ঢাকা, বাংলাদেশ   সোমবার ১৬ মার্চ ২০২৬, ১ চৈত্র ১৪৩২

কর্মমুখী শিক্ষা বিস্তারে রাষ্ট্রপতি জিয়ার দূরদর্শী পদক্ষেপ

ড. মো. আকতারুজ্জামান

প্রকাশিত: ২৩:২৬, ১৫ মার্চ ২০২৬

কর্মমুখী শিক্ষা বিস্তারে রাষ্ট্রপতি জিয়ার দূরদর্শী পদক্ষেপ

অস্ট্রেলিয়ার মতো উন্নত দেশের অর্থনীতি টিকে আছে টেকনিক্যাল অ্যান্ড ফারদার অ্যাডুকেশন (টেইফ) এর ওপর। অথচ আমরা গণহারে দেড় শতাধিক বিশ্ববিদ্যালয় করে অনেকাংশে বেকার তৈরি করছি। টেইফ আমাদের দেশে পলিটেকনিক নামে পরিচিত, যদিও ইঞ্জিনিয়ার পদবির জন্য এখন আমরা পলিটেকনিকে ব্যবহারিক শিক্ষা ক্রমান্বয়ে কমিয়ে তত্ত্বীয় শিক্ষায় গুরুত্ব দিচ্ছি। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ৪৫ বছর আগে ১৯৮১ সালে মুসলিম দেশগুলোতে দক্ষ জনশক্তি তৈরির জন্য গাজীপুরে ইসলামিক সেন্টার ফর টেকনিক্যাল অ্যান্ড ভোকেশনাল ট্রেনিং অ্যান্ড রিসার্চ (আইসিটিভিটিআর) প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। তার দূরদর্শিতা এবং কর্মমুখী শিক্ষায় গুরুত্ব সত্যিই একটা অনন্য দৃষ্টান্ত।
আইসিটিভিটিআর প্রথমে ইসলামিক ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি (আইআইটি) এবং পরে ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজি (আইইউটি) নামকরণ হয়। ১৯৭৮ সালের ২৪-২৮ এপ্রিল সেনেগালের ডাকার শহরে অনুষ্ঠিত ৯ম ইসলামিক কনফারেন্স অব ফরেন মিনিস্টার্স (আইসিএফএম) এ এই প্রতিষ্ঠান স্থাপনের প্রস্তাব উত্থাপিত হয়। পরে ইসলামিক সহযোগিতা সংস্থা ‘ওআইসি’ এর পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা বাংলাদেশের ঢাকায় প্রতিষ্ঠানটি স্থাপনের অনুমোদন দেন। ১৯৭৯ সালের জুন মাসে বাংলাদেশ সরকার গাজীপুরের বোর্ডবাজারে ৩০ একর জমি অধিগ্রহণ করে অবকাঠামো বাস্তবায়নের কাজ শুরু হয়। ১৯৮১ সালের ২৭ মার্চ বাংলাদেশের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান আইসিটিভিটিআর এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ফিলিস্তিনি নেতা ইয়াসির আরাফাত এবং ওআইসির তৎকালীন মহাসচিব হাবিব সাথী।
প্রায় ১১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার ব্যয়ে ১৯৮৭ সালে ক্যাম্পাস নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হয়। পরে ১৯৮৮ সালের ১৪ জুলাই আনুষ্ঠানিকভাবে আইসিটিভিটিআর উদ্বোধন হয়। ১৯৯৪ সালের ১০-১১ ডিসেম্বর মরক্কোর কাসাব্লাঙ্কায় অনুষ্ঠিত ২২তম আইসিএফএম সভায় আইসিটিভিটিআর এর নাম পরিবর্তন করে আইআইটি রাখা হয়। ১৯৯৫ সালের ২১ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া আইআইটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। পরবর্তীতে ২০০১ সালের ২৫-২৯ জুন মালির বামাকোতে অনুষ্ঠিত ২৮তম আইসিএফএম সভায় আইআইটির নাম পরিবর্তন করে আইইউটি রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। একই বছরের ২৯ নভেম্বর বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া আনুষ্ঠানিকভাবে আইইউটি উদ্বোধন করেন। বিশ্ববিদ্যালয়টি ১৯৮৬ সালের ডিসেম্বর থেকে নিয়মিত কার্যক্রম শুরু করে, এ পর্যন্ত প্রায় ৩৭টি শিক্ষাবর্ষ সম্পন্ন করেছে।
প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান গভীরভাবে অনুধাবন করেছিলেন যে, বাংলাদেশসহ ওআইসির ৫৭টি দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের জন্য কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষার কোনো বিকল্প নেই। তিনি বুঝেছিলেন যে, দক্ষ মানবসম্পদই হতে পারে উন্নয়নের সবচেয়ে বড় শক্তি। সেই দূরদর্শী চিন্তা থেকেই তিনি বাংলাদেশের জাতীয় পরিচয়কে ইসলামী বিশ্ব ও উম্মাহর সঙ্গে আরও ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত করার উদ্যোগ নেন, যাতে অর্থনৈতিক সহযোগিতা এবং শ্রমবাজারের নতুন দ্বার উন্মুক্ত হয়। ১৯৭৫ সালে সৌদি আরব বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেওয়ার পর তাঁর সরকারের উদ্যোগে ১৯৭৬ সাল থেকে সৌদি আরবে বাংলাদেশি শ্রমিক নিয়োগের পথ সুগম হয়। ১৯৭৭ সালে একজন বাংলাদেশি রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে তাঁর প্রথম সৌদি সফর এবং ১৯৭৮ সালে যৌথ অর্থনৈতিক কমিশন গঠনের মাধ্যমে এই সম্পর্ক আরও সুসংগঠিত হয়, যা দক্ষ জনশক্তি রপ্তানির সুযোগকে সম্প্রসারিত করে। একইসঙ্গে তিনি সমাজতান্ত্রিক অর্থনৈতিক ধারা থেকে সরে এসে বেসরকারি খাতভিত্তিক অর্থনীতির দিকে বাংলাদেশকে এগিয়ে নেন, যা আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারে অংশগ্রহণকে সহজ করে। আজ সৌদি আরবে প্রায় ৩৫ লক্ষের বেশি বাংলাদেশি কর্মরত, যা দেশটির বৃহত্তম প্রবাসী জনগোষ্ঠী আর বাংলাদেশের অর্থনীতিতে যে রেমিট্যান্স গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি হিসেবে কাজ করছে, তার পথপ্রদর্শক ছিল প্রেসিডেন্ট জিয়ার সেই দূরদর্শী উদ্যোগ।
আজ ৪৫ বছর পরেও প্রেসিডেন্ট জিয়ার দূরদর্শী চিন্তাভাবনা অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক ও সময়োপযোগী। সেটা কিভাবে একটু ব্যাখ্যা করি। গত এক দশক ধরে আমি উন্নত বিশ্বের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো (মাধ্যমিক থেকে উচ্চশিক্ষা পর্যন্ত) যেভাবে তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করছে ও জাতীয় অর্থনীতিতে অবদান রাখছে এবং আমরা যেভাবে করি বা অবদান রাখি তা অনুসরণ ও গবেষণা করছি। সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপ ও অস্ট্রেলিয়ায় বিভিন্ন ফেলোশিপের অধীনে আমি বেশ কয়েকটি নামকরা বিশ্ববিদ্যালয় এবং অনেক স্কুল ও কলেজে গিয়েছি এবং মতবিনিময় করেছি। এই অভিজ্ঞতা এবং পর্যবেক্ষণের আলোকে মনে হয়েছে যে, অচিরেই আমাদের শিক্ষা বিষয়ক চিন্তাধারায় পরিবর্তন প্রয়োজন হবে।
যদি উন্নত দেশের সঙ্গে আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থার একটি পার্থক্য বলতে হয়, তবে সেটি অবশ্যই আমাদের দেরিতে চাকরির কথা চিন্তা করা। আমরা স্ন্নাতক বা স্ন্নাতকোত্তর না করে চাকরির চিন্তা করি না বা আমরা সেটার সুযোগ তৈরি করতে পারিনি। আর উন্নত দেশে ছেলেমেয়েরা হাইস্কুলে ৮-১২ শ্রেণিতে থাকতেই নিয়মিত কোর্সের সাথে ২-৩টা বৃত্তিমূলক দক্ষতা সম্পন্ন করে যেমনÑ চিকিৎসা সহকারী, অটোমোবাইল, কার্পেন্টিং, ইলেকট্রিশিয়ান, প্লাম্বিং, নার্সিং বা অন্য কিছু। আমরা যদি দেশে এভাবে চিন্তা করি তাহলে আমাদের একদিকে যেমন রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের (বেশিরভাগ হাইস্কুল বা কলেজে থাকতে বিদেশে যায়) কর্মদক্ষতা ও বেতন বৃদ্ধি পাবে, তেমনি দেশে বিরাট দক্ষ জনশক্তি তৈরি হবে। যে বয়সে কাজ করার সময় সেটি না করে বেশি বয়সে করলে, গড়ে জনপতি ৫-১০ বছরের কর্মঘণ্টা নষ্ট হয়।
স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থার সবচেয়ে বড় ভুল গণহারে বিশ্ববিদ্যালয় অনুমোদন দেওয়া। বর্তমানে দেশে ৫৭টি পাবলিক, ১১৬টি প্রাইভেট এবং ৩টি আন্তর্জাতিকসহ মোট ১৭৬টি বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে। রাতারাতি এই সিস্টেম পরিবর্তন, একীভূতকরণ বা অন্যকিছু করা সম্ভব নয়। তাই সাধারণ ও কারিগরি শিক্ষার সমন্বিত পদ্ধতি গ্রহণ করা যেতে পারে। সেক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের ভালো কমিউনিকেশনের সঙ্গে দুটি স্বীকৃত দক্ষতা বা সার্টিফিকেশন প্রোগ্রাম সম্পূর্ণ করতে হবে। ভর্তির প্রথম বছরে ইংরেজি কোর্সে আইইএলটিএস বা সমমানের দক্ষতা অর্জন করতে হবে। দুটি প্রাসঙ্গিক বা ভিন্ন খাতের সার্টিফিকেশন প্রোগ্রাম যথাক্রমে দ্বিতীয় এবং তৃতীয় বছরে সম্পন্ন করা যেতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, একজন মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ছাত্র অটোমোবাইল এবং ড্রাইভিং এর ওপর দুটি ট্রেড কোর্স সম্পন্ন করতে পারে। একজন ইলেক্ট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ছাত্র বৈদ্যুতিক ওয়্যারিং এবং প্লাম্বিং এর দুটি ট্রেড কোর্স সম্পন্ন করতে পারে। একজন সামাজ বিজ্ঞানের ছাত্র গ্রাফিক্স, অ্যানিমেশন ও ভিডিও এডিটিং এবং কার্পেনট্রির উপর দুটি কোর্স সম্পূর্ণ করতে পারে। চূড়ান্ত বর্ষে শিক্ষার্থীরা ইন্টার্নশিপ এবং/অথবা অন্য আরেকটি ভাষায় দক্ষতা অর্জনের কথা বিবেচনা করতে পারে যেমনÑ আরবি, ফ্রেঞ্চ বা জার্মান। শিক্ষার্থীরা সার্টিফিকেশন বা ট্রেড কোর্সের জন্য অনেকগুলো কোর্সের পুল থেকে বেছে নিতে পারে। তবে অর্জিত দক্ষতার লেভেলটি অবশ্যই আন্তর্জাতিক মানের হতে হবে।
সমন্বিত পদ্ধতিতে প্রত্যেকটি বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমোদিত বা অধিভুক্ত পলিটেকনিক ও ভালো ইন্ডাস্ট্রি সংযোগ থাকতে হবে। উদাহরণস্বরূপ, অস্ট্রেলিয়ায় ভিক্টোরিয়া ইউনিভার্সিটিতে ভিক্টোরিয়া পলিটেকনিক আছে, আরএমআইটি ইউনিভার্সিটিতে আছে আরএমআইটি টেইফ, সুইনবার্ন ইউনিভার্সিটিতে আছে সুইনবার্ন টেইফ এবং ফেডারেশন ইউনিভার্সিটিতে ফেডারেশন টেইফ আছে ইত্যাদি। একইভাবে যুক্তরাষ্ট্রের বেশিরভাগ বিশ্ববিদ্যালয়ে কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষার জন্য তাদের অধিভুক্ত কমিউনিটি কলেজ রয়েছে। এই পলিটেকনিক, টেইফ বা কমিউনিটি কলেজগুলোতে দক্ষতা-ভিত্তিক সার্টিফিকেশন প্রোগ্রামগুলোর পুল রয়েছে, যেগুলো থেকে যে কেউ, এমনকি একজন পিএইচডি গ্র্যাজুয়েট বা উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা দক্ষতা উন্নয়নের জন্য যে কোনো সময় কোর্স করতে পারেন অনলাইন বা অফলাইনে। এগুলো প্রতিষ্ঠানের গ্র্যাজুয়েটদের চাহিদা এত বেশি যে, পাস করার অনেক আগেই চাকরি হয়ে যায়। অনেকক্ষেত্রে চাকরিদাতারা আগাম ডিমান্ড দিয়ে যায়। হার্ভার্ড বা অক্সফোর্ডের মতো বড় বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর অনুমোদিত পলিটেকনিক নাও থাকতে পারে। তবে তাদের শক্তিশালী ইন্ডাস্ট্রি নেটওয়ার্ক রয়েছে। তাই স্থানীয়, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বাজারের চাহিদার ভিত্তিতে জবরেডি গ্র্যাজুয়েট তৈরি করতে আমাদের এ বিষয়টি বিবেচনা করা উচিত।
এছাড়াও সমন্বিত পদ্ধতিতে শিক্ষাক্রম ফ্লেক্সিবল, প্রয়োজন-ভিত্তিক এবং সময়োপযোগী। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ব্যাচেলর ডিগ্রির তৃতীয় বর্ষ এবং মাস্টার্সের শুরু থেকে ফ্লেক্সিবল ব্লক মোড প্রবর্তন করা যেতে পারে, যেখানে ৮ সপ্তাহে (পূর্ণ-সময়) দুইটি কোর্স বা ওই সময়ে (খণ্ডকালীন) একটি কোর্স করতে পারে। এই ধরনের ফ্লেক্সিবিলিটি শিক্ষার্থীদের অধ্যয়ন করার পাশাপাশি খণ্ডকালীন কাজ করতে সক্ষম করে । এমনটি উন্নত বিশ্বে বেশ প্রচলিত। এটি শিক্ষার্থীদের অধ্যয়নের সময় কাজে নিযুক্ত হয়ে অভিজ্ঞতা অর্জন এবং স্ন্নাতক শেষ করার পরে কর্মক্ষেত্রে আরও ভালো করতে সাহায্য করে। একাডেমিক ব্যাঙ্ক অব ক্রেডিটস (এবিসি) স্কিম নিয়ে চিন্তা করা যেতে পারে, যার অধীনে সার্টিফিকেশন প্রাপ্ত হলে সংশ্লিষ্ট কিছু কোর্স মওকুফ করা যাবে। উদাহরণস্বরূপ সিসকো সার্টিফাইড নেটওয়ার্ক অ্যাসোসিয়েটের জন্য একটি মৌলিক কম্পিউটার নেটওয়ার্কিং কোর্স বা বেসিক ডাটাবেইস কোর্সের জন্য ওরাকল সার্টিফিকেশন, ইত্যাদি। ব্যাচেলর পর্যায়ে ন্যূনতম দুটি সার্টিফিকেশন নিতে শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করতে হবে।
শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান যে দূরদর্শী চিন্তা থেকে কর্মমুখী শিক্ষার ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন, আজকের বাস্তবতায় সেই চিন্তাধারা আরও বেশি প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠেছে। চতুর্থ কিংবা পঞ্চম শিল্পবিপ্লবের যুগেও অনেক বাস্তবধর্মী কাজ মানুষের দক্ষতার ওপরই নির্ভরশীল থাকবে। তাই সাধারণ শিক্ষা ও কারিগরি শিক্ষার সমন্বিত পদ্ধতি গড়ে তুলতে পারলে দেশের তরুণরা শুধু চাকরির প্রত্যাশী নয়, বরং দক্ষ পেশাজীবী ও উদ্যোক্তা হিসেবেও গড়ে উঠতে পারবে। এই পথ অনুসরণ করলে দেশে দক্ষ জনশক্তি তৈরি হবে, আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারে বাংলাদেশের অবস্থান আরও শক্তিশালী হবে এবং রেমিট্যান্স প্রবাহ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে। প্রেসিডেন্ট জিয়ার সেই দূরদর্শী কর্মমুখী শিক্ষা উদ্যোগকে নতুনভাবে বাস্তবায়ন করতে পারলে শিক্ষা, কর্মসংস্থান ও অর্থনীতির মধ্যে একটি কার্যকর সংযোগ তৈরি হবে, যা জাতির সমৃদ্ধি এবং তরুণ প্রজন্মের জন্য অর্থবহ ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে পারে।

লেখক : অধ্যাপক, কারিগরি শিক্ষা, ডিজিটাল লার্নিং ও সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ, মেলবোর্ন, অস্ট্রেলিয়া

প্যানেল / জোবায়ের

×