কাতারের প্রধান গ্যাসক্ষেত্রে বড় ধরনের হামলার পর বিশ্ববাজারে অস্থিতিশীল হয়ে উঠেছে জ্বালানির দাম। বৃহস্পতিবার ভোরে তেলের দাম বেড়ে গত এক সপ্তাহের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। একই সঙ্গে ইউরোপের বাজারে গ্যাসের দাম বেড়েছে প্রায় ৩৫ শতাংশ।
একনজরে বর্তমান পরিস্থিতি:
ব্রেন্ট ক্রুড: প্রতি ব্যারেল ১১৫ ডলার ছাড়িয়েছে।
গ্যাসের দাম: ইউরোপীয় বেঞ্চমার্ক (ডাচ টিটিএফ) অনুযায়ী এক লাফে ৭৪ ইউরোতে পৌঁছেছে।
আঞ্চলিক প্রভাব: ওমান ও দুবাই বেঞ্চমার্কের তেলের দাম এরই মধ্যে ১৫০ ডলার পার করেছে।
কেন এই অস্থিরতা?
ইরানের সাউথ পার্স গ্যাসক্ষেত্রে হামলার পাল্টা জবাব হিসেবে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন জ্বালানি অবকাঠামোতে হামলা চালায় তেহরান। এতে বিশ্বের বৃহত্তম এলএনজি ক্ষেত্র কাতারের রাস লাফানের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। হামলার পর সরবরাহ বন্ধ হওয়ার শঙ্কায় বিনিয়োগকারীদের মধ্যে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়ে।
আশঙ্কা ও পূর্বাভাস
বাজার বিশ্লেষকদের মতে, সংকটের কেন্দ্রবিন্দু এখন হরমুজ প্রণালি। জ্বালানি বাজার বিশ্লেষক বন্দনা হরি জানিয়েছেন, এই নৌপথ কতদিন বন্ধ থাকে তার ওপর নির্ভর করছে তেলের ভবিষ্যৎ দাম। হরমুজ প্রণালি দীর্ঘমেয়াদে বন্ধ থাকলে তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ২০০ ডলার স্পর্শ করা কেবল সময়ের ব্যাপার।
সূত্র: আল জাজিরা
রাজু








