ইয়েমেনের প্রতিরোধ আন্দোলন আনসারুল্লাহর এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা নিশ্চিত করেছেন যে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের চলমান আগ্রাসনের প্রেক্ষাপটে দেশটি ইরান এবং প্রতিরোধ অক্ষের সঙ্গে সম্পূর্ণ সমন্বয়ে রয়েছে।
শনিবার (১৪ মার্চ) প্রকাশিত এক সাক্ষাৎকারে আনসারুল্লাহর রাজনৈতিক ব্যুরোর সদস্য মুহাম্মদ আল-বুখাইতি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের আগ্রাসনের মুখে ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের পাশে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত ইতোমধ্যে নেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, এই যুদ্ধে ইয়েমেনের অংশগ্রহণ ‘সময়ের ব্যাপার মাত্র’ এবং এ বিষয়ে প্রতিরোধ অক্ষভুক্ত সব দেশের মধ্যে পূর্ণ সমন্বয় রয়েছে।
তিনি আরও জানান, তারা পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন এবং আগ্রাসনকারীদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নিতে প্রস্তুত রয়েছেন।
আনসারুল্লাহর এই কর্মকর্তা অঞ্চলে মার্কিন সামরিক স্থাপনাগুলোর ওপর ইরানের পাল্টা হামলাকে জোরালোভাবে সমর্থন করে বলেন, তেহরানের বিরুদ্ধে হামলা চালাতে যেসব ঘাঁটি ব্যবহার করা হচ্ছে, সেগুলো লক্ষ্যবস্তু করার পূর্ণ অধিকার ইরানের রয়েছে।
আল-বুখাইতি বলেন, ‘ইরানের বিরুদ্ধে আগে যে সব অভিযোগ তোলা হয়েছিল, সেগুলো আজ ভেঙে পড়েছে। জাতির বিভিন্ন ইস্যুতে ইরানের অবস্থান যে সমর্থনমূলক, তা এখন সবার কাছে পরিষ্কার।’
তিনি অঞ্চলের সব দেশকে ঐক্যবদ্ধ অবস্থান নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, আঞ্চলিক দেশগুলোর উচিত ‘মার্কিন আগ্রাসনের নিন্দা করা এবং এই মোকাবিলায় ইরানের পাশে দাঁড়ানো।’
একই সঙ্গে তিনি সতর্ক করে বলেন, এই যুদ্ধের পরিসর কেবল ইরানের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; আজ যে পক্ষকে লক্ষ্যবস্তু করা হচ্ছে, তা শুধু ইরান নয়—বরং সব আরব ও ইসলামী দেশ।
পারস্য উপসাগরীয় দেশগুলোর উদ্দেশে তিনি আরও বলেন, ওয়াশিংটনের আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিয়ে কোনো প্রকৃত উদ্বেগ নেই; বরং তাদের উদ্দেশ্য এসব দেশকে ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে জড়িয়ে ফেলা।
চলমান সংঘাতকে তিনি ‘নির্ণায়ক যুদ্ধ’ হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, এর চূড়ান্ত ফল হবে ‘সত্যের বিজয়’।
সূত্র: প্রেস টিভি
সজিব








