মঙ্গলবার ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯, ২৪ মে ২০২২ ঢাকা, বাংলাদেশ
প্রচ্ছদ
অনলাইন
আজকের পত্রিকা
সর্বশেষ

লেভেল ক্রসিংয়ে স্বয়ংক্রিয় গেট জরুরী

লেভেল ক্রসিংয়ে স্বয়ংক্রিয় গেট জরুরী
  • নিরঞ্জন রায়

গত ১৯ ডিসেম্বর জয়পুরহাটের পুরানাপৈল লেভেল ক্রসিং অতিক্রম করার সময় চলন্ত ট্রেনের ধাক্কায় একটি বাস দুমড়ে মচরে যায় এবং দুর্ঘটনায় অন্তত বার জন নিহত হয়। এই ধরনের দুর্ঘটনা আমাদের দেশে মোটেও নতুন নয়। বরং লেভেল ক্রসিংয়ে ট্রেনের সঙ্গে বাসসহ নানা যানবাহনের সংঘর্ষ প্রায়ই ঘটে থাকে। প্রতিটা দুর্ঘটনার পর একটি তদন্ত কমিটি গঠিত হয়। সেই কমিটি কিছু সুপারিশ পেশ করে এবং ঘটনার এখানেই শেষ। এই ধরনের প্রতিটা দুর্ঘটনার পর একটি সাধারণ বিষয় সকলের দৃষ্টিতে আনা হয় তা হলো, অরক্ষিত লেভেল ক্রসিং। আমাদের দেশে সেই মান্ধাতার আমলের যে লেভেল ক্রসিং ব্যবস্থা এখনও চালু আছে, তার মাধ্যমে আধুনিক যোগাযোগ ব্যবস্থার যুগে এই ধরনের দুর্ঘটনা রোধ করা সম্ভব নয়। বিগত কয়েক দশকে দেশের রেলপথ ও সড়কপথের অভাবনীয় উন্নত সাধিত হয়েছে। গ্রামের প্রত্যন্ত অঞ্চল সড়ক যোগাযোগের আওতায় এসেছে। রেলপথেরও যথেষ্ট উন্নতি হয়েছে। আজ থেকে ত্রিশ বছর আগে যে রেললাইন দিয়ে দিনে দু-একটি ট্রেন চলাচল করত, সেখান দিয়ে এখন দিনে এক ডজনেরও বেশি ট্রেন চলাচল করছে। আর এই রেল লাইনজুড়ে আছে অসংখ্য লেভেল ক্রসিং। রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ হয়ত নিজেও জানে না যে, তাদের প্রকৃত লেভেল ক্রসিংয়ের সংখ্যা কত। তার চেয়েও বড় কথা, দেশের রেলপথ ও সড়ক পথের ব্যাপক উন্নতি সাধিত হলেও লেভেল ক্রসিংগুলো পরিচালিত হচ্ছে সেই মান্ধাতার আমলের পদ্ধতিতে।

দেশের অনেক উন্নয়ন কর্মকাণ্ডই একাধিক সংশ্লিষ্ট বিভাগের সঙ্গে সমন্বয় করে সম্পন্ন করা হয় না। রেলপথের উন্নয়ন হয়েছে একভাবে, সড়ক পথের উন্নয়ন হয়েছে আরেকভাবে। আবার এর সঙ্গে ধারাবাহিকতা বজায় রেখে অনেক আনুষঙ্গিক বিষয়ের সমান্তরাল উন্নয়ন বা সংস্কার করা হয়নি এবং তখনই ঘটে নানা বিপত্তি। রেলপথের লেভেল ক্রসিংযের ক্ষেত্রেও একই অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। দেশের সড়ক ও রেল যোগাযোগের ব্যাপক সম্প্রসারণ ও উন্নতি সাধিত হলেও এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট লেভেল ক্রসিং আজ থেকে শত বছর আগে যেখানে ছিল সেখানেই রয়ে গেছে। এখনও আমাদের দেশে ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে কোন গেটকিপারের মাধ্যমে লেভেল ক্রসিং নিয়ন্ত্রণ করা হয়। অত্যন্ত ব্যস্ততম সড়কপথ ও রেলপথের ক্ষেত্রে ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে হাজার হাজার লেভেল ক্রসিং নিয়ন্ত্রণ করা দুরূহ কাজ এবং বলা চলে প্রায় অসম্ভব কাজ। ফলে ট্রেনের সঙ্গে বিভিন্ন যানবাহনের সংঘর্ষের মতো দুর্ঘটনা যে ঘটবে তাতে অবাক হওয়ার কিছু নেই।

এখন সময় এসেছে দেশের লেভেল ক্রসিংগুলোর আধুনিকায়ন এবং স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থার প্রবর্তন করা। রেল কর্তৃপক্ষের দেয়া সংজ্ঞা অনুযায়ী দেশে চার ধরনের লেভেল ক্রসিং রয়েছে যথাÑএ বি সি এবং ডি ক্যাটাগরির লেভেল ক্রসিং। সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ এবং সবচেয়ে ব্যস্ততম সড়কের ওপর দিয়ে যে রেলপথ অতিক্রম করেছে সেগুলোকে এ ক্যাটাগরির লেভেল ক্রসিংয়ের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। অপেক্ষাকৃত কম গুরুত্বপূর্ণ এবং ব্যস্ততম স্থানের লেভেল ক্রসিং বি ক্যাটাগরির অন্তর্ভুক্ত। অবশিষ্ট কম গুরুত্বপূর্ণ থেকে শুরু করে গ্রামের মেঠোপথ দিয়ে যেসব রেলপথ অতিক্রম করেছে সেগুলো সি এবং ডি ক্যাটাগরির লেভেল ক্রসিং। অবশ্য এখন আর গ্রামে কোন মেঠোপথ নেই। সবই এখন পাকা রাস্তা। এ এবং বি ক্যাটাগরির লেভেল ক্রসিংয়ে সর্বক্ষণিক গেটকিপারের মাধ্যমে লেভেল ক্রসিং নিয়ন্ত্রণ করা হলেও সি এবং ডি ক্যাটাগরির লেভেল ক্রসিংযে তেমনটা করা হয় না। এসব ক্ষেত্রে কোথাও কোথাও খণ্ডকালীন গেটকিপার থাকলেও অধিকাংশ ক্ষেত্রে নিজ দায়িত্বে সতর্কতার সঙ্গে রেলপথ পারাপারের বিজ্ঞপ্তি দিয়েই দায়িত্ব শেষ করা হয়েছে। এভাবে লেভেল ক্রসিং দিয়ে কোনভাবেই দুর্ঘটনা রোধ করা সম্ভব নয়।

এ ক্যাটাগরির লেভেল ক্রসিংযের ক্ষেত্রে পাশওভার অর্থাৎ, ওভারপাশ বা আন্ডারপাস নির্মাণ করে লেভেল ক্রসিং নিয়ন্ত্রণ করার কোন বিকল্প নেই। অনেক ক্ষেত্রে এমনটা করা হয়েছে যেমন বঙ্গবন্ধু সেতুর পশ্চিম পাশে জামতৈলের নিকট রেলপথের ওপর দিয়ে ওভারপাশ নির্মাণ করে সড়ক ও রেল চলাচল নির্বিঘ্ন করা হয়েছে। আবার একই রকম ঝুঁকি ও ব্যস্ততা থাকা সত্ত্বে¡ও কালিয়াকৈরের সন্নিকটে অবস্থিত লেভেল ক্রসিংযের ক্ষেত্রে তেমনটি না করে ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে এটি নিয়ন্ত্রণ করা হয়। সরকার ও রেল কর্তৃপক্ষের উচিত দ্রুত এ ক্যাটাগরির লেভেল ক্রসিংয়ের ওপর সুবিধামতো ওভারপাশ বা আন্ডারপাশ নির্মাণ করার উদ্যোগ গ্রহণ করা। এই উদ্যোগ ব্যয়বহুল এবং সময় সাপেক্ষ পদক্ষেপ হলেও এই পথেই যেতে হবে। নচেত যান চলাচল সচল রাখা এবং দুর্ঘটনার ঝুঁকি কমানো সম্ভব হবে না। অন্য সকল লেভেল ক্রসিং তার ধরন এ বি সি বা ডি যেটাই হোক না কেন, সেগুলোর ওপর স্বয়ংক্রিয় গেট স্থাপন করার উদ্যোগ নিতে হবে। বিশ্বের উন্নত দেশে তো বটেই, অনেক উন্নয়নশীল দেশেও আর ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে লেভেল ক্রসিং নিয়ন্ত্রণ করা হয় না। সেখানে বসানো হয়েছে স্বয়ংক্রিয় লেভেল ক্রসিং গেট।

এই ব্যবস্থার অধীনে প্রতিটা লেভেল ক্রসিংয়ে একটি গেট থাকে যার সঙ্গে ইমারজেন্সি লাইটের আদলে একটি লালবাতি এবং সাইরেনের মতো শব্দ সংযুক্ত থাকে। এই স্বয়ংক্রিয় গেটটি বৈদ্যুতিক সংযোগের মাধ্যমে একটি সেন্সর দ্বারা নিয়ন্ত্রণ করা হয়। এই সেন্সর রেললাইনের সঙ্গে সংযুক্ত থাকে এবং প্রতিটা লেভেল ক্রসিং থেকে নির্দিষ্ট দূরত্বে স্থাপন করা হয়। চলন্ত রেল লেভেল ক্রসিং থেকে নির্দিষ্ট দূরত্বে পৌঁছা মাত্র সেন্সরটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে চালু হয়ে যায় এবং সেইসঙ্গে লেভেল ক্রসিংযের গেটটিও আপনাআপনি বন্ধ হয়ে যায়। একইসঙ্গে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে গেটের সঙ্গে সংযুক্ত লালবাতি ফ্লাশ করতে থাকে এবং জোরে বেল বা ঘণ্টার শব্দও হতে থাকে। ফলে লেভেল ক্রসিং অতিক্রম করার ক্ষেত্রে সকলেই যেমন সতর্ক হতে পারে, তেমনি গেট বন্ধ হয়ে যাওয়ার কারণে কেউ সেটি অতিক্রমও করতে পারে না। রেলটি লেভেল ক্রসিং পার হয়ে নির্দিষ্ট দূরত্ব অতিক্রম করার পর সেন্সরটি স্বয়ংক্রিয়ভাবেই বন্ধ হয়ে যায়। তখন গেটটি আপনাআপনি খুলে যায় এবং সেইসঙ্গে লালবাতি এবং শব্দ একযোগে বন্ধ হয়ে যায়। এর সবকিছুই একযোগে নিয়ন্ত্রিত হয় একটিমাত্র স্বয়ংক্রিয় সেন্সরের মাধ্যমে। ফলে এই কাজের জন্য কাউকে লেভেল ক্রসিংয়ে উপস্থিত থাকতে হয় না। এখন দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল পর্যন্ত বিদ্যুত পৌঁছে গেছে, তাই এই ধরনের ব্যবস্থার প্রবর্তন করতে কোন সমস্যাই হওয়ার কথা নয়। তা ছাড়া সোলার প্যানেল স্থাপনের মাধ্যমে সৌর বিদ্যুত উৎপাদন করেও এই ধরনের স্বয়ংক্রিয় লেভেল ক্রসিং পরিচালনা করা সম্ভব। অনেকেই ভাবতে পারেন যে, দেশে বিদ্যুত চলে যাওয়ার কোন দিনক্ষণ নেই, সেখানে এই ধরনের ব্যবস্থা দুর্ঘটনার ঝুঁকি কমাবে কিভাবে। এই বিদ্যুত বিভ্রাটের ঝুঁকি উন্নত-অনুন্নত সব দেশেই বিদ্যমান। আর এই ঝুঁকির কথা বিবেচনা করেই সেন্সরটির সঙ্গে রিচার্জেবেল ব্যাটারির ব্যাকআপ থাকে। কোন কারণে বিদ্যুত বিভ্রাট ঘটলে বা সৌর বিদ্যুত প্যানেল কাজ না করলে তখন ব্যাকআপ ব্যাটারির মাধ্যমে এই স্বয়ংক্রিয় লেভেল ক্রসিং ব্যবস্থা কাজ করে থাকে। উল্লেখ্য, একটি ভাল মানের রিচার্জেবল ব্যাকআপ ব্যাটারি পাঁচ থেকে দশ বছর পর্যন্ত টেকসই হয়ে থাকে। তাই এই ব্যবস্থা যে খুব ব্যয়বহুল হবে তা মোটেও নয়।

এটি খুবই সাধারণ একটি প্রযুক্তি যা দেশেই তৈরি করা সম্ভব। আমাদের দেশে অনেক মেধাবী তরুণ প্রকৌশলী এবং কম্পিউটার প্রযুক্তিবিদ আছেন যারা উপযুক্ত সহযোগিতা এবং সঠিক দিকনির্দেশনা পেলে খুব সহজেই এই ধরনের প্রযুক্তি নির্মাণ করতে পারবে বলেই আমাদের দৃঢ় বিশ্বাস। নিজস্ব প্রযুক্তি উদ্ভাবন ও ব্যবহারের মাধ্যমে রেলওয়ে এবং সড়ক বিভাগ অনায়াসে এবং খুব সুলভ মূল্যে দেশের সব লেভেল ক্রসিংয়ে স্বয়ংক্রিয় গেট স্থাপন করতে সক্ষম হবে। বিকল্প হিসেবে উন্নত বিশ্বের যেসব কোম্পানি এই ধরনের প্রযুক্তি সরবরাহ করে থাকে তাদের কাছ থেকেও এই প্রযুক্তি ক্রয় করা সম্ভব। তবে সেক্ষেত্রে ভাল অঙ্কের অর্থের, বিশেষ করে বৈদেশিক মুদ্রার প্রয়োজন পড়বে। এই স্বয়ংক্রিয় লেভেল ক্রসিং ব্যবস্থার প্রবর্তন করতে পারলে প্রতি লেভেল ক্রসিংয়ে গেটকিপার রাখার কোন প্রয়োজন হবে না। শুধু নির্দিষ্ট একটি এলাকাভিত্তিক একজন দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি থাকবেন যার কাজ হবে নিয়মিত সপ্তাহে অন্তত দু-এক দিন স্বয়ংক্রিয় গেটগুলো পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে নিশ্চিত করা যে, প্রযুক্তিটি যথাযথভাবে কাজ করছে। প্রতিটা গেটের নির্ধারিত কোড নম্বর কম্পিউটারের নির্ধারিত প্রোগ্রামে এন্ট্রি দিয়ে আপডেট করবে যা প্রধান কার্যালয় থেকে নিশ্চিত হওয়া যাবে। যদি কোন গেটের নিয়মিত চেকআপ আপডেট করা না হয় বা কোন স্বয়ংক্রিয় গেট অকার্যকর থাকে তাহলে একটি একসেপশন রিপোর্ট বের হবে যা দেখে প্রধান কার্যালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি সংশ্লিষ্ট এলাকার দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগ করে বিষয়টির সুরাহা করবে। দেরি হলে আপাৎকালীন ব্যবস্থা হিসেবে কাউকে সেই লেভেল ক্রসিংয়ে দায়িত্ব দেবে এটি ঠিক না হওয়া পর্যন্ত ম্যানুয়ালি নিয়ন্ত্রণ করার জন্য। নিজে প্রযুক্তির লোক নই। সে কারণে প্রযুক্তিগত খুঁটিনাটি আমার জানা নেই। যারা প্রকৌশলী বা প্রযুক্তিবিদ আছেন তারা এ ব্যাপারে আরও বিস্তারিত জানাতে পারবেন।

দেশের অবকাঠামোর যে ব্যাপক উন্নতি সাধিত হচ্ছে তাতে ভবিষ্যতে দেশের রেল ও সড়ক পথের ব্যস্ততা বৃদ্ধি পাবে বহুগুণ। বিশেষ করে পদ্মা সেতু চালু হলে এবং বঙ্গবন্ধু সেতুর উত্তরে প্রস্তাবিত স্বতন্ত্র রেল সেতু নির্মাণ সম্পন্ন হলে দেশে রেল চলাচলের মাত্রা বেড়ে যাবে কয়েকগুণ। সেইসঙ্গে সড়কের ব্যস্ততা তো স্বাভাবিক নিয়মেই ক্রমাগত বেড়ে যাবে, যা লেভেল ক্রসিংয়ের ঝুঁকির মাত্রা আরও বাড়িয়ে দেবে। এ কারণেই এখন থেকেই যথাযথ উদ্যোগ গ্রহণ করা প্রয়োজন। দেশের সমস্ত লেভেল ক্রসিংয়ে স্বয়ংক্রিয় গেট স্থাপনই হতে পারে সেই উদ্যোগের প্রথম পদক্ষেপ।

লেখক : ব্যাংকার, টরনটো, কানাডা

Nironjankumar_roz@zahoo.com

শীর্ষ সংবাদ:
রিজার্ভ বাড়াতে মরিয়া ॥ নানামুখী কৌশল সরকারের         আঞ্চলিক সঙ্কট মোকাবেলায় প্রধানমন্ত্রীর পাঁচ প্রস্তাব         শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে দুই সেঞ্চুরিতে বাংলাদেশের দিন         রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন দুঃস্বপ্ন         দুর্নীতির মামলায় কারাগারে ওসি প্রদীপের স্ত্রী         একগুচ্ছ প্রণোদনায় ঘুরে দাঁড়াল শেয়ারবাজার         প্রভাবশালীদের দখলে উত্তরবঙ্গের অর্ধেক খাস জমি         সিলেটে বন্যাকবলিত এলাকায় খাবার পানির তীব্র সঙ্কট         মাঙ্কিপক্স নিয়ে সব বিমানবন্দরে সতর্ক অবস্থা         গম নিয়ে রাশিয়ার সঙ্গে বোঝাপড়ায় আগ্রহী আমদানিকারকরা         পদ্মা সেতু নিয়ে বড়াই করা উচিত নয় ॥ ফখরুল         শিক্ষক ও বিমানবাহিনীর সদস্যসহ সড়কে প্রাণ গেল ১৫ জনের         প্রমাণ ছাড়া স্বাস্থ্যকর পুষ্টিকর বলে প্রচার করা যাবে না         ফখরুলের বক্তব্য নতুন ষড়যন্ত্রের বহির্প্রকাশ ॥ কাদের         প্রস্তুত স্বপ্নের পদ্মা সেতু         পাম তেল রপ্তানিতে ইন্দোনেশিয়ার নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার         বাংলাদেশের কাছে অপরিশোধিত জ্বালানি তেল বিক্রি করতে চায় রাশিয়া         রাজধানীতে ট্রাকে পণ্য বিক্রি করবে না টিসিবি         জাফরুল্লাহ চৌধুরীর ‘জাতীয় সরকার’ প্রস্তাবে বিব্রত বিএনপি         মঙ্গলবার আত্মসমর্পণ করে জামিন চাইবেন সম্রাট