রবিবার ২৫ শ্রাবণ ১৪২৭, ০৯ আগস্ট ২০২০ ঢাকা, বাংলাদেশ
প্রচ্ছদ
অনলাইন
আজকের পত্রিকা
সর্বশেষ

গতি নেই সরকারী কর্মকর্তা কর্মচারীদের ৩৯৮ ফ্ল্যাট নির্মাণ প্রকল্পে

স্টাফ রিপোর্টার ॥ গতি নেই ঢাকায় সরকারী কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য ৩৯৮টি ফ্ল্যাট নির্মাণ প্রকল্পে। আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে কাজ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও এখন ভৌত কাজের অগ্রগতি মাত্র ৪৫ শতাংশ। আর্থিক অগ্রগতি ১৭.১৩ শতাংশ। কার্যক্রম বাস্তবায়নের জন্য মোট ১১৯টি প্যাকেজের ১০৩টির দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে। বাকি ১৬টি প্যাকেজের দরপত্র এখনও আহ্বান করা হয়নি। সব মিলিয়ে ঢিমেতালে চলছে ‘ঢাকা শহরে গুলশান, ধানম-ি ও মোহাম্মদপুরে ২০টি পরিত্যক্ত বাড়িতে ৩৯৮টি সরকারী আবাসিক ফ্ল্যাট নির্মাণ’ প্রকল্পের কাজ। সরকারের অব্যবহৃত জমির যথাযথ ব্যবহার করে রাজস্ব আয় বৃদ্ধি এবং উপযুক্ত ও স্বাস্থ্যকর আবাসন সরবরাহের মাধ্যমে সরকারী কর্মকর্তাদের কাছ থেকে উন্নত সেবা প্রাপ্তির জন্য প্রকল্পটি গ্রহণ করা হয়। কিন্তু এখন যথাসময়ে প্রকল্প থেকে সুবিধা প্রাপ্তি থেকে বঞ্চিত হতে যাচ্ছেন সরকারী চাকরিজীবীরা। পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের বাস্তবায়ন, পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগের (আইএমইডি) সমীক্ষায় এসব তথ্য পাওয়া গেছে। আইএমইডির প্রতিবেদনের খসড়ায় বলা হয়েছে, ঢাকা বাংলাদেশের রাজধানী হওয়ায় সরকারী কর্মকর্তা-কর্মচারীর সংখ্যা এখানে দিন দিন বেড়েছে। কিন্তু আবাসনের জন্য প্রয়োজনীয় অবকাঠামো বাড়েনি। বর্তমানে ঢাকায় যারা কর্মরত তাদের মাত্র ৮ শতাংশের আবাসিক চাহিদা পূরণ হচ্ছে। বাকি ৯২ শতাংশ কর্মকর্তা-কর্মচারী আবাসন সুবিধা বঞ্চিত। এ প্রেক্ষাপটে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় থেকে প্রকল্পটি হাতে নেয়া হয়েছে। ২০১৬ সালের জুলাই থেকে ২০১৯ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে এটি বাস্তবায়নের লক্ষ্য ছিল। কিন্তু পরে এক বছর বাড়িয়ে ২০২০ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত করা হয়।

প্রকল্পের আওতায় গুলশান, ধানমন্ডি ও মোহাম্মদপুরের ২০টি পরিত্যক্ত বাড়িতে ১৮০০ বর্গফুটের ১৮টি, ১৫০০ বর্গফুটের ১৪৭টি, সাড়ে ১২০০ বর্গফুটের ২১৯টি এবং এক হাজার বর্গফুটের ১৪টিসহ মোট ৩৯৮টি ফ্ল্যাট নির্মাণ করা হচ্ছে। প্রকল্পটির ব্যয় ধরা হয়েছে ৩৬৬ কোটি ৫৩ লাখ টাকা। প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রকল্পটির উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) প্রণয়নে প্রথাগত পদ্ধতি অনুসরণ করা হলেও উদ্দেশ্য, লগফ্রেম, ঝুঁকি নির্ণয় এবং ফিন্যান্সিয়াল এ্যানালাইসিস না করা এবং বিস্তারিত আর্কিটেকচারাল ড্রইং না থাকাটা প্রকল্পের অন্যতম দুর্বল দিক। এছাড়া প্রকল্পের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় গণপূর্ত অধিদফতরের প্রচলিত কিছু পদ্ধতি সরকারের সার্বিক প্রকল্প বাস্তবায়ন নীতির সঙ্গে পরিপন্থী। গণপূর্ত গতানুগতিভাবে বহুদিন ধরে এটি করলেও এ ধরনের ব্যতিক্রমের জন্য কোন সরকারী অনুমতি আছে বলে প্রমাণ দেখাতে পারেনি। এছাড়া প্রকল্প কর্মকর্তার জনবল নিজ বিভাগের অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে প্রকল্পে নিয়োজিত থাকা, রাজস্ব খাতের খরচের মতো প্রকল্পের অর্থ খরচ করা, প্রকল্পের অধীনস্থ হয়েও ইএমই বিভাগের অনেকটা আলাদাভাবে কাজ করা এবং সার্বিক সমন্বয়ের জন্য একটি স্থায়ী প্রকল্প অফিস না থাকাকেও এই প্রকল্পের দুর্বলতা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, প্রকল্পটি মূল চ্যালেঞ্জের মধ্যে অন্যতম একটি হচ্ছে পরিত্যক্ত বাড়িগুলো দখলে নিয়ে যথাসময়ে কাজ শুরু করা।

এখন পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী ১৫টি বাড়ি দখলমুক্ত করে কাজ শুরু করা সম্ভব হয়েছে। এর মধ্যে ১২টি বাড়ির কাজ পুরোদমে অর্থাৎ ভিত্তিস্থাপন শেষে মূল অবকাঠামো নির্মাণ কাজ চলমান। বাকি তিনটা বাড়ির কাজ শুরুর দিকে। মোট দরপত্র আহ্বান করা ১০৩টি প্যাকেজের মধ্যে পাঁচটি প্যাকেজের ক্ষেত্রে প্রাক্কলতি মূল্য থেকে চুক্তিমূল্য বেশি দিয়ে কাজ শেষ করা হয়েছে। বাকি প্যাকেজের ক্ষেত্রে প্রাক্কলিত মূল্যের চেয়ে চুক্তিমূল্য কম দিয়ে ক্রয় করা হয়েছে। দরপত্র আহ্বান থেকে শুরু করে চুক্তি সম্পাদন পর্যন্ত প্রায় সব ক্ষেত্রেই পিপিআর (সরকারী ক্রয় আইন) অনুযায়ী সম্পন্ন করা হলেও কিছু ক্ষেত্রে ব্যত্যয়ও লক্ষ্য করা গেছে। প্রায় সব ক্ষেত্রেই দরপত্র শেষ হওয়ায় একবছর বা তারও বেশি সময় পর ঠিকাদার কাজ শুরু করতে পেরেছে। মূলত পরিত্যক্ত বাড়ি দখলে নেয়া এবং কাজ শুরু দেরি হওয়ার কারণে প্রকল্পটির ভৌত অগ্রগতি কম হয়েছে। অন্যদিকে, মন্ত্রণালয় থেকে পর্যাপ্ত বাজেট না পাওয়ায় ঠিকাদারদের কাজের বিল পরিশোধে ব্যর্থ হওয়ায় কাজের গতিও মন্থর হয়েছে। এছাড়া কিছু ক্ষেত্রে স্ট্রাকচারাল ডিজাইনের ওপর ভিত্তি করে টেন্ডার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার পর প্রকল্পের মাঝামাঝি সময়ে স্থাপত্য অধিদফতর আর্কিটেকচারাল ডিজাইনে ব্যাপক পরিবর্তন নিয়ে আসে। ফলে প্রকল্পটির ব্যয় মারাত্মক বেড়ে যাওয়ার মতো সমন্বয়হীতার ঘটনাও ঘটে।

শীর্ষ সংবাদ:
সাবমেরিন কেবল লাইনে জটিলতা দেখা দেওয়ায় সারা দেশে ইন্টারনেটে ধীরগতি         স্বাধীনতাবিরোধীদের তালিকা তৈরি করবে সংসদীয় কমিটি         ন্যায়ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠা করতে হলে অন্যায়ের প্রতিকার করতে হয় ॥ তথ্যমন্ত্রী         দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় মারা গেছেন ৩৪ জন, নতুন শনাক্ত ২৪৮৭         শেখ হাসিনা সরকার প্রতিটি হত্যাকাণ্ডের বিচারে সোচ্চার থেকেছে ॥ সেতুমন্ত্রী         রফতানি বাড়াতে রাষ্ট্রদূতদের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করতে হবে         বঙ্গবন্ধু যখন জেলে, তখন বঙ্গমাতা আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের সাহায্য করেছেন॥ মতিয়া         সিনহার সহযোগী শিপ্রার জামিন মঞ্জুর         ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশে করোনা সেন্টারে আগুন ॥ নিহত ৭         তথ্য গোপনের পরিকল্পনা, নতুন পাকিস্তানি ম্যাপের ওয়েবসাইটে ব্লক ভারত         ৯৮% চাই না, ভ্যাকসিন ৫০-৬০% কাজ করলেই চলবে ॥ ফাউসি         মরিশাসে ৪ হাজার টন জ্বালানি তেল ছড়িয়ে পড়ায় জরুরি অবস্থা         চেক প্রজাতন্ত্রে বহুতল ভবনে আগুন, তিন শিশুসহ নিহত ১১         ব্রাজিলে করোনায় মৃত্যু লাখ ছাড়াল         ২ সাবেক মার্কিন সেনাকে ২০ বছরের কারাদণ্ড দিল ভেনিজুয়েলা         লাদাখে নতুন করে উত্তেজনা, ফের বৈঠকে ভারত-চীন         ব্যর্থ রাষ্ট্র হওয়ার পথে লেবানন         যুক্তরাষ্ট্রে দুই সপ্তাহে করোনায় আক্রান্ত ৯৭ হাজার শিশু         বৈরুতে বিক্ষোভ ও তাণ্ডব ॥ এক পুলিশ নিহত, আহত ১৮০         প্রাণ ভিক্ষা চাননি ॥ খুনীদের কাছে        
//--BID Records