ঢাকা, বাংলাদেশ   রোববার ১৯ মে ২০২৪, ৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিভাগের সব খবর

ফ্রিল্যান্সিংয়ে কয়েকটি দরকারি অ্যাপ

ফ্রিল্যান্সিংয়ে কয়েকটি দরকারি অ্যাপ

দেশের সবচেয়ে সম্ভাবনাময় খাতগুলোর অন্যতম এখন ফ্রিল্যান্সিং। তরুণদের বড় অংশেরই আগ্রহ রয়েছে এ খাতে। বিশেষ করে মহামারির দিনগুলোতে, সবাই যখন হোম কোয়ারেন্টাইনে তখন এ খাতের গুরুত্ব সবচেয়ে বেশি অনুভূত হয়। এছাড়া, এ সময় থেকে হোম অফিসের চাহিদাও দিন দিন বাড়ছে। এ অবস্থায় বাসায় বসে কাজ করতে হলে কিছু সরঞ্জামের প্রয়োজন পড়ে। আর সেই চাহিদা মেটাতে সহায়তা করতে পারে কয়েকটি অ্যাপ। বাসা থেকে কাজের সময় সহকর্মীদের থেকে দূরে থাকতে হয় বলে সহযোগিতা এবং যোগাযোগের বিষয়টিও বেশ কষ্টকর হয়ে ওঠে। তাই আপনার কর্মপ্রবাহ নির্বিঘ্ন এবং কার্যকর যোগাযোগ নিশ্চিত করতে অ্যাপগুলো সঠিকভাবে বাছাই করে নেওয়া জরুরি। চলুন, জেনে নেওয়া যাক ফ্রিল্যান্সিং বা হোম অফিসের জন্য সেরা কয়েকটি অ্যাপ সম্পর্কে। যেগুলো আপনার কর্মপ্রবাহকে যেমন সহজ করবে, তেমনি উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধিতেও সাহায্য করবে।

প্রযুক্তি প্রথমে ভয়ের জন্ম দেয়, পরে  সম্ভাবনা জাগিয়ে তোলে

প্রযুক্তি প্রথমে ভয়ের জন্ম দেয়, পরে সম্ভাবনা জাগিয়ে তোলে

টেক জায়ান্ট মাইক্রোসফটের প্রতিষ্ঠাতা বিল গেটস বরাবরই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) নিয়ে বেশ উৎসাহী এবং আশাবাদী। তার মতে, এই প্রযুক্তি আগামী ৫ বছরে আমাদের জীবন বদলে দেবে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার উত্থানের ফলে বিশ্বজুড়ে লাখ লাখ মানুষের চাকরি হারানোর ভয় জেগেছে। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) চলতি সপ্তাহের এক রিপোর্ট অনুযায়ী, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার কারণে সারাবিশ্বের প্রায় ৪০ শতাংশ চাকরি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। যদিও গেটস এই ধারণাকে পুরোপুরি উড়িয়ে দেন না। তবে তিনি বিশ্বাস করেন যে, ইতিহাসে যখনই কোনো নতুন প্রযুক্তি এসেছে তখনই সেগুলো নতুন কিছু ভয়ের জন্ম দিয়েছে। কিন্তু তারপরেই আবার নতুন নতুন সুযোগের দ্বার উন্মোচন করেছে সেই প্রযুক্তিগুলো।

৬টি নতুন ল্যাপটপ নিয়ে এসেছে আসুস বাংলাদেশ

৬টি নতুন ল্যাপটপ নিয়ে এসেছে আসুস বাংলাদেশ

বাংলাদেশে নতুন ল্যাপটপ নিয়ে এসেছে বিখ্যাত ব্র্যান্ড আসুস। গতকাল (মঙ্গলবার) রাজধানীর একটি হোটেল আনুষ্ঠানিক ভাবে ল্যাপটপগুলো বাজারে আনার ঘোষণা দেয় তাইওয়ানিজ ল্যাপটপ ব্র্যান্ড আসুস। এই আয়োজনে মোট ছয়টি নতুন ল্যাপটপের প্রদর্শনী করা হয়। প্রতিটি ল্যাপটপে রয়েছে অত্যাধুনিক সব ফিচার সাথে লেটেষ্ট কনফিগারেশন। আসুসের এই অভিনব সব ল্যাপটপে থাকছে এআই-রেডি ফিচার।   অনুষ্ঠানে আসুসের বিজনেস ডেভেলপমেন্ট ম্যানেজার এমডি আল ফুয়াদ বলেন, “বাংলাদেশে আসুসের ২০২৪ সালের নতুন ল্যাপটপগুলো আনতে পেরে আমরা আনন্দিত। আসুস বাংলাদেশ সবসময় নতুন কিছু আনার চেষ্টা করে। আমাদের ২০২৪ লাইনআপে আসুস এবং আরওজি-এই দু ধরনের ল্যাপটপে আছে বিশেষ সব ফিচার। আমরা বিশ্বাস করি এই ল্যাপটপগুলো গ্রাহকদের জন্য নতুন ধরনের অভিজ্ঞতা দিবে।” এই অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন আসুসের বিজনেস পার্টনার গ্লোবাল ব্র্যান্ড প্রাইভেট লিমিটেডের ম্যানেজিং ডিরেক্টর এমডি রফিকুল আনোয়ার এবং ডিরেক্টর জসিম উদ্দিন খন্দকার।   আসুসের ২০২৪ সালের উন্মোচিত ল্যাপটপের মধ্যে অন্যতম আকর্ষণ আর বহুল প্রত্যাশিত ডুয়াল-স্ক্রিন ল্যাপটপ জেনবুক ডুও, এবং জেনবুক ১৪ ওলেড। আরো থাকছে নতুন গেমিং ল্যাপটপ আরওজি জেফাইরাস জি১৪ ও জি১৬, স্ট্রিক্স স্কার ১৮ এবং স্ট্রিক্স জি১৬। জেনবুক ডুও ও জেনবুক ১৪ ওলেড দেশের বাজারে পাওয়া যাবে যথাক্রমে ২,৫২,০০০ টাকায়, ও ১,৬০,০০০ টাকায়। রিপাব্লিক অফ গেমারস জেফাইরাস সিরিজের ল্যাপটপ জি১৪ ও জি১৬ পাওয়া যাবে ২,৮০,০০০ থেকে ৩,৬২,০০০ টাকায়।  স্ট্রিক্স জি১৬ ও স্কার ১৮ পাওয়া যাবে যথাক্রমে ২,৫৬,০০০ ও ৫,৬০,০০০ টাকায়।   আসুসের নতুন যে ল্যাপটপগুলো বাজারে এসেছে

আসছে এআই শিশু!

আসছে এআই শিশু!

অভাবনীয় উন্নতি সাধন করেছে এআই বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা। প্রথমে প্রেমিক-প্রেমিকা ও পোষা প্রাণীর এআই সংস্করণ এসেছিল। এবার চীনের গবেষকরা ‘টং টং’ নামে এআই শিশু সৃষ্টি করেছেন! বেজিং ইনস্টিটিউট ফর জেনারেল আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স সেই ভার্চুয়াল চাইল্ডের উদ্ভাবক। ভার্চুয়াল শিশুটি স্বাভাবিক সংলাপ চালাতে সক্ষম। পাশাপাশি শিশুটি কনটেক্সট বা প্রেক্ষাপট বুঝতে এবং সংলাপের সময়ে সামঞ্জস্য বজায় রাখতেও সক্ষম। টং টংয়ের বৈশিষ্ট্য হলো, সে শিখতে, মানিয়ে নিতে এবং নিজের ভার্চুয়াল পরিবেশের সঙ্গে ভাবের আদান-প্রদান করতে পারে। এমনকি মানুষের আবেগ শনাক্ত করে প্রতিক্রিয়াও দেখাতে পারে। এক পরীক্ষায় তার সহজ কিছু ক্ষমতার পরিচয় মিলেছে। পড়ে যাওয়া তরল পরিষ্কার, বেঁকে যাওয়া ছবির ফ্রেম মেরামত বা উঁচু জায়গায় চেয়ার নিয়ে যাওয়ার কাজ সে করতে পারে অনায়াসে। মানুষের নির্দেশ ছাড়াই স্বতন্ত্রভাবে এমন কাজ চলছে। ডেভেলপারদের মতে, পুরোপুরি উন্নত এআই যদি কোনো প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের মতো হয়, তা হলে টং টংয়ের ক্ষমতা চার বছর বয়সী শিশুর সঙ্গে তুলনা করা যেতে পারে। তা ছাড়া শিশুর মতো চেহারার পেছনে অন্য কারণও রয়েছে। মানুষ অতি বুদ্ধিমান এআই শুনলে ভয় পায়, কিন্তু শিশুদের ভালোবাসে। প্রথমদিকে এআই শিশু একটু অদ্ভুত লাগতে পারে বটে, কিন্তু যাদের নিজস্ব সন্তান পাওয়ার উপায় নেই, তাদের জন্য সেটা একটা পথ হতে পারে। অথবা যে বাবা-মায়েরা সন্তান হারিয়েছেন, তারা হয়তো এভাবে শোকের মাত্রা কিছুটা কমাতে পারেন। যথেষ্ট তথ্য থাকলে তারা হয়তো হারানো শিশুর ডিজিটাল সত্তা সৃষ্টি করতে পারেন। কিন্তু এক্ষেত্রেও এআইর ভুলত্রুটি থেকে সুরক্ষার কথা ভাবতে হবে। যেমন আপনার এআই শিশু আচমকা নিজের ব্যক্তিত্ব বদলে ফেললে কেমন লাগবে ভাবুন তো? অথবা সে পুরোপুরি কাজ বন্ধ করে দিলেও আপনার আবেগে বড় ধাক্কা লাগতে পারে। তা ছাড়া স্বাধীনভাবে চিন্তা ও আবেগ সৃষ্টি করতে সক্ষম কোনো এআইর সঙ্গে সম্পর্কের বন্ধন গড়ে তোলার ক্ষেত্রে নানা প্রশ্ন উঠে আসে। -ইয়াহু নিউজ।