ঢাকা, বাংলাদেশ   শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪, ৭ আষাঢ় ১৪৩১

আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে

দুইপক্ষের সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ৪

নিজস্ব সংবাদদাতা, মাদারীপুর 

প্রকাশিত: ১৮:৪৬, ৭ জানুয়ারি ২০২৩

দুইপক্ষের সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ৪

সংঘর্ষ

মাদারীপুরে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সাবেক ও বর্তমান দুই চেয়ারম্যানের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষে কামাল মাদবর (৫৫) নামে এক ভ্যানচালক নিহত হয়েছে। এই ঘটনায় আহত হয়েছে আরো ৪ জন। 

শনিবার (৭ জানুয়ারি ২০২৩) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত দফায় দফায় এ সংঘর্ষ চলে সদর উপজেলার পেয়ারপুর ইউনিয়নের গাছবাড়িয়া এলাকায়। 

নিহত কামাল মাদবর একই এলাকার সলেমান মাদবরের ছেলে। উত্তেজনা বিরাজ করায় এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য একজনকে আটক করা হয়েছে।

পুলিশ ও স্বজনরা জানান, এলাকার আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে মাদারীপুর সদর উপজেলার পেয়ারপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মোজলেম আকন ও বর্তমান চেয়ারম্যান লাভলু তালুকদারের মধ্যে বিরোধ চলে আসছিল। এরই জের ধরে শনিবার সকালে সাবেক চেয়ারম্যান মোজলেম আকনের সমর্থক সোহরাব বেপারী ও বর্তমান চেয়ারম্যান লাভলু তালুকদারের সমর্থক সৈয়দ শাইখের লোকজন সংঘর্ষে জড়ায়। 

এ সময় ৪ জন আহত হয়। রাস্তা দিয়ে যাত্রী নিয়ে যাবার সময় কুপিয়ে হত্যা করা হয় ভ্যানচালক কামাল মাদবরকে। এ সময় বেশ কয়েকটি হাতবোমা বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। পুলিশ খবর পেয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে।

নিহত কামালের চাচাতো ভাই রাজ্জাক মাদবর বলেন, “আমার ভাইয়ের হত্যার বিচার চাই। মোজলেম আকনের লোকজন এই ঘটনার জন্য দায়ী। নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে আমার ভাইকে। হাসপাতালেও নিতে দেয়নি।” মাদারীপুর জেলা সদর হাসপাতালের জরুরী বিভাগের মেডিকেল অফিসার ডা. রুবাইয়াত ইবনে হাবিব জানান, “নিহতের শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। কামালকে হাসপাতালে নিয়ে আসার অনেক আগেই তার মৃত্যু হয়।”

মাদারীপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মো. মনিরুজ্জামান ফকির বলেন, “গাছবাড়িয়া এলাকায় এই সংঘর্ষের ঘটনা দীর্ঘদিনের। একাধিক হত্যা ও মামলা হয়েছে। কিন্তু সংঘর্ষ চলছেই। কামাল মাদবর হত্যার ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। 

এরইমধ্যে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য একজনকে আটক করা হয়েছে। এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। 

উল্লেখ্য, নিহত কামাল বর্তমান চেয়ারম্যান লাভলু তালুকদারের সমর্থক। তার সংসারে স্ত্রী, ১০ বছরের এক ছেলে ও ১২ বছরের একটি মেয়ে রয়েছে।
 

 

এমএস

সম্পর্কিত বিষয়:

×