ঢাকা, বাংলাদেশ   মঙ্গলবার ১৭ মার্চ ২০২৬, ৩ চৈত্র ১৪৩২

ঈদে গৃহকোণ সাজুক নকশার সাজে

শিউলী আহমেদ

প্রকাশিত: ২১:৫৬, ১৭ মার্চ ২০২৬

ঈদে গৃহকোণ সাজুক নকশার সাজে

ঈদে গৃহকোণ সাজুক নকশার সাজে

ঈদুল ফিতর মুসলিম বিশ্বের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব। দীর্ঘ এক মাস রোজা পালনের পর অন্যরকম এক আনন্দ নিয়ে হাজির হয় এই ঈদ। এ মাসেই দান সাদকার বিষয়টি থাকায় এবং সামান্য হলেও কাউকে কিছু দিতে পারায় মনের মাঝে এক শীতল অনুভূতি বিরাজ করে। আর নিজেদের কেনাকাটা তো আছেই। সঙ্গে থাকে ঘর সাজানোরও একটা অংশ। শেষ সময়ে এসে ঘর সাজানোর জিনিস কিনতে সবাই ব্যতিব্যস্ত হয়ে পড়ে। কেউ ঘরের পুরানো জিনিস দিয়েই ঘরটাকে আবার নতুন করে সাজিয়ে নেয়, কেউ নিজ হাতে কিছু তৈরি করেন, অনেকে সাধ ও সাধ্যমতো কিনেও নেন নানা রকম শো পিস ও তৈজসপত্র।
কিনে হোক বা নিজে তৈরি করেই হোক- পেইন্ট করা তৈজসপত্র ও শো পিস দিয়ে সাজিয়ে নিতে পারেন আপনার এবারের ঈদের গৃহকোন। রাখতে পারেন দেশীয় ঐতিহ্য রিকশা পেইন্টিংয়ের ছোঁয়া। ঘরের ফেলনা বা পুরানো জিনিসে রং নকশায় সাজিয়ে নিতে পারেন। খাবার টেবিলে আপ্যায়নে গতানুগতিক তৈজসপত্রের পরিবর্তে ব্যতিক্রম পাত্র ব্যবহার করতে পারেন। তাতে অতিথিদের নজর কাড়বে। চা চক্রের আয়োজনে একটা কর্নারে রাখতে পারেন নকশা করা টি বা কফি সেট। রান্নাঘরেও নিতে পারেন পেইন্ট করা মসলার কৌটা। ঈদে তা ব্যতিক্রম ছোঁয়া দিবে। সেই ছোঁয়ায় শো পিসের পাশাপাশি ব্যবহারের জিনিসেও রাখতে পারেন ঐতিহ্যবাহী রিকশা পেইন্টিং। অভিনেত্রী মুনিরা ইউসুফ মেমী তার গৃহকোণ সাজিয়েছেন এমন নানা নকশার পেইন্ট করা জিনিস দিয়ে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রায়ই তিনি তার এই ভিন্নরুচির বহি:প্রকাশ করেন।
ঢাকার ঐতিহ্যবাহী রিকশা ও রিকশা পেইন্টিং ২০২৩ সালের ৬ ডিসেম্বর ইউনেস্কোর ‘অধরা সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য’ বা ‘ইনট্যাঞ্জিবল কালচারাল হেরিটেজ’ হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করেছে। এটি বাংলাদেশের একটি অনন্য শিল্পকলা হিসেবে বিশ্ব দরবারে সমাদৃত হয়েছে। তাই একে নিয়ে নাক সিটকানোর কিছু নেই। বরং আপনার ঈদের আমেজকে তা আরো এক ধাপ সৌন্দর্যম-িত করবে।
নানা রকম হ্যান্ডপেইন্ট ও রিকশা পেইন্টিংগুলো এখন পাবেন প্রায় সব মার্কেট, শপিংমল এবং বুটিক শপগুলোতে। পাবেন দোয়েল চত্বরেও। এছাড়া অনলাইন সুযোগ তো রয়েছেই। দাম কিছুটা বেশি পড়বে। তাতে কি, শখের তোলা আশি টাকা। সাধ আর সাধ্যের সমন্বয়ে নিয়ে নিন কিছু ব্যতিক্রমী গৃহসজ্জা।

প্যানেল হু

×