বৃহস্পতিবার ২২ শ্রাবণ ১৪২৭, ০৬ আগস্ট ২০২০ ঢাকা, বাংলাদেশ
প্রচ্ছদ
অনলাইন
আজকের পত্রিকা
সর্বশেষ

২১ আগস্টের সেই ভয়াল দিনের স্মৃতি আজও নাড়া দেয় ॥ সাঈদ খোকন

  • মেয়র হানিফের জন্মবার্ষিকী

স্টাফ রিপোর্টার ॥ বোমা বিস্ফোরণের সময় আমি বাবার পাশেই ছিলাম। বিস্ফোরণে বাবার পুরো শরীর থেকে রক্ত ঝরতে থাকে। আমার দুই পায়ে স্পিøন্টার আঘাত করে। বাবাকে জড়িয়ে ধরলাম, বাবা তখন প্রায় পড়ে যাচ্ছিলেন। আমিও আহত হওয়ায় ধরে রাখতে পারছিলাম না তাকে। পরে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের সহায়তায় বাবা ও আমি বারডেম জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি হই।’

বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের আমলে ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট রাজধানীর বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে বোমা হামলার শিকার হওয়ার পর এভাবেই দুঃষহ স্মৃতিচারণ করছিলেন ঢাকা দক্ষিণের মেয়র সাঈদ খোকন। রবিবার দুপুরে নগর ভবনের ব্যাংক ফ্লোরে অবিভক্ত ঢাকার প্রথম নির্বাচিত সাবেক মেয়র মোহাম্মদ হানিফের ৭৪তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া ও মিলাদ মাহফিলে মেয়র খোকন এসব কথা বলেন। ডিএসসিসি আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা খান মোহাম্মদ বিলালসহ উর্ধতন কর্মকর্তা-কর্মচারী ও কাউন্সিলররা। এর আগে সকালে আজিমপুর গোরস্তানে হানিফের কবরে পুষ্পমাল্য অর্পণ করেন মেয়র সাঈদ খোকনসহ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা।

সাঈদ খোকন বর্ণনা করেন, ২১ আগস্টের সেই ভয়াল দিনের স্মৃতি আজও নাড়া দেয়। সেদিন জননেত্রী শেখ হাসিনার প্রতি আনুগত্য ও ভালবাসা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা দেখিয়েছিলেন। আমার বাবার আনুগত্য ও ভালবাসা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক রাজনীতিতে বিরল। তিনি বলেন, গ্রেনেড হামলায় আমাদের ২৪ নেতাকর্মী মারা গেলেন। আমি সেদিন সেখানে ছিলাম। আমি নেত্রীর এক হাত বাঁয়ের ট্রাকে ছিলাম। আমার বাবা সেখানে দাঁড়িয়ে ছিলেন নেত্রীকে অনেকটাই কাভার করে। অনেকেরই আশঙ্কা ছিল কিছু একটা হতে পারে। সে সময়টা এমনই ছিল, কিছুদিন বেশ কিছু গুজব উঠেছিল, জননেত্রী শেখ হাসিনার ওপর আক্রমণ হতে পারে, যে কোন সময় একটা ঘটনা ঘটতে পারে। আওয়ামী লীগের প্রতিটি নেতাকর্মীর মুখে মুখে ছিল। সবাই আশঙ্কা-আতঙ্কের মধ্য দিয়ে চলছিল। তিনি বলেন, আপনারা সরকারের সমালোচনা করেন, কিন্তু আমরাও তো সেই দুঃসময় পার করে এসেছি। কী অত্যাচার, কী নির্যাতন গেছে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের ওপর দিয়ে। সেটা তো আমরা ভুলিনি, আজও মনে করি। সেই দুঃসময়ে মেয়র মোহাম্মদ হানিফ এই শহরের মানুষকে সংগঠিত করেছিলেন।

উল্লেখ্য, ঢাকা মহানগর আওয়াামী লীগের সভাপতি পদে দায়িত্ব পালন করা মেয়র হানিফ বোমা হামলার ক্ষত বয়ে বেড়ান দুই বছরেরও বেশি সময়। ২০০৬ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি মুক্তাঙ্গনে এক সমাবেশে বক্তৃতাকালে তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত হন। বোমা হামলার ক্ষতের কারণে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়। তীব্র যন্ত্রণা ভুগে ওই বছরের ২৮ নবেম্বর ৬২ বছর বয়সে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন মোহাম্মদ হানিফ।

শীর্ষ সংবাদ:
লেবাননে বিস্ফোরণ ॥ জরুরি খাদ্য ও মেডিকল টিম পাঠাচ্ছে বাংলাদেশ         লেবাননে গুরুতর আহত বাংলাদেশের নৌসদস্য শঙ্কামুক্ত         কাঁঠালবাড়ী-শিমুলিয়ায় চলাচল করছে নৌযান         মদনে নৌকাডুবিতে আরও ১ জনের লাশ উদ্ধার, মোট মৃত্যু ১৮         দেশবিরোধী তথ্যে সোশ্যাল মিডিয়া কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা         আল-জাজিরায় সাক্ষাৎকার দেওয়া রায়হান ১৩ দিনের রিমান্ডে         বৈরুতে ১৫০ মৃত্যু ৩ লাখ গৃহহীন         সোনার ভরি এবার ৭৭ হাজার ছাড়াল         জম্মু ও কাশ্মীরের বিজেপি নেতা জঙ্গীর গুলিতে নিহত         বৈরুতের পর আমিরাতের মার্কেটে ভয়াবহ আগুন         বন্যা ও ভূমিধসের বিরুদ্ধে লড়ছে দক্ষিণ কোরিয়া         হিরোশিমা দিবসে ‘উগ্র জাতীয়তাবাদ’ বর্জনের ডাক         যে কারণে ট্রাম্পের অ্যাকাউন্ট নিষিদ্ধ করল ট্যুইটার         কাশ্মীর ইস্যুতে জাতিসংঘকে সম্পৃক্ত করতে পাকিস্তানের চেষ্টা ব্যর্থ ॥ ভারত         টেকনাফের ওসি প্রদীপকে প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী         সিনহার মৃত্যুর ঘটনায় দুই বাহিনীর সম্পর্কে চিড় ধরবে না         বাংলাদেশকে ৩২৯ মিলিয়ন ডলার সহায়তার ঘোষণা জাপানের         শেখ কামাল বেঁচে থাকলে দেশকে অনেক কিছু দিতে পারত         শহীদ শেখ কামাল ছিলেন দূরদর্শী, নির্লোভ নির্মোহ ॥ কাদের         সোশ্যাল মিডিয়ায় অস্থিরতা ছড়ালে ব্যবস্থা ॥ তথ্যমন্ত্রী        
//--BID Records