ঢাকা, বাংলাদেশ   বৃহস্পতিবার ২৫ জুলাই ২০২৪, ১০ শ্রাবণ ১৪৩১

সকল ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর সম-উন্নয়ন

তাপস হালদার

প্রকাশিত: ২০:১২, ১৫ জুন ২০২৪

সকল ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর সম-উন্নয়ন

.

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান একটি ধর্মনিরপেক্ষ অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখেছিলেন। এজন্যই স্বাধীন বাংলাদেশের সংবিধানে জাতীয় মূলনীতি হিসেবে ধর্মনিরপেক্ষতাকে স্থান দিয়েছিলেন। তিনি বলেছিলেন, ‘ দেশের মুসলমানেরা তাদের ধর্ম পালন করবে, তাদের বাধা দেয়ার ক্ষমতা এই রাষ্ট্রের কারো নেই। হিন্দুরা তাদের ধর্ম পালন করবে, খ্রিস্টানরা তাদের ধর্ম পালন করবে, বৌদ্ধরা তাদের ধর্ম পালন করবে, তাদের কেউ বাধা দিতে পারবে না। ধর্ম অতি পবিত্র জিনিস। পবিত্র ধর্মকে কেউ রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা চলবে না। যদি কেউ বলে ধর্মীয় অধিকার খর্ব করা হয়েছে, আমি বলবো, ধর্মীয় অধিকার খর্ব করা হয়নি। সাড়ে সাত কোটি মানুষের ধর্মীয় অধিকার রক্ষা করার ব্যবস্থা করেছি।মূলত, বঙ্গবন্ধুর পদাঙ্ক অনুসরণ করে তাঁরই সুযোগ্যকন্যা প্রধানমন্ত্রী দেশরতœ শেখ হাসিনা জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে বাংলাদেশকে একটি অসাম্প্রদায়িক, ধর্মনিরপেক্ষ আন্তঃধর্মীয় সম্প্রীতির বাংলাদেশ গড়ে তুলেছেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার শাসনামলে জনগণকে কখনো ধর্মের ভিত্তিতে বিভক্ত করা হয় না। বরং তিনি বারবার বলেছেন, আপনারা নিজেদের কেউ সংখ্যালঘু ভাববেন না। এদেশে কেউ সংখ্যাগুরু, সংখ্যালঘু নেই। তিনি এটি হৃদয় দিয়ে বিশ্বাস করেন বলেই সকল ধর্মীয় বিশ্বাসের মানুষকে একইভাবে মর্যাদা দেন। সকল ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে সমভাবে কাজ করেন।

রাজধানী ঢাকার সঙ্গে ঢাকেশ্বরী মন্দিরের ইতিহাস জড়িয়ে আছে। হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের প্রধান উপাসনালয় ঢাকেশ্বরী মন্দির   পাকিস্তান কিংবা বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার পরও বিভিন্ন সময়ে বারবার দুর্বৃত্তদের দ্বারা আক্রান্ত হয়েছে। পাকিস্তান সৃষ্টির পরই ১৯৫০ সালে ঢাকেশ্বরী মন্দিরে হামলা হয়, লুট হয় স্বর্ণালংকার। ১৯৫৮ সালে আইয়ুব খানের শাসনামলের শুরু এবং ১৯৬৪ সালের দাঙ্গার পর বেশ কিছুটা সময় মন্দিরে পূজা-অর্চনা বন্ধ থাকে। মুক্তিযুদ্ধের সময় মন্দিরটি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং মন্দিরের অর্ধেকের বেশি ভবন ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়। প্রধান ভবনটি দখল করে পাক হানাদার বাহিনী গোলাবারুদ রাখার গুদামে পরিণত করে।

বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর শাসনামলে ঢাকেশ্বরীতে হারানো গৌরব ফিরে আসে। হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ আনন্দের সঙ্গে পূজা-অর্চনা শুরু করে। কিন্তু জাতির পিতার হত্যাকান্ডে পরই ১৯৭৫ সালের ২৫ নভেম্বর মন্দিরে আবারও হামলা চালানো হয়। সামরিক শাসনামলে ১৯৮৩ সালে  মন্দির লুট আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটে। ১৯৯২ সালে খালেদা জিয়া ক্ষমতায় থাকাকালীন মন্দিরে ব্যাপক হামলা হয় এবং ২০০১ সালে নির্বাচনের পরও একই ঘটনা ঘটে। ১৯৯৬ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রথম মেয়াদে ক্ষমতায় আসার পর ঢাকেশ্বরী মন্দিরকে জাতীয় মন্দিরের মর্যাদা দেওয়া হয়। নাম পরিবর্তন করে ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির রাখা হয়। তখন মন্দির নিরাপদ ছিল এবং হিন্দুরা নির্বিঘ্নে পূজা-অর্চনা করার সুযোগ পেয়েছে। আবার ২০০৯ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পুনরায় ক্ষমতায় আসার পর থেকে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের আস্থার জায়গা তৈরি হয়। ঢাকেশ্বরী মন্দিরসহ সারাদেশের মন্দিরে শান্তিপূর্ণভাবে মহাসমারোহে পূজা-অর্চনা শুরু হয়েছে, যা দিনদিন বৃদ্ধি পাচ্ছে।

ঢাকেশ্বরী দেবীর প্রতিমা যেখানে স্থাপিত, সেসব জায়গা ঘিরে ভাওয়াল রাজার আমলের শেষদিকে মন্দিরের জন্য ২০ বিঘা জায়গা দেবোত্তর ভূমি হিসেবে রেকর্ডভুক্ত হয়। সেই দেবোত্তর ভূমি একশ্রেণির ভূমি দস্যু দখল করে অবৈধ বস্তি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছিল। যে কারণে মন্দিরের প্রবেশপথ খুবই সরু জরাজীর্ণ ছিল। এতে করে মন্দিরের পবিত্রতা যেমন নষ্ট হতো, অন্যদিকে ভক্ত পর্যটকদের নিরাপত্তা বিঘ্নি হওয়ার আশংকা থাকত। প্রধানমন্ত্রীর কাছে মন্দির কমিটির দাবি ছিল, দ্রুত এই জায়গাটুকু পুনরুদ্ধার করে মন্দিরের সুন্দর পরিবেশ নিশ্চিত করা। কিন্তু এই জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে মামলা ছিল। প্রধানমন্ত্রী ভালো করেই জানেন, মামলা নিষ্পত্তি করে এই জমি ফিরিয়ে দেওয়া সম্ভব নয়। তখন তিনি বিকল্প পথে গিয়ে মোটা অঙ্কের টাকা দিয়ে  আপোস মীমাংসা করে মন্দির কমিটির হাতে জমিটি ফিরিয়ে দেন।

২০১৮ সালে দুর্গা পূজা উপলক্ষে ঢাকেশ্বরী মন্দির পরিদর্শনকালে  প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মন্দির কর্তৃপক্ষকে জমি উপহারের ঘোষণা দিয়ে বলেন, ‘এই ঢাকেশ্বরী মন্দিরে জমি নিয়ে একটা সমস্যা ছিল। ইতোমধ্যেই সেই সমস্যা আমরা সমাধান করে ফেলেছি। বাকি কাজটা আপনাদের ওপরই নির্ভরশীল।প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা অনুযায়ী মন্দিরের দক্ষিণ-পশ্চিমের দেড় বিঘা জমি বুঝে পেয়েছে মন্দির কর্তৃপক্ষ। প্রধানমন্ত্রী শুধু জায়গা ফিরিয়ে দিয়েই দায়িত্ব পালন শেষ করেননি। মন্দিরের আধুনিকায়নের জন্য ১০ কোটি টাকা অনুদান দিয়েছেন। যার উন্নয়ন কাজ এখনো চলমান রয়েছে। এখনকার  সুবিশাল মন্দির এলাকা শেখ হাসিনারই অবদান। আমাদের প্রত্যাশা, যতই জটিল হোক, আরও যেসব বেদখল জমি রযেছে, সেগুলোও প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপে একদিন দখলমুক্ত হয়ে মন্দির কর্তৃপক্ষ ফিরে পাবে।

ঢাকেশ্বরী মন্দিরের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আলাদা আবেগ ভালোবাসা রয়েছে। শত ব্যস্ততার মধ্যেও তিনি প্রতিবছর সশরীরে মন্দিরে উপস্থিত হয়ে ভক্তদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। যখন যা লাগে তাই করে দেন। প্রধানমন্ত্রীর অভিপ্রায় অনুযায়ী, মন্দির পরিদর্শনে গিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী ঘোষণা দিয়েছেন, ঢাকেশ্বরী মন্দিরে বিনামূল্যের ক্লিনিকটি পুনরায় চালু করা হবে। সেখানে বিশেষজ্ঞ ডাক্তার দিয়ে আধুনিক মানসম্মত চিকিৎসা দেওয়া হবে। এছাড়া ঢাকা সিটি করপোরেশনের অর্থায়নে পূজারিদের সুবিধার্থে একটি লিফটসহ অন্যান্য আনুষঙ্গিক উন্নয়ন কার্যক্রম চলমান।

ঢাকার আরেকটি ঐতিবাহী মন্দির  রমনা কালী মন্দির। বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের সঙ্গে রমনা কালী মন্দিরের নাম ওতোপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে। ১৯৭১ সালের মার্চ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ঐতিহাসিক ভাষণ দিয়েছিলেন রমনা রেসকোর্স ময়দানে। এর পাশেই অবস্থিত রমনা কালী মন্দির। ১৯৭১ সালে ২৬ মার্চ মন্দিরটি ডিনামাইট দিয়ে উড়িয়ে দেওয়া হয়। হত্যা করা হয় সেবায়েতসহ শতাধিক পূজারিকে। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর হত্যাকা-ের পর দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও রমনা কালী মন্দির পুনঃনির্মাণের উদ্যোগ কেউ গ্রহণ করেনি।  প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রথম মেয়াদে ক্ষমতায় আসার পর মন্দিরকে জমিদান এবং অন্যান্য সহযোগিতা করেন। শুরু হয় পূজা-অর্চনা। কিন্তু ২০০১ সালে বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর আবারও মন্দিরের ওপর কালো থাবা পড়ে পূজা-অর্চনা বন্ধ হয়ে যায়। মন্দির আঙ্গিনায় একটা ভূতুড়ে পরিবেশ তৈরি হয়। পুনরায় শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হওয়ার পর মন্দিরের সংস্কার কাজ শুরু হয়। আজ রমনা মন্দিরের নান্দনিক সৌন্দর্যের স্থাপনার কারণে দেশের অন্যতম সেরা মন্দিরে পরিণত হয়েছে। যার অবদান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার। তাঁর প্রস্তাবেই মন্দিরটির আধুনিকায়নে অর্থায়ন করেছে ভারত সরকার।

বাংলাদেশ মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ হলেও আওয়ামী লীগ সরকার অন্য ধর্মীয় সম্প্রদায়ের মানুষদেরও সমান গুরুত্ব দেয়। সকল ধর্মীয় উপাসনালয় সংস্কার, ধর্মীয় শিক্ষা প্রচারের ক্ষেত্রে নিয়োজিত ব্যক্তিদের জীবনমান উন্নয়নের জন্য ধারাবাহিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে সরকার। ২০০৯ সালে ক্ষমতা গ্রহণের পর থেকেই ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয় হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের মাধ্যমে নানা ধরনের উন্নয়ন কাজ চলছে। বাংলাদেশের সব ধর্মের প্রসার বিকাশের জন্য আলাদা আলাদা কল্যাণ ট্রাস্ট করা হয়েছে। হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের স্থায়ী আমানত ২১ কোটি টাকা হতে বাড়িয়ে ১০০ কোটি টাকায় উন্নীত করা হয়েছে। ফলে, সারাদেশে প্রায় সাড়ে হাজার মন্দির ভিত্তিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রতিবছর দুই লাখের বেশি মানুষকে প্রাক-প্রাথমিক, বয়স্ক ধর্মীয় গ্রন্থ গীতা শিক্ষা প্রদান করা হচ্ছে। ধর্ম মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে ২১৮ কোটি টাকা ব্যয়ে প্রায় ১৪ হাজার মন্দিরের সংস্কার আর উন্নয়ন করা হয়েছে। প্রায় ৯শহিন্দু শ্মশানের সংস্কার করা হয়েছে। এছাড়াও ২৩ কোটি টাকা ব্যয়ে সিদ্ধেশ্বরী কালি মন্দির, চট্টগ্রাম, গোপালগঞ্জ, হবিগঞ্জ জেলার ১৫৮ টি মন্দির শ্মশানের কাজ শেষ হয়েছে।

ধর্মীয় আর্থ-সামাজিক প্রেক্ষাপটে পুরোহিত সেবায়েতদের দক্ষতাবৃদ্ধিকরণ প্রকল্পের আওতায় প্রায় ৫০ কোটি টাকা ব্যয়ে ১৮ টি আঞ্চলিক কার্যালয়ের মাধ্যমে প্রায় ৪২ হাজার পুরোহিত সেবায়েতদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। প্রায় সাড়ে হাজার মন্দির ভিত্তিক শিক্ষাকেন্দ্রের মাধ্যমে প্রতিবছর লাখ ৫০ হাজার শিশুকে প্রাথমিক, ৩০ হাজার নিরক্ষর ব্যক্তিকে ধর্মীয় শিক্ষা এবং ৪২ হাজার শিক্ষার্থীকে গীতা শিক্ষাসহ মোট দুই লাখেরও বেশি মানুষকে শিক্ষা প্রদান করা হচ্ছে।এ প্রকল্পের আওতায় প্রায় হাজার শিক্ষক, কর্মকতা-কর্মচারীদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হয়েছে। প্রতিবছরই এই সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। হজযাত্রীদের মতো হিন্দুদের ভারতের তীর্থ দর্শনের সুযোগ করে দেওয়া হয়েছে। এর জন্য কল্যাণ ট্রাস্টের মাধ্যমে সরকারি অনুদান সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে। শারদীয় দুর্গা পূজা স্বছন্দ্যে পালনের লক্ষ্যে কল্যাণ ট্রাস্ট ছাড়াও প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলের মাধ্যমে সারাদেশের পূজামপে অনুদান প্রদান করা হয়। সরকারি অনুদান বৃদ্ধির কারণে প্রতিবছর গাণিতিক হারে পূজামন্ডপের সংখ্যাও বৃদ্ধি পাচ্ছে।

বঙ্গবন্ধু থেকে দেশরত্ন শেখ হাসিনার সময়কালে কখনো ধর্মের ভিত্তিতে মানুষকে বিভক্ত করা হয়নি। বরং সকল ধর্ম-বর্ণের মানুষকে সমান মর্যাদা দেওয়া হয়েছে। সকল ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানকে সমভাবে উন্নয়ন করা হয়েছে। বিছিন্ন কোনো ঘটনা ঘটলেও রাষ্ট্রীয়ভাবে মদত দেওয়া হয়নি বরং দ্রুত দোষীদের আইনের আওতায় আনা হয়েছে। একশ্রেণির মানুষ আছে, যারা পান থেকে চুন খসার মতো কোনো ঘটনা ঘটলেই সমালোচনায় অস্থির হয়ে পড়ে। কিন্তু ভুলে গেলে চলবে না, এদেশে অসাম্প্রদায়িক চেতনার নিরাপদ আশ্রয়স্থল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি অতীত যেমন পাশে ছিলেন, ভবিষ্যতেও তিনিই একমাত্র থাকবেন।

ঢাকেশ্বরী মন্দিরসহ সারা দেশে মন্দির নির্মানে প্রধানমন্ত্রীর এতো অবদান থাকার পরও ধর্মীয় সংগঠনের নামে কিছু মুখোশধারী বিএনপির এজেন্ট উন্নয়ন নিয়ে মিথ্যে বদনাম করছে। যা গভীর ষড়যন্ত্র ছাড়া কিছু নয়। এরা সমাজের অতি ক্ষুদ্র একটা অংশ। এদেরকে সম্মিলিত ভাবে প্রতিহত করতে হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঢাকেশ্বরী মন্দিরসহ ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর যেসব উন্নয়ন করেছেন, সেগুলো জনগণের মাঝে তুলে ধরে মিথ্যার সমুচিত জবাব দিতে হবে।

লেখক : সাবেক ছাত্রনেতা কলামিস্ট

haldertapas80@gmail

×