ঢাকা, বাংলাদেশ   শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪, ২৮ আষাঢ় ১৪৩১

রাজনীতি

রাজনীতি বিভাগের সব খবর

অগণতান্ত্রিক উপায়ে কখনো ক্ষমতায় যায়নি আওয়ামী লীগ

অগণতান্ত্রিক উপায়ে কখনো ক্ষমতায় যায়নি আওয়ামী লীগ

আওয়ামী লীগ কখনো অসাংবিধানিক ও অগণতান্ত্রিক উপায়ে ক্ষমতায় যায়নি বলে মন্তব্য করেছেন দলটির সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।  বৃহস্পতিবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি এমন মন্তব্য করেন। আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া স্বাক্ষরিত বিবৃতিতে ওবায়দুল কাদের বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মিথ্যা ও রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বিবৃতির নিন্দা এবং প্রতিবাদ জানান। ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আওয়ামী লীগ কখনো অসাংবিধানিক ও অগণতান্ত্রিক উপায়ে ক্ষমতায় যায়নি। আওয়ামী লীগ সব সময় গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় জনগণের ম্যান্ডেট নিয়ে ক্ষমতায় এসেছে। গত ৭ জানুয়ারি দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মধ্য দিয়ে জননেত্রী দেশরতœ শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করে। দেশের গণতান্ত্রিক ও সাংবিধানিক প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করার জন্য বিএনপি ও তার দোসররা সর্বদা তৎপর থেকেছে। এটা বিএনপির জন্মগত রাজনৈতিক লিগ্যাসি।’ এর কারণ ব্যাখ্যা করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, অবৈধ ও অসাংবিধানিক পন্থায় রাষ্ট্রক্ষমতা দখলকারী সামরিক স্বৈরাচারের হাতে প্রতিষ্ঠিত দল কখনো গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হতে পারে না। বিএনপি যদি গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় আন্দোলন করতে সক্ষম হতো বা তাদের আন্দোলনে জনসম্পৃক্ততা বৃদ্ধি করতে পারত তা হলে তারা নির্বাচনে অংশগ্রহণের সৎসাহস দেখাতে পারত। সেটা না থাকার কারণে বরাবরই বিএনপি সন্ত্রাস ও সহিংসতার পথ বেছে নিয়েছে। সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা দৃঢ়ভাবে বলতে চাই, যারা গণতান্ত্রিক পন্থার ব্যত্যয় ঘটাতে সন্ত্রাস-সহিংসতাকে উস্কে দেওয়ার পাঁয়তারা করবে তাদের বিরুদ্ধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।’ বিবৃতিতে ওবায়দুল কাদের বলেন, মিথ্যাচার এবং অপপ্রচার বিএনপির একমাত্র রাজনৈতিক হাতিয়ারে পরিণত হয়েছে। তাদের মিথ্যাচার ও অপপ্রচার জনগণের সামনে প্রকাশিত হওয়ায় বিএনপি বারবার জনগণ দ্বারা প্রত্যাখ্যাত হয়েছে। খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা নিয়েও তারা মিথ্যাচার করছে। খালেদা জিয়ার মুক্তি রাজনৈতিক বিষয় নয় জানিয়ে আওয়ামী লীগের এই নেতা বলেন, খালেদা জিয়া চিকিৎসা গ্রহণ শেষে বাসায় ফিরে গেছেন। খালেদা জিয়ার মুক্তি কোনো রাজনৈতিক বিষয় না। এটা আইনগত বিষয়। আইনগত বিষয়ে বিএনপি আইনি প্রক্রিয়ায় মোকাবিলা না করে বিষয়টিকে রাজনৈতিক ইস্যু বানানোর অপচেষ্টা করছে। বিগত কয়েক বছর ধরে বিএনপি খালেদা জিয়ার মুক্তি আন্দোলন করছে। কিন্তু সেই আন্দোলনে জনগণের কোনো সম্পৃক্ততা নেই।  ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপি জনগণের স্বার্থসংশ্লিষ্ট ইস্যুকে প্রাধান্য না দিয়ে একটি অরাজনৈতিক বিষয়কে রাজনৈতিক ইস্যু করার অপচেষ্টা করছে। আর বিএনপি যখনই তাদের তথাকথিত আন্দোলন নিয়ে মাঠে নামে, তখন তারা তাদের সন্ত্রাসী ও ক্যাডারবাহিনীকে সক্রিয় করে। বিএনপি আন্দোলনের নামে সন্ত্রাসী ও ক্যাডার বাহিনীকে আশ্রয়-প্রশ্রয় দেওয়ার অপচেষ্টা করে। আর এ সকল সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করলে বিএনপি নেতৃবৃন্দ মিথ্যাচার-অপপ্রচারের মাধ্যমে বিভ্রান্তি ছড়ায়। বিবৃতিতে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, বিএনপি কখনোই জনগণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দল হয়ে উঠতে পারেনি। তাদের অবস্থান সব সময় গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের বিপরীত মেরুতে। বিএনপি ও তাদের দোসররা তাদের সেই আদর্শগত অবস্থান পরিবর্তন না করায় আমাদের গণতান্ত্রিক রাজনীতিতে বিরাজমান সংকটের সমাধান দুরূহ। এই সংকট মোকাবিলায় মহান মুক্তিযুদ্ধের আদর্শ ও গণতান্ত্রিক চেতনায় বিশ্বাসী সকলকে জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানাচ্ছি।

খালেদা জিয়ার সাজা ৬ মাস করে স্থগিত করা সরকারের চালাকি

খালেদা জিয়ার সাজা ৬ মাস করে স্থগিত করা সরকারের চালাকি

বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার সাজা ছয় মাস করে স্থগিত করা সরকারের চালাকি বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বৃহস্পতিবার দুপুরে নয়াপল্টন বিএনপি কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে ‘নারী ও শিশু অধিকার ফোরাম’ আয়োজিত মানববন্ধনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।  ফখরুল বলেন, গুরুতর অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার সাজা দীর্ঘায়িত করতেই সরকার সাজা স্থগিতের  বিষয়ে চালাকির আশ্রয় নিয়েছে। খালেদা জিয়া প্রায় দুই বছরের বেশি সময় জীর্ণ-পরিত্যক্ত কারাগারে ছিলেন। তারপর নিয়ে আসা হয় পিজি হাসপাতালে। সেখানে তিনি কোনো চিকিৎসা পাননি। পরে  সাজা স্থগিত করার পর তাকে বাসায় নিয়ে আসা হয়।

খালেদা জিয়ার মুক্তির জন্য আন্দোলন শীঘ্রই ॥ ফখরুল

খালেদা জিয়ার মুক্তির জন্য আন্দোলন শীঘ্রই ॥ ফখরুল

প্রধানমন্ত্রীর কারণে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া উন্নত চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত হয়েছেন বলে অভিযোগ করে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, পরিবারের পক্ষ থেকে বারবার আবেদন করা হলেও সরকার খালেদা জিয়াকে চিকিৎসার জন্য বিদেশে যাওয়ার সুযোগ দিচ্ছে না। মঙ্গলবার দুপুরে বিএনপি চেয়ারপারসনের গুলশান কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, খালেদা জিয়ার মুক্তির জন্য শীঘ্রই আবার আন্দোলন শুরু করবে বিএনপি। ফখরুল বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত সফরকালে দেশটির সঙ্গে সম্পাদিত চুক্তি ও সমঝোতাসমূহ দেশের স্বার্থ বিরোধী। তাই এর বিরুদ্ধে আন্দোলনের কর্মসূচি দেবে বিএনপি। তিনি বলেন, সম্প্রতি শেখ হাসিনার ভারত সফরে দেশটির সঙ্গে ২টি চুক্তি, ৫টি নতুন সমঝোতা ও ৩টি চুক্তি নবায়নসহ ১০টি চুক্তি-সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর হওয়ায় সোমবার রাতে অনুষ্ঠিত বিএনপির স্থায়ী কমিটির সভায় উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়। সম্পাদিত চুক্তিগুলোতে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব বিপন্ন হওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়। চুক্তিগুলো বাংলাদেশের স্বার্থ বিরোধী হওয়ায় বিএনপি এই চুক্তিগুলো প্রত্যাখ্যান করছে।   ফখরুল বলেন, আমি স্পষ্ট ভাষায় বলতে চাই, বিএনপির সৃষ্টি হয়েছে দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষার স্বার্থে। বিএনপি দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য সবরকম ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। এ বিষয়ে আমরা ২৮ তারিখে সংবাদ সম্মেলন করব। এরপর আমরা প্রয়োজন হলে যে কর্মসূচি নেব সেটা জানানো হবে। তবে এ আন্দোলন ভারতের বিরুদ্ধে নয়, সরকারের বিরুদ্ধে।  ফখরুল বলেন, হৃৎপি-ে পেস মেকার বসানোর পরে খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থ্ াস্থিতিশীল। সোমবারই তাঁকে কেবিনে শিফট করা হয়েছে। তবে ওই কেবিনে ‘সিসিইউ’র ফ্যাসিলিটিজগুলো আছে। তিনি বলেন, এ সরকারের মূল লক্ষ্য খালেদা জিয়াকে রাজনীতি থেকে সরিয়ে দেওয়া। সে কারণেই তাঁকে মামলায় সাজা দিয়েছে, কিন্তু এ মামলার সঙ্গে তাঁর কোনো সম্পৃক্ততা নেই। প্রথমে তাঁর সাজার মেয়াদ ছিল কম। পরে  হাইকোর্টে সাজার মেয়াদ বাড়িয়ে তাঁকে নির্যাতন করা হয়।  রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে খালেদা জিয়াকে বন্দি করে রাখা হয়েছে বলে অভিযোগ করে ফখরুল বলেন, এটা বেআইনি ও সংবিধান বিরোধী। সরকার তাদের ক্ষমতাকে চিরস্থায়ী করার লক্ষ্যে তাঁকে হত্যার উদ্দেশ্যে উন্নত চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত করছে। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সভায় অবিলম্বে খালেদা জিয়ার মুক্তি দাবি করা হয় একইসঙ্গে তাঁর মুক্তির আন্দোলন গড়ে তোলার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। সেই লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় কর্মসূচি প্রণয়নের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। ফখরুল বলেন, খালেদা জিয়া ২ বছর একটা পরিত্যক্ত নির্জন কারাগারে ছিলেন। সেখানে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। বারবার চেষ্টা করার পরও সেখানে ভালো চিকিৎসক পাঠানো হয়নি। বহু চেষ্টার পর যখন তাঁকে পিজি হাসপাতালে নিয়ে আসা হলো সেখানেও তিনি সুষ্ঠু চিকিৎসা পাননি। এরপর তাঁকে গুলশানের বাসা ফিরোজায় নিয়ে আসা হলো, সেটাও আবার শর্তসাপেক্ষে। শর্ত ছিল, তিনি দেশের বাইরে যেতে পারবেন না এবং দেশেই চিকিৎসা নিতে হবে। গুলশানের বাসায় আসার পর তাঁর ধরা পড়ল লিভার সিরোসিস, এটা ছোটখাটো রোগ নয়, ‘মেজর ডিজিজ’। তখন ডাক্তাররা আমাদেরকে বলেছিলেন যে, লিভার ট্রান্সপ্লান্টেশন ছাড়া তার কোনো পথ নেই। আর এটা বাংলাদেশে সম্ভব নয়। বিএনপি মহাসচিব বলেন, সুচিকিৎসার জন্য খালেদা জিয়াকে বিদেশে নিতে আমরা কম চেষ্টা করিনি। আমরা এখন পর্যন্ত যেটুকু করেছি সেটুকু তার পরিবার এবং দলের চেষ্টাতেই হয়েছে। আমরা যুক্তরাষ্ট্রের জন হপকিনস বিশ্ববিদ্যালয় থেকে খালেদা জিয়ার চিকিৎসার জন্য ডাক্তারদের নিয়ে এসেছি। তারা যে চিকিৎসা করেছেন সেই চিকিৎসায় তিনি এখন পর্যন্ত টিকে আছেন। এটা কোনো সমাধান নয়। একমাত্র সমাধান হচ্ছে তার লিভার ট্রান্সপ্লান্ট করা। তার যে অনেকগুলো অসুখ আছে, সেই অসুখের জন্য তাকে এমন চিকিৎসা সেন্টারে পাঠাতে হবে যেখানে তার সঠিক চিকিৎসা হবে। অন্যান্য অসুখ কনট্রোল করে লিভার ট্রান্সপ্লান্ট করতে হবে।

বিএনপি নেতাদের মুখে দেশের স্বার্থ নিয়ে কথা বড্ড বেমানান

বিএনপি নেতাদের মুখে দেশের স্বার্থ নিয়ে কথা বড্ড বেমানান

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিএনপি নেতাদের মুখে দেশের স্বার্থ নিয়ে কথা বড্ড বেমানান। তাদের নেত্রী খালেদা জিয়া প্রধানমন্ত্রী থাকাকালে ভারত সফরে গিয়ে গঙ্গার পানি চুক্তির বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে ভুলে গিয়েছিলেন। অথচ শেখ হাসিনা সরকার পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণ করেই ৩০ বছর মেয়াদি গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তি সম্পন্ন করেন। প্রধানমন্ত্রীর এবারের ভারত সফরে এই চুক্তি নবায়নের বিষয়টিও উঠে এসেছে। সোমবার আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়ার সই করা এক বিবৃতিতে এসব কথা বলেন তিনি। এতে প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর নিয়ে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের ‘নিয়মমাফিক অপপ্রচার ও মিথ্যাচারের’ নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। বিবৃতিতে ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপি আজ বাংলাদেশে ভারত বর্জন ও ভারতবিদ্বেষী রাজনৈতিক তৎপরতা চালাচ্ছে। এটা তাদের চিরাচরিত দ্বিচারিতা ছাড়া আর কিছু নয়। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পর তাঁর কন্যা শেখ হাসিনাই একমাত্র সরকারপ্রধান, যিনি যে কোনো দেশের সঙ্গে কূটনৈতিক দর কষাকষি করে বাংলাদেশের জনগণের মর্যাদাপূর্ণ স্বার্থ সুরক্ষিত করেছেন। ভারতসহ অন্যান্য রাষ্ট্রের সঙ্গে বিরাজমান অমীমাংসিত দ্বিপক্ষীয় বিষয়গুলো শান্তিপূর্ণ উপায়ে সমাধান হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।  তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর চমৎকার, ফলপ্রসূ ও আন্তরিকতাপূর্ণ ছিল। এই সফরে দুই দেশের সম্পর্কের অগ্রগতি ও অর্জনগুলো স্পষ্টভাবে উঠে এসেছে। ১০টি সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে এবং ১৩টি সুনির্দিষ্ট ঘোষণা এসেছে।  আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, সফল রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনা সব সময় দেশ ও জনগণের মর্যাদা ও স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়ে সরকার পরিচালনা করেন। রাষ্ট্র পরিচালনায় অভ্যন্তরীণ ও পররাষ্ট্র যে কোনো নীতিতে তার প্রধান বিবেচ্য দেশের জনগণের স্বার্থ ও নিরাপত্তা। প্রধানমন্ত্রীর সাম্প্রতিক ভারত সফরও এর ব্যতিক্রম নয়।