ঢাকা, বাংলাদেশ   বুধবার ০৫ অক্টোবর ২০২২, ২০ আশ্বিন ১৪২৯

ট্যানারির দূষণ বন্ধে শিল্প ও বাণিজ্য সচিবকে তলব করা হবে

প্রকাশিত: ২১:৫৬, ২২ আগস্ট ২০২২; আপডেট: ২১:৫৮, ২২ আগস্ট ২০২২

ট্যানারির দূষণ বন্ধে শিল্প ও বাণিজ্য সচিবকে তলব করা হবে

সাভারের ট্যানারি থেকে দূষণ।

সাভারের চামড়া শিল্প থেকে পরিবেশ দূষণ বন্ধে দৃশ্যমান অগ্রগতি না হওয়ায় এবার শিল্প ও বাণিজ্য সচিবকে তলব করবে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি।

সোমবার (২২ আগস্ট) সংসদীয় কমিটির বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। কমিটির পরবর্তী বৈঠকে এই দুই সচিবকে তলব করা হবে। একইসঙ্গে শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন এবং বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশিকে আমন্ত্রণ জানানো হবে।  

বৈঠক শেষে কমিটির সভাপতি সাবের হোসেন চৌধুরী বলেন, সাভারের ট্যানারির দূষণ নিয়ে আমরা দেখছি, গত দেড় বছরে শুধু মিটিংই হচ্ছে। দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি নেই। তাদের কার্যক্রম সন্তোষজনক নয়। আমরা বলেছি, এখন থেকে এ নিয়ে যত মিটিং হবে তাতে নেতৃত্ব দেবে পরিবেশ মন্ত্রণালয়। পরিবেশ মন্ত্রণালয় অন্যদের ডাকবে। কারণ এটা পরিবেশের বিষয়।'

তিনি বলেন, `সাভারের ট্যানারি শিল্প থেকে পরিবেশ দূষণ রোধে কী করা হচ্ছে, সেজন্য আগামী বৈঠকে শিল্প ও বাণিজ্য সচিবকে ডাকা হবে। আমরা শিল্পমন্ত্রী ও বাণিজ্যমন্ত্রীকেও আমন্ত্রণ জানাব।'  

২০১৭ সালে আদালতের নির্দেশে সাভারের হেমায়েতপুরে শিল্পনগরী ট্যানারিগুলো যেতে বাধ্য হয়। আর এ শিল্পনগরী গড়ে তোলার কাজ এরও অর্ধযুগ আগে থেকে শুরু করে বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশন (বিসিক)।

ওই নগরীতে ১৫৫টি ট্যানারিকে জমি দেওয়া হয়েছে। কেন্দ্রীয় বর্জ্য পরিশোধনাগার তৈরি করে দেওয়ার কথা বিসিকের। তারা এ জন্য একটি চীনা কোম্পানিকে দায়িত্ব দেয় ২০১২ সালে। তবে তারা যথাসময়ে সিইটিপি পুরো চালু করতে পারেনি। আবার এই সিইটিপির সক্ষমতা ও কার্যকারিতা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

সাভারের চামড়া শিল্পনগরীতে দৈনিক ৪০ হাজার ঘনমিটার বর্জ্য উৎপাদন হয়, যেখানে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার সক্ষমতা রয়েছে ২৫ হাজার ঘনমিটার।