পররাষ্ট্র মন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের সঙ্গে সোমবার আংকটাড সেক্রেটারি-জেনারেল রেবেকা গ্রিনস্প্যান সাক্ষাৎ করেন
বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান সোমবার জাতিসংঘের স্থায়ী মিশনে জাতিসংঘের বাণিজ্য ও উন্নয়ন বিষয়ক সংস্থা (ইউএনসিটিএডি) মহাসচিব রেবেকা গ্রিনস্প্যানের সঙ্গে বৈঠকে মিলিত হন। সেখানে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সাম্প্রতিক সংঘাতের প্রভাব এবং তা বৈশ্বিক অর্থনীতি ও উন্নয়নশীল দেশগুলোর ওপর কীভাবে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে, তা নিয়ে বিস্তৃত আলোচনা হয়। সাক্ষাৎকারে উভয় নেতা দৃঢ়ভাবে লক্ষ্য করেন যে, বর্তমান পরিস্থিতি আন্তর্জাতিক বাণিজ্য, জ্বালানি বাজার এবং খাদ্য নিরাপত্তার জন্য গুরুতর ঝুঁকি তৈরি করছে।
তারা আশঙ্কা প্রকাশ করেন যে, উন্নয়নশীল দেশগুলো বিশেষ করে দরিদ্রতম দেশগুলো, যারা ইতিমধ্যেই সীমিত সম্পদ ও সামাজিক চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি, তারা এই সংকট থেকে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান বৈঠকে বলেন, ‘আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে উত্তেজনা কমিয়ে কূটনৈতিক সমাধান খুঁজে বের করতে হবে। বৈশ্বিক অর্থনীতি ও দরিদ্র জনগোষ্ঠীর সুরক্ষা আমাদের দায়িত্ব।’
রেবেকা গ্রিনস্প্যানও এই প্রেক্ষাপটে যোগ করেন, ‘মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত শুধু আঞ্চলিক নয়, বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জও তৈরি করছে। উন্নয়নশীল দেশগুলোর অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা রক্ষা করা এখন অতীব জরুরি। এই ক্ষেত্রে বাংলাদেশসহ সকল অংশগ্রহণকারী দেশের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ।’
সাক্ষাৎকারে দুই নেতা তাদের নিজ নিজ আন্তর্জাতিক প্রার্থিতা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়েও মতবিনিময় করেন। রেবেকা গ্রিনস্প্যান কোস্টারিকার সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে জাতিসংঘ মহাসচিব পদে প্রার্থী। অন্যদিকে, ড. খলিলুর রহমান বাংলাদেশকে প্রতিনিধিত্ব করে জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ অধিবেশনের সভাপতির পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তারা একে অপরের অভিজ্ঞতা, নেতৃত্বের দৃষ্টিভঙ্গি এবং ভবিষ্যৎ আন্তর্জাতিক উদ্যোগ নিয়ে আলোচনা করেন।
বৈঠকে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরীসহ অন্যান্য উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। তারা বৈঠকের সারমর্ম নোট করেন এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সহযোগিতামূলক উদ্যোগে অংশগ্রহণের প্রস্তাব মূল্যায়ন করেন।
ড. খলিলুর রহমান সাক্ষাতের পরে বলেন, ‘বাংলাদেশ শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে এবং বৈশ্বিক অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সক্রিয় ভূমিকা রাখতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
প্যানেল হু








