ঢাকা, বাংলাদেশ   বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ১৬ ফাল্গুন ১৪৩০

সংস্কৃতি সংবাদ

নজরুলের অমর সৃষ্টি সেতু-বন্ধ নাটকের মঞ্চায়ন

সংস্কৃতি প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০০:২৩, ১২ ডিসেম্বর ২০২৩

নজরুলের অমর সৃষ্টি সেতু-বন্ধ নাটকের মঞ্চায়ন

শিল্পকলায় মঞ্চস্থ সেতু-বন্ধ নাটকের দৃশ্য

সৃষ্টিশীল জীবনে শুধু গান বা কবিতার আশ্রয়ে মুগ্ধতা ছড়াননি কাজী নজরুল ইসলাম। সেই সুবাদে জাতীয় কবির ঐশ্বর্যময় সৃষ্টির ভা-ারে রয়েছে আলোচিত কিছু নাটক। কবির লেখা তেমনই এক নাটক ‘সেতু-বন্ধ’। বাঁধ দিয়ে পদ্মা নদীর প্রবাহ বন্ধ করে দেওয়ার পরিকল্পনার প্রেক্ষাপটে ১৯৩০ সালে নাটকটি লিখেছিলেন বিদ্রোহী কবি নজরুল। গত সেপ্টেম্বরে প্রযোজনাটি ঢাকার মঞ্চে মেলে ধরে বাঁশরী রেপার্টরি থিয়েটার।  সোমবার সন্ধ্যায় শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় নাট্যশালা মিলনায়তনে নাটকটির দ্বিতীয় মঞ্চায়ন হয়। প্রযোজনাটির নির্দেশনা  দিয়েছেন  গোলাম সরোয়ার। নাট্যভাবনা ও পরিকল্পনা করেছেন ড. ইঞ্জিনিয়ার খালেকুজ্জামান। 
প্রযোজনাটি প্রসঙ্গে নির্দেশক গোলাম সারোয়ার বলেন, কাজী নজরুল ইসলাম আমাদের কাছে প্রধানত কবি, সুর¯্রষ্টা ও গীতিকার হিসেবে পরিচিত। এর বাইরেও রয়েছে তাঁর অমর সৃষ্টিভাণ্ডার। ছোট গল্প, বড় গল্প, উপন্যাস, নাটক, প্রবন্ধ ইত্যাদি। রচনার তালিকায় নাটক খুবই কম। সেগুলোর মধ্যে সেতু-বন্ধ এক অসাধারণ নাটক। প্রত্যেক নাট্যকারের নাটকে একটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য থাকে। কবি নজরুলের নাটকের বেলায় থাকবে না তা তো নয়।  সেতু-বন্ধ নাটকটি কবির অনবদ্য সৃষ্টি।

এই নাটকে কবিতা, গান, আবৃত্তি, নৃত্য মিলেমিশে একাকার হয়েছে অথচ তা নৃত্যনাট্য নয়, আবার গীতিনাট্যও বলা যাবে না। এই নাটকের  প্রেক্ষাপটে উঠে এসেছে নদীদূষণ এবং নদীতে বাঁধ দেওয়ার ক্ষতিকর প্রভাব। যা সমকালীন বাস্তবতার সঙ্গে মিলে যায়। তাই নজরুলের দূরদর্শী চিন্তার প্রভাব সমকালে সমানভাবে গ্রহণযোগ্য। আর প্রতীকীধর্মিতায় রচিত এবং উপস্থাপনায় ফ্যান্টাসি এ নাটকের বৈশিষ্ট্য।

×