ঢাকা, বাংলাদেশ   শনিবার ২২ জুন ২০২৪, ৮ আষাঢ় ১৪৩১

ঈদে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে টানা ২০ দিনের ছুটি

প্রকাশিত: ১৮:৩৩, ১১ জুন ২০২৪; আপডেট: ১৮:৩৮, ১১ জুন ২০২৪

ঈদে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে টানা ২০ দিনের ছুটি

শিক্ষার্থীরা। ফাইল ছবি।

পবিত্র ঈদুল আজহা ও গ্রীষ্মকালীন ছুটি মিলিয়ে টানা ২০ দিনের ছুটিতে যাচ্ছে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। তবে নিজস্ব প্রয়োজন অনুযায়ী এই ছুটি সমন্বয় করতে পারবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) পরিচালক প্রফেসর সৈয়দ জাফর আলী জনকণ্ঠকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি বলেন, ‘গ্রীষ্মকালীন ছুটি নিয়ে আমাদের ভিন্ন ভাবনা রয়েছে। তবে যেহেতু ঈদের ছুটি আগামী বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হয়ে যাবে তাই আপাতত ঈদের ছুটির সঙ্গে সমন্বয় করে কোনো প্রতিষ্ঠান গ্রীষ্মকালীন ছুটি দিতে পারে। ফলে ১৩ জুন থেকে আগামী ২ জুলাই পর্যন্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে।  গ্রীষ্মকালীন ছুটি নিয়ে কোনো পরিবর্তন হলে তা পরে জানিয়ে দেওয়া হবে।’

রাজধানীর একাধিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, গ্রাষ্মকালীন ও পবিত্র ঈদুল আজহাকে কেন্দ্র করে একেক প্রতিষ্ঠান একেক ধরনের ছুটির ঘোষণা দিয়েছে। 

জানতে চাইলে রাজধানীর ভিকারুননিসা নূন স্কুল এন্ড কলেজের জ্যেষ্ঠ শিক্ষক ফারহানা ইসলাম জনকণ্ঠকে বলেন, ‘ভিকারুণসিা কর্তৃপক্ষ আগামী ১৩ জুন বৃহস্পতিবার থেকে ২৩ জুন পর্যন্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। শিক্ষার্থীদের শিখনকালীন ঘাটতি পূরণে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।’

মতিঝিল স্কুল এন্ড কলেজের সহকারী প্রধান শিক্ষক রোকোনুজ্জামান সেখ জনকণ্ঠকে জানান, আগামী বৃহস্পতিবার ১৩ জুন থেকে আমাদের ছুটি ছিল ২ জুলাই পর্যন্ত। কিন্তু এরপরই যেহেতু ষান্মাষিক মূল্যায়ন করা হবে সেই বিবেচনায় ২৯ তারিখ পর্যন্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করা হয়েছে।

এদিকে, চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু হবে আগামী ৩০ জুন। অন্যবার পরীক্ষার দিন যেসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হয়, সেগুলোতে ক্লাস বন্ধ থাকে। তবে এবার পরীক্ষার দিনও ক্লাস চালু রাখার নির্দেশনা দিয়েছে শিক্ষা বোর্ড। 

মঙ্গলবার ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড এক চিঠিতে সব পরীক্ষাকেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের এ নির্দেশনা দিয়েছে। চিঠিতে বলা হয়েছে, সেসব কেন্দ্রে স্কুল ও কলেজ একসঙ্গে রয়েছে, সেসব প্রতিষ্ঠানে ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণির শ্রেণি কার্যক্রম পরীক্ষার দিনগুলোতে পরীক্ষা শেষে এবং যেদিন পরীক্ষা নেই, সেদিন চলমান রাখার জন্য বলা হলো। তবে শ্রেণি কার্যক্রম চলমান রাখতে পাবলিক পরীক্ষায় যেন বিঘ্ন সৃষ্টি না হয়, সে বিষয়েও সতর্ক থাকার নির্দেশনা দেওয়া হলো। এ বিষয়ে সবাইকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বলা হলো।’ বিষয়টি অতি জরুরি বলেও চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

কাজল

×