ঢাকা, বাংলাদেশ   শুক্রবার ১৩ মার্চ ২০২৬, ২৮ ফাল্গুন ১৪৩২

circluar
circluar
একাধিক অনুষ্ঠানে ইকবাল খন্দকার

একাধিক অনুষ্ঠানে ইকবাল খন্দকার

টিভি উপস্থাপনায় এখন ব্যস্ততম সময় পার করছেন কথাসাহিত্যিক ইকবাল খন্দকার। একই সঙ্গে চার চারটি অনুষ্ঠান উপস্থাপনা করছেন তিনি। আর চারটি অনুষ্ঠানই বিষয় বৈচিত্র্যে ভরপুর। অনুষ্ঠানগুলো হলোÑগল্প গানের প্রহর, শিক্ষা-সংস্কৃতি অনির্বাণ, ঢাকায় থাকি এবং বইমেলা প্রতিদিন। উপস্থাপনায় ব্যস্ততম সময় পার করা প্রসঙ্গে ইকবাল খন্দকার বলেন, ভালো কাজের ক্ষুধা আমার সব সময়ই ছিল। আর চেষ্টা ছিল ভিন্ন ভিন্ন বিষয়ের ওপর কাজ করার। যেহেতু এখন সেই সুযোগটা হয়েছে, তাই কাজ করে যাচ্ছি। আর দর্শকের সাড়া আমার প্রাণশক্তিতে নতুন মাত্রা যোগ করছে।  গল্প গানের প্রহর অনুষ্ঠানটি বিটিভি ঢাকা কেন্দ্রে প্রচার হয়ে আসছে দীর্ঘদিন ধরে। যে অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকেন দুজন জনপ্রিয় শিল্পী। তারা তাদের জনপ্রিয় গানগুলো তৈরির পেছনের গল্প শোনান। আর এই গল্পকথার ফাঁকে ফাঁকে থাকে সেসব গানের ভিডিও তথা মিউজিক ভিডিও। শিক্ষা-সংস্কৃতি অনির্বাণ অনুষ্ঠানটি জিটিভিতে প্রচার হচ্ছে গত প্রায় একবছর ধরে। যে অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে আমন্ত্রণ জানানো হয় সংস্কৃতি অঙ্গনের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গকে।

গভর্নরের সঙ্গে আইএমএফ প্রতিনিধির সাক্ষাৎ

গভর্নরের সঙ্গে আইএমএফ প্রতিনিধির সাক্ষাৎ

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমানে সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) আবাসিক প্রতিনিধি ম্যাক্সিম ক্রিশকো। বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর ড. মো. হাবিবুর রহমান উপস্থিত ছিলেন। বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র এই সৌজন্য সাক্ষাতের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।  বৈঠককালে ম্যাক্সিম ক্রিশকো গভর্নরকে অভিনন্দন জানান এবং বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রায় আইএমএফের পূর্ণ সহযোগিতা ও সমর্থন অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন।   এ সময় তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, সম্প্রতি অনুষ্ঠিত অবাধ ও সুষ্ঠু জাতীয় নির্বাচনের মাধ্যমে গঠিত নতুন রাজনৈতিক সরকারের সাথেও কাজ করতে আইএমএফ অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে।   উল্লেখ্য, বাংলাদেশ আইএমএফের ৫.৫ বিলিয়ন ডলারের ঋণ কর্মসূচির অধীনে রয়েছে, যার ষষ্ঠ কিস্তি ছাড় বকেয়া ছিল। কারণ বহুপাক্ষিক এই দাতা সংস্থাটি দেশে নির্বাচিত সরকার না আসা পর্যন্ত অর্থ বিতরণে অস্বীকৃতি জানিয়েছিল।

রাজস্ব ব্যবস্থাপনা ও বিনিয়োগ বাড়াতে এফবিসিসিআইর একগুচ্ছ প্রস্তাব

রাজস্ব ব্যবস্থাপনা ও বিনিয়োগ বাড়াতে এফবিসিসিআইর একগুচ্ছ প্রস্তাব

বর্তমান বৈশ্বিক অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ বিবেচনায় নিয়ে দেশে ব্যবসা-বাণিজ্য সম্প্রসারণ এবং বিনিয়োগকারীদের আস্থা ধরে রাখতে আগামী জাতীয় বাজেটে (২০২৬-২০২৭) নীতিগত ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছে শীর্ষস্থানীয় বাণিজ্য সংগঠন ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এফবিসিসিআই)। বৃহস্পতিবার সকালে এফবিসিসিআই’র মতিঝিল কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে সুপারিশ প্রণয়নের উদ্দেশ্যে এফবিসিসিআইর সদস্য সংগঠনগুলোর সঙ্গে প্রাক-বাজেট আলোচনা সভায় এ প্রস্তাব আসে। একইসঙ্গে জাতীয় বাজেটে সুদের হার যৌক্তিকীকরণ, কর-জিডিপি অনুপাত বৃদ্ধি, ওয়ান স্টপ সার্ভিসের পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন, বন্দর ও লজিস্টিকস ব্যবস্থাপনা আধুনিকায়ন, নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ ও জ্বালানি নিশ্চিতকরণ, রপ্তানি বহুমুখীকরণে অগ্রাধিকার খাতের উন্নয়ন, সেন্ট্রাল বন্ডেড ওয়্যারহাউজ স্থাপন এবং অংশীজনভিত্তিক আইন প্রণয়ন প্রভৃতি প্রস্তাব জানানো হয়েছে এফবিসিসিআই’র পক্ষ থেকে। প্রাক-বাজেট সভায় সভাপতিত্ব করেন এফবিসিসিআই’র প্রশাসক মো. আবদুর রহিম খান। সভায় উন্মুক্ত আলোচনায় অংশ নিয়ে ট্যাক্স-জিডিপি অনুপাত বৃদ্ধির জন্য সরকারকে করের আওতা বাড়ানোর পরামর্শ দেন ব্যবসায়ী নেতারা।