয়েছে- সালোয়ার-কামিজ, কুর্তি, টপস পাঞ্জাবি ও শার্ট।      পরিবারের সকলের উপযোগী পোশাক এবং যুগল পোশাকসহ একুশের আয়োজন কে ক্র্যাফটের সকল বিক্রয় কেন্দ্র ছাড়াও অনলাইন শপ শধুশৎধভঃ.পড়স এবং ফেসবুক পেজ থেকে অর্ডার করা যাবে।

রঙ বাংলাদেশের আয়োজন

রঙ বাংলাদেশের আয়োজন

প্রতি বছর ফেব্রুয়ারির একুশ তারিখে পালন করা হয় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। এমনকি হৃদয়ের গভীর থেকে পোশাকের ক্যানভাসেও ডিজাইন হিসেবে উঠে আসে একুশে ফেব্রুয়ারি। অমর একুশ সামনে রেখে ভাষার মাসে দেশের শীর্ষস্থানীয় ফ্যাশন হাউজ রঙ বাংলাদেশ একুশের সংগ্রহ সাজিয়েছে গ্রীক মিথোলজির ফোর এলিমেন্টস এর মাটি বা আর্থ, ভাষার অনুষঙ্গ অক্ষর, কলম ও দৈনিক পত্রিকার থিম দিয়ে। মূল রং সাদা, কালো আর অ্যাশ এর সঙ্গে একুশে সংগ্রহে আরও যোগ করা হয়েছে লাল।  রঙ বাংলাদেশের ঢাকা ও ঢাকার বাহিরের সকল আউটলেটেই পাওয়া যাচ্ছে একুশ উৎসবের আয়োজন। এছাড়া অনলাইন প্ল্যাটফর্মে একুশ আয়োজনের পণ্য ক্রয়ে ভিজিট করুন www.rang-bd.com  অথবা রঙ বাংলাদেশের ফেসবুক পেজ www.facebook.com/rangbangladesh। যে কোনো প্রয়োজনে যোগাযোগ করুন রঙ বাংলাদেশের হোয়াটস্ অ্যাপ সংবলিত ০১৭৭৭৭৪৪৩৪৪ ও ০১৭৯৯৯৯৮৮৭৭ হটলাইনে।

টাঙ্গাইল শাড়ির ঐতিহ্য

টাঙ্গাইল শাড়ির ঐতিহ্য

একটি জাতির সাংস্কৃতিক অধিকার-ওই জাতিকে বিশ্ব পরিমণ্ডলে এক স্বাতন্ত্রিক বৈশিষ্ট্য নিয়ে মাথা উঁচু করে পথ চলতে অবিশ্রাম সহায়তা করে। জাতি হিসেবে বাঙালিও সেই সত্তাকে ধারণ করে হাজার বছর ধরে পথ চলছে। এই চলতি পথে যুগে যুগে বাংলাদেশ বহুমাত্রিক সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের পালক ভরেছে উজ্জ্বল মুকুটে। সেই গৌরবময় পালকেরই একটি হলো অনুপম টাঙ্গাইল শাড়ির অভিযোজন। গত প্রায় আড়াই শতাব্দীকাল ধরে বাংলাদেশের টাঙ্গাইল জেলার দেলদুয়ারের পাথবাইলের বিনিদ্র গ্রামে অসংখ্য বসাক পরিবার হস্তচালিত তাঁতে সুতি ও সিল্কের সুতোয় এক প্রকার চমৎকার নকশাদার শাড়ি বুনন করে বাজারজাতের উদ্যোগ গ্রহণ করে। যা এক সময় টাঙ্গাইলের শাড়ি হিসেবে ব্যাপক খ্যাতি লাভ করে। টাঙ্গাইলের এই তাঁতের শাড়ি শুরুতেই সারাদেশে বিপুলভাবে সমাদৃত হয়। সেই থেকে অদ্যাবধি টাঙ্গাইলের শাড়ি স্বকীয় ঐতিহ্য ধারণ করে নিজস্ব এক সাংস্কৃতিক রূপরেখা এঁকে নেয় অবয়বে। চমৎকার ফ্যাশনের ডিজাইন, মান, রঙ ও গুণসম্পন্ন এবং সহনীয় দামের এই টাঙ্গাইল বাঙালি রমণীদের কাছে যুগ যুগ ধরে জনপ্রিয়তার শীর্ষস্থান অধিকার করে আছে। এই শাড়ি তৎকালীন ভারতবর্ষের এক অমিয় সাংস্কৃতিক সম্পদে পরিগণিত হয়। অতঃপর ১৯৪৭-এর দেশভাগের পর এই টাঙ্গাইল শাড়ি প্রস্তুতের ক্ষেত্রে ছন্দ কেটে যায়। টাঙ্গাইলের বসাক পরিবারের অনেকে পশ্চিমবঙ্গে চলে যায়। যারা তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে থেকে যান তারাই নতুন উদ্যমে টাঙ্গাইল শাড়ি প্রস্তুত বাজারজাত করার বিষয়ে অধিক মনোযোগী হয়ে ওঠেন। এই পথচলায় আসে বাঙালির স্বাধিকার আন্দোলন এবং অব্যবহিত পরে যা জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে স্বাধীনতা আন্দোলনে রূপ নেয় এবং ১৯৭১-এর ১৬ ডিসেম্বর সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের মধ্যদিয়ে বাঙালি পায় স্বাধীন একং সার্বভৌম রাষ্ট্র বাংলাদেশ। যুদ্ধ বিধ্বস্ত বাংলাদেশে যখন সবকিছু নতুন করে সূচনার পথে পা বাড়ায়। এই শুভ সূচনায় শামিল হয় টাঙ্গাইলের তাঁতশিল্পও।   দেশের তাঁতশিল্পে জোয়ার বইয়ে দেওয়ার এক উদ্যোগ নেয় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। তারই ধারাবাহিকতায় আশির দশকে এসে টাঙ্গাইল শাড়ির হৃতগৌরব সর্বস্তরে ছড়িয়ে দিতে ঢাকার বেইলি রোডে স্থাপিত হয় টাঙ্গাইল শাড়ি কুটির। যার স্বত্বাধিকারী বিশিষ্ট সংস্কৃতিমনা মানুষ মুনিরা এমদাদ।