ঢাকা, বাংলাদেশ   মঙ্গলবার ১৪ জুলাই ২০২৬, ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩

বিনোদন বিভাগের সব খবর

লক্ষ্মণের ছবিতে হৃতিক

লক্ষ্মণের ছবিতে হৃতিক

‘ছাভা’ ছবির সাফল্যের পর পরিচালক লক্ষ্মণ উতেকর এখন ব্যস্ত তাঁর আগামী ছবি ‘ইঠা’ নিয়ে। শ্রদ্ধা কাপুর অভিনীত এই ছবির প্রচার পর্ব চলছে পুরোদমে। শোনা যাচ্ছে, এরপর লক্ষ্মণ কাজ করবেন অভিনেতা হৃতিক রোশনের সঙ্গে। ইতিমধ্যে হৃতিককে ছবির প্রস্তাব দিয়েছেন পরিচালক। সূত্রের খবর,হৃতিক অবশ্য কিছুই নিশ্চিত করেননি। ‘কৃষ ৪’ ছবির প্রি প্রোডাকশন নিয়েই বর্তমানে ভাবনা চিন্তা করছেন অভিনেতা। এই ছবির হাত ধরেই পরিচালনায় হাতেখড়ি হতে চলেছে তাঁর। সে কারণে আপাতত ‘কৃষ ৪’ নিয়েই মগ্ন থাকতে চান তিনি। নতুন ছবির বিষয়ে অভিনেতা এখনও সিদ্ধান্ত নেননি। পাশাপাশি লক্ষ্মণ হৃতিককে কী ধরনের চরিত্রে ভেবেছেন, তা জানা যায়নি। হৃতিক কি লক্ষ্মণের প্রস্তাব গ্রহণ করবেন, এ বছরের মধ্যেই তা জানা যাবে বলে খবর।

মিউজিক্যাল ফিল্মে চমক

মিউজিক্যাল ফিল্মে চমক

ঈদুল ফিতরের জন্য নির্মিত হয়েছে মিউজিক্যাল ফিল্ম ‘প্রেমের গল্প’। এতে অভিনয় করেছেন ছোটপর্দার অভিনেত্রী রুকাইয়া জাহান চমক। তার সঙ্গে রয়েছেন চিত্রনায়ক জিয়াউল হক রোশান। এর মাধ্যমে পর্দায় প্রথমবার জুটি হয়েছেন তারা। ভালোবাসার আবেগ, আকুলতা আর হৃদয়ের গভীর অনুভূতিকে ঘিরে নির্মিত এই মিউজিক্যাল ফিল্মটি পরিচালনা করেছেন মাহিন আওলাদ। প্রেমের গল্প গানে কণ্ঠ দিয়েছেন দিলশাদ নাহার কনা ও শেইখ লিমন। গানটির কথা, সুর ও সংগীতায়োজন করেছেন আভরাল সাহির। প্রযোজনা করেছে সান প্রোডাকশন হাউস। শুটিং হয়েছে সুনামগঞ্জের নীলাদ্রি ও তাহিরপুরের মনোরম লোকেশনে।  কাজটি প্রসঙ্গে অভিনেত্রী চমক বলেন, গানের সঙ্গে মিল রেখে দুর্দান্ত ভিডিও বানিয়েছেন মাহিন আওলাদ ভাই, আমার চরিত্রটি অনেক চ্যালেঞ্জিং ছিল। এই টাইপের চরিত্র আগে কখনো করা হয়নি, যেটি দেখলে দর্শকরা বুঝবে। পুরো টিম কাজটির জন্য অনেক কষ্ট করেছে। আমার বিশ্বাস আপনাদেরও সবার ভালো লাগবে এবং সবার মনে দাগ কেটে যাবে। জিয়াউল রোশান বলেন, গানটি যখন শুনলাম খুবই ভালো লেগেছে। পাশাপাশি পরিচালক মাহিন আওলাদ ভাই যখন ভিডিওর প্ল্যানটা শেয়ার করল আমার ভীষণ ভালো লেগেছে, মনে হলো আমার করা উচিত। এখানে আমার চরিত্রটি ভিন্ন ঘরানার। চরিত্রটির জন্য নিজের লুক অনেকটাই চেঞ্জ করেছি। আশা করছি দর্শকরা আমাকে নতুনভাবে চিনবে। কণ্ঠশিল্পী কনার ভাষ্যমতে, গানটির অংশ হতে পেরে ভালো লাগছে এবং আভরাল সাহির গানটি দারুণ বানিয়েছেন। আশা করছি গানটি সবার হৃদয়ে দোলা দেবে। এই ব্যয়বহুল মিউজিক্যাল ফিল্মটি সান প্রোডাকশন হাউসের অফিসিয়াল ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশ পাবে ঈদের দিন সন্ধ্যায়। এদিকে কয়েক বছর ধরেই বেছে বেছে অভিনয় করছেন চমক। সম্প্রতি চরকিতে মুক্তি পাওয়া তার ‘টিফিন বক্স’ প্রশংসা কুড়িয়েছে। ইদানীং কনটেন্ট ক্রিয়েটর হিসেবে ইনফো-ডকুমেন্টারি সিরিজ ‘ডিসকভারিং বাংলাদেশ উইথ চমক’ নিয়েই এখন তার ব্যস্ততা।

হারানো দিনের গানে সাবিনা ইয়াসমিন

হারানো দিনের গানে সাবিনা ইয়াসমিন

বাংলাদেশের চলচ্চিত্র ইতিহাসে অবিস্মরণীয় এবং তুমুল জনপ্রিয় গান ‘এই মন তোমাকে দিলাম’। কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী সাবিনা ইয়াসমিন গানটি গেয়েছিলেন ১৯৮২ সালে মুক্তি পাওয়া ‘মানসী’ সিনেমার জন্য। গানটি আজও জড়িয়ে আছে দেশের মানুষের অনুভূতিতে। দীর্ঘ ৪৪ বছর পর সেই গানটি আবার সিনেমার জন্য গাইলেন সাবিনা ইয়াসমিন। গানটির নতুন সংগীতায়োজনে স্থান পাচ্ছে ‘দম’ সিনেমায়।   ‘এই মন তোমাকে দিলাম’ গানটির কথা লিখেছেন কিংবদন্তি গীতিকার গাজী মাজহারুল আনোয়ার এবং সুর করেছেন আনোয়ার পারভেজ। ‘দম’ সিনেমার জন্য নতুন করে নির্মিত গানটির শিরোনামও ‘এই মন তোমাকে দিলাম’। তবে এতে যুক্ত হয়েছে নতুন কিছু কথা, যা লিখেছেন তন্ময় পারভেজ। তাতে সংগীত পরিচালনা করেছেন আরাফাত মহসীন নিধি।  ১১ মার্চ দুপুরে রাজধানীতে একটি স্টুডিওতে হয় গানটির রেকর্ডিং। এই নতুন সংস্করণে সাবিনা ইয়াসমিনের সঙ্গে কণ্ঠ দিয়েছেন মোমিন বিশ্বাস। রেকর্ডিংয়ের ফাঁকে নিজের প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে সাবিনা ইয়াসমিন বলেন, নতুন এই গানটা আমার ভালো লেগেছে বলেই কাজটা করছি। তাছাড়া নতুনদের সঙ্গে কাজ করতে আমার খুব ভালো লাগে। রেকর্ডিং শেষে তিনি ‘দম’  সিনেমার অভিনয়শিল্পী আফরান নিশো ও পূজা চেরীর অভিনয়েরও প্রশংসা করেন এবং সিনেমাটির সংশ্লিষ্টদের শুভেচ্ছা জানান এই শিল্পী। সিনেমায় গানটি ব্যবহারের প্রাসঙ্গিকতা নিয়ে নির্মাতা রেদওয়ান রনি বলেন, ‘দম’ বাংলাদেশী গল্পের সিনেমা, সাধারণ মানুষের জ্বলে ওঠার সিনেমা, ইমোশনাল সিনেমা। আমরা সিনেমায় এমন একটা গান রাখতে চেয়েছি, যেটা সব রকম অনুভূতিকে স্পর্শ করে। ‘এই মন তোমাকে দিলাম’ গানটা এখন আর শুধু একটা গান না, এর সঙ্গে একটা জাতির অনুভূতি, ভালোবাসা, স্মৃতি, আনন্দ-বেদনা জড়িয়ে আছে। ‘দম’ সিনেমাটাও এমন! যে গল্পটা দর্শকদের নানা রকম অনুভূতিকে স্পর্শ করে যাবে। নির্মাতা আরও জানান, গাজী মাজহারুল আনোয়ারের ছেলে সরফরাজ আনোয়ার উপল এবং মেয়ে দিঠি আনোয়ার অত্যন্ত আনন্দের সঙ্গে সিনেমাটিতে গানটি ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছেন, গান রেকর্ডিংয়ের সময় তারা উপস্থিত ছিলেন এবং পুরো টিমের জন্য শুভকামনা জানিয়েছে।

ঈদে মুক্তির মিছিলে ছয় সিনেমা

ঈদে মুক্তির মিছিলে ছয় সিনেমা

ঈদ মানেই আনন্দ। আর এই আনন্দের অন্যতম অনুষঙ্গ নতুন নতুন সিনেমা। ঈদের সময় আত্মীয়পরিজন ও কাছের মানুষদের নিয়ে হলে গিয়ে সিনেমা দেখার আনন্দটাই অন্যরকম। এ সময় সিনেমা হল মালিকরাও নতুন সিনেমা দর্শককে উপহার দেওয়ার জন্য প্রেক্ষাগৃহকে ঘষেমেজে ঝকঝকে রাখার চেষ্টা করে। তবে এটাই বাস্তব ঈদকেন্দ্রিক হয়ে পড়েছে ঢাকাই চলচ্চিত্র। সারাবছর খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে চললেও ঈদ মৌসুমে চাঙা হয়ে ওঠে সিনেমাপাড়া। এবার ঈদুল ফিতরের ছবি নিয়ে ইতোমধ্যে চলচ্চিত্র পাড়ায় আলোচনার ঝড় বইছে। ঢাকার চলচ্চিত্র বাজারে এখন একটাই আলোচনা, ঈদের ছবি। কোন্ ছবি আসছে, কোন্টা আসবে না- এসব নিয়েই জল্পনা-কল্পনা। এ বছরও উত্তেজনাপূর্ণ লড়াই অপেক্ষা করছে। এরই মধ্যে ঈদের সিনেমার টিজার, ট্রেলার, গান নিয়ে জমজমাট সিনেমাপাড়া। রোজার মাসের প্রথমদিকে আলোচনায় ছিল ১৬টি সিনেমা। দর্শকমহলে প্রশ্ন উঠেছিল, শেষ পর্যন্ত কয়টি সিনেমা প্রেক্ষাগৃহে আলোর মুখ দেখবে? এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত পবিত্র ঈদুল ফিতরে মুক্তির জন্য প্রস্তুত ছয়টি ছবি। এগুলো হচ্ছে- ‘প্রিন্স, ওয়ান্স আপন আ টাইম ইন ঢাকা’, ‘দম’, ‘প্রেশার কুকার’, ‘বনলতা এক্সপ্রেস’, ‘রাক্ষস’ ও ‘পিনিক’।  ‘প্রিন্স : ওয়ান্স আপন আ টাইম ইন ঢাকা’  সিনেমার কেন্দ্র বিন্দুতে রয়েছেন ঢাকার মেগাস্টার শাকিব খান ও অভিনেত্রী তাসনিয়া ফারিণ। আবু হায়াত মাহমুদের এ সিনেমায় তাকে নব্বইয়ের দশকের গ্যাংস্টার রূপে দেখা যাবে। এ ছবিতে আরও দেখা যাবে জ্যোতির্ময়ী কু-ু ও ইন্তেখাব দিনারকে। পরিচালক বলেন, দুই দশক ধরে ঈদের ছবির নাম্বার ওয়ান তারকা শাকিব খান। ইতোমধ্যে তার অভিনীত ‘প্রিয়তমা’, ‘তুফান’, ‘বরবাদ’, ‘তা-ব’ ভালো ব্যবসা করেছে। সেই ধারাবাহিকতায় আমরা আনছি ‘প্রিন্স’। দর্শক এই ছবিতেও নতুন এক শাকিবকে দেখতে পাবে। ভারত ও বাংলাদেশ মিলিয়ে ছবিটির শূটিং হয়েছে।

এই ঈদে তারিক আনাম খান

এই ঈদে তারিক আনাম খান

বাংলাদেশের নাটক ও চলচ্চিত্রের গুণী অভিনেতা, নির্মাতা তারিক আনাম খান। বাংলাদেশের অন্যতম নাট্যদল নাট্যকেন্দ্রর প্রতিষ্ঠাতা তিনি। ‘দেশা দ্য লিডার’ ও ‘আবার বসন্তে’ সিনেমায় জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত গুণী এই অভিনেতাকে ১৯ মার্চ থেকে হৈ চৈ ওটিটি প্ল্যাটফর্মে প্রচারে আসা ওয়েব ফিল্ম ‘একসাথে আলাদা’য় একজন অবসরপ্রাপ্ত আর্মি অফিসারের ভূমিকায় অভিনয়ে দেখা যাচ্ছে। এটি নির্মাণ করেছেন রেজাউর রহমান। এছাড়াও এই ঈদে তিনটি নাটকেও তারিক আনাম খানকে দেখা যেতে পারে। নাটকগুলো হচ্ছে শহীদ উন নবীর ‘ভূত শ্বশুর’, আশিকুর রহমানের ‘লিলিথ’ ও তাইফুর জাহান আশিকের ‘গুলনাহার’। তারিক আনাম খান বলেন,‘ এবারের ঈদ উপলক্ষে মূলত তিনটি নাটকে অভিনয় করেছি। তারমধ্যে ভূত শ্বশুর ও গুলনাহার কমেডি ঘরানার গল্পের নাটক।

সালমা বললেন বংশ একটা ফ্যাক্ট

সালমা বললেন বংশ একটা ফ্যাক্ট

মানুষ, বংশ আর টাকা-পয়সা নিয়ে নিজের মনের আবেগমাখা কিছু কথা শেয়ার করলেন কণ্ঠশিল্পী সালমা। স্পষ্ট ভাষায় বললেন, বংশ একটা ফ্যাক্ট! কথাগুলো নিজের অভিজ্ঞতা থেকে সবাইকে সচেতন করার জন্য বললেও এটি মূলত কাকে লক্ষ্য করে বলেছেন, সেটি স্পষ্ট করেননি এই লালনকন্যা। সালমা বলেন, নিজের টাকা পয়সা নিজের কাছে রাখুন। কাউকে নিজের ভেবে দিয়ে দিবেন না? নিজের স্বার্থ হাসিল করে আপনাকে চিনবে না। সমাজে এমন মানুষের অভাব নাই। মানুষের জন্য কিছু করলে তার অভাব হয় না। আল্লাহ দশ গুণ বাড়িয়ে দেয়। মনে রাখতে হবে বংশ একটা ফ্যাক্ট। সব মানুষ যেমন মানুষ না, ঠিক হাতের পাঁচটি আঙুল সমান না- যোগ করলেন সালমা। এরপর নিজের অভিজ্ঞতা টেনে বললেন, আমার এই ছোট জীবনে অনেক কিছুই শিখলাম। তাই প্রিয় মানুষদের বলি, ভাবিয়া করবেন কাজ। কিছু মানুষ জন্ম নেয় অন্যের ঘাড়ে পা দিয়ে নিজের ভাগ্য পরিবর্তন করার জন্য। সমাজে ভাব প্রকাশ করে, সে বিশাল কিছু অর্জন করেছে।  সেসব মানুষদের সচেতন করে দিয়ে সালমা বলেন, আসলে আসা আর যাওয়ার মাঝে জীবন। বাকি সব ফাঁকি। অনেক শক্তিশালী মানুষও একদিন দুর্বল হয়ে পড়ে। আপন ঠিকানায় সবাইকে ফিরতে হবে। এত ভাব নেওয়ার কিছুই নাই। এরপর তিনি যেন মনের জমানো ক্ষোভ উগরে দিলেন সেই ব্যক্তির প্রতি, যার কারণে তার এই অনুভূতি। সালমা বললেন, ‘যখন তোমার কেউ ছিল না, তখন ছিলাম আমি। এখন তোমার সব হয়েছে, পর হয়েছি আমি! হায়রে দুনিয়া।

স্টেডিয়ামে নজর কাড়লেন পূজা-নিশো

স্টেডিয়ামে নজর কাড়লেন পূজা-নিশো

আসছে ঈদে মুক্তি পেতে যাচ্ছে চিত্রনায়িকা পূজা চেরি ও বড় পর্দার তারকা আফরান নিশোর সিনেমা ‘দম’। এই ছবির প্রচারের অংশ হিসেবে সম্প্রতি মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে হাজির হয়েছিলেন এই দুই তারকা। গত রোববার বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যকার সিরিজ নির্ধারণী তৃতীয় ওয়ানডে ম্যাচ গ্যালারিতে বসে উপভোগ করেন তারা।  মিরপুরের সবুজ গ্যালারিতে সাধারণ ক্রিকেট সমর্থকদের সঙ্গেই খেলা দেখেন নিশো ও পূজা। এ সময় তাদের সঙ্গে ছিলেন প্রযোজক শাহরিয়ার শাকিলও। টেলিভিশনের ক্যামেরায় গ্যালারি থেকে যেমন তাদের উপস্থিতি নজর কাড়ে, তেমনি সামাজিক মাধ্যমে তাদের এই লুক আলোচনায় এসেছে।  তাদের পরনে ছিল সিনেমার প্রচারণা সংশ্লিষ্ট বিশেষ পোশাক। অভিনেতা আফরান নিশোকে কালো শার্ট ও চশমায় দেখ যায়, পূজা চেরি হাজির হয়েছিলেন মারুনি রঙের ফর্মাল স্যুটে। স্টেডিয়ামে দর্শকদের মাঝে তাদের উপস্থিতি গ্যালারিতে বাড়তি উন্মাদনার সৃষ্টি করে। খেলা দেখার পাশাপাশি ভক্তদের ভালোবাসাতেও সিক্ত হন তারা। পূজা চেরি নিজের ফেসবুক পেজে স্টেডিয়ামে কাটানো মুহূর্তের বেশকিছু ছবি শেয়ার করেছেন। এক পোস্টে তিনি লেখেন, টিম দমের সঙ্গে এই প্রথম স্টেডিয়ামে সরাসরি ক্রিকেট ম্যাচ দেখার অভিজ্ঞতা হলো। এছাড়া অন্য একটি পোস্টে অভিনেতা আফরান নিশোর সঙ্গে তোলা স্থিরচিত্র শেয়ার করে ক্যাপশনে শুধু সিনেমার নাম ‘দম’ এবং আগুনের ইমোজি জুড়ে দেন। ছবিগুলোতে তাদের বেশ প্রাণোচ্ছল ও ফুরফুরে মেজাজে দেখা গেছে।

ফেরদৌস ওয়াহিদ-বাপ্পির কণ্ঠে ‘ফাঁকি’

ফেরদৌস ওয়াহিদ-বাপ্পির কণ্ঠে ‘ফাঁকি’

দেশের পপ সংগীতের জীবন্ত কিংবদন্তি ফেরদৌস ওয়াহিদ এবার নিয়ে এলেন নতুন একটি গান। ‘ফাঁকি’ শিরোনামের এই বিশেষ গানে তাঁর সঙ্গে কণ্ঠ দিয়েছেন এ প্রজন্মের জনপ্রিয় পপ শিল্পী খন্দকার বাপ্পি। গানটি গতকাল সন্ধ্যায় খন্দকার বাপ্পি অফিসিয়াল ইউটিউব চ্যানেল থেকে প্রকাশ হয়েছে। মানুষের জীবনের চিরন্তন সত্য, সময়ের মূল্য এবং আত্মউপলব্ধির গল্প উঠে এসেছে এই গানে। ‘মন উজালা মন উতলা / খেলছো তুমি কিসের খেলা’ এমন জীবনমুখী ও অর্থবহ কথায় গানটি লিখেছেন গীতিকার তারেক আনন্দ। সুর ও সংগীত পরিচালনা করেছেন মেহেদী বাপন। গানটিকে কেন্দ্র করে নির্মিত হয়েছে একটি দৃষ্টিনন্দন মিউজিক ভিডিও। মডেল হয়েছেন জনপ্রিয় র‌্যাম্প মডেল ও কোরিওগ্রাফার বুলবুল টুম্পা। গান প্রসঙ্গে ফেরদৌস ওয়াহিদ বলেন, নতুনদের সঙ্গে কাজ করতে আমার সবসময় ভালো লাগে। ‘ফাঁকি’ গানের মাধ্যমে এ প্রজন্মের সঙ্গে দারুন মেলবন্ধন হলো। আশা করছি গানটি ভালো লাগবে সবার। গীতিকার তারেক আনন্দ বলেন, ফেরদৌস ওয়াহিদ আমাদের সংগীতের এক জাদুকরী নাম। তার চিরচেনা সেই দরাজ কণ্ঠের কথা মাথায় রেখেই ‘ফাঁকি’ গানের কথাগুলো সাজিয়েছি। বাপ্পির গায়কীও অসাধারণ। আশা করি, শ্রোতারা গানটির মাঝে জীবনের দর্শন খুঁজে পাবেন। খন্দকার বাপ্পি তাঁর অনুভূতি জানিয়ে বলেন, ‘ফেরদৌস ওয়াহিদ স্যারের মতো কিংবদন্তির সঙ্গে একই গানে কণ্ঠ দিতে পারা আমার সংগীত জীবনের অন্যতম বড় প্রাপ্তি। তাঁরুণ্যদীপ্ত সেই একই এনার্জি নিয়ে তিনি গানটি গেয়েছেন। গানটি শ্রোতারা পছন্দ করবেন।