ঢাকা, বাংলাদেশ   বুধবার ১৮ মার্চ ২০২৬, ৩ চৈত্র ১৪৩২

আলী লারিজানি ও সোলাইমানিকে হত্যার দাবি ইসরাইলের

ট্রাম্পের যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব নাকচ করল ইরান

জনকণ্ঠ ডেস্ক

প্রকাশিত: ০০:২২, ১৮ মার্চ ২০২৬

ট্রাম্পের যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব নাকচ করল ইরান

আলী লারিজানি ও গোলাম রেজা সোলাইমানি

যুক্তরাষ্ট্র প্রস্তাবিত যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব সরাসরি নাকচ করেছে ইরান। সম্প্রতি মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে তেহরানের কাছে এই প্রস্তাব পাঠায় ট্রাম্প প্রশাসন। ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি সাফ জানান, ইসরাইল-যুক্তরাষ্ট্রকে আগে সরাসরি নতি স্বীকার করতে হবে। এরপর যুদ্ধবিরতির চিন্তা।
এদিকে ইসরাইল-যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরানের লড়াই অব্যাহত রয়েছে। মঙ্গলবার ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের প্রধান আলী লারিজানি ও রেভ্যুলিউশনারি গার্ডের স্বেচ্ছাসেবী বাহিনী বাসিজের প্রধান জেনারেল গোলাম রেজা সোলাইমানি ইসরাইলি হামলায় নিহতের খবর চাউর হয়েছে। 
তবে ইরান তা প্রত্যাখ্যান করেছে। তেহরান বলছে, অপেক্ষা করুন। আমাদের প্রিয় নেতা আলী লারিজানি শীঘ্রই প্রকাশ্যে আসছেন। ইরান এদিন ইসরাইল, আমিরাত, বাহরাই কে লক্ষ্য করে দফায় দফায় রকেটা ছোড়ে। ইসরাইলও ইরানের বিভিন্ন টার্গেটে হামলা করে। খবর আলজাজিরা ও সিএনএন অনলাইনের।   
মঙ্গলবার ইরানের জ্যেষ্ঠ এক কর্মকর্তা যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবের বিষয়ে জানান,  আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনি সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে নিযুক্ত হওয়ার পর প্রথম পররাষ্ট্র নীতিবিষয়ক বৈঠক আয়োজন করেন। সেখানে তিনি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের বিরুদ্ধে প্রতিশোধ নেওয়ার বিষয়ে ‘অত্যন্ত কঠোর ও অনমনীয়’ অবস্থান গ্রহণ করেন। সর্বোচ্চ নেতা সশরীরে না কি ভার্চুয়ালি ওই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন, সে বিষয়ে ওই কর্মকর্তা স্পষ্ট করেননি। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বলেন, দুটি মধ্যস্থতাকারী দেশ ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাছে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে উত্তেজনা কমানো বা যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব পৌঁছে দিয়েছিল। তবে প্রস্তাবের বিস্তারিত কিংবা মধ্যস্থতাকারী দেশগুলোর নাম জানাননি তিনি।
যুদ্ধবিরতি প্রস্তাবের জবাবে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা বলেছেন, যতক্ষণ না যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরাইল নতি স্বীকার করছে, পরাজয় মেনে নিচ্ছে এবং ক্ষতিপূরণ দিচ্ছে, ততক্ষণ শান্তির জন্য এটি সঠিক সময় নয়।
ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের রাষ্ট্রীয় সকল বিষয়ে সর্বোচ্চ নেতার সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত। এক সপ্তাহ আগে পিতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির স্থলাভিষিক্ত হওয়ার পর থেকে ইরানের সর্বোচ্চ নেতার নতুন কোনো ছবি প্রকাশ করা হয়নি।
ইরানি কর্মকর্তারা বলেছেন, আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে হত্যার জন্য চালানো হামলায় নতুন সর্বোচ্চ নেতাও সামান্য আহত হয়েছেন। যদিও মার্কিন কর্মকর্তারা বলেছেন, তিনি গুরুতর আঘাত পেয়েছেন।
ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যুদ্ধ তৃতীয় সপ্তাহে গড়িয়েছে। এই যুদ্ধে এখন পর্যন্ত অন্তত ২ হাজার মানুষ নিহত হয়েছেন এবং সংঘাত থামার কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না।
বর্তমানে হরমুজ প্রণালি কার্যত বন্ধ রয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথ পুনরায় খুলে দেওয়ার জন্য মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাহায্য চাওয়ার অনুরোধ তার মিত্ররা প্রত্যাখ্যান করেছে। এর ফলে জ্বালানির দাম বৃদ্ধি পেয়েছে এবং মুদ্রাস্ফীতির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে নির্বাচিত হওয়ার পর গত সপ্তাহে রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে প্রচারিত প্রথম বার্তায় মোজতবা খামেনি বলেছিলেন, ইরানের শত্রুদের ওপর চাপ সৃষ্টির হাতিয়ার হিসেবে হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকবে। ১৪ মার্চ তিনটি সূত্র বলেছিল, ইরান যুদ্ধ বন্ধের লক্ষ্যে মধ্যপ্রাচ্যের মিত্র দেশগুলোর কূটনৈতিক আলোচনার প্রস্তাব ট্রাম্প প্রশাসন প্রত্যাখ্যান করেছে।
ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা পর্ষদের প্রধান আলী লারিজানি নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেছেন ইসরাইলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরাইল কাৎজ। লারিজানি ইরানের বেঁচে থাকা সর্বজ্যেষ্ঠ নেতাদের একজন ছিলেন। মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে ইসরাইল কাৎজ এই তথ্য জানান। তবে এই খবরের বিষয়ে ইরানের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া বা মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
লারিজানি নিহত হওয়ার খবরটি নিয়ে আরও বিস্তারিত তথ্য আসার অপেক্ষায় রয়েছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো।
গত কয়েক দশক ধরে আলী লারিজানি ছিলেন ইরানের ক্ষমতা কাঠামোর শান্ত ও বাস্তববাদী মুখ। তিনি অষ্টাদশ শতাব্দীর জার্মান দার্শনিক ইমানুয়েল কান্টের ওপর বই লিখেছেন ও পশ্চিমাদের সঙ্গে পারমাণবিক চুক্তি নিয়ে আলোচনা করেছেন।
তবে ১ মার্চ ইরানের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা পর্ষদের ৬৭ বছর বয়সী এই সেক্রেটারির কথার ধরন বদলে যায়।
লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলের খিয়াম শহরে ইসরাইলি সেনাদের লক্ষ্য করে রকেট হামলা চালিয়েছে ইরানপন্থি সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ।
হিজবুল্লাহর এক্স বার্তায় বলা হয়েছে, ইসরাইলি সেনারা শহরের একটি পৌরসভা ভবনের কাছাকাছি অবস্থান করছিলেন। তাদের লক্ষ্য করে রকেট হামলা চালানো হয়েছে।
এর আগে হিজবুল্লাহ জানিয়েছিল, তারা লেবাননের বিনত জুবাইল জেলার সীমান্ত শহর মারুন আল-রাসে এলাকায় ইসরাইলি সেনাদের লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে।
ইরানের ওপর হামলায় চালিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের শুরু করা যুদ্ধ জুন মাস পর্যন্ত চললে আরও সাড়ে চার কোটি মানুষ তীব্র ক্ষুধার ঝুঁকিতে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছে বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি। তাদের সাম্প্রতিক এক বিশ্লেষণে বিষয়টি উঠে এসেছে।
বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির উপনির্বাহী পরিচালক কার্ল স্কাউ জেনেভায় সাংবাদিকদের বলেন, খাদ্য, তেল ও শিপিং খরচ বৃদ্ধির ফলে কোটি কোটি মানুষ তীব্র ক্ষুধার শিকার হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
ফলে তীব্র ক্ষুধার বৈশ্বিক পরিসংখ্যান অনুযায়ী ঝুঁকিতে থাকা মানুষের সংখ্যা বর্তমান রেকর্ড ৩১ কোটি ৯০ লাখ থেকে বেড়ে যাবে। ইরানের ইসলামী বিপ্লবী গার্ড আইআরজিসি জানিয়েছে, ইসরাইল ও মার্কিন ঘাঁটি থাকা দেশগুলোতে নতুন করে হামলা শুরু করেছে ইরান। মঙ্গলবার  সকাল থেকে নতুন দফার এই হামলা শুরু হয়েছে।
আইআরজিসির বিবৃতির বরাত দিয়ে ইরানের সংবাদমাধ্যমে বলা হয়, নতুন দফার হামলায় ‘সলিড এবং লিকুইড ফুয়েল যুক্ত একাধিক ওয়ারহেড’, সেইসঙ্গে ড্রোন ব্যবহার করা হচ্ছে।

ইরানের স্কুলে হামলায় যুক্তরাষ্ট্র দায়ী 
ইরানের একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রাণঘাতী হামলার জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে দায়ী করেছে মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল। সংস্থার নতুন তদন্তে বলা হয়েছে, ওই হামলায় অন্তত ১৭০ জন নিহত হন, যাদের বেশিরভাগই শিশু। সোমবার প্রকাশিত প্রতিবেদনে অ্যামনেস্টি জানায়, ২৮ ফেব্রুয়ারি দক্ষিণাঞ্চলীয় মিনাব শহরের একটি স্কুলে হামলায় যুক্তরাষ্ট্রে তৈরি টমাহক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে। এই সংঘাতে টমাহক ক্ষেপণাস্ত্র কেবল যুক্তরাষ্ট্রই ব্যবহার করে এবং এটি নির্ভুলভাবে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানে।
স্যাটেলাইট চিত্র, ভিডিও ফুটেজ এবং বিশেষজ্ঞদের সাক্ষাৎকারের ভিত্তিতে সংস্থাটি জানায়, স্কুলটি সরাসরি লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়। এর পাশাপাশি পাশের ইসলামিক রেভ্যুলিউশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) কমপ্লেক্সের আরও প্রায় এক ডজন স্থাপনাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
অ্যামনেস্টি বলেছে, এই ঘটনা থেকে বোঝা যায়, হামলা চালানোর সময় বেসামরিক মানুষের ক্ষতি এড়াতে প্রয়োজনীয় সতর্কতা নিতে ব্যর্থ হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের বাহিনী, যা আন্তর্জাতিক মানবিক আইনের গুরুতর লঙ্ঘন। সংস্থাটি আরও বলেছে, স্কুলটি সরাসরি লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হওয়া এবং এটি আগে আইআরজিসি কমপ্লেক্সের অংশ ছিল, এতে আশঙ্কা তৈরি হয় যে যুক্তরাষ্ট্র পুরানো গোয়েন্দা তথ্যের ওপর নির্ভর করেছে এবং লক্ষ্যবস্তু যাচাইয়ের দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হয়েছে।
মানবাধিকার কর্মীরা মিনাবের এই হামলাকে ইরান-ইসরাইল যুদ্ধে সম্ভাব্য যুদ্ধাপরাধের প্রমাণ হিসেবে দেখছেন। আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, গত মাসের শেষ দিকে শুরু হওয়া এই যুদ্ধ আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করেই শুরু হয়েছে।
ঘটনার বিষয়ে তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছে ওয়াশিংটন। তবে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনের ওপর এখন পূর্ণাঙ্গ তদন্ত ও দায়ীদের জবাবদিহি নিশ্চিত করার চাপ বাড়ছে।
জাতিসংঘের বিশেষজ্ঞরা এই হামলাকে শিশুদের ওপর ভয়াবহ আঘাত হিসেবে বর্ণনা করেছেন। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের ডেমোক্র্যাট আইনপ্রণেতারা ট্রাম্প প্রশাসনের কাছে এই ঘটনার বিষয়ে স্পষ্ট ব্যাখ্যা চেয়েছেন।  
মিনাব হামলা নিয়ে সোমবারের বিবৃতিতে অ্যামনেস্টি বলেছে, এই হামলার পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের অবশ্যই জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে। সংস্থাটির গবেষণা, নীতি ও প্রচারণা বিভাগের জ্যেষ্ঠ পরিচালক এরিকা গেভারা-রোসাস বলেন, যদি যুক্তরাষ্ট্র লক্ষ্যবস্তুটিকে স্কুল হিসেবে শনাক্ত করতে ব্যর্থ হয়, তবে তা হামলার পরিকল্পনায় গুরুতর অবহেলার ইঙ্গিত দেয়।
তিনি আরও বলেন, এটি যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক গোয়েন্দা ব্যবস্থার বড় ধরনের ব্যর্থতা এবং আন্তর্জাতিক মানবিক আইনের গুরুতর লঙ্ঘনের দিকেও ইঙ্গিত করে। অন্যদিকে, যদি যুক্তরাষ্ট্র জানত যে স্কুলটি আইআরজিসি কমপ্লেক্সের পাশে অবস্থিত, তবুও বেসামরিক ক্ষতি কমাতে সব ধরনের সতর্কতা না নিয়ে হামলা চালানো হয়ে থাকে, তাহলে তা নির্বিচার হামলা হিসেবে গণ্য হবে এবং যুদ্ধাপরাধ হিসেবে তদন্ত করা উচিত। ট্রাম্পের চাপেও ইরান যুদ্ধে সরাসরি জড়াচ্ছে না ব্রিটেন॥ ইরানের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধে সরাসরি অংশ নিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের তীব্র চাপ উপেক্ষা করার সিদ্ধান্তকে জোরালোভাবে সমর্থন করেছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার। সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, কোনো সুচিন্তিত পরিকল্পনা ছাড়া ব্রিটিশ সেনাদের অনিশ্চয়তার মুখে ঠেলে দেওয়া সম্ভব নয় এবং এক্ষেত্রে তিনি নিজের নীতিতে অটল রয়েছেন।
ট্রাম্প সম্প্রতি ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর ওপর ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তার অভিযোগ, মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন যুদ্ধবিমান চলাচলের ক্ষেত্রে ব্রিটিশ ঘাঁটিগুলোর ব্যবহারে সীমাবদ্ধতা আরোপ করেছেন স্টারমার। এমনকি সেখানে ব্রিটিশ বিমানবাহী রণতরী পাঠাতেও অস্বীকৃতি জানিয়েছেন তিনি। এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প ব্রিটিশ নেতার প্রতি অসন্তোষ প্রকাশ করে বলেছিলেন, আমি যখন তাদের আসতে বললাম, তারা আসতে চাইল না। ট্রাম্পের এই প্রকাশ্য সমালোচনার জবাবে কিয়ার স্টারমার বলেন, ব্রিটিশ সেনাদের কেবল তখনই কোনো অভিযানে পাঠানো উচিত, যখন সেটির আইনি ভিত্তি থাকে এবং তার পেছনে একটি যথাযথ ও সুচিন্তিত পরিকল্পনা থাকে।
রাশিয়ায় চিকিৎসা নিচ্ছেন মোজতবা খামেনি 
মার্কিন-ইসরাইলি হামলায় আহত ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি বর্তমানে মস্কোর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভøাদিমির পুতিনের ব্যক্তিগত আমন্ত্রণে তাকে মস্কো পাঠানো হয়েছে।

প্যানেল হু

×