ঢাকা, বাংলাদেশ   বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২, ২১ আশ্বিন ১৪২৯

মশক নিধনে ‘ক্র্যাশ প্রোগ্রামের’উদ্বোধন করলেন সাঈদ খোকন

প্রকাশিত: ২২:২৯, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৮

মশক নিধনে ‘ক্র্যাশ প্রোগ্রামের’উদ্বোধন করলেন সাঈদ খোকন

অনলাইন রিপোর্টার ॥ আজ বুধবার শীত শেষে নগরীতে মশার উৎপাত বেড়ে যাওয়ায় দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকায় মশক নিধনে ‘ক্র্যাশ প্রোগ্রামের’ উদ্বোধন করেন মেয়র সাঈদ খোকন। দক্ষিণের বিভিন্ন ওয়ার্ডের কাউন্সিলরদের উপস্থিতিতে তিনি বলেন, “এবার যাতে চিকুনগুনিয়ার প্রাদুর্ভাব নগরে ছড়িয়ে না পড়ে, সেজন্য আমাদের সম্মানিত নাগরিকদের আগাম সজাগ ও সতর্ক থাকার আহ্বান জানাচ্ছি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের ভেতরে নিজের হাতে ফগার মেশিন দিয়ে মশার ওষুধ ছিটিয়ে এ কর্মসূচির সূচনা করেন মেয়র। “আপনাদের বাসার আঙিনায় যদি ঝোপ-ঝাড় থাকে, তাহলে সেগুলো পরিষ্কার রাখবেন। মশার বিস্তার ঘটতে পারে এমন কোথাও যদি পানি জমে থাকে, সেগুলোও পরিষ্কার রাখবেন।” গতবছর বর্ষা মওসুমের শুরু থেকেই ঢাকায় মশাবাহিত রোগ চিকুনগুনিয়া ব্যাপক হারে ছড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতার জন্য খোদ স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিমও সিটি করপোরেশনকে দায়ি করেন। এডিস প্রজাতির এডিস ইজিপ্টি এবং এডিস এলবোপিকটাস মশা থেকে চিকুনগুনিয়া রোগের সংক্রমণ ঘটে। চিকুনগুনিয়া ভাইরাসটি টোগা ভাইরাস গোত্রের ভাইরাস। মশাবাহিত হওয়ার কারণে একে আরবো ভাইরাসও বলে। ক্র্যাশ প্রোগ্রামের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে দক্ষিণের মেয়র খোকন আবারও দাবি করেন, দেশের অন্য সিটি করপোরেশনের তুলনায় তার এলাকায় মশার উৎপাত তেমন ভয়াবহ হয়ে ওঠেনি এখনও। “পুরান ঢাকাসহ ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের অধীনে অনেক এলাকায় মশা নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। ধানমন্ডি এলাকায় কিছুটা এবং বনশ্রী, জুরাইন, কামরাঙ্গীচর এলাকায় মশার উপদ্রব রয়েছে।” মশা নিয়ন্ত্রণে রাখতে দক্ষিণ সিটি করপোরেশন কর্তৃপক্ষ ‘সম্ভব সবকিছু’ করবে- এমন প্রতিশ্রুতি দিয়ে মেয়র বলেন, “আমাদের সমস্ত জনবল, সমস্ত ইকুইপমেন্ট এক জায়গায় জড়ো করে এই ক্র্যাশ প্রোগ্রামে এক একটা জোনে সর্বশক্তি দিয়ে কাজ করব। আমাদের স্বাস্থ্য বিভাগ সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে। আমরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে পাড়া মহল্লায় গিয়ে ওষুধ ছিটিয়ে আসব।” কাউন্সিলরদের সঙ্গে স্প্রে ম্যানদের কাজের সমন্বয়হীনতার অভিযোগ নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে মেয়র বলেন, “আমাদের এই কার্যক্রমকে মনিটর করার জন্য প্রত্যেক এলাকায় নির্বাচিত কাউন্সিলররা আছেন। তারা নিজেরা উপস্থিত থেকে আমাদের স্প্রে ম্যান, ক্রু দের মনিটর করেন, যাতে কাজ সঠিকভাবে সম্পন্ন হয়। এ ব্যাপারে সমন্বয়ের ঘাটতি নেই, যদি থেকে থাকে তবে আলোচনার মাধ্যমে আমরা তা ঠিক করে নেব।”