ঢাকা, বাংলাদেশ   রোববার ১৯ মে ২০২৪, ৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১

জলবায়ু অর্থায়নে বেসরকারি খাতকে উৎসাহিত করতে শুল্ক সুবিধা প্রদানের তাগিদ

কাওসার রহমান ও সাইফুল ইসলাম তালুকদার, দুবাই থেকে

প্রকাশিত: ১৩:৫১, ৭ ডিসেম্বর ২০২৩; আপডেট: ১৩:৫২, ৭ ডিসেম্বর ২০২৩

জলবায়ু অর্থায়নে বেসরকারি খাতকে উৎসাহিত করতে শুল্ক সুবিধা প্রদানের তাগিদ

কার্বন দূষণ। ফাইল ছবি। 

শুল্ক সুবিধা বা ইনসেনটিভ দিয়ে বেসরকারি খাতকে জলবায়ু সহনশীল প্রকল্পে বিনিয়োগে উৎসাহিত করার তাগিদ দিয়েছেন জলবায়ু বিশেষজ্ঞরা। তারা বলছেন, জলবায়ু পরিবর্তনে উন্নত দেশগুলো নিজেরা বিনিয়োগ না করে বেসরকারি খাতের ওপর দায় চাপাচ্ছে। কিন্তু বেসরকারি খাত জলবায়ু সহনশীল খাতে বিনিয়োগে আগ্রহ দেখাচ্ছে না। তাই জলবায়ু খাতে বেসরকারি উদ্যোক্তাদের আগ্রহ বাড়াতে শুল্ক সুবিধা বা ইনসেনটিভ দেওয়া উচিত।

স্থানীয় সময় বুধবার (৬ ডিসেম্বর) বাংলাদেশ প্যাভিলিয়নে ক্যাটালাইজিং ক্লাইমেট রেজিলিয়েন্ট শীর্ষক এক সাইড ইভেন্টে বিশেষজ্ঞরা এ তাগিদ দিয়েছেন।

এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ নেগোসিয়েশন টিমের সদস্য ড. রেজাউল করিম বলেন, ‘কার্বন দূষণকারী কোম্পানিগুলোর বিরুদ্ধে জরিমানা করা হচ্ছে না। বাংলাদেশের ক্ষেত্রেও এটা হচ্ছে না। সরকারি রাজস্ব বাড়াতে হলে কোম্পানিগুলোর বিরুদ্ধে জরিমানা করতে হবে। দূষণের ওপর কর ধার্য করত হবে। অন্যদিকে বেসরকারি খাতে বিনিয়োগ বাড়ানোর জন্য তাদের শুল্ক সুবিধা দিতে হবে। তাহলে একদিকে, যেমন রাজস্ব আয় বাড়াবে। অন্যদিকে, বেসরকারি খাতে বিনিয়াড় বৃদ্ধি পাবে।’

এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ টিমের অপর সদস্য ড. আইনুন নিশাত বলেন, ‘জলবায়ু অর্থায়নে বেসরকারি খাতের বিনিয়োগ বাড়াতে হলে বৈশ্বিক নেতাদের বড় ভূমিকা পালন করতে হবে। তাদেরকে জলবায়ু প্রশমন ও অভিযোজনে বিনিয়োগে বাধ্য করতে হবে। ব্যাংকিং খাত এক্ষেত্রে তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।’

এম হাসান

×