ঢাকা, বাংলাদেশ   বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১

বৈশ্বিক অর্থনীতিতে চ্যালেঞ্জ

রায়হান আহমেদ তপাদার

প্রকাশিত: ২১:৩৫, ২৭ মে ২০২৪

বৈশ্বিক অর্থনীতিতে চ্যালেঞ্জ

জীবনযাত্রার মানের অবনতি ও ক্রমশ প্রকট হওয়া বৈষম্যের কারণে

জীবনযাত্রার মানের অবনতি ও ক্রমশ প্রকট হওয়া বৈষম্যের কারণে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বিশ্বায়নের বিষয়ে সন্দেহ-অবিশ্বাস বাড়িয়ে তুলেছে। ডায়ান কোয়েল যেমনটা বলেছেন, বিশ্বে যখন বাণিজ্য কমে যায়, তখন মানুষের আয়ও কমে। অনেক অর্থনীতিবিদ বর্তমান অবস্থার সঙ্গে ১৯৭০ দশকের পরিস্থিতির তুলনা করেন। আবার অনেক অর্থনীতিবিদ মনে করেন, বর্তমান পরিস্থিতির সঙ্গে বরং ১৯৩০ দশকের মিল অনেক বেশি।

সে সময়ের অস্থির রাজনীতি ও আর্থিক অসাম্য জনতুষ্টিবাদ উসকে দিয়েছিল। ফলে, বাণিজ্যিক লেনদেন কমে। আর বাড়ে কট্টর রাজনৈতিক ভাবনা। নতুন বছরের অস্থিতিশীল অবস্থা থেকে বলা যেতে পারে, বিশ্ব অর্থনীতি একটি সন্ধিক্ষণে রয়েছে। বিশ্ব অর্থনীতি অনেক চ্যালেঞ্জের সামনে দাঁড়িয়ে আছে। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য চ্যালেঞ্জ হচ্ছে জলবায়ু পরিবর্তন, যুদ্ধের অস্থিরতা, কর্মসংস্থান সমস্যা, অর্থনৈতিক উন্নয়ন সংকট এবং বিশ্বায়নের একটি নতুন ও ভালো কাঠামোর অনুসন্ধান।

অবশ্যই প্রত্যেকেরই চিন্তা-ভাবনায় প্রতিষ্ঠিত পুরোনো পদ্ধতি বাদ দিয়ে নতুন সৃজনশীল কার্যকর সমাধানের পথ খুঁজতে হবে। প্রয়োজনে এ প্রচেষ্টা সমন্বয়হীন এবং পরীক্ষামূলক হিসেবে স্বীকৃত হবে। জলবায়ু পরিবর্তন সবচেয়ে ভীতিকর চ্যালেঞ্জ। অনেক ক্ষতির বিনিময়ে জলবায়ু পরিবর্তনকে দীর্ঘ সময় ধরে উপেক্ষা করা হয়েছে।

যদি আমরা বিশ্বকে প্রাকৃতিক মহাবিপর্যয় থেকে মুক্ত করে সুন্দর বিশ্ব গড়ে তুলতে চাই, তাহলে বিশ্ব অর্থনীতিকে কার্বনমুক্ত হিসেবে গড়ে তুলতে দ্রুত কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে। একটি বিষয় খুবই স্পষ্ট, পরিবেশকে অবশ্যই জীবাশ্ম জ্বালানি থেকে মুক্ত রাখতে হবে এবং পরিবেশ উপযোগী নবায়নযোগ্য জ্বালানির উন্নয়ন ঘটাতে হবে। এছাড়া অতীতের নিষ্ক্রিয় ভূমিকার কারণে পরিবেশের যে স্থায়ী ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, তার বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।
এটা স্পষ্ট যে, বৈশ্বিক সহযোগিতার অনুকূল নীতির মাধ্যমে তা খুব কমই অর্জন করা সম্ভব। যদিও বিশ্ব অর্থনীতি নাজুক পরিস্থিতি কাটিয়ে আবার স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসছে। এমনকি চীনের সঙ্গে বাণিজ্যিক যুদ্ধ সত্ত্বেও যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতি চাঙ্গা হয়ে উঠেছে। রাশিয়ার গ্যাস সরবরাহ বন্ধের ক্ষতি কাটিয়ে জার্মানির অর্থনীতি উঠে দাঁড়িয়েছে।

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের কারণে তেলের সংকট তৈরি হয়নি। মিসাইল বা ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপকারী হুতি বিদ্রোহীরা বৈশ্বিক পণ্য পরিবহনের সামান্য ক্ষতিও করতে পারেনি। মহামারির কবলে পড়ে বৈশ্বিক জিডিপিতে ব্যবসায়ের অবদান যতটুকু কমেছিল, তা আগের অবস্থায় ফিরে এসেছে এবং চলতি বছর এ খাতে ভালোই উন্নতি হবে বলে ভবিষ্যদ্বাণী করা হচ্ছে। 
তবে একটু গভীরে তাকালে পরিস্থিতির ভঙ্গুরতা বোঝা যায়।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর বছরের পর বছর যে ব্যবস্থা বিশ্ব অর্থনীতিকে চালিয়ে যাচ্ছে, তাতে ক্ষয় ধরেছে এবং বর্তমানে তা ধ্বংসের মুখোমুখি। উদ্বেগজনক এত বিষয় আছে, যেগুলো নৈরাজ্যের সূচনা ঘটাতে পারে। যেখানে গায়ের জোরই সঠিক এবং আবারও যুদ্ধই পরাশক্তির অবলম্বন হয়ে উঠেছে। এমনকি এটা যদি কখনো সংঘাতে না-ও গড়ায়, বিদ্যমান নিয়ম-নীতির বিপর্যয় অর্থনীতিতে দ্রুত ও ভয়াবহ প্রভাব ফেলতে পারে।

বিভিন্ন প্রতিবেদন ঘাটলে পুরোনো ব্যবস্থার ভাঙনের শব্দ সর্বত্র শোনা যায়। নব্বই দশকের তুলনায় বিভিন্ন দেশের ওপর নিষেধাজ্ঞা বা অবরোধ এখন চারগুণ জারি আছে। যেসব সংস্থা রাশিয়ার সেনাদের সমর্থন করে, তাদের ওপর সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র পরোক্ষ জরিমানা আরোপ করেছে। আর্থিক সমর্থন দিয়ে একটা যুদ্ধ চালানো হচ্ছে। একই সঙ্গে বিভিন্ন দেশ রাষ্ট্রীয় আনুকূল্যে পরিবেশসম্মত উৎপাদন ব্যবস্থা চালু করে চীন ও মার্কিননীতি অনুসরণ করতে চায়।
এক বিশেষ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যদিও ডলার এখনো শক্তিশালী এবং উঠতি অর্থনীতিগুলো বেশ ভাল অবস্থানে রয়েছে, তারপরও বৈশ্বিক পুঁজিপ্রবাহ কিন্তু ভাঙতে শুরু করেছে। যেসব প্রতিষ্ঠান পুরোনো ব্যবস্থাকে রক্ষা করছিল, সেগুলো ইতোমধ্যে অকেজো অথবা দ্রুত বিশ্বাসযোগ্যতা হারাচ্ছে। আগামী বছর বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার ৩০ বছর পূর্ণ হবে। তবে আমেরিকার অবহেলার কারণে আরও পাঁচ বছরের বেশি প্রতিষ্ঠানটিকে স্থবির হয়ে থাকতে হবে।

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) পরিচয় সংকটে অকার্যকর হয়ে পড়েছে। পরিবেশসম্মত প্রকল্প বনাম আর্থিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিতকরণের মধ্যে হাবুডুবু খাচ্ছে এটি। জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়েছে। আন্তর্জাতিক বিচার আদালত (আইসিজে) ক্রমশ যুদ্ধরত দলগুলোর হাতিয়ারে পরিণত হচ্ছে। গত মাসে মার্কিন রাজনীতিবিদ ও সিনেটে রিপাবলিকান নেতা মিচ ম্যাককোনেল নিষেধাজ্ঞার কথা বলে আন্তর্জাতিক ফৌজদারি আদালতকে (আইসিসি) হুমকি দিয়েছিলেন।

যদি ইসরাইলি নেতাদের আটকাদেশ জারি করা হয়, তাহলে প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হবে বলে তিনি হুমকি দিয়েছিলেন। অথচ ইসরাইল আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে গণহত্যার অভিযোগে অভিযুক্ত। দক্ষিণ আফ্রিকা তাদের বিরুদ্ধে এ অভিযোগ করেছিল। এ পর্যন্ত ভাঙন ও ক্ষয় বৈশ্বিক অর্থনীতির ওপর অদৃশ্য এক কর আরোপ করেছে। এটা উপলব্ধি করা যায়, যদি আমরা সঠিক জায়গায় নজর দিতে পারি।

দুর্ভাগ্যবশত হলেও ইতিহাসের পাঠ ধরে বলা যায়, আরও গভীর ও অধিকতর বিশৃঙ্খল দুর্যোগ ঘটা সম্ভব, যা হঠাৎ একবার শুরু হলে ক্রমাগত আঘাত হানতে থাকবে। প্রথম বিশ্বযুদ্ধ বিশ্বায়নের সোনালি অধ্যায়ের পুরোপুরি অবসান ঘটিয়েছিল, যা অনেকে তখন চিরকাল থাকবে বলে অনুমান করেছিল। ৩০-এর দশকের শুরুতে অর্থনৈতিক মন্দা ও স্টোট-হাওলি ট্যারিফকে কেন্দ্র করে আমেরিকার রপ্তানি মাত্র দুই বছরে ৪০ শতাংশ কমে গিয়েছিল।
১৯৭১ সালের আগস্টে রিচার্ড নিক্সন অপ্রত্যাশিতভাবে ডলারের স্বর্ণে রূপান্তরযোগ্যতা বাতিল করেন। এর মাত্র ১৯ মাস পর নির্ধারিত বিনিময় হারের ব্রেটন উডস পদ্ধতি ভেঙে পড়েছিল। আজকাল একই ধরনের ভাঙন টের পাওয়া যাচ্ছে। হোয়াইট হাউসে জিরো-সাম বিশ্বদৃষ্টি নিয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্প ফিরে এলে প্রতিষ্ঠান ও নিয়মকানুনের অবনতি চলতেই থাকবে।

চীনের সস্তা রপ্তানির দ্বিতীয় ধাপ এ পরিস্থিতি আরও বাড়িয়ে তুলবে। তাইওয়ান নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও চীন অথবা পাশ্চাত্য ও রাশিয়ার মধ্যকার প্রকাশ্য যুদ্ধ বড় ধরনের ধ্বংসযজ্ঞের কারণ হতে পারে। এ ধরনের অসংখ্য ঘটনায় ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ অনেকের কল্পনাকেও ছাড়িয়ে যাবে। বৈষম্যের কারণ হিসেবে বিশ্বায়ন, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সংকট ও জলবায়ু উপেক্ষাকে অবিরাম সমালোচনা করা ফ্যাশনে দাঁড়িয়েছে।

কিন্তু নব্বইয়ের দশক ও ২০০০ সাল থেকে প্রথম দশকের অর্জন হলো উদার পুঁজিবাদের চূড়ান্ত পর্বে পৌঁছে যাওয়া, যা ইতিহাসে অতুলনীয়। বিশ্ব অর্থনীতির শরিকানা হওয়ায় চীনের লাখ লাখ মানুষ দারিদ্র্যের কবল থেকে মুক্তি পেয়েছিল। ১৯৯০ সালে শিশুমৃত্যুহার যা ছিল, তা বর্তমান বিশ্বে অর্ধেকের নিচে নেমে এসেছে। যুদ্ধপরবর্তী সময়ে বিভিন্ন দেশের সংঘাতের কারণে বিশ্ব জনসংখ্যার মৃত্যুহার একেবারেই কমে গিয়েছিল, যা ২০০৫ সালে ছিল ০.০০০২ শতাংশ।

১৯৭২ সালে এ হার দাঁড়িয়েছিল ৪০ গুণের বেশি। সাম্প্রতিক গবেষণায় দেখা যাচ্ছে, আজকের নেতারা ওয়াশিংটন মুক্তবাজার অর্থনৈতিক নীতির যুগের প্রতিস্থাপন করার স্বপ্ন দেখছেন। এক সময় দরিদ্র দেশগুলো এটা দিয়েই সমৃদ্ধি দেখেছিল এবং উন্নত বিশ্বের সঙ্গে তাদের ব্যবধান কমিয়ে আনতে শুরু করেছিল। এই ব্যবস্থার ভাঙন অগ্রগতি মন্থর করে দেওয়া কিংবা উল্টোদিকে ছুড়ে ফেলার হুমকি দেয়। একবার ভেঙে গেলে নতুন নিয়মে প্রতিস্থাপিত হওয়ার সম্ভাবনা নেই।
বরং বৈশ্বিক সম্পর্কগুলো নৈরাজ্যের স্বাভাবিক পরিস্থিতিতে নেমে আসবে, যা হবে দস্যুতা ও সহিংসতার পক্ষে। পারস্পরিক সহযোগিতার জন্য আস্থা ও প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো ছাড়া একুশ শতকের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা দেশগুলোর জন্য আরও বেশি কঠিনতর হয়ে উঠবে। সেটা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় অস্ত্র প্রতিযোগিতা থেকে শুরু করে মহাকাশে সহযোগিতা করা পর্যন্ত।

সমমনা দেশগুলো জোট বেঁধে সমস্যা মোকাবিলা করবে। সেটা কাজ করতে পারে, কিন্তু ইউরোপের কার্বন বর্ডার ট্যারিফ অথবা আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের সঙ্গে চীনের দ্বন্দ্বজনিত কারণে তা প্রায়ই আরও বেশি সংঘাত ও অসন্তোষ সৃষ্টি করবে। সহযোগিতার মানে যখন শক্তিশালী অস্ত্র সরবরাহ করা, তখন দেশগুলোর মধ্যে শান্তি বজায় রাখার যুক্তি দুর্বল হয়ে পড়ে। যদিও উদারনৈতিক ব্যবস্থা বাকি বিশ্বের জন্য বহু উপকার বয়ে এনেছিল।

ইতোমধ্যে বিশ্বের অসংখ্য গরিব মানুষ কভিড-১৯ মহামারির কারণে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের রাষ্ট্রীয় ঋণ পরিশোধ না করতে পেরে ভোগান্তির মধ্যে পড়েছে। ভারত ও ইন্দোনেশিয়ার মতো মধ্যম আয়ের দেশগুলো ধনী হতে গিয়ে পুরোনো ব্যবস্থার ভাঙনে যেসব সুবিধার সৃষ্টি হয়েছে, সেগুলো কাজে লাগাচ্ছে। শেষ পর্যন্ত দেশগুলোর অবস্থা বৈশ্বিক অর্থনীতির অন্তর্ভুক্তিকরণ ও অনুমানযোগ্যতার ওপরেই নির্ভর করছে।

আমরা জানি, অনিশ্চয়তা অর্থনীতিকে নির্জীব করে তোলে। এমন পরিস্থিতিতে বিনিয়োগ, ব্যবসা সম্প্রসারণ ও কর্মী নিয়োগের ক্ষেত্রে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো ধীরে চলো নীতি নিয়ে আগায়। ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের এক জরিপে দেখা গেছে, প্রধান অর্থনৈতিক শক্তিগুলোর মধ্যে ভূরাজনৈতিক ও ভূঅর্থনৈতিক সম্পর্কে অব্যাহত অস্থিরতা সরকারি ও বেসরকারি খাতের জন্য মূল উদ্বেগের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।
তাই চলমান সামরিক সংঘাত, চরম আবহাওয়া ও গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন দেশে নির্বাচন ২০২৪ সালে বৈশ্বিক অর্থনীতির ক্ষেত্রে তেমন কোনো পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে না। বাংলাদেশের অর্থনীতিবিদ ও বিশেষজ্ঞরা অনেকদিন ধরেই স্বাধীন ব্যাংকিং কমিশন গঠন, রাজস্বক্ষেত্রে নীতি প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের পৃথকীকরণের প্রয়োজনীয়তা, ব্যাংকের সঞ্চয় ও ঋণ-সুদহার ও টাকার বিনিময় হারের বাজারমুখী সমন্বয়, সরকারি ব্যয় সংস্কার, ভর্তুকি ও প্রণোদনা পর্যালোচনা ও পুনর্বিন্যাসসহ  অনেক পদক্ষেপের কথা বলে আসছেন।

আইএমএফের শর্তের কারণে নয়, আমাদের সংস্কার কর্মসূচি গ্রহণ করতে হবে আমাদেরই প্রয়োজনে এবং আগামী দিনের অর্থনীতির চাহিদার নিরিখে। ২০২২ ও ২০২৩ সালের অভিজ্ঞতার আলোকে ২০২৪ সালকে অর্থনৈতিক সংস্কার, সুশাসন ও প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধির বছর হিসেবে চিহ্নিত করতে হবে। সরকার প্রণীত রূপকল্প ২০৪১-এ বাংলাদেশকে আগামী দুই দশকের মধ্যে একটি অর্থনৈতিকভাবে উন্নত, সামাজিকভাবে অন্তর্ভুক্তিমূলক ও পরিবেশবান্ধব দেশ হিসেবে রূপান্তরের প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়েছে। সেই লক্ষ্যে সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ গ্রহণ করে দ্বিতীয় প্রজন্মের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ সময়ের দাবি।
লেখক : যুক্তরাজ্য প্রবাসী গবেষক  
[email protected]

×