শনিবার ১ কার্তিক ১৪২৮, ১৬ অক্টোবর ২০২১ ঢাকা, বাংলাদেশ
প্রচ্ছদ
অনলাইন
আজকের পত্রিকা
সর্বশেষ

পিলখানা হত্যাকান্ড এবং বিচার প্রসঙ্গ

  • লে. কর্নেল মহিউদ্দিন সেরনিয়াবাত (অব)

আজ ২৫ ফেব্রুয়ারি। দশ বছর আগে এই দিনে ঢাকার সবুজ গাছপালা বেষ্টিত পিলখানায় ঘটেছিল ইতিহাসের বর্বর, নৃশংসতম হত্যাকান্ড। যেখানে ঝরে পড়েছিল ৭৪টি জীবন। তার মধ্যে ৫৮ জন ছিলেন সেনাবাহিনীর অফিসার যাদের প্রায় সকলে এক কালে আমার ঘনিষ্ঠ সহকর্মী, যেন আত্মার আত্মীয়। প্রতি বছর ক্যালেন্ডারের পাতায় ২৫ ফেব্রুয়ারি উপস্থিত হলে স্মৃতির পর্দায় ভেসে ওঠে সেই সকল চৌকস সহকর্মীদের পরিচিত মুখ, রক্তাক্ত দেহ। আমার বুকটা ভাড়ি হয়ে আসে। কি অপরাধ ছিল তাদের? কেন অকালে তাদের জীবন দিতে হলো!

সেদিন ছিল বুধবার বসন্তের সুন্দর সকাল। স্থান- পিলখানা বিডিআর সদর দফতর (১৭৯৫ সালে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির তত্ত্ব¡াবধানে রামগড়ে প্রতিষ্ঠিত হলে ভূতপূর্ব সীমান্ত রক্ষীর সদর দফতর পিলখানায় স্থানান্তরিত হয় ১৭৯৯ সালে)। ২০০৯ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি সীমান্তরক্ষীর উত্তরাধিকার এই বিডিআর এর কুচকাওয়াজে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। মাত্র ৪৮ দিন পূর্বে সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের পর নতুন প্রধানমন্ত্রীকে এই প্রথম স্বাগত ও আপ্যায়নে যেন বিন্দুমাত্র কমতি না হয়, সেজন্য সর্বস্তরে ছিল উৎসাহ ও সর্বোচ্চ প্রয়াস। প্রস্তুতির প্রায় এক মাস কঠোর পরিশ্রমের পর সকলের মাঝে বিশেষত অফিসারদের আজ একটু ফুরফুরে ভাব। ইংরেজীতে রিল্যাক্স মুড। বিশাল এই দরবার হলে পিলখানায় পোস্টেড ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ঢাকার বাইরে থেকে কুচকাওয়াজ উপলক্ষে সংযুক্ত অফিসার ও বিডিআর জওয়ান। কিছুক্ষণ আগে ডিজি মহোদয় উপস্থিত হওয়ার পর পবিত্র কোরান তেলাওয়াতের মাধ্যমে দরবারের সূচনা। এরপর, মেজর জেনারেল শাকিল আহমেদ বক্তব্য শুরু করা মাত্র অস্ত্র উঁচিয়ে দু’জন সৈনিক কোত্থেকে যেন আজরাইল রূপে হাজির। তার মধ্যে একজন উর্ধমুখে এক রাউন্ড গুলি ফায়ার করা মাত্র সকল সৈনিক কি যেন ধ্বনি দিয়ে দাঁড়িয়ে যায়। সম্ভবত এই গুলির শব্দই পূর্বে নির্ধারিত সুবজ সঙ্কেত- এমনটি হয়ত অনেকেরই জানা ছিল। তারা হুড়মুড় করে দ্রুত দরবার হল ত্যাগ করে। কয়েক অফিসার তাদের পিছু নিয়ে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করলেও কে শোনে কার কথা! এতদিন যে অফিসাররা সুশৃঙ্খল বাহিনী হিসেবে বিডিআরকে জেনে এসেছে, তাদের এমন আচরণে তারা হতবিহ্বল, কিংকর্তব্যবিমূঢ়। তারা কি করবেন ভেবে পাচ্ছিলেন না। অফিসারগণ কাঁচের জানালা দিয়ে পরিষ্কার দেখতে পাচ্ছেন সৈনিকদের অনেকের হাতেই অস্ত্র। তারা ছোটাছুটি এবং অন্যদের অস্ত্র ও গোলাবারুদ ড্রয়ের জন্য চিৎকার করছে। এদের কারও কারও মাথায় স্টিল হেলমেট, কাপড়ের পট্টি, কিংবা মুখোশ। যুদ্ধংদেহী এক বিশৃঙ্খল অবস্থা। এরই মধ্যে কাছেই কয়েক রাউন্ড গুলির শব্দ। বুঝতে বাকি রইল না যে, পবিত্র ধর্মগ্রন্থ স্পর্শ করে নেয়া আনুগত্যের শপথ ভঙ্গ করে এরা বিদ্রোহ করেছে। এতক্ষণের বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি আতঙ্কে রূপ নিল। কয়েকজন অফিসার আত্মরক্ষার্থে পাশের রন্ধনশালা, বাথরুমে আশ্রয় নিলেও অধিকাংশই দরবার হলে ডিজি মহোদয়কে ঘিরে আছেন। যেন কেউ তাকে অসম্মান করতে না পারে। এমন সময়ে সশস্ত্র সৈনিকদের একটি দল অশ্রাব্য ভাষায় চিৎকার করতে করতে দরবার হলে ঢুকে পড়ল। তারা অস্ত্রের নলের মুখে সকল অফিসারকে এক লাইনে বের করে নিয়ে আসে। অফিসারগণ হেঁটে দরবার হলের গেট অতিক্রম করা মাত্র খুব কাছ থেকে বেশ ক’টি স্বয়ংক্রিয় অস্ত্র গর্জে উঠল। কিছু বুঝে ওঠার আগেই ঝাঁকে ঝাঁকে বুলেট নিরস্ত্র সেনাবাহিনীর এ সব অফিসারের বুকে-দেহে বিদ্ধ হলে তারা মৃত্যুর কোলে ঢোলে পড়েন। রক্তে ভেসে যায় চারদিক। এরপর হায়েনারা রন্ধনশালা, বাথরুম, ডোবা-ম্যানহোলে আশ্রয় নেয়া অফিসারদের খুঁজে খুঁজে হত্যা করে। শুধু তাই নয়, তারা অফিসারদের বাড়িঘরে হামলা চালিয়ে অত্যাচার, লুণ্ঠন এমনকি ডিজির বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয়। তার স্ত্রী এবং অতিথিদেরও হত্যা করে। পিলখানার বিভিন্ন গেটে ভারি অস্ত্র বসানো হয়। ভবনের শীর্ষে উঠে বাইরের দিকে তাক করে ছেলে খেলার মতো এলোপাতাড়ি গুলি বর্ষণ করলে একাধিক পথচারীও বেঘোরে প্রাণ হারায়। মোটকথা তাদের বর্বরতার শিকার হয়ে মারা যায় ৫৮ জন অফিসার, তাদের ২ জনের স্ত্রী, ১ জন সেনাবাহিনীর সৈনিক, বিডিআরের সুবেদার মেজরসহ ৯ জন সৈনিক ও ৪ জন বেসামরিক ব্যক্তিসহ ৭৪ জন। বিশ^যুদ্ধে অনেক প্রাণহানি ঘটলেও একসঙ্গে এত সেনা অফিসারের মৃত্যুর নজির পৃথিবীতে নেই।

এই হত্যাকান্ড ও বিদ্রোহের ঘটনার অবসান ঘটেছিল দীর্ঘ ৩৬ ঘণ্টা শ^াসরুদ্ধকর অপেক্ষার পর। আলোচনা এবং শান্তিপূর্ণ উপায়ে বিদ্রোহীদের আত্মসমর্পণে বাধ্য করানো সঠিক ছিল নাকি তাদের ওপর সামরিক শক্তি প্রয়োগ করা উচিত ছিল এই প্রশ্নে দশ বছর পর এখনও বিতর্ক চলছে। যারা শক্তি প্রয়োগের পক্ষে তাদের যুক্তি হলো প্রাথমিক পর্যায়ে বিদ্রোহীরা পুরোপুরি সংগঠিত ছিল না। ওই পর্যায়ে একটি পদাতিক ব্যাটালিয়ন আক্রমণ করলে বিদ্রোহীরা রণে ভঙ্গ দিত এবং কিছু অফিসারের প্রাণ হয়ত রক্ষা পেত। সামরিক অভিযানের বিপক্ষদের মতে ৭৪ জন অফিসারের মৃত্যু খুবই বেদনাদায়ক। রাষ্ট্র, সেনাবাহিনী ও পরিবারের জন্য এ এক অপূরণীয় ক্ষতি। কিন্তু অভিযান চালানো হলে আরও যে পরিমাণ হতাহত ও আইনশৃঙ্খলার অবনতি ঘটত তা সামাল দেয়া রাষ্ট্র, সরকার ও জাতির পক্ষে অসম্ভব ছিল। তাদের মতে বিডিআর সদস্যদের অধিকাংশের পালিয়ে যাওয়া, অতঃপর আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রবেশ না করা পর্যন্ত ভেতরের পরিস্থিতি ছিল কেবল গুজবনির্ভর। তথ্য প্রদানের মূল সূত্র হতে পারত বিডিআরের যে গোয়েন্দা সংস্থা আরএসইউ, তারা নিজেরাই বিদ্রোহে অংশ নিয়ে নিজ অধিনায়ক লে. কর্নেল এনসাদকে হত্যা করে। সামরিক বাহিনীর ইউনিটসমূহের একটি অংশের সর্বদা যুদ্ধ প্রস্তুতি থাকলেও পুরো ইউনিটকে জড়ো করা, প্রস্তুত, ব্রিফিং এবং ঢাকা শহরের কর্ম দিবসে পিলখানায় পৌঁছতে সর্বনিম্ন যে সময় লেগেছিল তার পূর্বেই হত্যাযজ্ঞের পর্ব শেষ করে ফেলা হয়েছিল। ভেতরের অবস্থা, বিশেষত অফিসার ও তাদের পরিবার, বিডিআর সৈনিকদের পরিবার, ষড়যন্ত্রের বাইরে থাকা সৈন্যদল, নূর মোঃ পাবলিক স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারী, কে কোথায় কি অবস্থায় ছিল তার প্রকৃত চিত্র জানা ছিল না। বিমান বাহিনীর রেকি হেলিকপ্টার পাঠানো হলে নিচ থেকে গুলি ছোড়া হয়। এতদ্ব্যতীত বিডিআর সদর দফতরের চারপাশে রয়েছে ঘন বসতিপূর্ণ বেসামরিক এলাকা এবং ক্ষুদ্রাস্ত্রের নাগালের ভেতরে। এদের সকলের নিরাপত্তার কথা ভাবতে হয়। মূল ফটকসমূহে বসানো হয়েছে লং রেঞ্জের ভারি অস্ত্র। বিদ্রোহীরা ছিল উশৃঙ্খল, দূর দৃষ্টিহীন এবং বাংলায় গোয়ার মাত্র। ঢাকার বাইরে অন্তত ত্রিশটি ব্যাটালিয়নে এরই মধ্যে তারা অস্ত্র লুট করে সেখানকার অফিসার ও পরিবারকে জিম্মি করে ফেলেছে। কর্তৃত্ব নিয়েছে সৈনিকরা। কিছু ইলেকট্রনিক মিডিয়ার দায়িত্বহীনতার কারণে জনমতের বড় অংশ বিদ্রোহীদের পক্ষে। ঝিগাতলা রোড, আজিমপুর, হাজারীবাগে খন্ড খন্ড মিছিলও হয়েছে বিডিআর সৈনিকদের সমর্থনে। তাদের স্লোগানের ভাষা অনেকটা ৭ নবেম্বর ১৯৭৫-এর মতো। এসব কিছুই বিবেচনায় নিতে হয়েছে ৪৮ দিনের শিশু সরকারকে। বুঝতে অসুবিধা হয় না যে, দেশের স্থিতিশীলতা নষ্ট ও শেখ হাসিনার সরকারকে ল্যাং মারতে উদ্যত স্বার্থান্বেষী মহল। তপ্ত আগ্নেয়গিরির এই অবস্থায় সরকারের নির্দেশে পিলখানার আশপাশ এলাকায় অবস্থান নিয়ে অপেক্ষমাণ সেনা, র‌্যাব ও পুলিশ বাহিনী। অস্ত্রের নল থেকে বুলেট ছুটে গিয়ে কার বক্ষ ভেদ করবে কেউ জানে না। বুলেট তো আর শত্রু মিত্র ভেদাভেদ করে না। সামরিক অভিযান পরিচালনা করলে যে রক্তের বন্যা শুধু পিলখানা ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় বয়ে যাবে তা নয় দেশের বিভিন্ন বিডিআর ব্যাটালিয়নেও ছড়িয়ে যাবে। এমনকি সীমান্তের অতন্দ্র প্রহরীরা যে বিওপি ত্যাগ করবে না এমন নিশ্চয়তা কোথায়! এমতাবস্থায় দেশের আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে। সেদিন সামরিক অভিযান পরিচালিত হলে নিহত ৭৪ জনসহ অভিযানে হাজার হাজার হতাহতের দায়ভারও সরকারের ওপর বর্তাতো। সেনাবাহিনী ও জনগণের মুখোমুখি অবস্থা হতো। তাই আলোচনা, পালিয়ে যেতে সুযোগ করে দিয়ে তাদের ছত্রভঙ্গ, পুনরায় তাদের আত্মসমর্পণে বাধ্য ও আটকের সিদ্ধান্ত ছিল অত্যন্ত কৌশলী ও সঠিক পদক্ষেপ। এড়ানো গিয়েছিল পরবর্র্তী সম্ভাব্য ধ্বংসযজ্ঞ। উশৃঙ্খল, অপরিণামদর্শী, স্বঘোষিত বিপ্লবী চেগুয়েভারাদের পরাজয়ের মাধ্যমে অবসান ঘটেছিল ৩৬ ঘণ্টার অপেক্ষা।

দশ বছর পূর্ণ হলো সেদিনের বিদ্রোহ ও মর্মান্তিক ঘটনার। বাহিনীকে কলুষমুক্ত করতে ইতোমধ্যে আনা হয়েছে ব্যাপক পরিবর্তন। অভিশপ্ত বিডিআর নামের পরিবর্তে নামকরণ করা হয়েছে বিজিবি। ইউনিফর্ম, লোগো বদলে দেয়া হয়েছে। সর্বোচ্চ শাস্তি ৭ বছর বাড়িয়ে মৃত্যুদন্ডের জন্য আইন করা হয়েছে। কিন্তু এখনও শেষ হয়নি বিচার প্রক্রিয়া। দন্ডিত হয়নি খুনীরা। তবে হ্যাঁ আশার কথা সচল রয়েছে মামলার বিচার। উল্লেখ্য, ঘটনার অব্যবহিত পর প্রায় ৬ হাজার জনকে নিরাপত্তা হেফাজতে নেয়া হয়েছিল। প্রত্যেককে জেরা করা হয়েছে আন্তর্জাতিক আইনানুসারে। এ এক কঠিন ও জটিল কাজ। দায়িত্ব পালনে ব্যর্থতার দায়ে ইতোমধ্যে অনেককে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। তথ্য প্রমাণ ও স্বীকারোক্তির পর অবশেষে প্রায় সাড়ে আট শ’ জনকে বিচারের সম্মুখীন করা হয়। পৃথিবীর ইতিহাসে একটি মামলায় এক সঙ্গে এত বিপুল আসামির বিচারের উদাহরণ আমার জানা নেই। নিম্ন আদালতের বিচারের পর হাইকোর্টের বিচার ও রায়ও ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। হাইকোর্ট দুই দিনব্যাপী প্রদত্ত রায়ে ১৩৯ জনের মৃত্যুদন্ডাদেশ, ১৪৬ জনকে যাবজ্জীবন, ২৫৩ জন অভিযুক্তকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদ- প্রদান করেছে। দশ বছরেও এই মামলার চূড়ান্ত পরিণতি না হওয়ায় স্বার্থান্বেষী মহল বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে। তাদের জ্ঞাতার্থে বলা প্রয়োজন যে, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আইনকে তার নিজস্ব গতিতে চলতে দেয়ার পক্ষে। যেমনটি তিনি তার পিতা ও মা-ভাইদের হত্যার বিচারের বেলায়ও চেয়েছিলেন। মনে রাখতে হবে, এত বিপুল সংখ্যক অভিযুক্তের বিচারকার্য পরিচালনা করতে হচ্ছে অত্যন্ত যত্ন ও সতর্কতার সঙ্গে, যেন পাছে এক জনও নিরাপরাধ দন্ডিত আবার প্রকৃত কোন অপরাধী পার না পেয়ে যায়। যে দেশে এক সময় বিচারহীনতার সংস্কৃতি গড়ে উঠেছিল সেই দেশে যে এমন একটি সেনসিটিভ মামলা বিনা হস্তক্ষেপে নিজস্ব গতিতে এগিয়ে যাচ্ছেতাই বা কম কিসে! সর্বোচ্চ আদালতের রায়ে আগামীতে হয়ত বা কোন মা আবার সন্তান, বোন-স্বামী এবং শিশু পিতৃহারা হবে। এমন বিয়োগান্তক শাস্তি নিঃসন্দেহে বেদনাদায়ক, স্বজনদের জন্য সারা জীবনের কান্নার কারণ। কিন্তু আইনকে যে তার নিজস্ব পথে চলতে না দিলে এই দেশ ও জাতিকে আরও মূল্য দিতে হবে। দেশ জংলী, হানাহানির দেশে পরিণত হবে। ৩০ লাখ শহীদের রক্তে কেনা প্রিয় বাংলাদেশ অবশেষে ব্যর্থ রাষ্ট্র হিসেবে ভাগাড়ে পরিণত হোক এমনটি আমরা চাই না। দেশের প্রতিটি নাগরিকের জানমাল রক্ষার দায়িত্ব সরকারের। যদি এটি বিশ্বাস করি তবে ডিসিপ্লিনড ফোর্সের কেউ যদি অবুঝ শিশুর মতো অন্য কোন নাগরিকের প্রাণ সংহার করে নিশ্চয় তাকে যথাযথ শাস্তি পেতে হবে। এর কোন কাটছাঁট নেই।

লেখক : সাবেক সেনা কর্মকর্তা

শীর্ষ সংবাদ:
আশ্বিনেও এত গরম থাকার কারণ         গির্জায় ব্রিটিশ এমপিকে ছুরি মেরে হত্যা ‘সন্ত্রাসী ঘটনা’॥ যুক্তরাজ্য পুলিশ         রাজধানীতে ইয়াবাসহ আটক ২৬         আইসের সবচেয়ে বড় চালান জব্দ, মূলহোতা গ্রেফতার         ইবির হলে থাকতে পারবে না ভর্তিচ্ছুরা         মাগুরার জগদলে ইউপি নির্বাচনী সহিংসতায় ৪জন নিহতের ঘটনায় গ্রেফতার ৪         শরীয়তপুরে গোসাইরহাটের অবহেলিত চরাঞ্চলে ২৪ উন্নয়নমূলক প্রকল্পের উদ্বোধন         অস্ট্রেলিয়ার সমেলবোর্ন থেকে ৪০০ কেজি হেরোইন জব্দ         খাদ্য উৎপাদনে বাংলাদেশ স্বয়ংসম্পূর্ণ ॥ প্রধানমন্ত্রী         এমবাপের নৈপুণ্যে অঁজিকে হারিয়েছে পিএসজি         কান্দাহারে শিয়া মসজিদে হামলার ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৪৭         গত ২৪ ঘণ্টায় বিশ্বে করোনায় মৃত্যু হয়েছে ৬ হাজার ৯৫৩ জনের         উন্নয়নের মহাসড়কে মানিকগঞ্জ         কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে পেঁয়াজের দাম কমেছে ২০ টাকা         দেশে ফসল উৎপাদনে রেকর্ড         টিকার আওতায় ১০০ কোটির দ্বারপ্রান্তে ভারত         রোহিঙ্গা সমস্যার টেকসই সমাধান খুঁজতে মিয়ানমারকে চাপ দিন         আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম বিক্রি শুরু আজ         ট্রাক কাভার্ডভ্যান থেকে চাঁদা আদায় বন্ধ হয়নি         সার্বিয়ার সঙ্গে রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা সহযোগিতা বাড়াতে আগ্রহী বাংলাদেশ