পাকিস্তানের হামলার জবাবে চালানো পল্টা অভিযানে পূর্বাঞ্চলের কুনার ও নানগারহার প্রদেশের ডুরান্ড লাইন সীমান্তের কাছে একটি পাকিস্তানি সামরিক চৌকি দখল করেছে আফগানিস্তান। এতে পাকিস্তানের ১৪ সেনা নিহত এবং আরও ১১ জন আহত হয়েছেন। রবিবার আফগানিস্তানের জাতীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এ তথ্য জানিয়েছে। খবর আলজাজিরা ও টোলো নিউজের।
আফগান মন্ত্রণালয় আরও জানায়, গত শুক্রবার বিকেল প্রায় ৫টার দিকে রাদ-উল-জুলুম নামের অভিযানের সময় পাকিস্তানের একটি গুরুত্বপূর্ণ সামরিক স্থাপনা হামজাকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়। এ স্থাপনাটি পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদের ফয়জাবাদ এলাকায় অবস্থিত বলে ধরা হয়। সামরিক বিশ্লেষক সাদিক শিনওয়ারি বলেন, ইসলামিক এমিরেটের প্রতিরক্ষাবাহিনীর পালটা হামলা দেখিয়ে দিয়েছে যে আফগানিস্তানের বাহিনী পাকিস্তানের ভেতরেও বিমান হামলা চালিয়ে দেশটির সামরিক স্থাপনাগুলো লক্ষ্যবস্তু করতে সক্ষম। স্থানীয় কর্মকর্তারা জানান, পাকিস্তানের সামরিক বাহিনীও তাদের হামলা অব্যাহত রেখেছে এবং পাকতিকা ও কুনার প্রদেশের বিভিন্ন এলাকায় আঘাত হেনেছে। কুনার প্রদেশের তথ্য ও সংস্কৃতি বিভাগের প্রধান জিয়াউর রহমান স্পিংঘার বলেন, গত ৪৮ ঘণ্টায় পাকিস্তানের সামরিক বাহিনী তথাকথিত ডুরান্ড লাইনের বিভিন্ন এলাকায় ২৭১টির বেশি রকেট নিক্ষেপ করেছে। এতে অন্তত তিনজন স্থানীয় বাসিন্দা আহত হয়েছেন। অন্যদিকে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, শুক্রবার ইসলামিক এমিরেটের পক্ষ থেকে চালানো ড্রোন হামলার বিষয়টি তারা নিশ্চিত করেছে। এসব হামলায় কুয়েটা, কোহাট ও রাওয়ালপিণ্ডি শহরের কিছু স্থাপনাকে লক্ষ্য করা হয়েছিল। এদিকে আফগানিস্তানে সামরিক স্থাপনা এবং সন্ত্রাসীদের আস্তানাকে নিশানা বানিয়ে নতুন করে বিমান হামলা চালিয়েছে পাকিস্তান। পাকিস্তানের সামরিক বাহিনী আফগানিস্তানের ভূখণ্ডে লক্ষ্যবস্তুতে সফলভাবে আঘাত হানার দাবি করেছে।
প্যানেল / জোবায়ের








