ঢাকা, বাংলাদেশ   রোববার ২১ এপ্রিল ২০২৪, ৮ বৈশাখ ১৪৩১

দায়িত্বশীলতা জরুরী

প্রকাশিত: ০৯:০২, ২৮ মার্চ ২০১৯

দায়িত্বশীলতা জরুরী

সড়কে বিশৃঙ্খলা-নৈরাজ্য ছড়াচ্ছে হতাশা, তৈরি হচ্ছে নিরাপত্তা ঝুঁকি। কারও একার না হলেও, এ দায় শ্রমিকেরই অনেকাংশে। সম্প্রতি সমস্যা সমাধানে বিশেষজ্ঞগণ ১১১ দফা সুপারিশ করেছেন, যা প্রমাণ করে সমস্যার গভীরতা। আমরা কেউ ভিনগ্রহ থেকে আসিনি। ‘ব্যর্থ’, ‘হিমশিম অবস্থা’ যে নামেই সমস্যাকে সংজ্ঞায়িত করা হোক, আসল কথা হলো আন্তরিকতা ও দায়িত্বশীলতা। যাত্রী, শ্রমিক, শিক্ষার্থী, পথচারী সবার সচেতনতা যে পর্যায়ের, তা আরও বাড়াতে হবে। সবপক্ষের দক্ষতা বাড়াতে প্রশিক্ষণ জোরদার করতে হবে। আমাদের যানবাহনের যেমন ফিটনেস নেই, ফিটনেস নেই শ্রমিকের, অনেক পথচারীর ফুটওভারব্রিজ পারাপারে নেই শারীরিক-মানসিক ফিটনেস, সড়ক মহাসড়কগুলো যানবাহনের চাপ সামলানোর ফিটনেস নেই, স্থান সংকুলানেও নেই ফিটনেস। আছে মাদকের কুপ্রভাব, দুর্নীতি, আছে রাজনৈতিক প্রতিপত্তি। আজও দেশে গড়ে অন্তত ২০ জন সড়কে খুন হচ্ছে। ‘সুপ্রভাত’, ‘জাবালে নুর’ পরিবহন নাম পাল্টে রাস্তায় নামছে। আজ ছাত্রকে পিষে দিচ্ছে, তো কাল মন্ত্রীর গাড়ি ধাক্কা দিচ্ছে! খোঁজ নিলে দেখা যায় ঝামেলা আছে গাড়ির, মামলা আছে ড্রাইভারের বিরুদ্ধে। তবু ছাত্র মরলে আন্দোলন হয়, প্রশাসনের টনক নড়ে- কিন্তু তা স্থায়ী হয় না। এ অবস্থার রাতারাতি পরিবর্তন অসম্ভব। তবে কিছু ব্যবস্থা নিলে হয়ত ধীরে হলেও দূর হবে সড়কে বিশৃঙ্খলা। যেমন- * সড়ক মহাসড়ক ব্যবস্থাপনা ডিজিটাল করা। সিসি ক্যামেরা, এ্যাপস্, স্পীডগান, লাইসেন্স পরীক্ষার যন্ত্রপাতির ব্যবস্থা করা। * ইঞ্জিনে এমন প্রযুক্তি স্থাপন করা যাতে চালকের লাইসেন্স না থাকলে গাড়ি স্টার্ট নেবে না। * লাইসেন্সবিহীন চালককে ধরে জেলে না পাঠিয়ে, প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে পাঠানো। চালকের বয়স ও দক্ষতা হলেই চাকরির ব্যবস্থা। * হালকা যানবাহনের জন্য আলাদা লেন করা। * জনবহুল স্থানে অধিকসংখ্যক আনসার মোতায়েন করে পথচারী পারাপার নিরাপদ করা। * উঁচু-খাঁড়া হওয়ার ফলে, সবার ফুটওভারব্রিজ ব্যবহার করা অসম্ভব। তাই ফুটওভারব্রিজগুলোর সিড়ির স্থলে হাঁটার উপযোগী ঢালু, হকার ও ভিক্ষুকমুক্ত করা। * মেয়াদোত্তীর্ণ ও ফিটনেসবিহীন গাড়ি নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে রাস্তা থেকে তুলে দেয়া। কাপাসিয়া, গাজীপুর থেকে
×