গত ৪ মার্চের তথ্য অনুযায়ী, ঢাকার গড় অছও স্কোর ছিল ২৭২, যা জনস্বাস্থ্যের জন্য অত্যধন্ত অস্বাস্থ্যকর। এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স অনুযায়ী, বায়ুর মান শূন্য থেকে ৫০-এর মধ্যে হলে তা ভালো, ৫১-১০০-এর মধ্যে হলে মধ্যম মানের, ১০১-১৫০ হলে সতর্কতামূলক, ১৫১-২০০ হলে অস্বাস্থ্যকর, ২০১-৩০০ হলে খুবই অস্বাস্থ্যকর এবং ৩০১-এর বেশি হলে চরম অস্বাস্থ্যকর হিসেবে বিবেচিত হয়। এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্সের তথ্য মতে, সারা বিশ্বে প্রতি বছর বায়ুদূষণ-সংক্রান্ত সমস্যায় ৭০ লাখ মানুষ প্রাণ হারান।
২০১৮ সালের একটি প্রতিবেদনে বিশ্ব ব্যাংক বলছে, বাংলাদেশে প্রতি বছর যত মানুষের মৃত্যু হয় তার ২৮ শতাংশই মারা যায় পরিবেশ দূষণজনিত অসুখবিসুখের কারণে। সারা বিশ্বে এ ধরনের মৃত্যুর গড় মাত্র ১৬ শতাংশ। মধ্যযুগের বিখ্যাত চিকিৎসাবিজ্ঞানী ইবনে সিনা তার গবেষণালব্ধ ফলাফল থেকে বলেছিলেন, মানুষের ভেতরে শ্বাস-প্রশ্বাসের মাধ্যমে বা অন্য কোনোভাবে যদি ধূলিকণা না ঢুকত, তাহলে দীর্ঘ সময় বাঁচত। এ বক্তব্য থেকে বোঝা যায়, সুস্থ জীবন নিয়ে মানুষের দীর্ঘায়ু লাভের ক্ষেত্রে ধূলিকণামুক্ত নির্মল ও বিশুদ্ধ বায়ু বা বাতাসের গুরুত্ব! পরিবেশ ও চিকিৎসাবিদ্যা মতে, বায়ুদূষণ থেকে ক্রনিক অবস্ট্রাকটিভ পালমোনারি ডিজিজ (সিওপিডি) নামে শ্বাসতন্ত্রের যে রোগ হয়, তা বিশ্বজুড়ে মানুষের মৃত্যুর তৃতীয় প্রধান কারণ। ‘ইনস্টিটিউট ফর হেলথ মেট্রিক্স অ্যান্ড ইভ্যালুয়েশন’ পরিবেশ অধিদপ্তর ও বিশ্বব্যাংকের একটি প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ঢাকার বায়ুদূষণের তিনটি প্রধান উৎস হলো- ইটভাঁটি, যানবাহনের ধোঁয়া ও নির্মাণ সাইটের ধুলাবালি।
প্যানেল/মো.








