১ এপ্রিল ২০২০, ১৮ চৈত্র ১৪২৬, বুধবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
 

মুজিববর্ষ পালন এবং প্রধানমন্ত্রীর সতর্কবাণী

প্রকাশিত : ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২০
  • আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে আন্তরিক ধন্যবাদ। মুজিববর্ষ উদ্যাপন নিয়ে যাতে বাড়াবাড়ি না হয় সেজন্যে আমার দু’টি কলামে সতর্কবাণী উচ্চারণ করেছি। এখন দেখি এ সম্পর্কে আমার আগেই সতর্কবাণী উচ্চারণ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নিজে। বলেছেন, ‘মুজিববর্ষ পালন নিয়ে যেন বাড়াবাড়ি করা না হয়’। সংসদ ভবনে আওয়ামী লীগের সংসদীয় দলের সভায় প্রধানমন্ত্রীর কণ্ঠে এই সতর্কবাণী শোনা গেছে। তার এই বক্তব্য আগে আমার চোখে পড়েনি। পড়লে তার বক্তব্য নিয়েও আলোচনা করতাম।

প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, ‘আমি খবর পেয়েছি বিভিন্ন এলাকায় গ্রামীণ অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণ (টিআর) কর্মসূচীর টাকা দিয়ে জাতির পিতার ম্যুরাল তৈরি করা হচ্ছে। এটা যেন করা না হয়। কেউ যেন অতি উৎসাহী হয়ে যত্রতত্র বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল তৈরি না করে।’ প্রধানমন্ত্রী আরও বলেছেন, ‘পঁচাত্তর পরবর্তী সময়ে বঙ্গবন্ধু হত্যার পর কী পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছিল তা আমরা দেখেছি। আমার বাবার লাশ বত্রিশ নম্বরে পড়ে ছিল। আমার মায়ের লাশ রেড ক্রিসেন্টের কাপড় দিয়ে দাফন করা হয়েছিল। তখন এই অতিউৎসাহীরা কোথায় ছিলেন?’

এই কথা ক’টি বলে প্রধানমন্ত্রী জাতির বিবেকের মর্মমূলেই কশাঘাত করেছেন। আমিও আমার লেখায় সেই বিয়োগান্ত ঘটনার উল্লেখ করেছি। সেদিন কোথায় ছিলেন আজকের এক শ্রেণীর অতি উৎসাহী মুজিবভক্ত? শেখ হাসিনা এমপি ও মন্ত্রীদের সভায় এই সতর্কবাণী উচ্চারণ করেছেন। আমি সরকারকে সতর্ক করেছি এক শ্রেণীর উচ্চপদের আমলার অতি উৎসাহী মুজিবভক্তি সম্পর্কে। যত্রতত্র গ্রামীণ অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণের অর্থ দিয়ে বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল তৈরির হিড়িক পড়েছে এক শ্রেণীর মন্ত্রী, এমপির মধ্যে। কিন্তু মুজিববর্ষ পালনের নামে এক শ্রেণীর আমলার দ্বারা কত উৎসব পালনের কর্মসূচী প্রণয়ন ও বাস্তবায়নে অহেতুক কী বিরাট পরিমাণ অর্থের অপচয় হতে পারে, তার খবর কেউ পাবেন কি?

আইয়ুব-মোনায়েমের আমলে আইয়ুবের বেআইনী ক্ষমতা দখলের দিন ২৭ অক্টোবরকে ‘বিপ্লব দিবস’ ঘোষণা করে বিপুল অর্থ ব্যয়ে শান-শওকতের সঙ্গে প্রতিবছর তা পালনের ব্যবস্থা করা হয়েছিল। ২৭ অক্টোবর রাত্রে ঢাকা শহরকে আলোকমালায় সজ্জিত করা হতো। প্রতি লাইটপোস্টে ঝুলত আইয়ুব-মোনায়েম খাঁর ছবি। আইয়ুবের ছবির নিচে লেখা থাকত ঝধারড়ঁৎ ড়ভ ঃযব হধঃরড়হ (জাতির ত্রাণকর্তা)। সাতদিন ধরে ঢাকা শহর আলোকমালায় সজ্জিত থাকত। ৪০ হাজার মৌলিক গণতন্ত্রীর অধিকাংশ ঢাকা শহরে এসে রেসকোর্স (এখন সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) ময়দানে খানাপিনা এবং নাচগানে যে জঞ্জাল জমাতেন, তা ঢাকার অবিভক্ত সিটি কর্পোরেশন ছয় মাসেও পরিষ্কার করে উঠতে পারত না।

আওয়ামী লীগের সংসদীয় দলের সভায় সাবেক তথ্যমন্ত্রী আবুল কালাম আজাদ বলেছেন, ‘জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকীতে আমি তার কারাগারের রোজনামচা, অসমাপ্ত আত্মজীবনী বই দুটি খুঁজে পাচ্ছি না। কোথায় গেলে পাব?’ কথাটা শুনে আইয়ুব আমলের উন্নয়ন দশকের উৎসবের দিনটির কথা মনে পড়ল। অধিকাংশ মৌলিক গণতন্ত্রী ও আমলার হাতে ছিল আইয়ুবের আত্মজীবনী ‘ফ্রেন্ডস নট মাস্টার্স’ বইটি। সেক্রেটারিয়েটে তো প্রত্যেক সচিব, উপসচিবের টেবিলে সেই বই দেখা যেত (এখন কোথাও খুঁজে পাওয়া যাবে না)। প্রশ্ন, বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকীতে তাঁর দুটি অমূল্য গ্রন্থ পাওয়া যাচ্ছে না কেন?

আইয়ুবের উন্নয়নের দশকের উৎসব পালিত হওয়ার পর তার বিরোধী কাউন্সিল মুসলিম লীগের নেতা মালিক শওকত হায়াত খান পাকিস্তান জাতীয় সংসদে দাঁড়িয়ে বলেছেন, ‘এই উৎসব পালনের নামে দুর্নীতিপরায়ণ মৌলিক গণতন্ত্রী ও একশ্রেণীর আমলা মিলে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। এই উৎসব পালনে যে টাকার অপচয় হয়েছে তা দিয়ে পাকিস্তানের তিনটি আর্থিক বছরের বাজেটের ঘাটতি পূরণ করা যেত। বিভিন্ন স্থানে উৎসবের প্যান্ডেল বাঁধানোর খরচ দেখানো হয়েছিল ৩ কোটি ৭৬ লাখ টাকা’ (শওকত হায়াত খানের হিসাব থেকে)।

আইয়ুব ছিলেন বন্দুকের জোরে ক্ষমতা দখলকারী সামরিক ডিক্টেটর। তার এবং তার পুত্র গওহর আইয়ুবের বিরুদ্ধে বিশাল দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছিল। আইয়ুবের গদি যখন টলটলায়মান তখন নিউইয়র্ক টাইমস পত্রিকায় একটি কার্টুন ছাপা হয়েছিল। কার্টুনে দেখানো হয়েছিলÑ আইয়ুব এবং গওহর আইয়ুব প্রাণভয়ে ছুটে পালাচ্ছেন, চোর চোর বলে বিশাল জনতা তাদের ধাওয়া করছে। বঙ্গবন্ধু সামরিক ডিক্টেটর ছিলেন না। ছিলেন একটি স্বাধীন জাতি ও রাষ্ট্রের ¯্রষ্টা। তাঁর রাজনৈতিক জীবনের একমাত্র লক্ষ্য ছিল গরিব ও দুঃখী মানুষের অভাব মোচন ও অধিকার প্রতিষ্ঠা। স্বৈরাচারী আইয়ুবের তথাকথিত উন্নয়ন দশকের উৎসবের সঙ্গে একজন মহান জননায়কের জন্মশতবার্ষিকীর অনুষ্ঠানের তুলনা করি না। তবু আইয়ুবি জমানার উৎসবের কথা এখানে তুলছি একারণে যে, এখনকার আওয়ামী লীগের একশ্রেণীর মন্ত্রী, এমপি, উপজেলা চেয়ারম্যান, বড় নেতা, নিম নেতা ধোয়া তুলসিপাতা নন। তাদের যোগসাজশে আছেন আমাদের আমলাতন্ত্রের একটা বড় অংশ। একটি বিশ্বসংস্থার সমীক্ষায় বলা হয়েছে, ‘বাংলাদেশের উন্নয়নের সব চাইতে বড় বাধা দুর্নীতিপরায়ণ আমলাতন্ত্রের দুর্নীতি এবং তাদের লালফিতার দৌরাত্ম্য।’

আমার শঙ্কাও এইখানে। জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকীর অনুষ্ঠান আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকায় যেন ‘প্রাণহীন সরকারী অনুষ্ঠানে’ পরিণত না হয়। যেমন হয়েছে স্বাধীনতা দিবস, বিজয় দিবস এবং কিয়ৎ পরিমাণে ভাষা দিবস উদ্যাপন। আমাদের লক্ষ্য রাখতে হবে জাতি এবং জনগণের জন্য যিনি জীবন বিসর্জন দিয়েছেন, তাঁর জন্মদিনের অনুষ্ঠান কেবল গানবাজনা এবং তথাকথিত আলোচনাসভা দ্বারা যেন উৎসবে পরিণত না হয়। এই জন্মদিবস বছর বছর পালনের অন্তর্নিহিত উদ্দেশ্যÑ দেশের প্রজন্মের পর প্রজন্মের মানুষকে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও রাজনীতির সঙ্গে পরিচিত করা এবং সেই আদর্শে প্রণোদিত রাখা। সেজন্য জন্মশতবার্ষিকীর প্রতিটি অনুষ্ঠানে জনসম্পৃক্ততা প্রয়োজন।

উর্দু সাহিত্যিক কিষাণ চন্দের একটি গল্পে পড়েছিলামÑ ‘বুদ্ধমূর্তি আছে, বুদ্ধদেব নেই’। ধ্যানস্থ বুদ্ধের মূর্তি এখন সারাবিশ্বে সকল ধর্মের মানুষের ড্রয়িং রুমের ডেকরেশন। আমার এক মেয়ে বিনতাও শ্বেতপাথরে তৈরি একটি মাঝারি সাইজের বুদ্ধমূর্তি কিনে এনে ঘর সাজিয়েছে। বুদ্ধের আদর্শ এবং অহিংসা ও শান্তির বাণী কিছুই সে জানে না। বর্তমান প্রজন্মের বৌদ্ধ ছেলেমেয়েরাও তা জানে কিনা সন্দেহ। জানলে সম্প্রতি মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের ওপর বর্বর অত্যাচার চালাতে পারত না। কিষাণ চন্দ তার গল্পে লিখেছেনÑ ‘সারাবিশ্বে এখন বুদ্ধের মূর্তি ছড়িয়ে পড়ছে। কিন্তু বুদ্ধদেব কোথাও নেই।’

বাংলাদেশে বঙ্গবন্ধুর গণতান্ত্রিক ও অসাম্প্রদায়িক রাজনীতির অনুসারীরা এবং তাঁর দল এখনই সতর্ক না হলে একদিন দেখা যাবে যত্রতত্র বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল স্থাপিত হয়েছে। পুরুষ ও নারীদের গেঞ্জিতে বঙ্গবন্ধুর ছবি ও নাম, ঘরে ঘরে ড্রয়িংরুমে তাঁর মিনি স্ট্যাচু, কিন্তু বঙ্গবন্ধু কোথাও নেই। তাঁর আদর্শ ও আত্মত্যাগের কথা কেউ জানে না। এসব কথা ভেবে মহাত্মা গান্ধী বেঁচে থাকতেই তাঁর জন্মদিন পালন সম্পর্কে বলেছিলেন, ‘দোহাই তোমাদের, আমাকে উৎসবের উপকরণে পরিণত করো না। অথবা পাথরের দেবতা বানিয়ে রেখো না। আমার জন্মদিবসে চরকায় যেন সারাদিন সুতাকাটা হয়। আমার আশ্রমের মেয়েরা রামধুন সঙ্গীতÑআল্লা ভগবান তেরি নাম/সবকো সুমতি দে ভগবান গেয়ে কাটায়। হরিজনদের সেবা করে।’

গান্ধীর মৃত্যুর পর তাঁর এই নির্দেশ কেউ মানেনি। গান্ধীর নাম ব্যবসা-বাণিজ্যে ব্যবহার অবাধে শুরু হয়ে গিয়েছিল। গান্ধী আশ্রম, গান্ধী হাসপাতাল, গান্ধী স্কুল ও কলেজ তো প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। সেই সঙ্গে গান্ধী ট্রেন্ডার্স, গান্ধী কটন মিল, গান্ধী রেস্টুরেন্ট ইত্যাদি নামের ব্যবহার দেশে-বিদেশে বিস্তার লাভ করেছিল। পাকিস্তানের জিন্নার কপালেও জুটেছিল একই দুর্গতি। জিন্না কলেজ, জিন্না হাসপাতাল ইত্যাদির পর জিন্না বিড়িও বের হয়েছিল। পাকিস্তান সরকার আইন করে যত্রতত্র জিন্না নামের ব্যবহার বন্ধ করেছিল।

বাংলাদেশে যদি বঙ্গবন্ধুর নামের মর্যাদা অক্ষুণœ রাখতে হয় তাহলে স্কুল, কলেজ, রাস্তা, পাঠাগার ছাড়া কোন ব্যবসায়িক এমনকি রাজনৈতিক উদ্দেশ্য সিদ্ধির কাজে তাঁর নাম ব্যবহার নিষিদ্ধ করা আবশ্যক। দেশে ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন থেকে জাতীয় সংসদের নির্বাচন পর্যন্ত আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থীরা যেভাবে তাদের নির্বাচনী প্রচারপত্রে নিজেদের ছবির পাশে বঙ্গবন্ধুর ছবি বসিয়ে জাতির পিতাকে দলীয় স্বার্থে ব্যবহার করেন, তার অমর্র্যাদা ঘটানÑ তাও আইন করে বন্ধ করা উচিত।

রবীন্দ্রনাথ বলেছিলেন, ‘আমি আমার গানের মধ্যে চিরকাল বেঁচে থাকবো’। রবীন্দ্রনাথের কথা সত্য হয়েছে। তাঁর মৃত্যুর পর এখন পঞ্চম প্রজন্মের কাল। এখনও রবীন্দ্রসঙ্গীত গীত হচ্ছে প্রজন্মের পর প্রজন্মের কণ্ঠে। ভবিষ্যতেও গীত হবে। বঙ্গবন্ধুও বেঁচে থাকবেন তাঁর অসাম্প্রদায়িক আদর্শের মধ্যে। উচিত ছিল জন্মশতবার্ষিকীতে শিশুদের উপযোগী ভাষায় তাঁর জীবন কথা লিখে তাতে হাতে আঁকা ছবি রঙিন কালিতে ছেপে সারাদেশে বিতরণ করা। বঙ্গবন্ধুর ছবি অঙ্কিত ব্যাজ বিতরণ করা। বঙ্গবন্ধুর জীবন এমনই থ্রিলিং এবং নাটকীয় যে, তা নিয়ে আয়ারল্যান্ডের রবার্ট ব্রুশ অথবা লিঙ্কনের জীবনের বিভিন্ন অংশ নিয়ে যেমন ছোট ছোট ফিল্ম তৈরি করে সারাবছর ধরে বিশেষ করে তাঁদের জন্ম ও মৃত্যুদিবসে স্কুল-কলেজে দেখানো হয়, তেমনি বঙ্গবন্ধুকে নিয়েও করা যায়।

বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে কবিতা ও গান লিখেছেন দেশ-বিদেশের অসংখ্য কবি ও গীতিকার। এমনকি আফ্রিকান কবিরাও বঙ্গবন্ধুর ওপর গান লিখেছেন। সেগুলো সংগ্রহ করে সারা মার্চ মাস ধরে রেডিও-টেলিভিশন এবং নানা অনুষ্ঠানের মারফত প্রচার করা যায়। বঙ্গবন্ধু মিউজিয়াম সারা বছরের জন্য খোলা রেখে তাঁর বাস্তব জীবনের সঙ্গে জনগণকে পরিচিত হতে দেয়া যায়। বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে জারি সারি ভাটিয়ালি ভাওয়াইয়া গান পল্লী কবি ও গায়কদের দ্বারা তৈরি করে সারা মাস জুড়ে তার প্রচার। পুঁথিয়ালদের দিয়ে পুঁথির ভাষায় ‘ছহিবড় মুজিবনামা’ লিখিয়ে গ্রামে গ্রামে পুঁথি পাঠের আসর বসিয়ে তা পাঠ করানো। চলচ্চিত্র সবচাইতে জনপ্রিয় প্রচার মাধ্যম। বঙ্গবন্ধুর পূর্ণদৈর্ঘ্য জীবনচিত্র তৈরি করে (তার উদ্যোগ অবশ্য নেয়া হয়েছে) সিনেমা হলে প্রদর্শন।

এই সমস্ত ব্যবস্থাপনাতেই দেশের শিল্পী, সাহিত্যিক, বুদ্ধিজীবীদের নেতৃত্ব থাকবে, আমলাদের নয়। আমলারা শিল্পী-সাহিত্যিকদের পরিকল্পনা বাস্তবায়নে সহযোগিতা দেবেন। কিউবায় বড়লোকদের ক্রিসমাস ডে পালন বাতিল করে দিয়ে পিপলস ক্রিসমাস ডে পালনের ব্যবস্থা করে গেছেন ফিডেল ক্যাস্ট্রো। বাংলাদেশে শেখ হাসিনা তেমনই সরকারী লাল ফিতার বন্ধনমুক্ত পিপলস মুজিব ইয়ার বা পিপলস মুজিব ডে-জনগণের মুজিববর্ষ ও দিবস পালনের ব্যবস্থা করুন। তাহলে দেশের মানুষ জাতির পিতার ম্যুরাল বা বুদ্ধের মূর্তির মতো মূর্তি নয়, তাঁকে তাঁর আদর্শের মধ্যে মৃত্যুজয়ী পুরুষ হিসেবে বাঁচিয়ে রাখবে।

লন্ডন, ২৫ ফেব্রুয়ারি, মঙ্গলবার, ২০২০

প্রকাশিত : ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২০

২৬/০২/২০২০ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন


শীর্ষ সংবাদ: