ঢাকা, বাংলাদেশ   বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ১৫ ফাল্গুন ১৪৩০

সাহিত্য

সাহিত্য বিভাগের সব খবর

কবি আবুবকর সিদ্দিক কবিতা ও কথাসাহিত্য

কবি আবুবকর সিদ্দিক কবিতা ও কথাসাহিত্য

বাংলা সাহিত্য-সংস্কৃতি জাগরণে বিংশ শতাব্দীর মধ্যগগন থেকে যে সকল মুক্তচিন্তার তেজস্বী বাস্তববাদী মানুষ বাংলা কাব্য সাহিত্য-সংস্কৃতি নিয়ে দেশও জাতির সংকটকালে অমিততেজে কাজ করেছেন, তাদেরই একজন বিপ্লবী চেতনার কবি, গণমানুষের ভাষ্যকর, কথাশিল্পী, আবুবকর সিদ্দিক (জ; ১৯ আগস্ট ১৯৩৬ মৃত্যু; ২৮ ডিসেম্বর ২০২৩)। দীর্ঘ ৮৭ বছরের যাপিত জীবনে, বলা যায় ৭০ বছর ধরে ছাত্রজীবন থেকে অধ্যাপনা জীবন, অবসর জীবনেও প্রগতিশীল সাংস্কৃতিকর্মী হিসেবে সাহিত্যে আধুনিক কাব্য, উপন্যাস, গল্প, প্রবন্ধ, সংগীত, স্মৃতিকথা লিখে নিজস্ব শিল্পস্বত্বায় দাঁড় করাতে সক্ষম হয়েছেন।

ছোটগল্পের শরীরতত্ত্ব ॥ সেকাল ও একাল

ছোটগল্পের শরীরতত্ত্ব ॥ সেকাল ও একাল

সন্দেহাতীতভাবেই বলা যায়, ছোটগল্প বাংলা সাহিত্যের একটি অন্যতম প্রধান জনপ্রিয় শাখা। যদিও এখন ধারণা করা হয়; ছোটগল্পের ধারাবাহিক ঐতিহ্য এবং জৌলুসের দিন আর নেই। আমি মনে করি, এই কথাটি যেমন পুরাপুরি সত্য নয়, তেমনি একেবারে মিথ্যাও নয়। এর মানে দাঁড়ায় আংশিক সত্য। আসলেও তাই। ছোটগল্পের যৌবন এখন অনেকাংশেই ম্রিয়মাণ। আগেকার মতোন শক্তিশালী ছোটগল্প লেখক যেমন এখন সংকট; তেমনি সংকট পাঠকের। অবশ্য লেখক এবং পাঠকের যোগসূত্রটি এখানে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। কারণ, পাঠক না থাকলে যেমন লেখক আগ্রহ হারাবেন; তেমনি ভালো মানের লেখক এবং মানসম্পন্ন লেখা না থাকলেও পাঠক আগ্রহ হারাবেন। তাই বলা যায়, বাংলা সাহিত্যে কবিতার মতো ছোটগল্পও এখন একটি ক্রান্তিকাল অতিক্রম করছে। একজন শখের কবি এবং কথাসাহিত্যিক হিসাবে আমি চাই, এই ক্রান্তিকাল আমাদেরকেই অতিক্রম করতে হবে। এর জন্য ভিনগ্রহ থেকে কেউ এসে আমাদের ভাষা ও সাহিত্যের ক্রান্তিলগ্ন কেউ দূর করে দিয়ে যাবে না।

‘কালি ও কলম’-এর একুশে পা

‘কালি ও কলম’-এর একুশে পা

২০০৪ সালে আত্মপ্রকাশ করেছিল সাহিত্য, শিল্প ও সংস্কৃতি বিষয়ক মাসিক সাহিত্য পত্রিকা কালি ও কলম। এই জানুয়ারিতে ২০ বছর পূর্ণ হলো এর। এ উপলক্ষে গতকাল থেকে শুরু হয়েছে তিন দিনব্যাপী ‘কালি ও কলম সাহিত্য সম্মেলন’।  ধানম-ির বেঙ্গল শিল্পালয়ে গতকাল উদ্বোধনী সন্ধ্যায় পত্রিকাটির বিশতম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর মোড়ক উন্মোচিত হয়। চিত্রশিল্পী ও ইমেরিটাস অধ্যাপক রফিকুন নবীর সভাপতিত্বে এ অধিবেশনে মূল বক্তব্য রাখেন ইমেরিটাস অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী। আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক মুনতাসীর মামুন, কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইমেরিটাস অধ্যাপক চিন্ময় গুহ এবং কথাসাহিত্যিক ইমদাদুল হক মিলন। আজ এবং আগামীকালের অনুষ্ঠান মোট ৭টি অধিবেশনে ভাগ করা হয়েছে। এসব অধিবেশনে অংশগ্রহণ করবেন প্রবীণ-নবীন সাহিত্যিক, শিল্পী ও বিশিষ্টজনেরা। সবার জন্য উন্মুক্ত এ অনুষ্ঠান কালি ও কলম-এর ফেসবুক পেইজে সরাসরি সম্প্রচার হচ্ছে। ‘কবিতা ও সাহিত্যÑ এসেছি কতদূর’ শীর্ষক আলোচনা অনুষ্ঠানে আজ মূল বক্তব্য রাখবেন কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইমেরিটাস অধ্যাপক চিন্ময় গুহ।