ঢাকা, বাংলাদেশ   রোববার ২৩ জুন ২০২৪, ৯ আষাঢ় ১৪৩১

৭৭তম জন্মদিনে শ্রদ্ধাঞ্জলি ॥ সাহসিনী সুহাসিনী

ওবায়দুল কবির

প্রকাশিত: ২৩:৪২, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৩; আপডেট: ০০:৫১, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৩

৭৭তম জন্মদিনে শ্রদ্ধাঞ্জলি ॥ সাহসিনী সুহাসিনী

শেখ হাসিনা

দেশের জন্য, মানুষের জন্য হাসতে হাসতে জীবন দিতে পারেন। আল্লাহ ছাড়া আর কাউকে ভয় পান না। মৃত্যুকে তুচ্ছ তাচ্ছিল্য করতে পারেন অবলীলায়। বুক চিতিয়ে প্রতিরোধ করতে পারেন মানুষের বিপদ। পরাশক্তির সামনে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারেন। স্পষ্ট করে জবাব দিতে পারেন সকল অন্যায়ের। একই সঙ্গে অসহায় মানুষের জন্য কাঁদে তাঁর হৃদয়। মানুষের কষ্টে হাহাকার করে মন, চোখ ভিজে উঠে। দেশের সকল দরিদ্র-নিরন্ন মানুষকে বুকে টেনে নিতে ইচ্ছে করে।

একটু আশ্রয়, মাথা গোঁজার ঠাঁই, দুই মুঠো পেট পুরে খাবারের সংস্থান করে দিতে চেষ্টা করেন প্রাণান্ত। দেশের কোনো আনন্দ সংবাদে উচ্ছ্বসিত হন, হাসেন মন খুলে। সকল দুঃখ-কষ্ট মোকাবিলা করতে পারেন হাসিমুখে, ভয়কে জয় করতে পারেন সাহসের সঙ্গে।  তিনি সাহসিনী, সুহাসিনী। তিনি আমাদের প্রধানমন্ত্রী, প্রিয় আপা শেখ হাসিনা। আজ তাঁর জন্মদিনে অফুরন্ত সুভেচ্ছা, শুভকামনা।
শেখ হাসিনার ওপর হামলা হয়েছে ১৯ বার। অধিকাংশ হামলাই ছিল তাঁর প্রাণনাশের চেষ্টা। পঁচাত্তরে যেমন তিনি বেঁচে গিয়েছিলেন ভাগ্যগুণে। এসব হামলায়ও তিনি বেঁচে ফিরেছেন ভাগ্যের জোরে, পরম করুণাময় রাব্বুল আলামিনের অশেষ দয়ায়। জীবনের ঝুঁকি নিয়েই তিনি উন্নয়নের পেছনে ছুটে চলেছেন অবিরাম। এত বয়সেও কাজ করছেন দৈনিক ১৮ ঘণ্টা। ভয়হীন তাঁর চিত্ত। ভয়ঙ্কর পরিস্থিতিও পথচলার গতিকে শ্লথ করতে পারে না। হাসি মুখে প্রতিনিয়ত সমাধান করছেন নানা জটিলতা। শ্রান্তি নেই, ক্লান্তি নেই তার অবিরাম পথ চলায়। লক্ষ্য একটি, বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলাকে উন্নত বাংলাদেশ হিসেবে গড়ে তোলা। প্রায়ই তিনি বলেন, ‘আমার কোনো পিছু টান নেই। চাওয়া পাওয়ারও কিছু নেই আমার। লক্ষ্য শুধু সুখী-সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলা। আশপাশের সবাই জানেন, তার এই প্রত্যাশা কতটা আন্তরিক, কতটা দৃঢ়। আন্তরিক দৃঢ়তাই তাঁকে ধীরে ধীরে এগিয়ে নিচ্ছে লক্ষ্যের দিকে।

পেশাগত কারণে সংবাদ সংগ্রহের জন্য শেখ হাসিনার সঙ্গে ছুটতে হয়েছে চৌদ্দটি বছর। তখন এত সংবাদমাধ্যম ছিল না। আমরা কয়েকজন সাংবাদিক ছিলাম তাঁর মিডিয়া টিমের সদস্য। ঢাকা কিংবা ঢাকার বাইরে সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করতে হয়েছে আমাদেরকে। দীর্ঘ সময় অনেক ঘটনার সাক্ষী আমরা। তাঁর ওপর বেশ কয়েকটি হামলার প্রত্যক্ষদর্শীও আমরা। সবচেয়ে ভয়ঙ্কর হামলা হয়েছিল ২০০৪ সালের একুশে আগস্ট। অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে যান তিনি। ঘাতকের গ্রেনেডের আঘাতে মৃত্যুবরণ করেন আইভী রহমানসহ ২৪ জন। আহত হন হাজার হাজার নেতাকর্মী। সেদিন তাকে মেরে ফেলার জন্য সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নিয়ে এই গ্রেনেড হামলা চালানো হয়েছিল। রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে চিরদিনের মতো পৃথিবী থেকে সরিয়ে দেওয়ার এই ঘৃণ্য প্রচেষ্টা বিশ্বের ইতিহাসে কমই ঘটেছে।

হামলার বিভৎসতা প্রত্যক্ষ করেছি খুব কাছ থেকে। ১৫ আগস্ট ছাড়া এমন ভয়ঙ্কর রাজনৈতিক প্রতিহিংসা আর কখনো বাংলাদেশে ঘটেনি। ১৫ আগস্ট বিদেশে থাকায় বেঁচে গিয়েছিলেন বঙ্গবন্ধুর দুই কন্যা শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা। ঘাতকদের উত্তরসূরিরা ২১ আগস্ট তাদের অসামপ্ত কাজ সমাপ্ত করার চেষ্টা করেছিল বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে। পরম করুণাময়ের ইচ্ছায় এবারও তিনি বেঁচে গিয়েছিলেন অলৌকিকভাবে।   
অন্য একটি এসাইনম্যান্টের কারণে শুরু থেকে বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে ছিলাম না। সহকর্মীর ফোন পেয়ে ছুটে গিয়েছিলাম বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে। সেই ভয়ঙ্কর বিভৎস দৃশ্য আজও চোখের সামনে ভেসে উঠে। বঙ্গবন্ধু এভিনিউ থেকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে গিয়েও দেখেছি শত শত মানুষের আর্তনাদ। রক্তের নদী যেন বইছিল হাসপাতালের বারান্দায়। সেদিন আরও দেখেছিলাম চিকিৎসকদের রাজনৈতিক অবহেলার শিকার শত শত আহত মানুষের কান্না। পরদিন সুধাসদনে দেখতে গিয়েছিলাম নিশ্চিত মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে আসা এক সাহসী মানুষকে।

উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা নিয়েও নিহত নেতাকর্মীদের খোঁজ নেওয়া, সমবেদনা জানানো, আহতদের চিকিৎসার নিশ্চিত করতে তাঁর ব্যাকুলতায় বিস্মিত হয়েছিলাম। একটু হলে চলে গিয়েছিল তাঁর প্রাণ। সেদিকে ভ্রƒক্ষেপ নেই একটুও। চেহারায় নেই প্রতিহিংসার ছাপ। নেতাদের কর্মসূচি দেওয়ার প্রস্তাব নাকচ করে দিয়ে তিনি বলেছিলেন, ‘এখন কর্মসূচি নিয়ে ভাববার সময় নেই। আগে আহত নেতাকর্মীদের বাঁচাতে হবে। তারপর দেখা যাবে কি হয়। মানুষের জন্য রাজনীতি, রাজনীতির জন্য মানুষ নয়।’ পরদিন পত্রিকার পাতায় ছাপা হয়েছিল তাঁর সাহসী চিন্তার কথা।     
এই ঘটনার দশ বছর আগে আরও একটি ভয়ঙ্কর ঘটনার সাক্ষী ছিলাম আমরা। তারিখটা ছিল ২৩ সেপ্টেম্বর ১৯৯৪। বিএনপি সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন তখন তুঙ্গে। খুলনা থেকে সৈয়দপুর পর্যন্ত ট্রেনমার্চ যথারীতি শেখ হাসিনার সফরসঙ্গী আমরা কয়েকজন সাংবাদিক। খুলনা থেকে ছেড়ে পথে সমাবেশ করতে করতে ধীরগতির ট্রেননি যশোর, দর্শনা, চুয়াডাঙ্গা, ভেরামারা হয়ে পাকশী ব্রিজ দিয়ে ঈশ্বরদীতে প্রবেশ করে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায়। ঈশ্বরদী স্টেশনে ট্রেনটি পৌঁছা মাত্রই শুরু হয় ব্যাপক বোমাবাজি। ভীতিকর পরিস্থিতিতে স্থানীয় নেতাদের বারণ সত্ত্বেও হেজাক লাইটের আলোতে নেমে যান ট্রেন থেকে। চারদিকে থেমে থেমে বোমা বিস্ফোরণের মধ্যেই তিনি বক্তব্য রাখেন অপেক্ষমাণ জনতার উদ্দেশে।

ট্রেনটি আবদুল্লাহপুর, মালঞ্চী হয়ে রাত সাড়ে আটটায় নাটোর পৌঁছলে আবারও ব্যাপক বোমাবাজি এবং গুলির শব্দ। স্থানীয় নেতাদের সঙ্গে আমরাও তাঁকে ট্রেন থেকে নামতে নিষেধ করছি। শেষ পর্যন্ত তিনি সিদ্ধান্ত নেন ট্রেনের দরজায় দাঁড়িয়ে বক্তৃতা করবেন। সঙ্গে থাকা হ্যান্ড মাইকে বক্তৃতা শুরু করতেই ট্রেন লক্ষ্য করে ছোড়া শুরু হয় বৃষ্টির মতো গুলি ও বোমাবর্ষণ। ট্রেনের মেঝেতে শুয়ে পড়েন সফরসঙ্গীদের প্রায় সবাই। আমরা তাঁকে ট্রেনের ভেতরে চলে আসার অনুরোধ জানাই। তিনি সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে হ্যান্ড মাইকে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলছেন, ‘মনে রাখবেন, এই দিন দিন নয় আরও দিন আছে’। এই অবস্থায়ও তিনি মিনিট পাঁচেক বক্তৃতা করলেন। নেতা-কর্মীদের সাবধানে বাড়ি ফিরার পরামর্শ দিলেন। ট্রেন আবার চলতে শুরু করে পরবর্তী গন্তব্যের দিকে। পরে এই হামলার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় আদালত নয়জনকে মৃত্যুদণ্ড, ২৫ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, ১৩ জনকে ১০ বছর করে কারাদণ্ড দিয়েছেন।
১৯৮১ সালে দেশে ফেরার বছরই তার উপর হামলা চালিয়েছিল ফ্রিডম পার্টির সন্ত্রাসীরা। ১৯৮৮ সালের ২৪ জানুয়ারি  তার উপর ২য় হামলা হয়, চট্টগ্রামে। লালদীঘি ময়দানে ৮ দলীয় জোটের সমাবেশ ছিল। চট্টগ্রাম বিমানবন্দর থেকে মিছিল করে সমাবেশস্থলে যাবার পথে ট্রাক মিছিলে গুলি চালায় পুলিশ-বিডিআর। নিহত হয়েছিল সাতজন, আহত হন তিনশ’র বেশি। তখনো আমার সাংবাদিকতা জীবন শুরু হয়নি। পূর্বসূরি সাংবাদিকদের বর্ণনা এবং পত্রিকায় প্রকাশিত রিপোর্ট অনুযায়ী সেদিন শেখ হাসিনাকে হত্যা করতেই গুলি চালানো হয়েছিল। ১৯৮৯ সালের ১১ আগস্ট পার্টির একদল সশস্ত্র সন্ত্রাসী ধানমণ্ডির ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধু ভবনে হামলা চালায়। শেখ হাসিনা তখন ওখানেই ছিলেন। ১৯৯১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর টুঙ্গিপাড়া থেকে ফিরে তিনি গ্রিনরোডে পরিবার পরিকল্পনা কেন্দ্রে ভোটের পরিস্থিতি দেখতে গেলে বিএনপির কর্মীরা হামলা চালায়। 
১৯৯৬ সালের ৭ মার্চ বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের সমাবেশে দলীয় সভানেত্রী শেখ হাসিনার বক্তৃতার পর হঠাৎ একটি মাইক্রোবাস থেকে সভামঞ্চ লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণ ও বোমা নিক্ষেপ করা হয়। এতে অন্তত ২০ জন আহত হন। সেদিন আমিও ছিলাম সেখানে। ২০০০ সালের ২২ জুলাই গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় জনসভা করার কথা ছিল শেখ হাসিনার। ২০ জুলাই জনসভার সভামঞ্চের খুব কাছ থেকে ৭৬ কেজি বোমা উদ্ধার করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এই ঘটনা দেখার জন্য ২১ জুলাই কোটালীপাড়া যান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম। আমরা কয়েক সাংবাদিকও ছিলাম তাঁর সঙ্গে। পুকুরের পানিতে একটি ইলেকট্রিক তারের সূত্র ধরে হেলিপ্যাডের কাছে মাটিতে পোঁতা ৮০ কেজি ওজনের আরও একটি বোমা পাওয়া যায়। হামলাকারীদের প্রস্তুতি ছিল, একটি কোনো কারণে ব্যর্থ হলে আরেকটি বোমার বিস্ফোরণ ঘটিয়ে শেখ হাসিনার মুত্যু নিশ্চিত করা। ভাগ্যক্রমে সেদিনও তিনি বেঁচে যান। 
২০০১ সালের ২৯ মে খুলনার রূপসা সেতুর নির্মাণকাজ উদ্বোধন করতে যাওয়ার কথা ছিল তার। সেখানে পুঁতে রাখা বোমা উদ্ধার করে গোয়েন্দা পুলিশ। একই বছর ২৫ সেপ্টেম্বর সিলেটে জনসভাস্থল থেকে ৫০০ গজ দূরে একটি বাড়িতে বোমা বিস্ফোরিত হলে ঘটনাস্থলেই দুইজনের মৃত্যু হয়। আগেই বোমা বিস্ফোরণ ঘটায় ভেস্তে যায় শেখ হাসিনাকে হত্যা প্রচেষ্টা। ২০০২-এর ৪ মার্চ যুবদল ক্যাডাররা নওগাঁ বিএমসি সরকারি মহিলা কলেজের সামনে তাঁর গাড়ি বহরে হামলা চালায়। ৩০ সেপ্টেম্বর বিএনপি-জামায়াত নেতা-কর্মীরা সাতক্ষীরার কলারোয়ার রাস্তায় ব্যারিকেড দিয়ে শেখ হাসিনার ওপর হামলা চালায়। ২০০৪ সালের ২ এপ্রিল বরিশালের গৌরনদীতে শেখ হাসিনার গাড়ি বহরে গুলিবর্ষণ করে বিএনপির সন্ত্রাসীরা। অধিকাংশ ঘটনায় তাঁর সফরসঙ্গী ছিলাম আমরা কয়েকজন। ২০০৮ সালের নির্বাচনে ক্ষমতায় আসার পরও বেশ কয়েকবার হামলার শিকার হয়েছিলেন শেখ হাসিনা। এর কিছু ঘটনা প্রকাশ পেয়েছে। কিছু ঘটনা রয়েছে গেছে অন্তরালে।
নির্বাচন সামনে রেখে দেশ অতিক্রম করছে এক ক্রান্তিকাল। ক্ষমতার রাজনীতিতে বরাবরের মতো চলছে দেশী-বিদেশী নানা ষড়যন্ত্র। বিশে^র একটি প্রভাবশালী গোষ্ঠী শেখ হাসিনা সরকারের প্রতি চোখ রাঙ্গাচ্ছে। থেমে থেমে আসছে নানা হুঁশিয়ারি। এমন চাপ উপেক্ষা করে হাসিমুখে পথচলা বিশে^র কারও পক্ষে সম্ভব কিনা আমার জানা নেই। থোরাই আমলে নিচ্ছেন সাহসী পিতার সাহসী কন্যা শেখ হাসিনা। স্পষ্ট করে তিনি বলছেন, ‘দেশের মানুষ যদি আমার সঙ্গে থাকে, মানুষের জন্য যদি দুই মুঠো খাবার জোগার করে দিতে পারি তাহলে কারও চোখ রাঙানিকে ভয় পাব কেন? আমরা সাহসী জাতি। যুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করেছি। দেশের মানুষকে সঙ্গে নিয়ে সকল ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করে আমরা উন্নত বাংলাদেশের লক্ষ্যে একদিন নিশ্চয়ই পৌঁছে যাব।’   
সাহসী নেত্রীর সঙ্গে পেশাগত দায়িত্ব পালনের দীর্ঘ অভিজ্ঞতায় নির্দ্বিধায় বলা যায়, তাঁর মতো সাহসী মানুষ আমার চোখে পড়েনি। পূর্বসূরি সাংবাদিকদের কাছে শুনেছি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সাহসিকতার কথা। ইতিহাস সাক্ষী দেয় বাঙালি জাতির জন্য বঙ্গবন্ধুর বীরত্বগাথা। একদিন লিপিবদ্ধ হবে বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার সাহসের ইতিহাস। পূর্বসূরিদের মতো আমরাও উত্তরসূরিদের কাছে বলতে শুরু করেছি এক সাহসী নারীর বীরত্বের গল্প। এই গল্প এখনো শেষ হয়নি। বাঙালি জাতি চায় আরও বহুদিন চলুক এই গল্পের ধারাবাহিকতা। তবেই তারা পাবে একটি উন্নত বাংলাদেশ। দীর্ঘজীবী হোন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। চিরজীবী হোক আপনার স্বপ্নের বাংলাদেশ। আপনার নেতৃত্বে গড়ে উঠুক বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা। বিশ^দরবারে মাথা উঁচু করে দাঁড়াক বাঙালি জাতি। আপনার জন্মদিনে এই প্রত্যাশা সবার। 
 
লেখক : নির্বাহী সম্পাদক, জনকণ্ঠ

×