মঙ্গলবার ১২ মাঘ ১৪২৮, ২৫ জানুয়ারী ২০২২ ঢাকা, বাংলাদেশ
প্রচ্ছদ
অনলাইন
আজকের পত্রিকা
সর্বশেষ

লক্ষ্যভিত্তিক অর্থ ব্যয়ের দিকে যাচ্ছে সরকার

লক্ষ্যভিত্তিক অর্থ ব্যয়ের দিকে যাচ্ছে সরকার

অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ সরকার এখন থেকে লক্ষ্যভিত্তিক অর্থ ব্যয়ের দিকে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান। বৃহস্পতিবার (২৬ নভেম্বর) পানি, স্যানিটেশন ও হাইজিন বিষয়ক ন্যায্যতাভিত্তিক বাজে বরাদ্দ শীর্ষক এক ওয়েবিনার আলোচনায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

উল্লেখ্য, গত একনেক বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, অর্থ ব্যয় কোথায় হচ্ছে সেটি দেখতে হবে। তাই এখন থেকে ব্যয়টা টার্গেট করা হচ্ছে। এর মধ্যে প্রধান টার্গেটে থাকবে পানি। এর সঙ্গে হাইজিন ও স্যানিটেশন। রাষ্ট্রের অর্থ বেশি ব্যয় হবে তাদের জন্য, যারা নিম্ন আয়ে আছে।

আগামী ২ ডিসেম্বর অনুষ্ঠেয় এশিয়া প্যাসেফিক অর্থমন্ত্রী সভা ২০২০ উপলক্ষে যৌভভাবে এই আলোচনা সভার আয়োজন করেছে ডেভেলপমেন্ট জার্নালিস্ট ফোরাম অব বাংলাদেশ (ডিজেএফবি) এবং ডরপ।

ডিজেএফবির সদস্য সুশাস্ত সিনহার সঞ্চালনায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন পরিকল্পনা কমিশনের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগের সদস্য (সিনিয়র সচিব) ড. শামসুল আলম। আলোচনায় অংশ নেন- ডরপ এর গবেষণা পরিচালক যোবায়ের হাসান, ডিজেএফবি’র সভাপতি এফএইচএম হুমায়ন কবীর, স্থানীয় সরকার বিভাগের পলিসি সাপোর্ট ব্রাঞ্চের যুগ্ম সচিব ইমদাদুল হক চৌধুরী, ইউনিসেফের ওয়াস স্পেশালিস্ট মোহাম্মদ মনিরুল আলম, ক্যাম্পেইন ফর টোব্যাকো ফ্রিকিডস এর গ্রান্ডস ম্যানেজার আবদুস ছালাম মিয়া, বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর উপ-পরিচালক আলমগীর হোসেন এবং ওয়াটার এইড বাংলাদেশের রঞ্জন ঘোষ প্রমুখ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে পরিকল্পনামন্ত্রী আরও বলেন, আমরা উন্নত দেশে যেতে চাচ্ছি। উন্নত দেশের প্রধান পরিচয় হবে সার্বক্ষনিক বিদ্যুৎ ও পানি সরবরাহ। আমরা সেই চেষ্টা চালাচ্ছি। অনেকটা সফলও হয়েছি। কিন্তু তারপরও আরও কাজ করতে হবে। বাজেটে ওয়াস সেক্টরে বরাদ্দ আরও বাড়ানো প্রয়োজন। আমাদের অর্থ খরচের টার্গেট নিয়ে নানা ঝামেলা হয় অনেক সময়। নানা ধরনের চাপ থাকে। এজন্য একরাতেই ওয়াস সেক্টরে বেশি বরাদ্দ দেওয়া হয়তো সম্ভব হবে না। কিন্তু সরকার বরাদ্দ বাড়াচ্ছে এবং সেটি অব্যাহত থাকবে। সম্প্রতি হাওর এলাকায় বিশুদ্ধ পানি সরবরাহের জন্য ৮০০ কোটি টাকার একটি প্রকল্প অনুমোদন দিয়েছে একনেক। স্যানিটেশনের জন্যও প্রকল্প হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা হচ্ছে গ্রাম হবে শহর। এটি রাতারাতি হবে না। তবে বিভিন্ন পরিকল্পনার মাধ্যমে এটি করা হচ্ছে। শহরের সব সুবিধা গ্রামে পৌঁছানো আমাদের সাংবিধানিক ও নৈতিক দায়িত্ব।

শীর্ষ সংবাদ:
দেশের অর্থনীতিতে গতিসঞ্চারে ভূমিকা রাখতে কাস্টমস কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান রাষ্ট্রপতির         করোনায় মৃত্যু ১৮, শনাক্ত ১৬ হাজার         করোনাভাইরাস : বাণিজ্যমেলা বন্ধ ও বইমেলা পেছানোর পরামর্শ         টিকার কারণে হাসপাতালে রোগী কম, মৃত্যুও কম : স্বাস্থ্যমন্ত্রী         একনেকে ১০ প্রকল্প অনুমোদন         ‘আমরণ অনশন ভাঙার সিদ্ধান্ত নিয়েছি, আন্দোলন চলবে’         ডিবির জ্যাকেটে নতুন প্রযুক্তি         ওমিক্রনে শিশুদের ঝুঁকি বাড়ছে         ‘বিএনপি অগণতান্ত্রিক পথে ক্ষমতায় যাওয়ার স্বপ্ন দেখছে’         ভূমধ্যসাগরে নৌকায় হাইপোথার্মিয়ায় ৭ বাংলাদেশির মৃত্যু         ৭ ফেব্রুয়ারি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থগিত পরীক্ষা শুরু         ক্রিপ্টো বাজারে ট্রিলিয়ন ডলার ধস         দুর্নীতি মামলায় জিকে শামীমের মা কারাগারে         ‘জাতিসংঘে চিঠি শান্তিরক্ষা মিশনে প্রভাব ফেলবে না’         ‘দুর্নীতিগ্রস্ত’ দেশের তালিকায় বাংলাদেশ ১৩তম         ঢাকায় শাবিপ্রবির সাবেক দুই শিক্ষার্থীকে আটকের অভিযোগ         ঝালকাঠিতে লঞ্চে অগ্নিকাণ্ডে দগ্ধ ৩০ জনকে নগদ সহায়তা         এবার র‌্যাবকে নিষিদ্ধ করতে ইইউতে চিঠি         গত ২৪ ঘণ্টায় সারা বিশ্বে করোনায় মারা গেছেন ৫ হাজার ৯২২ জন         রাজশাহীতে বাড়ছে করোনা সংক্রমণ, তবুও উপেক্ষিত স্বাস্থ্যবিধি