ঢাকা, বাংলাদেশ   রোববার ০২ অক্টোবর ২০২২, ১৭ আশ্বিন ১৪২৯

ছাত্রীকে কুপ্রস্তাব দেওয়ায় শিক্ষার্থীদের হাতে  প্রধান শিক্ষক অবরুদ্ধ

স্টাফ রিপোর্টার, খুলনা অফিস 

প্রকাশিত: ১৯:১৪, ১০ আগস্ট ২০২২

ছাত্রীকে কুপ্রস্তাব দেওয়ায় শিক্ষার্থীদের হাতে  প্রধান শিক্ষক অবরুদ্ধ

ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা

খুলনায় প্রধান শিক্ষক কর্তৃক ছাত্রীকে কুপ্রস্তাব ও বিভিন্ন সময় উত্যক্ত করার অভিযোগ উঠেছে।  

ওই শিক্ষকের অপসরাণসহ শাস্তির দাবিতে বুধবার (১০ আগস্ট) ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা প্রধান শিক্ষকসহ অন্য শিক্ষকদের স্কুলের মধ্যে অবরুদ্ধ করে রাখে। 

এ সময় তারা স্কুলের দরজা-জানালা ভাঙচুর করে। খবর পেয়ে রূপসা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে বেলা ১২টার দিকে উক্ত প্রধান শিক্ষককে উদ্ধার করে তাদের হেফাজতে নিতে সক্ষম হয়। ঘটনাটি রূপসা উপজেলার ডোবা বহুমুখী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে। 

স্কুলের শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসী সূত্র জানায়, ডোবা বহুমুখী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দীপ্তিশ্বর বিশ্বাস বিদ্যালয়ের নবম-দশম শ্রেণির ছাত্রীদের সঙ্গে বিভিন্ন সময় অশোভন আচরণ করেন। সর্বশেষ তিনি এক ছাত্রীকে  কুপ্রস্তাব দেন। 

এ ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে বুধবার সকাল থেকে শিক্ষার্থীরা প্রধান শিক্ষক দীপ্তিশ্বর বিশ্বাসসহ সকল শিক্ষককে স্কুলের অফিস কক্ষে আবদ্ধ করে রাখে। 

এ সময় তারা প্রধান শিক্ষকের অপসারণের দাবিতে স্কুল ক্যাম্পাসের বাইরে মিছিল, মানববন্ধন ও সমাবেশ করে। একপর্যায়ে ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা স্কুলের অফিস কক্ষে ঢুকে চেয়ার-টেবিল ও অফিসের আসবাবপত্র ভাঙচুর করে। 


সুজয় বৈরাগী, রূপম মহন্তসহ শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করে বলেন, প্রধান শিক্ষক দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন ছাত্রীদের প্রাইভেট পড়ানোকালীন অসৌজন্যমূলক আচরণ করতেন। সর্বশেষ তিনি এক ছাত্রীকে কুপ্রস্তাব দেন। 

অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক দীপ্তিস্বর বিশ্বাস অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, স্কুলের ম্যানেজিং কমিটি গঠন নিয়ে সমস্যা সৃষ্টি হয়েছিল। এর পরিপ্রেক্ষিতে আমার বিরুদ্ধে একটি মহল মিথ্যা অপবাদ দিয়ে আমাকে নাজেহাল করার চেষ্টা করছে। 

রূপসা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সরদার মোশাররফ হোসেন বলেন, যাতে কেউ মারধর করতে না পারে সে জন্য অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক দীপ্তিস্বর বিশ্বাসকে উদ্ধার করে পুলিশের হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।

এ ব্যাপারে রূপসা উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) রুবাইয়া তাসনিম বলেন, ঘটনার সত্যতা পেলে প্রধান শিক্ষককে আইনের আওতায় এনে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। 
 
 

এমএস