মঙ্গলবার ২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৮, ০৭ ডিসেম্বর ২০২১ ঢাকা, বাংলাদেশ
প্রচ্ছদ
অনলাইন
আজকের পত্রিকা
সর্বশেষ

বৈদেশিক প্রতিশ্রুতি বেড়েছে আগস্টেও

আনোয়ার হোসেন ॥ জুলাইয়ের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে বৈদেশিক প্রতিশ্রুতি বেড়েছে আগস্টেও। এ কারণে চলতি অর্থবছরের (২০১৬-১৭) প্রথম দুই মাসে মোট প্রতিশ্রুতির পরিমাণ গত বছরের একই সময়ের তুলানায় বেশি। তবে প্রতিশ্রুতির তুলনায় এই সময়ে অর্থ ছাড় কম হয়েছে। সেই সঙ্গে কমে গেছে উন্নয়ন সহযোগীদের ঋণ পরিশোধের পরিমাণও। জুলাই-আগস্ট মাসের এ চিত্র উঠে এসেছে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের হালনাগাদ (ইআরডি) তথ্যে। এই দুই মাসে দাতাদের কাছ থেকে প্রায় ১১৭২ কোটি ৬২ লাখ মার্কিন ডলারের প্রতিশ্রুতি এসেছে। এর মধ্যে আগের সব রেকর্ড ভেঙ্গে জুলাইতেই উন্নয়ন সহযোগীদের কাছ থেকে প্রায় এক হাজার ১৬৮ কোটি মার্কিন ডলারের সহায়তা প্রতিশ্রুতি আদায় করে বাংলাদেশ। অবশিষ্ট প্রতিশ্রুতি আদায় হয়েছে আগস্ট মাসে। দুই মাসের মোট প্রতিশ্রুতির মধ্যে ঋণ ১১৭০ কোটি ৪২ লাখ ডলার এবং অনুদান ২ কোটি ২০ লাখ মার্কিন ডলার। গত অর্থবছরের একই সময়ে দাতারা প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল ৪ কোটি ২৮ লাখ মার্কিন ডলার। এর মধ্যে কোন ঋণ ছিল না। পুরোটাই ছিল অনুদান।

ইআরডি কর্মকর্তারা বলছেন, জঙ্গী হামলার আতঙ্কের মধ্যে অর্থবছরের শুরুতেই রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুত কেন্দ্র স্থাপনে রাশিয়ার সঙ্গে প্রায় এক হাজার ১৩৮ কোটি মার্কিন ডলারের চুক্তি হয়। এত বড় প্রকল্পে প্রতিশ্রুতি আদায় সার্বিক প্রতিশ্রুতির পরিমাণ বাড়ার ক্ষেত্রে নিয়ামক ভূমিকা রেখেছে। এটি সরকারের অর্থনৈতিক পরিকল্পনার ওপর বিদেশীদের আস্থার প্রতিফলন। তবে অর্থনীতিবিদরা বলছেন, পুঞ্জিভূত প্রতিশ্রুতির আকার বেড়েই চলেছে। তাই শুধু প্রতিশ্রুতিতেই তুষ্ট হলে চলবে না, পাইপলাইন থেকে যথা সময়ে অর্থ ছাড় করে উৎপাদনশীল খাতে ব্যবহারের বিষয়টিও নিশ্চিত করতে হবে।

ইআরডি জানায়, চলতি অর্থবছরের দুই মাসে (জুলাই-আগস্ট) দাতারা অর্থ ছাড় করেছে মোট ২৮ কোটি ৩৩ লাখ ৭০ হাজার মার্কিন ডলার। গত অর্থবছরের একই সময়ে মোট অর্থ ছাড় হয়েছিল ২৯ কোটি ২৭ লাখ মার্কিন ডলার। এ হিসাবে অর্থ ছাড়ের পরিমাণ কিছুটা কম হয়েছে। চলতি বছর এ পর্যন্ত ছাড়কৃত অর্থের মধ্যে ঋণ ২৫ কোটি ৭৩ লাখ ৭০ হাজার ডলার। গত বছরের একই সময়ে এ পরিমাণ ছিল ২৪ কোটি ১৮ লাখ ৮০ হাজার ডলার। তবে এ বছর এখন পর্যন্ত অনুদানের পরিমাণ বেড়েছে। জুলাই-আগস্টে অনুদান পাওয়া গেছে দ্বিগুণ। এর পরিমাণ অনুদান ৫ কোটি ৮ লাখ ২০ হাজার ডলার। গত বছর এই সময়ে ২ কোটি ৬০ লাখ ডলার অনুদান পাওয়া গিয়েছিল।

অন্যদিকে গত দুই মাসে উন্নয়ন সহযোগীদের ঋণ পরিশোধের পরিমাণও কমেছে। জুলাই-আগস্টে সরকার উন্নয়ন সহযোগীদের পরিশোধ করেছে মোট ১৩ কোটি ৭৭ লাখ ৮০ হাজার ডলার। এর মধ্যে আসলের পরিমাণ ১০ কোটি ৩৩ লাখ ৮০ হাজার এবং সুদ ৩ কোটি ৪৪ লাখ মার্কিন ডলার। গত অর্থবছরের একই সময়ে ঋণ পরিশোধের পরিমাণ ছিল ১৬ কোটি ২ লাখ ৪০ হাজার মার্কিন ডলার। এর মধ্যে আসল ১২ কোটি ২২ লাখ ৭০ হাজার এবং সুদ ৩ কোটি ৭৯ লাখ ৭০ হাজার মার্কিন ডলার।

শীর্ষ সংবাদ:
শীর্ষে যাবে রফতানিতে ॥ গার্মেন্টস শিল্পে ঈর্ষণীয় সাফল্য         ঢাকা-দিল্লী সম্পর্ক আস্থা ও শ্রদ্ধায় বিস্তৃত         ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার ১১ মাসের মাথায় সুচির কারাদণ্ড         বিশ্বজুড়ে শান্তির বার্তা ছড়িয়ে দিচ্ছেন শেখ হাসিনা         অভিযুক্ত কর্মকর্তাদের সচিব পদোন্নতি দেয়ার প্রক্রিয়া!         বিজয়ের মাস         জাওয়াদ দুর্বল হয়ে লঘুচাপে রূপ নিয়েছে         ৪৩ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে রিপোর্ট দিতে হাইকোর্টের নির্দেশ         অরাজকতা সৃষ্টির নীলনক্সা জামায়াতের         আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি অর্জনের সূচনা ৬ ডিসেম্বর         বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রী ছিন্ন করা যাবে না         বন্ড সুবিধার অপব্যবহার, ২৭৫ কোটি ৩২ লাখ টাকার ভ্যাট ফাঁকি         বিএনপি রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির চেষ্টা করছে         সমিতি সংগঠন খুলে ফায়দা লুটে নিচ্ছে বিশেষ শ্রেণী         তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মুরাদকে পদত্যাগের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর         দেশে টিকা উৎপাদনে দুই-চার দিনের মধ্যেই চুক্তি : স্বাস্থ্যমন্ত্রী         সমাপনী পরীক্ষা না থাকলেও বৃত্তি ও সনদের ব্যবস্থা থাকবে : শিক্ষামন্ত্রী         চরফ্যাশনে ট্রলার ডুবি ॥ ২১ মাঝি-মাল্লা নিখোঁজ         পেট্রোবাংলার নতুন চেয়ারম্যান নাজমুল আহসান         আড়াইহাজারে আগুনে দুই শিশুসহ একই পরিবারের চারজন দগ্ধ