এবার পেট্রল, অকটেন ও ডিজেল রেশনিং তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্তের কথা জানাল জ্বালানি বিভাগ। এ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন হলে ব্যক্তিগত গাড়ি ও মোটরসাইকেল ব্যবহারকারীরা আগের নিয়মেই জ্বালানি তেল সংগ্রহ করতে পারবেন।
জ্বালানি বিভাগের এক কর্মকর্তা জানান, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত পেট্রল, অকটেন ও ডিজেল বিক্রির রেশনিং তুলে নিচ্ছে সরকার। আগামীকাল রোববার এসংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি জারি করা হতে পারে বলে জানান তিনি।
ওই কর্মকর্তা বলেন, ‘ঈদের যাতায়াত ও সেচ মৌসুম বিবেচনায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এরই মধ্যে কয়েকটি জাহাজে জ্বালানি তেল আসায় মজুতও স্থিতিশীল হয়েছে। ফলে আপাতত সংকট নেই। রোববার দুপুর থেকেই নতুন এ সিদ্ধান্ত কার্যকর হতে পারে।’
এর আগে শনিবার সকালে রাজধানীর গুলিস্তানে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম সাংবাদিকদের জানান, গণপরিবহনের জন্য জ্বালানি তেল রেশনিংয়ের সীমা আর থাকছে না। তিনি বলেন, ‘দূরপাল্লা ও গণপরিবহনে তেলের রেশনিং আজ (শনিবার) রাত থেকে থাকছে না। রাত থেকে পর্যাপ্ত তেল পাবে বাসগুলো।’
মধ্যপ্রাচ্যে ইরান এবং ইসরায়েল ও আমেরিকার মধ্যে চলমান সংঘাতের কারণে দেশেও জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে জটিলতা তৈরি হয়। এর মধ্যে জ্বালানি সাশ্রয়ে গত ৬ মার্চ ফিলিং স্টেশন থেকে যানবাহনে তেল সরবরাহের সীমা বেঁধে দেয় বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)। ওই নির্দেশনা অনুযায়ী, একটি মোটরসাইকেলে দিনে ২ লিটার পেট্রল বা অকটেন নেওয়া যাচ্ছে। ব্যক্তিগত গাড়ির ক্ষেত্রে নেওয়া যাচ্ছে সর্বোচ্চ ১০ লিটার তেল।
এ ছাড়া স্পোর্টস ইউটিলিটি ভেহিকেল বা এসইউভি ও মাইক্রোবাস দিনে পাচ্ছে ২০ থেকে ২৫ লিটার তেল। পিকআপ বা লোকাল বাস দিনে ডিজেল নিতে পারছে ৭০ থেকে ৮০ লিটার। আর দূরপাল্লার বাস, ট্রাক, কাভার্ড ভ্যান বা কনটেইনার ট্রাক দৈনিক ২০০ থেকে ২২০ লিটার তেল নিতে পারছে।
গণপরিবহনের ক্ষেত্রে শনিবার রাত থেকে এবং ব্যক্তিগত যানবাহনের ক্ষেত্রে রোববার থেকে রেশনিং প্রথা উঠে যাওয়ার মাধ্যমে জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক পর্যায়ে ফিরছে।
সজিব








