ঢাকা, বাংলাদেশ   বুধবার ২২ মে ২০২৪, ৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১

যুদ্ধাপরাধ সংগঠনের বিচার ও সরকারের করণীয়

মো. সাখাওয়াত হোসেন

প্রকাশিত: ২০:৪৩, ৩০ মার্চ ২০২৩

যুদ্ধাপরাধ সংগঠনের বিচার ও সরকারের করণীয়

মুক্তিযুদ্ধের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধ ও যুদ্ধাপরাধের দায়ে অভিযুক্ত

মুক্তিযুদ্ধের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধ ও যুদ্ধাপরাধের দায়ে অভিযুক্ত স্বাধীনতাবিরোধী কোনো সংগঠনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা যায়নি। এর কারণ এ সংক্রান্ত সংশ্লিষ্ট আইন সংশোধন করে সংগঠনের বিরুদ্ধে অ্যাকশনের ব্যাপারে সুনির্দিষ্ট শাস্তির বিধান নিশ্চিত করতে হবে। কাজেই সরকারের কাছে নতুন প্রজন্মের প্রতিনিধি হিসেবে নিবেদন থাকবে, যত দ্রুত সম্ভব আইনটি সংশোধন করে মহান মুক্তিযুদ্ধে যে সব সংগঠন বিতর্কিত ভূমিকা পালন করে এ দেশের স্বাধীনতা প্রাপ্তিতে নেতিবাচক ভূমিকা পালন করেছিল, সেগুলোকে বিচারের মুখোমুখি করা।

এ বিষয়টি কিন্তু এক হিসেবে দায়মুক্তির। বাঙালি জাতি যতদিন না পর্যন্ত যুদ্ধাপরাধীদের তথা যুদ্ধাপরাধে অভিযুক্ত সংগঠনকে যথোপযুক্ত বিচারের মাধ্যমে নিষ্পত্তি করতে না পারবে, ততদিন পর্যন্ত বাঙালি জাতিকে পীড়ন সহ্য করতে হবে। এ পীড়ন মর্মবেদনার ও যাতনার। মহান মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্বদানকারী রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ এখন রাষ্ট্রক্ষমতায়। সঙ্গত কারণেই জনতার ব্যাপক প্রত্যাশা রয়েছে দলটির ওপর ও সর্বস্তরের জনগণ প্রত্যাশা করে, সরকার আইন সংশোধনের মাধ্যমে যুদ্ধাপরাধ সংগঠনগুলোকে চিহ্নিত করে যথাযথ প্রক্রিয়ায় বিচারের সামনে দাঁড় করাবে এবং দেশের দায়মুক্তি ঘটাবে

বাংলাদেশে বিভিন্ন জাতের, ধর্মের, গোত্রের মানুষের বসবাস। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সমর্থকও রয়েছে দেশটিতে। নানাবিধ বিষয়ে মানুষের মধ্যে ব্যাপক মতবিরোধ ও দ্বন্দ্বের অবকাশ দেখা যায়। আবার কিছু কিছু বিষয়ে ব্যতিক্রম পরিলক্ষিত হয়ে থাকে। যখন দেখা যায় বাংলাদেশের ক্রিকেট দল খেলায় জয়লাভ করে তখন পুরো বাংলাদেশের মানুষ এক ছাতার নিচে চলে আসে। ঠিক তেমনিভাবে যুদ্ধাপরাধ ইস্যুতেও সমগ্র বাংলাদেশের মানুষ এক প্ল্যাটফরমে চলে আসে।

গণজাগরণ মঞ্চের দাপট এবং আবেদন আমরা দেখেছি। সেখানে শিশু থেকে শুরু করে প্রাপ্তবয়স্করা আন্দোলনের গতিকে বেগবান করার মানসে জমায়েত হয়েছিল। সকলের মধ্যে দ্রোহের সঞ্চার ঘটেছিল এবং সকলের উদ্দেশ্য ছিল এক ও অভিন্ন। স্বাধীন বাংলাদেশে যুদ্ধাপরাধের বিচার হতেই হবে। সে কারণেই শাহবাগের আন্দোলন প্রত্যেক জেলায় জেলায় সুবিস্তৃত হয়েছিল এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা আন্দোলনে সকলের সরব উপস্থিতি নিশ্চিত করেছিল। 
বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকার ২০০৮ সালের নির্বাচনের ইশতেহারে যুদ্ধাপরাধের বিচারের ইস্যুটি অন্তর্ভুক্ত করে সাধারণ ভোটারদের দৃষ্টি আকর্ষণে সক্ষম হয়েছিল। জনতা ব্যাপক ম্যান্ডেট দিয়ে আওয়ামী লীগকে রাষ্ট্রক্ষমতায় নিয়ে আসে। দলটি রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হয়ে যুদ্ধাপরাধের বিচারের প্রেক্ষিতে আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনাল গঠন করে আন্তর্জাতিক নিয়মনীতি মেনে শুরু করে বিচারের কাজ।

যদিও বিচারের মাধ্যমে দোষী সাব্যস্তদের রায় কার্যকরের ক্ষেত্রে সরকারকে বিভিন্নভাবে বেকায়দায় ফেলতে এ দেশীয় দোসররা বিভিন্ন রাষ্ট্রে লবিস্ট নিয়োগ করে বিচারের কাজকে বাধাগ্রস্ত করতে উদ্যোগ গ্রহণ করেছিল। তথাপি সরকার প্রধান শেখ হাসিনার সুদৃঢ়, দায়িত্বশীল ও বিচক্ষণ ভূমিকার কারণে যুদ্ধাপরাধের বিচার কাজ নিশ্চিতে পরিচালিত হয়েছে ও হচ্ছে। 

একাত্তরে বাংলাদেশে পাকিস্তানিরা যুদ্ধাপরাধের পাশাপাশি গণহত্যা ও মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ করে চরম ধৃষ্টতার পরিচয় দিয়েছে। তখনকার সময়ে বিশ্ব গণমাধ্যমে গণহত্যার বিষয়গুলো ব্যাপকভাবে প্রচারিত হয়েছিল। কিন্তু পাকিস্তানের গণমাধ্যমে বিষয়গুলো তেমন আলোচনায় উঠে আসত না। অবশ্য জান্তা সরকার গণমাধ্যমকে নিজেদের মতো ব্যবহার করে সাধারণ মানুষকে প্রকৃত ঘটনা থেকে দূরে রাখার ব্যাপারে কাজ করেছিল। ১৯৭১ সালে নাগরিকত্ব, জাতীয়তা, বর্ণ ও ধর্ম পরিচয়ই যুদ্ধের অসহায় শিকারদের ভাগ্য নির্ধারণ করে দিয়েছিল।

নারী ও শিশুরাও পাকিস্তানি সেনা ও দোসরদের ধ্বংসের দামামা থেকে রক্ষা পায়নি। পাকিস্তানি সেনাবাহিনী এবং তাদের এদেশীয় দোসররা পরিকল্পিতভাবেই বাঙালিদের নৃতাত্ত্বিক ও জাতিগত পরিচয়কে ধ্বংস করার নিশানা গ্রহণ করে দেশব্যাপী চষে বেড়িয়েছে। বাঙালির দীর্ঘকালের সংস্কৃতি ও সভ্যতার আবরণকে ধ্বংস করে দিয়েছে। সুতরাং যে সকল দোসর ও তাদের শাসিত সংগঠন পাকিস্তানিদের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে সহায়তা করেছিল, প্রত্যেককেই বিচারের মুখোমুখি করার দাবি এ দেশীয় জনগণের। 
একাত্তরের অপরাধ ১৯৪৮ সালের জেনোসাইড কনভেনশন এবং ১৯৭৩ সালে ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইমস (ট্রাইব্যুনাল) অ্যাক্টে বর্ণিত গণহত্যার সঙ্গে পরিপূরক। একাত্তরে মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ হয়েছিল। মানুষের অধিকারকে হরণ করা হয়েছিল। আন্তর্জাতিক আইন মোতাবেক, ব্যাপক বিস্তৃতভাবে অথবা একটানা ও সংগঠিতভাবে কোনো বেসামরিক জনগোষ্ঠীর ওপর সচেতনভাবে আক্রমণ করা।

মানবতার বিরদ্ধে অপরাধ হলো, বড় আকারে নিরীহ বেসামরিক মানুষ হত্যা করা কিংবা তাদের বিরুদ্ধে বড় আকারের আক্রমণ পরিচালনা ও অমানবিক কার্যকলাপ চালানো। পাকিস্তানিরা দীর্ঘদিন ধরে বাঙালিদের ওপর নানা নৃশংস পন্থা অবলম্বন করে নির্যাতন চালিয়েছে। এর শেষ পরিণতি দেখা যায় ১৯৭১-এর ধ্বংসলীলায়। 
২০১৩ সালে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রথম রায়ে জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল কাদের মোল্লার যাবজ্জীবন সাজার আদেশ হলে যুদ্ধাপরাধীদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে শাহবাগে গড়ে ওঠে গণজাগরণ মঞ্চের আন্দোলন। তাদের সাত দফা দাবির মধ্যে জামায়াতসহ যুদ্ধাপরাধে অভিযুক্ত দলগুলোর রাজনীতি নিষিদ্ধ করার বিষয়টিও ছিল। পরে যুদ্ধাপরাধ মামলায় আপিলের সমান সুযোগ এবং ব্যক্তির পাশাপাশি দল বা সংগঠনের বিচারের সুযোগ রেখে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইন সংশোধনের বিল সংসদে পাস হয়।
এর পর যুদ্ধাপরাধী দল হিসেবে জামায়াতের বিচারের উদ্যোগ নেওয়া হয় এবং প্রসিকিউশনের তদন্ত দল তাদের তদন্তও শেষ করে। কিন্তু কোনো দল বা সংগঠন যুদ্ধাপরাধী সাব্যস্ত হলে তার শাস্তি কি হবে, তা আইনে না থাকার বিষয়টি উঠে এলে সাজা নির্দিষ্ট করতে আবার আইন সংশোধনের কথা ওঠে। এখানেই আটকে আছে জামায়াতে ইসলামীসহ যুদ্ধাপরাধী সংগঠনসমূহের বিচার। এ জায়গায় সরকারের সংশ্লিষ্ট ইউনিটগুলোকে দায়িত্ব নিয়ে কাজ করে বিচারের ক্ষেত্রে বাধার উপাদানসমূহকে বিলুপ্ত করে যুদ্ধাপরাধে অভিযুক্ত সংগঠনগুলোর বিরুদ্ধে দ্রুত অ্যাকশনে যেতে হবে। 
মুক্তিযুদ্ধের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধ ও যুদ্ধাপরাধের দায়ে অভিযুক্ত স্বাধীনতাবিরোধী কোনো সংগঠনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা যায়নি। এর কারণ এ সংক্রান্ত সংশ্লিষ্ট আইন সংশোধন করে সংগঠনের বিরুদ্ধে অ্যাকশনের ব্যাপারে সুনির্দিষ্ট শাস্তির বিধান নিশ্চিত করতে হবে। কাজেই সরকারের কাছে নতুন প্রজন্মের প্রতিনিধি হিসেবে নিবেদন থাকবে, যত দ্রুত সম্ভব আইনটি সংশোধন করে মহান মুক্তিযুদ্ধে যে সব সংগঠন বিতর্কিত ভূমিকা পালন করে এ দেশের স্বাধীনতা প্রাপ্তিতে নেতিবাচক ভূমিকা পালন করেছিল, সেগুলোকে বিচারের মুখোমুখি করা।

এ বিষয়টি কিন্তু এক হিসেবে দায়মুক্তির। বাঙালি জাতি যতদিন পর্যন্ত না যুদ্ধাপরাধীদের তথা যুদ্ধাপরাধে অভিযুক্ত সংগঠনকে যথোপযুক্ত বিচারের মাধ্যমে নিষ্পত্তি করতে পারবে, ততদিন পর্যন্ত বাঙালি জাতিকে পীড়ন সহ্য করতে হবে। এ পীড়ন মর্মবেদনার ও যাতনার। মহান মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্বদানকারী রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ এখন রাষ্ট্রক্ষমতায়। সঙ্গত কারণেই জনতার ব্যাপক প্রত্যাশা রয়েছে দলটির ওপর ও সর্বস্তরের জনগণ প্রত্যাশা করে, সরকার আইন সংশোধনের মাধ্যমে যুদ্ধাপরাধ সংগঠনগুলোকে চিহ্নিত করে যথাযথ প্রক্রিয়ায় বিচারের সামনে দাঁড় করাবে এবং দেশের দায়মুক্তি ঘটাবে। 
দুটি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল (আইসিটি) গঠনের পর আইসিটি-১ গত ১৩ বছরে ১৩৫ জনকে মৃত্যুদ- বা কারাদ- দিয়েছে। তবে অপর আইসিটি-২ বিলুপ্ত করা হয়েছে। কোভিড-১৯ এবং বিচারক স্বল্পতাসহ বিভিন্ন কারণে তিন বছরের বেশি সময় ধরে যুদ্ধাপরাধ সংক্রান্ত আপিলের শুনানি করছে না সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। জানা গেছে, এই ধরনের প্রায় ২৮টি আপিল এখন বিচারাধীন।
আইসিটি সূত্র জানায়, দুই আইসিটি এ পর্যন্ত ৫১টি রায় দিয়েছে। যার মধ্যে ৯৬ জন যুদ্ধাপরাধীর মৃত্যুদ-, ২৬ জনকে আমৃত্যু কারাদ-, পাঁচজনকে যাবজ্জীবন কারাদ- এবং আটজনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদ- দেওয়া হয়েছে। আপিল বিভাগ মৃত্যুদণ্ড নিশ্চিত করার পর ছয়জনের মৃত্যুদ- কার্যকর করা হয়েছে। আওয়ামী লীগ সরকার ২০১৩ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে আন্তর্জাতিক অপরাধ (ট্রাইব্যুনাল) আইন-১৯৭৩-এ একটি সংশোধনী আনে। যাতে শুধুমাত্র ব্যক্তিকে বিচারের বিধানের অন্তর্ভুক্ত করা হয়। সরকার বলছে, স্বাধীনতাবিরোধী সংগঠনকে বিচারের আওতায় আনতে প্রয়োজনীয় সংশোধনী আনা হবে।
২০১৩ সালের ১৫ জুলাই জামায়াতের সাবেক আমির গোলাম আযমের বিরুদ্ধে মামলার রায় দিয়ে, আইসিটি-১ পর্যবেক্ষণে বলেছিল, জামায়াত-ই-ইসলামী, অভিযুক্ত অধ্যাপক গোলাম আযমের নেতৃত্বে একটি রাজনৈতিক দল হিসেবে, ইচ্ছাকৃতভাবে একটি অপরাধমূলক সংগঠন হিসেবে কাজ করেছিল। বিশেষ করে ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময়।

লেখক ও যুদ্ধাপরাধ গবেষক শাহরিয়ার কবির বলেন, এটা সন্তোষজনক যে, বড় যুদ্ধাপরাধী যারা তাদের বিচার হয়েছে। তবে একইসঙ্গে, এটা খুবই হতাশাজনক, যুদ্ধাপরাধে জড়িত সংগঠনগুলোর বিচারে কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। এর মধ্যে তৎকালীন পাকিস্তান সেনাবাহিনীর হাইকমান্ড, জামায়াতে ইসলামী, রাজাকার, আলবদর এবং আলশামস- যারা একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধ ও যুদ্ধাপরাধে সরাসরি জড়িত ছিল। তিনি বলেন, যুদ্ধাপরাধ মামলা এবং আপিলের বিচারে গতি আনতে ট্রাইব্যুনাল এবং সর্বোচ্চ আদালতের বেঞ্চের সংখ্যা বাড়াতে হবে। এখন শুধুমাত্র একটি আইসিটি যুদ্ধাপরাধের মামলা পরিচালনা করছে, যা যথেষ্ট নয়।
যুদ্ধাপরাধীদের সর্বোচ্চ শাস্তি এবং জামায়াত-শিবির নিষিদ্ধের দাবিতে ২০১৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে শাহবাগ আন্দোলনের পর যুদ্ধাপরাধী সংগঠন হিসেবে জামায়াতের বিচারের দাবিতে জনতা সোচ্চার হয়ে ওঠে। অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, আইসিটি কিছু রাজনৈতিক সংগঠনকে ১৯৭১ সালে তাদের মানবতাবিরোধী অপরাধ ও যুদ্ধাপরাধের জন্য নিন্দা করেছে। কিন্তু তাদের শাস্তি দেওয়া যাবে না। কারণ এটি করার জন্য প্রয়োজনীয় বিধান যোগ করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

এ পর্যন্ত যুদ্ধাপরাধের বিচারের অগ্রগতিতে সন্তোষ প্রকাশ করে অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, এখন প্রয়োজনীয় সংখ্যক বেঞ্চ থাকায় আপিল বিভাগ শিগগির যুদ্ধাপরাধ সংক্রান্ত আপিলের শুনানি শুরু করবে। কাজেই, সার্বিক দিক বিবেচনায় যত দ্রুত সম্ভব আইন সংশোধন করে যুদ্ধাপরাধ সংগঠনগুলোকে বিচারের আওতায় নিয়ে আসাটা জরুরি। এর মাধ্যমে সাধারণ জনগণের ইচ্ছার প্রতিফলন ঘটবে। 

লেখক : সহকারী অধ্যাপক ও সভাপতি, ক্রিমিনোলজি অ্যান্ড পুলিশ সায়েন্স বিভাগ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়

×