ঢাকা, বাংলাদেশ   শুক্রবার ১৪ জুন ২০২৪, ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১

টি২০ বিশ্বকাপ

চ্যালেঞ্জটাকেই বড় করে দেখছেন মেহেদী

স্পোর্টস রিপোর্টার

প্রকাশিত: ০০:৫১, ২১ মে ২০২৪

চ্যালেঞ্জটাকেই বড় করে দেখছেন মেহেদী

শেখ মেহেদী হাসান

গত কয়েক বছরে বাংলাদেশের টি২০ দলের নিয়মিত সদস্য হয়ে গেছেন শেখ মেহেদী হাসান। দারুণ সব পারফর্ম্যান্সে মেহেদি হাসান মিরাজের মতো অভিজ্ঞ ক্রিকেটারকে পেছনে ফেলে এবারের টি২০ বিশ্বকাপেও জায়গা করে নিয়েছেন ২৯ বছর বয়সী এ অফস্পিনিং-অলরাউন্ডার। অনেক রোমাঞ্চ নিয়ে শ্রেষ্ঠত্বের মঞ্চে পা-রাখার অপেক্ষায় থাকা মেহেদীর কাছে টি২০তে উপভোগের চেয়েও পারফর্ম করার চ্যালেঞ্জটাই বড়।

বিশ্বকাপ নিয়ে ক্রিকেটারদের ধারাবাহিক সাক্ষাৎকার প্রচার করছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। মুস্তাফিজুর রহমানের পর এবার ভিডিও বার্তায় ছিলেন মেহেদী, ‘আমি যেভাবে খেলি ওভাবে না, আরও ভালো খেলতে চাই। ব্যক্তিগত চ্যালেঞ্জ আছে (বিশ্বকাপে)। প্রথম রাউন্ড শেষ করে পরের রাউন্ডে আগে যাওয়া।

সাধারণত আমি যেভাবে পারফরম্যান্স করি, ওভাবে করতে চাই না বিশ্বকাপে। এর থেকে বেটার, আরও ভালো পারফরম্যান্স করতে চাই।’ টি২০তে উপভোগের চেয়ে চ্যালেঞ্জটাই যে বড় সেটিই মনে করেন মেহেদী, ‘উপভোগ করার থেকে চ্যালেঞ্জটা অনেক বেশি ওখানে। যেহেতু পাওয়ারপ্লেতে টি২০ ক্রিকেট রানের খেলা। এখানে নিজেকে যত কম রানে আটকানো যায় বোলিং করে ওইটা বেশি চ্যালেঞ্জ থাকে।

উপভোগ থেকে কঠিন পরিস্থিতি থাকে পাওয়ার প্লেতে। উপভোগটা একদমই থাকে না, ওখানে যদি উপভোগটা করতে পারি তাহলে দলের বেনিফিটটা বেশি হয়।’ তবে বিশ্বকাপের উত্তেজনা গোপন করতে পারেননি এ অলরাউন্ডার, ‘আমরা সারাবছর কষ্ট করি একজন জাতীয় দলের খেলোয়াড় হিসেবে যারাই খেলে দেখা যায় যে একটা বছর আপনি জাতীয় দলে টানা খেলতেছেন সামনে একটা বিশ্বকাপ ওইটা নিয়েই সবার এক্সসাইটমেন্ট কাজ করে একজন খেলোয়াড়ের ভেতরে এবং বিশ্বকাপের দলে থাকা গৌরবের বিষয়। এটা আসলে ভাষায় প্রকাশ করা যায় না।’

২০২১ সালে টি২০ বিশ্বকাপ খেললেও ২০২২ সালে জাতীয় দল থেকে বাদ পড়েন মেহেদী। এরপর ২০২৩ সালে আবার ফেরেন দলে। এক বছর পরের এমন ফেরা নিয়ে মেহেদী বলেন, ‘দল থেকে বাদ পড়লে যে কোনো খেলোয়াড়ের জন্যই খারাপ লাগে। আমার ক্ষেত্রেও একই ছিল। কিন্তু ফেরাটা অনেক চ্যালেঞ্জিং ছিল। আল্লাহর অশেষ রহমতে আবার ফিরতে পেরেছি আলহামদুলিল্লাহ।’ 
দলের পরিবেশ নিয়ে মেহেদী বলেন, ‘রিয়াদ ভাই (মাহমুদুল্লাহ) সবচেয়ে সিনিয়র। তার সঙ্গে আমরা খুব ফ্রেন্ডলি মিশি, খুব আন্তরিকভাবে। রিয়াদ ভাই আমাদের সঙ্গে খুব মজা করে, ঠাট্টা করে। এটাই আমাদের ড্রেসিং রুমের পরিবেশ। আমাদের এখন সিনিয়র জুনিয়র নাই, সবার সঙ্গে সবাই ঠাট্টা-মজা করি কিন্তু কাজের সময় খুব সিরিয়াস থাকি।’

ক্রিকেট বোঝার পর থেকেই বর্তমান সতীর্থ এবং বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসানকে আইডল হিসেবে মেনে নিয়েছেন মেহেদী। মাহমুদুল্লাহ রিয়াদের ফিনিশিং থেকেও প্রতিনিয়ত শিখছেন এই অলরাউন্ডার। মেহেদী আরও বলেন, ‘আমি যখন থেকে ক্রিকেট খেলা বুঝি, তখন থেকে সাকিব ভাইয়ের খেলা খুব ভালো লাগত।

আমি যখন সাত-আটে ব্যাটিং করার জন্য প্রস্তুত হচ্ছিলাম, তখন থেকে রিয়াদ ভাইয়ের ব্যাটিং আমার খুব ভালো লাগত, একজন ফিনিশার হিসেবে। সাকিব ভাই আইডল বলতে পারেন, রিয়াদ ভাইয়ের ব্যাটিং ভালো লাগে।’

×