ঢাকা, বাংলাদেশ   রোববার ০৩ মার্চ ২০২৪, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩০

এবার উত্তাপ ছড়িয়ে ঝড় তুলতে কার্পণ্য করলেন না রুনা

প্রকাশিত: ২১:১৬, ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৪

এবার উত্তাপ ছড়িয়ে ঝড় তুলতে কার্পণ্য করলেন না রুনা

খোলামেলা আবেদনময়ী অভিনেত্রী রুনা খান।

অভিনেত্রী রুনা খান। ওজন কমিয়ে বিভিন্ন সময়ে নতুন নতুন ছবিতে রুপের দ্যুতি ছড়িয়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকছেন এই অভিনেত্রী। এবার অন্য বারের মতো ব্যতিক্রম ছবি শেয়ার করেছেন ভক্তদের সঙ্গে। 

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নিজের ফেসবুক পেজে সোমবার (১২ ফেব্রুয়ারি) বেশ কয়েকটি খোলামেলা আবেদনময়ী ছবি প্রকাশ করেন এই অভিনেত্রী। আর এই ছবিগুলো মুহূর্তের মধ্যেই ভাইরাল।সম্প্রতি একটি ফটোশুটে অংশ নেন রুনা খান। আর সেই ছবি তিনি প্রকাশ করেছেন ফেসবুকে। ছবিতে দেখা যায়, মেরুন রঙের একটি গাউনে একের পর এক পোজ দিয়ে ছবি তুলছেন তিনি।ছবির ক্যাপশনে অভিনেত্রী রুনা লিখেছেন,‘পোশাক বিশ্বকে পরিবর্তন করে ফেলতে পারবে না। কিন্তু যে নারী ওই পোশাক পরবেন তিনি পারবেন।’

ফটোশুটের বিষয়ে এই নায়িকা বলেন, ‘চাইলেই তো আর প্রিয়াঙ্কা, দীপিকা ও ক্যাটরিনার মতো সবকিছু সম্ভব নয়। কারণ, ওরা তো আমাদের চেয়ে হাজার গুণ পেশাদার। তাঁদের কাজের ধরনও আমাদের চেয়ে অনেকটা এগিয়ে। তারপর লুকওয়াইজ কাছাকাছি কিছু একটা করার চেষ্টা করেছি। আন্তর্জাতিক স্ট্যান্ডার্ডে যতটা ধরা যায়।’এদিকে, অভিনেত্রী রুনা খানের সাহসী অবতারের প্রশংসা করেছেন ভক্তরা। কমেন্টস বক্সে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন অনেকে। মন্তব্যে সাংবাদিক প্রবাস আমিন লেখেন, ‘গর্জিয়াস। অবিশ্বাস্য। রুনা খানের পুনর্জন্ম। আপনি প্রমাণ করলেন, ইচ্ছা থাকলে অসম্ভব বলে কিছু নেই।’ বাহাউদ্দিন স্বপন লেখেন, ‘বসন্ত এসে গেছে … তবে এবার বসন্ত দুই দিন আগে আসল।’বর্তমানে নাটক, ওয়েব সিরিজে সমানতালে কাজ করে যাচ্ছেনা রুনা। পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও বেশ সক্রিয় এই তারকা। ইন্টারনেট দুনিয়ায় কখনো শাড়িতে মুগ্ধতা ছড়াচ্ছেন আবার কখনো সাহসী পোশাকে উত্তাপ ছড়াতে দেখা যাচ্ছে এই অভিনেত্রীকে। কয়েকদিন আগেই রাজধানীতে ‘খাদি ফ্যাশন উইক’ মাতিয়েছেন রুনা খান। যেখানে প্রথমবারের মতো র‌্যাম্পে হেটেছেন অভিনেত্রী।

এক যুগ আগে রুনা খানের ওজন ছিল ৫৬ কেজি। ২০০৯ সালে তার বিয়ে হয়। পরের বছরই সন্তান রাজেশ্বরীর জন্ম। একসময় রুনার ওজন ৯৫ কেজিতে গিয়ে ঠেকে। সন্তান জন্মের এক বছর পর, মানে ২০১১ সাল থেকে ওজন কমানোর মিশন শুরু করেন রুনা। কিন্তু কোনোভাবেই পারছিলেন না, বরং একপর্যায়ে ওজন আরও বেড়ে হয় ১০৫ কেজি। ওজন কমাতে ধানমন্ডির একাধিক জিম ও প্রশিক্ষকের শরণাপন্ন হন তিনি। শুরু করেন সাঁতার। ভর্তি হন ইয়োগা ও অ্যারোবিকস ক্লাসেও।

এম হাসান

×