বৃহস্পতিবার ১৩ কার্তিক ১৪২৮, ২৮ অক্টোবর ২০২১ ঢাকা, বাংলাদেশ
প্রচ্ছদ
অনলাইন
আজকের পত্রিকা
সর্বশেষ

বেসরকারি খাতে বিদেশী ঋণ ৬১৬ কোটি টাকা

বেসরকারি খাতে বিদেশী ঋণ ৬১৬ কোটি টাকা

অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ বৈদেশিক ঋণের ভারে ন্যুব্জ হয়ে পড়েছে দেশের বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো। ২০১৬ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত বেসরকারি খাতে বিদেশি ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৬১৬ কোটি ডলার। যা আগামী দিনে বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার বাজারকে অস্থিতিশীল করতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন ব্যাংকিং খাতের বিশেষজ্ঞরা।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর মিরপুরে বাংলাদেশ ইনিস্টিটিউট অব ব্যাংক ম্যানেজমেন্ট (বিআইবিএম) অডিটোরিয়ামে ‘প্রসপেক্টাস অ্যান্ড চ্যালেঞ্জ অব সর্ট টার্ম ফরেন কারেন্সি ফিন্যান্সিং অব ব্যাংকস’ শীর্ষক কর্মশালায় এক গবেষণা প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে আসে। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর আবু হেনা মোহা. রাজী হাসান।

বিআইবিএমের অধ্যাপক ড. শাহ মো. আহসান হাবিবের নেতৃত্বে ৬ সদস্যের একটি টিম গবেষণা প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন।প্রতিবেদনে বলা হয়, বেসরকারি খাতে ২০১২ সালে স্বল্পমেয়াদি বিদেশি ঋণের পরিমাণ ছিল সাড়ে ২৩ কোটি ডলার। ২০১৪ সালে তা বেড়ে দাঁড়ায় ৩৮ কোটি ডলারে। সর্বশেষ হিসেবে ২০১৬ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত বৈদেশিক ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৬১৬ কোটি ডলার।

বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর বলেন, দেশের মধ্যে যখন উচ্চ সুদহার ছিল। তখন বেসরকারি খাতে বিদেশি ঋণ নেওয়ার অনুমোদন দেওয়া হয়। সেসময়ে স্থানীয় ব্যাংকগুলোর সুদের হার ছিল ১৭ শতাংশ পর্যন্ত। এখন তা ১০ শতাংশের নিচে নেমে এসেছে। বর্তমানে বিদেশি ঋণের সঙ্গে দেশিয় ব্যাংকগুলোর ঋণের সুদহারের তেমন কোনো পার্থক্য নেই।

তিনি বলেন, দেশের তুলনায় বিদেশি ঋণের সুদহার তুলনামূলক সস্তা হলেও সীমাহীন ঋণের অনুমোদন দেওয়া হবে না। কেননা, পূর্ব এশিয়ার একাধিক দেশ বেসরকারি খাতে বিদেশি ঋণ নিয়ে বিপাকে পড়েছে। এজন্য বিষয়টি নিয়ে ভাববার প্রয়োজন রয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক নির্বাহী পরিচালক এবং বিআইবিএমের সুপারনিউমারারি অধ্যাপক ইয়াছিন আলি বলেন, মালেয়েশিয়া স্বল্পমেয়াদি বিদেশি ঋণ নিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ ধরণের ঋণে অনেকগুলো চ্যালেঞ্জ রয়েছে। এ সম্পর্কিত যাবতীয় তথ্য সংগ্রহ করে সেসকল ঝুঁকি আছে তা নিরসনে বাংলাদেশ ব্যাংককে ব্যবস্থা নিতে হবে।

বিআইবিএমের মহাপরিচালক ড. তৌফিক আহমেদ চৌধুরী বলেন, স্বলমেয়াদি বৈদেশিক ঋণের ভালো দিকের পাশাপাশি বেশকিছু ঝুঁকিও রয়েছে। আমরা যদি বৈশ্বিক চিন্তা করি, তাহলে দেখব, আগে যতগুলো ফাইন্যানশিয়াল ক্রাইসিস হয়েছে সেখানে দেখা গেছে, স্বল্পমেয়াদি ঋণ কম খরচে বড় করা হয়। বড় করে যখন ফিরিয়ে দেয়ার সময় আছে, তখন লোকাল কারেন্সি অবমূল্যায়ন হলে ব্যালেন্স অব পেমেন্টে সমস্যা দেখা দেয়।

তিনি বলেন, ব্যাংকিংয়ের সোর্সেস অব ফান্ডের ব্যাপারে বাংলাদেশ ব্যাংককে সবসময় মনিটরিং করা উচিত। প্রত্যেকটি ব্যাংকের ফরেন কারেন্সির দায় বেড়ে যাচ্ছে। যদিও ক্রাইসিস সেশন এখনো টাচ করেনি। কিন্তু, ক্রাইসিস সেশন টাচ করার পরে কি আমরা পদক্ষেপ নিব, নাকি তার আগেই আমরা ব্যাংকগুলোকে সতর্ক? আমরা চাচ্ছি একটা শক্ত মনিটরিং ব্যবস্থা।

কর্মশালায় আরও বক্তব্য রাখেন ইসলামী ব্যাংকের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. মাহবুব উল আলম, ইস্টার্ন ব্যাংক লিমিটেডের ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর আহমেদ শাহিন প্রমুখ।

শীর্ষ সংবাদ:
আসন্ন শীতে করোনা পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে : প্রধানমন্ত্রী         ডেঙ্গু : ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ভর্তি ১৭৩         ‘দুই মাসের মধ্যে ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানগুলোকে নিবন্ধন নিতে হবে’         করোনা : গত ২৪ ঘন্টায় মৃত্যু ৬, শনাক্ত ২৯৪         এক বছর মেয়াদ বাড়ছে ডিএমপি কমিশনার শফিকুলের         সাম্প্রদায়িক হামলা ॥ বিচার বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ হাইকোর্টের         ডিএমপি কমিশনারের মেয়াদ আরও ১ বছর বাড়ল         ‘বিএনপি কর্মসূচির নামে জনভোগান্তি সৃষ্টি করলে আ'লীগ প্রতিহত করবে’         দেশে করোনাকালেও খাদ্যের সংকট নেই ॥ কৃষিমন্ত্রী         ১ নবেম্বর থেকে স্কুল শিক্ষার্থীদের টিকা দেওয়া শুরু         ‘পুলিশের সব কর্মকাণ্ডে শৃঙ্খলা বজায় রাখার আহ্বান’         রোহিঙ্গাদের সহায়তায় আরও ১২ মিলিয়ন ইউরো দেবে ইইউ         অবশেষে বধ্যভূমি দখলমুক্ত করা হলো         বরিশাল বাজারে ডিমওয়ালা ইলিশ পাওয়া যাচ্ছে         বাংলাদেশে ফাইজারের আরও ৩৫ লাখ টিকা পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র         বিনিয়োগ চাইলেন আফগানিস্তানের তালেবান সরকারের প্রতিরক্ষামন্ত্রী         দেড় বছর পর ঢাকা-সিঙ্গাপুর ফ্লাইট শুরু         চুয়াডাঙ্গায় ৬ স্বর্ণের বারসহ গৃহবধূ আটক         আবাসিক হোটেল থেকে ঢাবি শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার         সমালোচনা জীবনের একটা অংশ, এটা সহ্য করাও একটা আর্ট ॥ মাশরাফি