ঢাকা, বাংলাদেশ   রোববার ১৫ মার্চ ২০২৬, ১ চৈত্র ১৪৩২

জ্বালানি তেল নিয়ে বড় সুখবর

প্রকাশিত: ১৭:৪২, ১৫ মার্চ ২০২৬

জ্বালানি তেল নিয়ে বড় সুখবর

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের প্রভাবে দেশে তৈরি হওয়া জ্বালানি সরবরাহের সংকট কাটতে শুরু করেছে। ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে পেট্রল, অকটেন ও ডিজেল বিক্রিতে আরোপিত সব ধরনের সীমাবদ্ধতা তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

রবিবার (১৫ মার্চ) বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত এ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ফিলিং স্টেশনগুলোতে জ্বালানি তেল বিক্রির ওপর চালু থাকা রেশনিং ব্যবস্থাসহ সব বিধিনিষেধ প্রত্যাহার করা হয়েছে।

প্রতিমন্ত্রীর ভাষ্য অনুযায়ী, তিনটি কারণে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রথমত, দেশে একাধিক জ্বালানি তেলের জাহাজ এসে পৌঁছেছে, ফলে সরবরাহ পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হয়েছে। দ্বিতীয়ত, সামনে ঈদুল ফিতর থাকায় যানবাহন চলাচল ও মানুষের যাতায়াত বাড়বে। তৃতীয়ত, চলমান বোরো মৌসুমে কৃষি কার্যক্রম সচল রাখতে পর্যাপ্ত জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করা জরুরি।

এর আগে শনিবার (১৩ মার্চ) সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলমও পেট্রল, অকটেন ও ডিজেল বিক্রিতে চালু থাকা রেশনিং ব্যবস্থা তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছিলেন।

গত ৬ মার্চ বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) সাময়িকভাবে জ্বালানি তেল সরবরাহে সীমা নির্ধারণ করেছিল। সে অনুযায়ী মোটরসাইকেলে দিনে সর্বোচ্চ ২ লিটার পেট্রল বা অকটেন দেওয়া হচ্ছিল। ব্যক্তিগত গাড়ির জন্য সীমা ছিল ১০ লিটার।

এ ছাড়া এসইউভি ও মাইক্রোবাসে ২০ থেকে ২৫ লিটার, পিকআপ বা লোকাল বাসে ৭০ থেকে ৮০ লিটার ডিজেল সরবরাহ করা হতো। আর দূরপাল্লার বাস, ট্রাক, কাভার্ড ভ্যান ও কনটেইনার ট্রাকের জন্য দৈনিক বরাদ্দ ছিল ২০০ থেকে ২২০ লিটার।

তবে রাজধানীর বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে এখনো জ্বালানি সংগ্রহে ভোগান্তির চিত্র দেখা যাচ্ছে। অনেক স্থানে ক্রেতাদের দীর্ঘ সারি দেখা গেছে। কোথাও কোথাও সরবরাহ কম থাকায় তেল পাওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে।

তবে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, নতুন করে তেলের জাহাজ আসায় দ্রুত সরবরাহ স্বাভাবিক হবে এবং চলমান সংকট পুরোপুরি কেটে যাবে।

Mily

×