ঢাকা, বাংলাদেশ   সোমবার ১৬ মার্চ ২০২৬, ১ চৈত্র ১৪৩২

মোজতবা খামেনি গুরুতর আহত, মস্কোতে জরুরি অস্ত্রোপচার!

প্রকাশিত: ০০:০১, ১৬ মার্চ ২০২৬

মোজতবা খামেনি গুরুতর আহত, মস্কোতে জরুরি অস্ত্রোপচার!

ইরানের নতুন সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা মোজতবা খামেনি গুরুতর আহত অবস্থায় রাশিয়ার রাজধানী মস্কোতে নেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেছে কয়েকটি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম। ইসরায়েলি হামলায় আহত হওয়ার পর তার পায়ে জরুরি অস্ত্রোপচার করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তেহরানে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইসরায়েলের বিমান হামলায় নিহত হন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আলি খামেনি। এরপর তার ছেলে মোজতবা খামেনিকে নতুন সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা হিসেবে নির্বাচিত করা হয়। তবে ওই হামলাতেই মোজতবা খামেনি গুরুতর আহত হন বলে বিভিন্ন সূত্রে দাবি করা হয়েছে।

কুয়েতভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জারিদা জানায়, হামলার পর গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে তেহরানের একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয় এবং পরে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে গোপন অভিযানের মাধ্যমে রাশিয়ায় নেওয়া হয়। প্রতিবেদনে বলা হয়, একটি রুশ সামরিক বিমানে করে তাকে মস্কোতে নেওয়া হয়।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ডেইলি মেইল ওই প্রতিবেদনের বরাতে জানায়, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন-এর উদ্যোগে তাকে মস্কোতে আনা হয় এবং সেখানে একটি প্রেসিডেন্সিয়াল প্রাসাদে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়। সেখানেই তার পায়ে অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।

অন্যদিকে ব্রিটিশ ট্যাবলয়েড দ্য সান-এর একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হামলার ফলে মোজতবা খামেনির পা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এমনকি তার একটি বা দুটি পা কেটে ফেলতে হতে পারে বলেও দাবি করা হয়েছে। এছাড়া তার যকৃত ও পাকস্থলীও আঘাতপ্রাপ্ত হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। কিছু সূত্রের দাবি, তিনি এখনও কোমায় থাকতে পারেন।

খবরে আরও বলা হয়েছে, ইরানের শীর্ষ ট্রমা সার্জন মোহাম্মদ রেজা জাফারগান্দি তার চিকিৎসা তত্ত্বাবধান করছেন।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, তাদের ধারণা নতুন ইরানি নেতা হামলায় আহত হয়েছেন এবং তিনি অঙ্গহানির শিকার হয়ে থাকতে পারেন।

তবে ইরানের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত মোজতবা খামেনির স্বাস্থ্য পরিস্থিতি সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি। দেশটির এক কর্মকর্তা আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, তিনি বর্তমানে কোথায় আছেন বা তার অবস্থা কী—এ বিষয়ে স্পষ্ট কোনো তথ্য তাদের কাছেও নেই। ফলে যুদ্ধ পরিস্থিতিতে তার সরাসরি কোনো নির্দেশনা পাওয়া যাচ্ছে না বলেও দাবি করা হয়েছে।

Mily

×