ঢাকা, বাংলাদেশ   রোববার ১৪ জুলাই ২০২৪, ২৯ আষাঢ় ১৪৩১

চাটমোহরে কচুরিপানায় বড়াল নৌপথ বন্ধ

নিজস্ব সংবাদদাতা, চাটমোহর, পাবনা

প্রকাশিত: ২১:১৮, ১০ জুলাই ২০২৪

চাটমোহরে কচুরিপানায় বড়াল নৌপথ বন্ধ

বড়াল কচুরিপানায় ভরপুর

বড়াল নদীর বুক জুড়ে ভাসমান কচুরিপানা জমেছে। নদীতে জোয়ারের পানি এলেও কচুরিপানার কারণে নদী ব্যবহার করতে না পারার বিরূপ প্রভাব পড়ছে এলাকার হাজার হাজার মানুষের জীবন যাত্রায়।
সরেজমিনে দেখা যায়, চাটমোহর উপজেলার নতুন বাজার খেয়াঘাট ব্রিজের পিলারের, জার্দিস মোড় ব্রিজের পিলারের ও নুরনগর ব্রিজের পিলারের সঙ্গে কচুরিপানা আটকে যাওয়ায় সেখান থেকে উজানের দিকে কচুরিপানা আটকে রয়েছে। দ্রুত কচুরিপানা অপসারণ না করলে ব্রিজগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। প্রায় এক মাস যাবত বড়াল নদীতে কচুরিপানা আটকে থাকায় নৌ চলাচল বন্ধসহ নদীতে গোসল বা পানি ব্যবহার করতে পারছেন না নদী পাড়ের মানুষগুলো। স্বাভাবিক কাজকর্ম ব্যাহত হচ্ছে।
বিলচলন ইউপি সদস্য মো. নজরুল ইসলাম বলেন, এ এলাকার মানুষ নদীতে নামতেই পারছে না। গতবছর এমন সময়েও এই একই সমস্যা হয়েছিল। দ্রুত পরিষ্কার করে নদীটি সচল করার দাবি জানান। 
এ ব্যাপারে চাটমোহর পৌরসভার ২নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর মো. আক্তার হোসেন জানান, নদীতে কচুরিপানা জমে থাকায় প্রায় দেড় মাস যাবত নদীতে কোনো প্রকার পানি ব্যবহার করা যাচ্ছে না। বড়াল রক্ষা আন্দোলন কমিটির কেন্দ্রীয় সদস্য সচিব এস এম মিজানুর রহমান বলেন, বর্ষা মৌসুমের মতো সারাবছর বড়ালে পানি থাকলেই একে বাঁচানো সম্ভব। বড়াল যেভাবে দখল হয়েছে, যা এখনো হচ্ছে, সেটি রোধ করা দরকার। একইসঙ্গে বড়াল এখন ভাগাড়ে পরিণত হয়েছে।

সকল এলাকার বর্জ্য, ময়লা-আবর্জনা ফেলা হচ্ছে বড়ালে। এ বিষয়ে প্রশাসনিক পদক্ষেপ প্রয়োজন। তিনি আরও জানান, বড়ালে কচুরিপানা অপসারণের জন্য চাটমোহর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রেদুয়ানুল হালিমের সঙ্গে কথা বললে কচুরিপানা অপসারণের আশ্বাস দেন।

×