মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর নিরাপত্তা জোরদারে সহযোগিতার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। তবে এ সহায়তার বিনিময়ে আর্থিক সহায়তা ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতা পাওয়ার প্রত্যাশার কথাও জানিয়েছেন তিনি।
রোববার (১৫ মার্চ) আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ইউক্রেন মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি দেশে ড্রোন প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা উন্নয়নে সহায়তা দিতে চায়। এ লক্ষ্যে ইতোমধ্যে চারটি দেশে বিশেষজ্ঞ দল পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন জেলেনস্কি।
সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, প্রতিটি দলে কয়েক ডজন বিশেষজ্ঞ রয়েছেন। তারা সংশ্লিষ্ট দেশগুলোতে গিয়ে ড্রোন প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার কার্যকারিতা মূল্যায়ন করবেন এবং সম্ভাব্য হামলা প্রতিরোধে কী ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে, সে বিষয়ে পরামর্শ দেবেন।
জেলেনস্কি জানান, এসব বিশেষজ্ঞ স্থানীয় নিরাপত্তা অবকাঠামো পর্যালোচনা করবেন এবং ড্রোন হামলা মোকাবিলায় কার্যকর প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে প্রয়োজনীয় প্রযুক্তিগত দিকনির্দেশনা দেবেন। একই সঙ্গে ইউক্রেন আশা করছে, এ সহযোগিতার বিনিময়ে দেশটি আর্থিক সহায়তা ও নতুন প্রযুক্তি পাবে, যা তাদের নিজস্ব প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বাড়াতে সহায়ক হবে।
এদিকে মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনা নিয়ে সতর্কতা দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প–এর উপদেষ্টা ডেভিড স্যাকস বলেন, ইরানের সঙ্গে সংঘাত দীর্ঘস্থায়ী হলে ইসরায়েল চরম পরিস্থিতিতে পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের বিষয়টি বিবেচনা করতে পারে।
তিনি নিজের ‘অল-ইন’ পডকাস্টে বলেন, বর্তমান সংঘাতে ইসরায়েল তার ইতিহাসের অন্যতম বড় হামলার মুখে পড়েছে। যুদ্ধ দীর্ঘ হলে দেশটির আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দুর্বল হয়ে পড়ার ঝুঁকি রয়েছে।
স্যাকস আরও বলেন, সাম্প্রতিক সামরিক অভিযানে ইরান–এর কিছু সামরিক সক্ষমতা দুর্বল করা গেছে। তাই পরিস্থিতি আরও জটিল হওয়ার আগেই যুদ্ধবিরতি বা সমঝোতার মাধ্যমে উত্তেজনা কমানোর উদ্যোগ নেওয়া উচিত।
অন্যদিকে ইসরায়েলি গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, ইরানের বিরুদ্ধে চলমান সামরিক অভিযান কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই শেষ করার পরিকল্পনা করছে তেলআবিব। দেশটির সেনাপ্রধানের মতে, এপ্রিলের শুরুতে ইহুদিদের ধর্মীয় উৎসব পাসওভার–এর সময়ের কাছাকাছি এই অভিযান শেষ হতে পারে।
Mily








