বুধবার ৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯, ১৮ মে ২০২২ ঢাকা, বাংলাদেশ
প্রচ্ছদ
অনলাইন
আজকের পত্রিকা
সর্বশেষ

আইপিও এবং রাইটের মাধ্যমে অর্থ সংগ্রহ কমেছে

অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ ২০১৮ সালে শেয়ারবাজারে আইপিও অনুমোদনের মাধ্যমে অর্থ সংগ্রহের পরিমাণ কমেছে। যা বিগত ১০ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে গেছে। বাজার সংশ্লিষ্টদের মতে, আগের বছরের আইপিওগুলো বাজারে ভাল করতে না পারার কারণেই নতুন আইপিও অনুমোদনের সংখ্যা কমেছে।

২০১৮ সালে শেয়ারবাজার থেকে অর্থ সংগ্রহে ধসের পেছনে প্রধান কারণ হিসাবে রয়েছে রাইট শেয়ার ইস্যুর অনুমোদনে পতন। আগের বছর ৫টি কোম্পানির রাইট ইস্যুর অনুমোদন দেয়া হলেও ২০১৮ সালে তা ১টিতে নেমে এসেছে। যাতে রাইট ইস্যুর মাধ্যমে আগের বছরের ১২৭৩ কোটি টাকা এ বছর ১০৯ কোটি টাকায় নেমে এসেছে।

বিএসইসির সাবেক চেয়ারম্যান এবি মির্জ্জা আজিজুল ইসলাম বলেন, দেশের অর্থনীতি এগিয়ে যাচ্ছে এবং অনেক বড় হয়েছে। কিন্তু দেশের শেয়ারবাজার সেভাবে এগোচ্ছে না। এই সমস্যা কাটিয়ে তুলতে শেয়ারবাজারের অংশগ্রহণ বাড়ানো দরকার। এক্ষেত্রে বেশি বেশি করে ভালো কোম্পানি শেয়ারবাজারে আনতে হবে।

বিএসইসির আরেক সাবেক চেয়ারম্যান ফারুক আহমেদ সিদ্দিকী বলেন, শেয়ারবাজার থেকে অর্থ সংগ্রহের ক্ষেত্রে সময়ক্ষেপণ একটি বড় বাধা। কিন্তু কোন ডায়নামিক উদ্যোক্তা শেয়ারবাজার থেকে ফান্ড সংগ্রহের জন্য ২ বছর অপেক্ষা করবে না। তাদের জন্য ব্যাংক ঋণ দেয়ার জন্য বসে রয়েছে। এমতাবস্থায় তারা ব্যাংক ঋণ নিয়ে কোম্পানিকে এগিয়ে নিয়ে যাবে।

দেখা গেছে, গত ১০ বছরের মধ্যে ২০১৮ সালে শেয়ারবাজারের মাধ্যমে সর্বনিম্ন অর্থ সংগ্রহ করা হয়েছে। এ বছরে শেয়ারবাজারের মাধ্যমে ৬৫৫ কোটি ৪০ লাখ টাকা সংগ্রহ করা হয়েছে। যার পরিমাণ ২০১৭ সালেও ছিল ১ হাজার ৪৪২ কোটি ৩৯ লাখ টাকা। এ হিসাবে বছরের ব্যবধানে শেয়ারবাজার থেকে অর্থসংগ্রহ কমেছে ৭৮৬ কোটি ৯৯ লাখ টাকা বা ৫৫ শতাংশ।

চলতি বছরে এখন পর্যন্ত মাত্র ১টি কোম্পানি রাইট শেয়ার ইস্যুর মাধ্যমে অর্থ সংগ্রহ করেছে। কোম্পানিটিকে ১০৯ কোটি ৪০ লাখ টাকা সংগ্রহের অনুমোদন দেয়া হয়। আর জাহিন স্পিনিংয়ের রাইট শেয়ার ইস্যুর অনুমোদন দেয়া হলেও পরবর্তীতে তা বাতিল করা হয়েছে।

চলতি বছরে ফিক্সড প্রাইস পদ্ধতিতে ১১টি কোম্পানি ২৬৬ কোটি টাকা সংগ্রহ করেছে। আর বুক বিল্ডিংয়ে ২টি কোম্পানি ২৮০ কোটি টাকা সংগ্রহ করেছে। এই ২ পদ্ধতিতে ১৩টি কোম্পানি মোট ৫৪৬ কোটি টাকা সংগ্রহ করেছে। গত ১০ বছরের মধ্যে বিভিন্ন কোম্পানির পক্ষে ২০১০ সালে সবচেয়ে বেশি অর্থ সংগ্রহ করা হয়েছে। ওই বছরে মোট ৩ হাজার ৩৯০ কোটি ৩৩ লাখ টাকা সংগ্রহ করা হয়। এরপরের অবস্থানে থাকা ২০১১ সালে ৩ হাজার ২৩৩ কোটি ৬৫ লাখ টাকা সংগ্রহ করা হয়েছে। ফারুক আহমেদ সিদ্দিকী বলেন, দেশে ট্রেক রেকর্ড ভাল এমন ১শ’র বেশি কোম্পানি আছে। এসব কোম্পানিকে শেয়ারবাজারে আনার পদক্ষেপ নেয়া উচিত।

ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে দেশের ৯৫ শতাংশ শিল্প প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠছে বলে জানিয়েছেন ফারুক আহমেদ সিদ্দিকী। আর শেয়ারবাজার থেকে এর সংখ্যা মাত্র ৩ শতাংশ। অথচ শেয়ারবাজার থেকে টাকা নিলে ফেরত দিতে হয় না। আর লোকসান করলেও ঋণ ও সুদ ফেরত দিতে হয়। এছাড়া শেয়ারবাজারে আসলে ১০ শতাংশ কর রেয়াত সুবিধা পাওয়া যায়। তারপরও কোম্পানিগুলো কেন শেয়ারবাজারে আসছে না, তা খুঁজে বের করা দরকার।

শীর্ষ সংবাদ:
লুটপাটে নিঃস্ব গ্রাহক ॥ পি কে হালদারের থাবা         অর্থ ব্যয়ে সাশ্রয়ী হোন অপচয় করা যাবে না         তামিমের সেঞ্চুরি- বাংলাদেশের দাপট         প্রকল্প কমিয়ে অর্থায়ন বাড়িয়ে উন্নয়ন বাজেট অনুমোদন         জাতীয় সরকারের নামে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করতে দেয়া হবে না         চুরি, ছিনতাই করতে কক্সবাজার থেকে ঢাকা আসত ওরা         পণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণের উপায় খুঁজছে সরকার         অর্থপাচারকারীরা কোন দেশে গিয়েই শান্তি পাবে না         সিলেটে কয়েক লাখ মানুষ পানিবন্দী         সড়ক যেন ধান শুকানোর চাতাল, প্রাণ গেল বাইক আরোহীর         অবশেষে তথ্য অধিকার আইনে তথ্য দিল পুলিশ         ভোলায় বেইলি ব্রিজ ভেঙ্গে ট্রাক অটোরিক্সা খালে         ১১ ডিজিটের নতুন নম্বরে বিপাকে গ্রাহক         কিউআর কোড দিয়ে ভুয়া নিয়োগপত্র দিত ওরা         জিআই সনদ পেলো বাগদা চিংড়ি         জনগণের অর্থ ব্যয়ে সাশ্রয়ী হতে হবে ॥ প্রধানমন্ত্রী         বাস্তব শিক্ষার সঙ্গে শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ত করার আহ্বান শিক্ষা উপমন্ত্রীর         ডলারের দাম ১০২ টাকার বেশি         সিলেটে বন্যার আরও অবনতির আশঙ্কা         কানের ভেন্যুতে ‘মুজিব’-এর পোস্টার