শনিবার ১১ আষাঢ় ১৪২৯, ২৫ জুন ২০২২ ঢাকা, বাংলাদেশ
প্রচ্ছদ
অনলাইন
আজকের পত্রিকা
সর্বশেষ

নাব্যতা সংকটে গাইবান্ধায় নৌ চলাচল হুমকির মুখে

নাব্যতা সংকটে গাইবান্ধায় নৌ চলাচল হুমকির মুখে

নিজস্ব সংবাদদাতা, গাইবান্ধা ॥ তিস্তা, ব্রহ্মপুত্র ও যমুনাসহ গাইবান্ধার উপর দিয়ে বয়ে যাওয়া সবগুলো নদ-নদীর পানি অগ্রহায়ন মাসের প্রথম সপ্তাহেই কমে গিয়ে সেগুলো শাখা-প্রশাখায় ভাগ হয়ে এখন শীর্ণকায় রূপ নিয়েছে। আকস্মিক পানি শূন্যতায় প্রাণচাঞ্চল্যে ভরা নৌ ঘাটগুলোর অস্তিত্ব এখন বিপন্ন। ইতোমধ্যে অনেক নৌ ঘাট বন্ধ হয়ে গেছে। যে সব নৌ ঘাট এখনও কোন রকমে টিকে রয়েছে সেগুলোরও এখন বেহাল দশা। চ্যানেলের অভাবে নৌযান কমে গেছে অর্ধেকেরও বেশি। যে কোন সময় নৌ চলাচল স¤পূর্ণরূপে বন্ধ হয়ে যেতে পারে।

মূলত: পানি সংকটের কারণে নৌ যোগাযোগ এখন হুমকির মুখে। যে সব রুটে এখনও যান্ত্রিক নৌকাগুলো চলছে জেগে ওঠা চরের কারণে ঘুর পথে চলাচল করতে হচ্ছে বলে গন্তব্যস্থলে পৌঁছতে সময় লাগছে দ্বিগুণেরও বেশি। অক্টোবরের মাঝামাঝি থেকে ব্রহ্মপুত্র, তিস্তা ও যমুনাসহ ছোট বড় সবগুলো নদীর পানি দ্রুত কমতে শুরু করে। অব্যাহত পানি হ্রাসের ফলে নদীগুলো নিজেদের অস্তিত্ব হারাতে বসেছে। এ তিনটি নদীর পানি এখন সর্বনিম্নপর্যায়। বড় বড় চর জেগে উঠেছে এখন নদীর বুকে। গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ, ফুলছড়ি, সাঘাটা ও সদর উপজেলার পূর্বাঞ্চলের বিস্তীর্ণ চরাঞ্চলের বসবাসকারী হাজার হাজার মানুষ নদীতে নাব্যতা থাকার সময় স্বাভাবিকভাবে নৌকায় চলাচল করতো। এখন নদী বুকে জেগে ওঠা বিস্তীর্ণ চর এবং শীর্ণকায় নদীর শাখাগুলো পায়ে হেটে গন্তব্য স্থলে তাদের পৌঁছতে হয়।

এদিকে নদীগুলো নাব্যতা হারানোর ফলে নৌ চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। অনেক রুটে যান্ত্রিক নৌকাগুলো চলাচল করতে পারছে না। ব্রহ্মপুত্রে সবচেয়ে বড় ঘাট হচ্ছে বালাসী নৌ ঘাট। এরপরও এই ঘাট এলাকায় নদী পাড় থেকে ১২টি রুটে যাত্রবাহী যান্ত্রিক নৌকা খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে চলছে। অথচ আগে ৩০টি রুটে এখান থেকে অবাধে যাত্রীবাহী নৌযান চলাচল করতো। বর্তমানে এ ঘাট থেকে যে সব রুটে নৌ চলাচল করছে সেগুলো হচ্ছে কুড়িগ্রামের রাজিবপুর ও কর্তীমারী, সদর উপজেলার মোল্লার চর, কুন্দেরপাড়া ও পারদিয়ারা, ফুলছড়ির সানন্দবাড়ী, ফুটানী বাজার, জিগাবাড়ী, হরিচন্ডি, খোলাবাড়ী, খাটিয়ামারী এবং জামালপুর জেলার বাহাদুরাবাদ, ঘুটাইল ও দেওয়ানগঞ্জ। আগে যেখানে একেক রুটে ৪টি করে নৌকা চলাচল করতো এখন সেখানে মাত্র দুটি করে নৌকা চলাচল করছে।

Sheikh Rasel

সাবেক ফুলছড়ি উপজেলা হেড কোয়ার্টার থেকে আগে জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ ও বাহাদুরাবাদসহ ফুলছড়ি উপজেলার গলনা, ফজলুপুর, খাটিয়ামারী, পিপুলিয়া, গাবগাছি, দেলুয়াবাড়ী, জিগাবাড়ী, ভাজন ডাঙ্গা, জিয়াডাঙ্গা ইত্যাদি অভ্যন্তরীণ রুটে ২০টি নৌকা প্রতিদিন যাতায়াত করতো। এখন সেখানে প্রতিদিন ৫ থেকে ৬টির বেশী নৌকা চলাচল করছে না বলে জানা গেছে। কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা সদর, ফুলছড়ি ও জামালপুরের ১২টি রুটে নৌ চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। এ ব্যাপারে গাইবান্ধা পানি উন্নয়ন বোর্ড সুত্রে জানানো হয়েছে, এ অবস্থা চলতে থাকলে নদীগুলো আরও ভরাট হয়ে যাবে এবং নাব্যতা সংকটের সৃষ্টি হবে। এছাড়া ব্রহ্মপুত্র বা অন্য নদী ড্রেজিংয়ের এখনও কোন উদ্যোগ নেয়া হয়নি। তবে দেশের নদীগুলো ড্রেজিংয়ের মাধ্যমে নাব্যতা ফিরিয়ে আনার সরকারের একটি মহাপরিকল্পনা রয়েছে বলে জানা গেছে।

শীর্ষ সংবাদ:
সেতুর চেয়েও বড়         আওয়ামী লীগ সবসময় জনগণের পাশে ॥ তথ্যমন্ত্রী         সঙ্কটের সময় আওয়ামী লীগ উৎসবে মেতে ওঠে ॥ দুলু         প্রধানমন্ত্রীর সাহসিকতার প্রতীক ‘পদ্মা সেতু’         শিল্পগুরু সফিউদ্দীন আহমেদ সম্মাননা পেলেন ৭ শিল্পী         গাজীপুরে গলা কেটে ব্যবসায়ী খুন         হাঁটা যাবে না, ছবিও নয়         বোরকা পরে স্ত্রী, শ্বশুর শাশুড়িসহ ৪ জনকে কুপিয়ে হত্যা         নওগাঁয় ট্রাকচাপায় চার শিক্ষকসহ নিহত ৫         ‘পদ্মা সেতু’র উদ্বোধন বাংলাদেশের জন্য এক গৌরবোজ্জ্বল ঐতিহাসিক দিন : প্রধানমন্ত্রী         পদ্মা সেতুর উদ্বোধনে নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা নেই : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী         পদ্মা সেতুর সফল বাস্তবায়ন সরকার ও জনগণের ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টার ফল : রাষ্ট্রপতি         পদ্মা সেতুর আদলে সেজেছে জনসভা মঞ্চ         পদ্মা সেতু বাংলাদেশের অভ্যন্তরে নতুন নতুন সুযোগ সৃষ্টি করবে ॥ মার্কিন দূতাবাস         শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন পাকিস্তানের নতুন প্রধানমন্ত্রী         পদ্মা সেতু উদ্বোধনের ছোঁয়া হাতিরঝিলেও         মানুষের উল্লাসে বিএনপির মন খারাপ : তথ্যমন্ত্রী         পদ্মা বহুমুখী সেতু একটি অসামান্য অর্জন ॥ চীনা রাষ্ট্রদূত         পদ্মা সেতু উদ্বোধন উপলক্ষে মোবাইল নেটওয়ার্ক জোরদার         রাশিয়া গ্যাস সরবরাহ কমিয়ে দেওয়ায় বড় সংকটের জার্মানি