ঢাকা, বাংলাদেশ   মঙ্গলবার ৩০ জুন ২০২৬, ১৬ আষাঢ় ১৪৩৩

কালবৈশাখীর তাণ্ডব

কলাপাড়ায় দোকানপাট বাড়িঘরসহ অর্ধশত স্থাপনা বিধ্বস্ত

নিজস্ব সংবাদদাতা, কলাপাড়া, পটুয়াখালী

প্রকাশিত: ২২:৪৮, ১৭ মার্চ ২০২৬; আপডেট: ১২:৪২, ১৯ মার্চ ২০২৬

কলাপাড়ায় দোকানপাট বাড়িঘরসহ অর্ধশত স্থাপনা বিধ্বস্ত

কলাপাড়ায় কালবৈশাখী ঝড়ের তাণ্ডবে লণ্ডভণ্ড বিভিন্ন ধরণের স্থাপনা

পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় কালবৈশাখীর ঝড়ের তান্ডবে ঘরবাড়ি, দোকানপাটসহ অন্তত অর্ধশত স্থাপনা লন্ডভন্ড হয়ে গেছে। ভেঙে গেছে শত শত গাছপালা। সোমবার দিবাগত মধ্যরাতে প্রায় আধাঘন্টার প্রবল ঝড়োহাওয়ায় মানুষ আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। স্থানীয়দের দাবি ৫০-৮০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ো হাওয়া তান্ডব চালিয়েছে। এসময় প্রচন্ড বজ্র-বৃষ্টি হয়েছে। বহু নিম্ন আয়ের মানুষের জীবন-জীবিকার অবলম্বন হারিয়ে ফেলেছে। তবে এই মুহুর্তে হতাহতের কোন খবর মেলেনি।
সবচেয়ে বেশি ক্ষতির শিকার হয়েছে কুয়াকাটা সৈকতের পশ্চিমে লেম্বুরচরের ক্ষুদে দোকিানিরা। তাঁদের মৌসুমি দোকানপাটসহ জেলেদের অধিকাংশ স্থাপনা ঝড়ের তান্ডবে বিধ্বস্ত হয়ে গেছে। সেখানকার অন্তত ১৬টি দোকান ও জেলেদেও অবস্থান করার স্থাপনা লন্ডভন্ড হয়ে গেছে। এসব দোকিানিরা জানান, তাঁরা কোন কিছু বুঝে ওঠার আগেই ঝড়ের তান্ডবে সব শেষ হয়ে গেছে। শুটকি, আচার, মাছ ফ্রাইসহ সকল দোকানি ক্ষতির কবলে পড়েছে। 
ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী নাসির জোমাদ্দার জানান, রাতে হঠাৎ ঝড় শুরু হয়। কিছু বোঝার আগেই দোকানের টিন উড়ে যায়। সকালে দেখেন সব শেষ। মালামাল নষ্ট হয়ে গেছে, দোকান ভেঙে গেছে। প্রায় ৫ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে তার ।
দোকানি জহিরুল ইসলাম জানান, তাদের জীবন-জীবিকার একমাত্র অবলম্বন এই দোকান। হঠাৎ ঝড়ে সব তছনছ  হয়ে গেছে। এখন নিঃস্ব হয়ে গেছেন। সরকারের সহায়তা ছাড়া ব্যবসা দাঁড় করাতে পারবেন না।
কলাপাড়া ইউএনও কাউছার হামিদ বলেন, ঘটনাটি আমরা জেনেছি। ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা করা হচ্ছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণ করে সরকারের উর্ধতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হচ্ছে।
তবে ঝড়োহাওয়া ও বজ্রবৃষ্টিতে সেচ সংকটে থাকা বোরাচাষিদের মধ্যে কিছুটা হলেও স্বস্তি নেমে এসেছে। তাঁদের বোরোক্ষেতে সেচের সংকট কিছুটা লাঘব হয়েছে।

প্যানেল হু

×