ঢাকা, বাংলাদেশ   বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪, ২ শ্রাবণ ১৪৩১

অভ্যন্তরীণ মাইগ্রেশন একটি চ্যালেঞ্জ-স্থানীয় সরকার মন্ত্রী

প্রকাশিত: ২০:৫১, ২৯ মে ২০২৪

অভ্যন্তরীণ মাইগ্রেশন একটি চ্যালেঞ্জ-স্থানীয় সরকার মন্ত্রী

ঢাকার হোটেল সোনারগাঁও কর্মশালায় স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম। 

অভ্যন্তরীণ মাইগ্রেশন একটি চ্যালেঞ্জ। গ্রামাঞ্চলে সুষম ও টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত হলে অভ্যন্তরীণ মাইগ্রেশন প্রবণতা হ্রাস পাবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম। 

তিনি বলেন, ‘সুযোগ সুবিধার জন্য মানুষের গ্রাম থেকে শহরে যাবার একটা সহজাত প্রবণতা থাকে। সারা বিশ্বেই এটা হয়ে থাকে। বাংলাদেশ একটি আয়তনে ছোট ঘনবসতি পূর্ন দেশ হওয়ায় এতগুলো মানুষের শহরে ঠিকমতো নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করা চ্যালেঞ্জিং একটা কাজ। এক্ষেত্রে গ্রামাঞ্চলে শহরের মতো সুযোগ সুবিধা নিশ্চিত করতে হবে। শিক্ষা, কাজের সুযোগ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থা, যোগাযোগ ব্যবস্থা ইত্যাদি ক্ষেত্রে গ্রাম অঞ্চলে সুষম ও টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত হলে অভ্যন্তরীণ মাইগ্রেশন প্রবণতা হ্রাস পাবে।’ বুধবার ঢাকার হোটেল সোনারগাঁও এক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ সব কথা বলেন। স্থানীয় সরকার বিভাগের উদ্যোগে এবং ইউএনডিপি ও ইউকে ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট এর সহোযোগিতায় এই কর্মশালার আয়োজন করা হয়। স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মুহম্মদ ইবরাহিম এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উক্ত কর্মশালায় সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইউএনডিপি বাংলাদেশের আবাসিক প্রতিনিধি স্টিফান লিলার, ব্রিটিশ হাইকমিশনের উপ-হাই কমিশনার ম্যাট ক্যানেলসহ প্রমুখ।

কর্মশালায় স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, দীর্ঘ সময় সামরিক শাসনামলের শোষণ বঞ্চনায় বাংলাদেশের স্বাস্থ্য, খাদ্য, শিক্ষাসহ সবক্ষেত্রেই ছিল শোচনীয় অবস্থা। খাদ্য ঘাটতির অবস্থা ছিল শোচনীয়। ১৯৯৬ সালে শেখ হাসিনা সরকার গঠনের পরপরই সাড়ে তিন বছরের মাথায় বাংলাদেশ ঘাটতি পূরণ করে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করে। গ্রাম ও প্রত্যন্ত অঞ্চলে স্বাস্থ্য সেবা পৌছে দেবার অঙ্গীকার নিয়ে প্রতি ৬০০০ জন মানুষের জন্য গঠিত হয় কমিউনিটি ক্লিনিক। স্বাস্থ্যসেবা ও জনগণের পুষ্টির মান হয় উন্নত। শিক্ষাখাতসহ গ্রামীণ অবকাঠামো, যোগাযোগ ব্যবস্থায় আসে দৃশ্যমান উন্নয়ন। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ার যে প্রত্যয় ছিল, বর্তমান সরকার সে স্বপ্নকে বাস্তবায়িত করার জন্য নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।’ 

এ সময় ভিয়েতনাম, দক্ষিণ কোরিয়ার উদাহরণ টেনে মন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের মতো সমসাময়িক অনেক দেশ উন্নতির শিখরে পৌছে গেছে তাদের নিরলস প্রচেষ্টা আর কঠোর পরিশ্রমের কারণে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা সবাই নিজ নিজ অবস্থান থেকে একসাথে কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে এগিয়ে এলে ২০৪১ সালের মধ্যে একটা স্মার্ট উন্নত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে পারব।’

 

আকাশ

×