ঢাকা, বাংলাদেশ   বুধবার ১৯ জুন ২০২৪, ৬ আষাঢ় ১৪৩১

ভিন্নখবর

প্রস্তুত চিড়িয়াখানা  জাদুঘর পার্ক  বিনোদনকেন্দ্র  

প্রস্তুত চিড়িয়াখানা জাদুঘর পার্ক বিনোদনকেন্দ্র  

কোরবানির ঈদে বেশি ব্যস্ততা থাকে পশু নিয়েই। বিশেষ করে প্রথম দিনটি গরুর পেছনে ব্যয় করতে হয়। তবে দৃশ্যমান উদ্যাপন শুরু হয় দ্বিতীয় দিন থেকে। কোরবানির বর্জ্য পরিষ্কার হয়ে গেলে স্বাচ্ছন্দ্যে বাসা থেকে বের হয়ে আসতে থাকে মানুষ। রাজধানী ঢাকায় আত্মীয়-পরিজনের বাসায় বেড়ানো, দাওয়াত খাওয়া বা অন্যান্য সামাজিকতা কম হয়। বরং ফাঁকা শহরে ঘুরে বেড়াতেই বেশি দেখা যায়। চিড়িয়াখানা শিশু পার্ক জাদুঘরসহ বিনোদনকেন্দ্রগুলোতে ভিড় বেড়ে এ সময় কয়েকগুণ হয়ে যায়। সিনেমা হল, কফিশপ সবই থাকে জমজমাট। এবারও ব্যতিক্রম হবে না। বিষয়গুলো মাথায় রেখেই রাজধানীতে ঈদ উদ্যাপনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।

ভিন্নখবর বিভাগের সব খবর

শীতলক্ষ্যা নদীর ওয়ার্কওয়েটি  এখন জরাজীর্ণ

শীতলক্ষ্যা নদীর ওয়ার্কওয়েটি এখন জরাজীর্ণ

নারায়ণগঞ্জ শহরের ফায়ার ঘাট, ড্যান্ডি ঘাট ও সেরোসিন ঘাটসহ বিভিন্ন জায়গায় শীতলক্ষ্যা নদীর তীর রক্ষার্থে ও সৌন্দর্যবর্ধনের জন্য কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত ওয়ার্কওয়েটি (হাঁটাচলা রাস্তা) এখন জরাজীর্ণ হয়েছে পড়েছে। ওয়াকওয়েটির বিভিন্ন স্থানে রেলিং ভেঙে অত্যন্ত বিপদজনক অবস্থায় রয়েছে। ফলে ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে পথচারীসহ দর্শনার্থীরা। ওয়াকওয়ের পিলারসহ বিভিন্ন স্থানে আস্তর খসে গিয়ে ইট-সুরকি ও রড বের হয়ে এসেছে। এমনকি ওয়াকওয়ের বিভিন্ন স্থান ফাঁটল দেখা দিয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, বিআইডব্লিউটিএ কর্তৃপক্ষের চরম উদাসীনতায়, অবহেলায় ও অযতেœ ওয়াকওয়টি এখন জীর্ণ দশায় পরিণত হয়েছে। মঙ্গলবার ও বুধবার নারায়ণগঞ্জ শহরের ফায়ারঘাট, কেরোসিনঘাট ও ড্যান্ডিঘাটসহ বিভিন্ন স্থানে সরেজমিন গিয়ে ওয়াকওয়েটি জীর্ণ দশায় দেখতে পাওয়া যায়। এ সময় স্থানীয় লোকজন বিআইডব্লিউটিএর কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেন। জরুরি ভিত্তিতে ওয়াকওয়েটির জরাজীর্ণ অংশের সংস্কার কাজ করার দাবি স্থানীয় বাসিন্দা ও দর্শনার্থীদের জানান।

চামড়া শিল্পনগরে হ-য-ব-র-ল অবস্থা

চামড়া শিল্পনগরে হ-য-ব-র-ল অবস্থা

রাজধানীর হাজারীবাগ থেকে ট্যানারি শিল্পকে সাভারে সরিয়ে নিয়েও বিশেষ কোনো পরিবর্তন হয়নি চামড়া শিল্পনগরের অবস্থার। কমপ্লায়েন্সের অভাবে আন্তর্জাতিক বাজারে দেশীয় চামড়ার মূল্য কমেছে। আবার ট্যানারির শ্রমিকরাও ন্যূনতম মজুরি থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। আবাসন, চিকিৎসাসহ শ্রমিকদের জীবন-যাপনের মৌলিক চাহিদা পূরণের নেই যথাযথ ব্যবস্থা। অসুখ-বিসুখ ও দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে নাজেহাল তারা। জীবন সংগ্রামে টিকে থাকতে কেউ পরিবারকে গ্রামে পাঠিয়েছেন, কেউ সন্তানকে স্কুলছাড়া করেছেন। শ্রমঘন ও ঝুঁকিপূর্ণ শিল্প এলাকাটির ১৫৫টি প্লটে প্রায় ২০০ ট্যানারিতে কর্মরত ৮ হাজার শ্রমিকের জীবন যাচ্ছে এভাবেই।

ঈশা খাঁ’র দুর্গ ঘিরে গড়ে উঠতে পারে পর্যটন পল্লি

ঈশা খাঁ’র দুর্গ ঘিরে গড়ে উঠতে পারে পর্যটন পল্লি

অদম্য মনোবল, সাহস ও দেশপ্রেমকে পুঁজি করে তাঁরা লড়েছিলেন দুর্জয় মোগল সাম্রাজ্যের বিরুদ্ধে। ১৫৭৬ সালে বাংলার শেষ স্বাধীন আফগান সুলতান দাউদ খান কররানী পরাস্ত হলেও তাঁরা ১৬১২ সাল পর্যন্ত বাংলার স্বাধীনতাকে রক্ষা করার জন্য অনবরত সংগ্রাম করেছেন। তাঁদের কর্তৃত্বে ছিল বাংলা। পশ্চিমে ইছামতি নদী, দক্ষিণে গঙ্গা (পদ্মা) নদী, পূর্বে ত্রিপুরা রাজ্য এবং উত্তরে বৃহত্তর ময়মনসিংহসহ সিলেটের বানিয়াচং পর্যন্ত সুবিস্তৃত ভাটি বাংলায় মোগল আগ্রাসনের বিরুদ্ধে তাঁরা ছিলেন একাট্টা। মোগল ঐতিহাসিক আবুল ফজল এবং মির্জা নাথান তাঁদেরকে ‘দাওয়াজদাহ বুমি’ অর্থাৎ ‘বারো ভুঁইয়া’ নামে অভিহিত করেছেন।

আলিয়ঁসে কৃষি জীবন নিয়ে শিল্পকর্ম  প্রদর্শনী ‘বপন’

আলিয়ঁসে কৃষি জীবন নিয়ে শিল্পকর্ম প্রদর্শনী ‘বপন’

পুরো প্রদর্শনালয় জুড়ে ছড়িয়ে রয়েছে নানা মাধ্যমের কাজ। দেওয়ালে ঝুলছে চিত্রকর্ম, মেঝেতে বিছিয়ে রাখা হয়েছে মাটি থেকে ধাতব পদার্থে গড়া ভাস্কর্য। শুধু কি তাই? রয়েছে স্থাপনাশিল্পও। এভাবেই বহুমাত্রিক শিল্পের সম্মিলনে সেজেছে শিল্পায়োজনটি। আর প্রতিটি শিল্পকর্মের সঙ্গে মিশে রয়েছে কৃষিজীবী জীবনের গল্প। সেই গল্পে রয়েছে কৃষকের আক্ষেপ থেকে হতাশার শিল্পিত বয়ান। উঠে এসেছে ফসলের ন্যায্য মূল্য না পাওয়া অবহেলিত কৃষকের দুদর্শার চিত্র। জীবনমানের উন্নয়ন না হওয়ায় কৃষকের হৃদয়ের ক্ষত যেন ধরা দিয়েছে শিল্পের শরীরে। ফরাসি সাংস্কৃতিক কেন্দ্র আলিযঁস ফ্রঁসেজ দ্য ঢাকার লা গ্যালারিতে চলমান এই শিল্পকর্ম প্রদর্শনীর শিরোনাম ‘বপন’।

চেনা অচেনা নানা  জাত, দেদার  কেনাকাটা

চেনা অচেনা নানা জাত, দেদার কেনাকাটা

এখন জ্যৈষ্ঠ। মানে, মধুমাস। এ সময়, আমরা জানি, আম জাম কাঁঠাল লিচুর মতো রসালো সুস্বাদু ফলে গাছ ভর্তি হয়ে যায়। বাজারে গিয়ে এই কয়েকটা ফলই মানুষ কেনে। তবে একই সময় আরও অনেক জাতের ফল হয় দেশে। দেশী-বিদেশী সব ফল এবং জাতপাত সম্পর্কে অনেকেই জানেন না। জানতে চান? কৌতূহল আছে? তাহলে ঘুরে আসতে পারেন জাতীয় ফল মেলা থেকে। প্রতি বছরের মতো এবারও রাজধানীর খামারবাড়িতে বিশেষ এই মেলার আয়োজন করা হয়েছে। কৃষি মন্ত্রণালয়ের আয়োজন। সাধারণ মানুষও লুফে নিয়েছেন। দর্শনার্থীরা বিভিন্ন স্টল ও প্যাভিলিয়নের সামনে দাঁড়িয়ে ফল দেখছেন। জাতপাত চেনার চেষ্টা করছেন। কিনছেনও। বিশেষ করে ঢাকার বাইরে থেকে আসা টাটকা ফল ব্যাগভর্তি করে কিনে নিয়ে যেতে দেখা যাচ্ছে।