বুধবার ৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯, ১৮ মে ২০২২ ঢাকা, বাংলাদেশ
প্রচ্ছদ
অনলাইন
আজকের পত্রিকা
সর্বশেষ

আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালবাসি

আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালবাসি
  • ফারহানা আকতার

‘আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালবাসি।/চিরদিন তোমার আকাশ, তোমার বাতাস, আমার প্রাণে বাজায় বাঁশি ॥/ও মা, ফাগুনে তোর আমের বনে ঘ্রাণে পাগল করে,/মরি হায়, হায় রে।

ও মা, অঘ্রানে তোর ভরা ক্ষেতে আমি কী দেখেছি মধুর হাসি’ ॥

স্বাধীন বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত। রচয়িতা-বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। ১৯০৫ খ্রিস্টাব্দে বঙ্গভঙ্গ আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে রচিত হয়েছিল গানটি এবং পরবর্তীতে, ১৩ জানুয়ারি, ১৯৭২ তারিখে স্বাধীন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠকে গানটির প্রথম দশ লাইন ‘সদ্যগঠিত গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ রাষ্ট্র’ এর জাতীয় সঙ্গীত হিসেবে সর্বসম্মতিক্রমে নির্বাচিত ও গৃহীত হয়।

১৫ নবেম্বর ২০২১ তারিখে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১০৮তম নোবেল বিজয় দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমিতে ‘বঙ্গীয় সাহিত্য সংস্কৃতি সংসদ, বাংলাদেশ ও ইন্দিরা গান্ধী সাংস্কৃতিক কেন্দ্র, হাই কমিশন অব ইন্ডিয়া, ঢাকা বাংলাদেশ’ -এর যৌথ উদ্যোগে উদ্যাপিত হয়েছে শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদন প্রোগ্রাম। পাশাপাশি ছিল দুই বাংলায় করোনাকালীন সময়ে প্রয়াত বিশিষ্টজনদের স্মরণে শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদন এবং এ বছর থেকে প্রতিবছর ‘১৩ নবেম্বর- ডড়ৎষফ করহফহবংং উধু / বিশ্ব সহানুভূতি দিবস’ হিসেবে উদ্যাপন করা অর্থাৎ এটি ছিল বিশ্ব শান্তি-সম্প্রীতির আয়োজিত একটি ব্যতিক্রমধর্মী অনুষ্ঠান।

তাঁর রচিত গান তিনটি দেশের (বাংলাদেশ, ভারত ও শ্রীলঙ্কা) জাতীয় সঙ্গীত। বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৯১৩ সালে ‘গীতাঞ্জলি’ কাব্যগ্রন্থ এবং এর ইংরেজী অনুবাদের জন্য নোবেল প্রাইজ পেয়েছিলেন। রবীন্দ্রনাথের জীবদ্দশায় তৎকালীন ভারতীয় কংগ্রেসের মহান নেতা, পরবর্তীতে ভারতের জাতির পিতাÑ মহাত্মা গান্ধী, বিশ্ববিখ্যাত বিজ্ঞানী আইনস্টাইন রবীন্দ্র-দর্শনে মুগ্ধ হয়ে জীবনের বিভিন্ন সময়ে তাঁর কাছে ছুটে আসতেন সাক্ষাত ও পরামর্শের জন্য। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখের বিষয় এই যে, তাঁর নোবেল বিজয়ের ১০৮ বছর পরেও আমরা নতুন প্রজন্মের কাছে তাঁর দর্শন, কর্ম ও স্মৃতির ইতিহাস সঠিকভাবে তুলে ধরতে পারছি না। সেটা কিভাবে? এবার আসছি সে প্রসঙ্গে। কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জীবনী, কর্ম ও স্মৃতি রক্ষার্থে বিশ্বের যে কয়েকটি দেশে কাজ হয়েছে বা হচ্ছে তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে ভারত ও বাংলাদেশ। আমরা প্রায় অনেকেই জানি যে, রবীন্দ্রনাথ তাঁর জীবদ্দশায় তাঁর বাবার আশ্রমে (যেখানে তাঁর বাবাব্রহ্ম ধর্ম চর্চা করতেন) গড়ে তুলেছিলেন ‘বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়’। অর্থাৎ তিনি এই বিশ্ববিদ্যালয়ের ফাউন্ডার চেয়ারম্যান। তাঁর মৃত্যুর পর ভারত সরকার রবীন্দ্রনাথের স্মৃতি রক্ষার্থে তাঁর জন্মস্থান কলকাতার জোড়াসাঁকোর ঠাকুরবাড়ীতে গড়ে তোলেন ‘রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়’। সে সময় ঠাকুরদের জমিদারী ছড়িয়ে ছিটিয়ে ছিল বাংলাদেশের কুষ্টিয়ার শিলাইদহে, সিরাগঞ্জের শাহজাদপুরে এবং রাজশাহী বিভাগের নঁওগা জেলার পতিসরে। তাই রবীন্দ্রনাথের স্মৃতি রক্ষার্থে বাংলাদেশের এই তিন জেলাতেও গড়ে উঠেছে তাঁর নামে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান।

মূলত রবীন্দ্র-স্মৃতি রক্ষার্থে রবীন্দ্র-গবেষণা ও রবীন্দ্র-দর্শনের মাধ্যমে পাঠদানের জন্য তাঁর নামে গড়ে উঠেছে ভারতের কলকাতায় দুটি বিশ্ববিদ্যালয় এবং বাংলাদেশে মোট তিনটি বিশ্ববিদ্যালয় ও একটি ইনস্টিটিউট। ভারতের পশ্চিমবঙ্গের প্রধান দুটি বিশ্ববিদ্যালয় হচ্ছে- ১.বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয় ও ২. রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়।

১. বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয় : এই বিশ্ববিদ্যালয়টির ফাউন্ডার চেয়ারম্যান কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। ব্রক্ষ্য ধর্ম চর্চার জন্য কবির বাবা শান্তিনিকেতনে যে আশ্রম গড়ে তুলেছিলেন, সেখানে রবীন্দ্রনাথ তাঁর জীবনের বেশ কয়েকটি বছর কাটিয়েছিলেন। সেখানেই ১৯২১ সালের ২৩ ডিসেম্বর তিনি এই বিশ্ববিদ্যালয়টি গড়ে তোলেন।

২. রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয় : এটি অবস্থিত কবির জন্মস্থানে অর্থাৎ কলকাতার জোড়াসাঁকোর ঠাকুরবাড়ীতে। রবীন্দ্রনাথদের ঠাকুরবাড়ীর স্মৃতি রক্ষার্থে এটি প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৬২ সালের ৮ মে। এটি ভারতের একটি পূর্ণাঙ্গ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়।

এবারে দেখা যাক রবীন্দ্র স্মৃতি রক্ষা, রবীন্দ্র চর্চা ও গবেষণার জন্য বাংলাদেশে কোন্ কোন্ প্রতিষ্ঠান কাজ করছে :

১. রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়, ২.ইন্টারন্যাশনাল রবীন্দ্র রিসার্চ ইনস্টিটিউট, ৩. রবীন্দ্রÑমৈত্রী বিশ্ববিদ্যালয় ও ৪. রবীন্দ্র সৃজনকলা বিশ্ববিদ্যালয়। মূলত তৎকালীন সময়ে বাংলাদেশের তিনটি জায়গায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জমিদারী ছিল, যথাক্রমে- ১. নওগাঁ জেলার পতিসরে, ২. কুষ্টিয়ার শিলাইদহে ও ৩. সিরাজগঞ্জ জেলার শাহজাদপুরে। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের স্মৃতি রক্ষার্থে উপরোক্ত প্রতিটি স্থানে গড়ে উঠেছে রবীন্দ্র-দর্শনের আলোকে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।

১. রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় : বাংলাদেশের সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে অবস্থিত একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়। এটি প্রতিষ্ঠিত হয় ২০১৭ সালের ৮ মে। ভারতের শান্তিনিকেতন ও বিশ্ব-ভারতীর আদলে এই বিশ্ববিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

২. ইন্টারন্যাশনাল রবীন্দ্র রিসার্চ ইনস্টিটিউট (আন্তর্জাতিক রবীন্দ্র গবেষণা ইনস্টিটিউট) : বাংলাদেশের রাজশাহী বিভাগের নওগাঁর পতিসরে রবীন্দ্রনাথের পূর্বপুরুষের জমিদারী রক্ষার্থে রবীন্দ্রনাথ তাঁর জীবনের শেষ কয়েকটি বছর এখানে কাটিয়েছিলেন। কারণ, বাংলাদেশের কুষ্টিয়া, সিরাজগঞ্জ ও নওগাঁর পতিসরে রবীন্দ্রনাথের বাবার যে জমিদারী ছিল সেখানে মূলত তাঁর নিজস্ব অংশটুকু ছিল–নওগাঁর পতিসরে। রবীন্দ্রনাথ তাঁর জীবনের বিভিন্ন সময়ে এখানে এসেছিলেন এবং সে সময় এই এলাকার হতদরিদ্র মানুষের দুঃখ-দুর্দশা তাঁকে গভীরভাবে মর্মাহত করে।

রবীন্দ্রনাথ তাঁর কথাসাহিত্য ও প্রবন্ধের মাধ্যমে সমাজ, রাজনীতি ও রাষ্ট্রনীতি সম্পর্কে নিজস্ব মতামত প্রকাশ করেছিলেন। এখানে (নওগাঁ-পতিরে) কাব্যচর্চার সময় তিনি এখানকার দরিদ্র মানুষের দুঃখ-কষ্ট লাঘবের জন্য এখানে গড়ে তুলেছিলেন একটি কৃষি ব্যাংক (যেখান থেকে খুব সহজ শর্তে দরিদ্র জনসাধারণকে ঋণের সুযোগ-সুবিধা প্রদান করা হতো), দাতব্য চিকিৎসালয় ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহ। রবীন্দ্রনাথ যে তাঁর নোবেল বিজয়ের পুরো অর্থই ব্যয় করেছিলেন এই কৃষি ব্যাংকের উন্নয়নের জন্য তা আজও ৯০% বাঙালীর অজানা, যা সত্যিই অতি বেদনাদায়ক। এর পাশাপাশি সামাজিক ভেদাভেদ, অস্পৃশ্যতা, ধর্মীয় গোঁড়ামি ও ধর্মান্ধতার বিরুদ্ধেও তিনি তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছিলেন। রবীন্দ্রনাথের জীবনীতে এই অংশটুকু অবশ্যই যোগ করা আবশ্যক। পতিসরে রবীন্দ্র-স্মৃতি রক্ষার্থে ও রবীন্দ্র-দর্শনের মাধ্যমে শিক্ষার আলো নতুন প্রজন্মের মাঝে ছড়িয়ে দেয়ার মহান উদ্দেশ্যে ২০১৪ সালে প্রাকৃতিক সৌন্দর্যম-িত এই প্রতিষ্ঠানটি নিজ উদ্যোগে গড়ে তোলেন এলাকার সংসদ সদস্য- ইসরাফিল আলম, এমপি সাবেক সংসদ সদস্য। তিনিই এ প্রতিষ্ঠানের ফাউন্ডার চেয়ারম্যান। কর্তৃপক্ষের অবহেলা ও নানারকম জটিলতা সত্ত্বেও ইনস্টিটিউটটিকে সম্পূর্ণ পৃথক একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপ দেয়ার জন্য অথবা অন্য একটি পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের আওতায় এনে পৃথক ইনস্টিটিউট হিসেবে পরিচালনার জন্য যা যা থাকা প্রয়োজন তার প্রায় সবই রয়েছে এখানে। রয়েছে রবীন্দ্র-যাদুঘর (যা সরকারী তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হচ্ছে), রয়েছে গবেষক ও শিক্ষার্থীদের জন্য মনোরম ক্লাসরুম, হোস্টেল লাইব্রেরী ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা। রয়েছে স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের সকল কোর্স ও প্রোগ্রামসমূহ। প্রতিষ্ঠানটি বর্তমানে সরকারীকরণের পর্যায়ে রয়েছে।

৩. রবীন্দ্র-মৈত্রী বিশ্ববিদ্যালয় : কুষ্টিয়ার শিলাইদহে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের স্মৃতিবিজড়িত স্থানে এ বিশ্ববিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত হয় ২০১৫ সালে। এ বিশ্ববিদ্যালয়ের ফাউন্ডার চেয়ারম্যান হাসানুল হক ইনু এমপি। সাবেক তথ্যমন্ত্রী। এটি একটি বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়।

৪. রবীন্দ্র সৃজনকলা বিশ্ববিদ্যালয় : এই বিশ্ববিদ্যালয়টি ঢাকার উত্তরায় ২০২১ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশের জাতীয় অধ্যাপক আনিসুজ্জামানের রবীন্দ্র শিক্ষা-ভাবনা ও আদর্শের আলোকে প্রতিষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়টি।

ওপরে উল্লিখিত সব প্রতিষ্ঠানই বাঙালী কৃষ্টি, সংস্কৃতি, রবীন্দ্র শিক্ষা ভাবনা, রবীন্দ্র দর্শন চর্চার মাধ্যমে তাদের কোর্স-কারিকুলামগুলো ডেভেলপ করেছে! প্রায় প্রতিটি প্রতিষ্ঠানেই রয়েছে ছাত্রছাত্রী ও গবেষকদের জন্য অনার্স, মাস্টার্স, এমফিল ও পিএইচডি পর্যায়ের সকল বিষয়।

সকলকে ভালবেসে রবীন্দ্রনাথ বলেছিলেন : ‘জগতজুড়ে উদার সুরে আনন্দগান বাজে, সে গান কবে গভীর রবে, বাজিবে হিয়া-মাঝে। বাতাস জল আকাশ আলো, সবারে কবে বাসিব ভাল? হৃদয়সভা জুড়িয়া তারা, বসিবে নানা সাজে। নয়ন দুটি মেলিলে কবে, পরান হবে খুশি? যে পথ দিয়া চলিয়া যাব, সবারে যাব তুষি। রয়েছ তুমি, এ কথা কবে, জীবন-মাঝে সহজ হবে? আপনি কবে তোমারি নাম, ধ্বনিবে সব কাজে’।

লেখক : পরিচালক ও সহযোগী অধ্যাপক, ইন্টারন্যাশনাল রবীন্দ্র রিসার্চ ইনস্টিটিউট

শীর্ষ সংবাদ:
লুটপাটে নিঃস্ব গ্রাহক ॥ পি কে হালদারের থাবা         অর্থ ব্যয়ে সাশ্রয়ী হোন অপচয় করা যাবে না         তামিমের সেঞ্চুরি- বাংলাদেশের দাপট         প্রকল্প কমিয়ে অর্থায়ন বাড়িয়ে উন্নয়ন বাজেট অনুমোদন         জাতীয় সরকারের নামে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করতে দেয়া হবে না         চুরি, ছিনতাই করতে কক্সবাজার থেকে ঢাকা আসত ওরা         পণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণের উপায় খুঁজছে সরকার         অর্থপাচারকারীরা কোন দেশে গিয়েই শান্তি পাবে না         সিলেটে কয়েক লাখ মানুষ পানিবন্দী         সড়ক যেন ধান শুকানোর চাতাল, প্রাণ গেল বাইক আরোহীর         অবশেষে তথ্য অধিকার আইনে তথ্য দিল পুলিশ         ভোলায় বেইলি ব্রিজ ভেঙ্গে ট্রাক অটোরিক্সা খালে         ১১ ডিজিটের নতুন নম্বরে বিপাকে গ্রাহক         কিউআর কোড দিয়ে ভুয়া নিয়োগপত্র দিত ওরা         জিআই সনদ পেলো বাগদা চিংড়ি         জনগণের অর্থ ব্যয়ে সাশ্রয়ী হতে হবে ॥ প্রধানমন্ত্রী         বাস্তব শিক্ষার সঙ্গে শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ত করার আহ্বান শিক্ষা উপমন্ত্রীর         ডলারের দাম ১০২ টাকার বেশি         সিলেটে বন্যার আরও অবনতির আশঙ্কা         কানের ভেন্যুতে ‘মুজিব’-এর পোস্টার