রবিবার ২৭ আষাঢ় ১৪২৭, ১২ জুলাই ২০২০ ঢাকা, বাংলাদেশ
প্রচ্ছদ
অনলাইন
আজকের পত্রিকা
সর্বশেষ

সমাজ ভাবনা ॥ এবারের বিষয় ॥ ভূমিকম্প

  • আতঙ্ক নয় চাই সচেতনতা

শফিক শামীম

বাংলাদেশে মাঝে মধ্যেই ঘটে হরেক রকম প্রাকৃতিক দুর্যোগ। ঘটে ভূমিকম্প। প্রাকৃতিক দুর্যোগগুলোর ব্যাপারে সচেতন না থাকার কারণে অকালে জীবনও দিচ্ছেন অনেকে। অনেকে পঙ্গুত্ববরণ করে জীবন কাটাচ্ছেন।

কিভাবে প্রাকৃতিক দুর্যোগগুলো মোকাবেলা করা যায় সে ব্যাপারে আজও পর্যন্ত উল্লেখযোগ্য জনসচেনতামূলক কাজ হচ্ছে না। সরকারী-বেসরকারীভাবে যতটুকু হচ্ছে তাও বাস্তবায়ন হচ্ছে না। অধরাই রয়ে যাচ্ছে দুর্যোগ মোকাবেলা করা সচেতনতা। বরং দিনে দিনে ধাবিত হচ্ছে প্রাকৃতিক দুর্যোগের দিকে। বিশ্বের উন্নত দেশগুলো যখন ভাবে চাঁদে গিয়ে কিভাবে বসবাস করা যায় ঠিক সেই সময় আমরা স্যানিটারি ল্যাট্রিন কিভাবে করা যায় তার ওপর সচেতন হচ্ছি। দেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যখন স্বপ্ন দেখেন কিভাবে বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলা যায়; এক শ্রেণীর অসুস্থ রাজনীতিবিদ ঠিক তখনই উন্নয়নের চাকা পিছন থেকে টেনে ধরে।

রাজধানীসহ সারাদেশে অপরিকল্পিতভাবে গড়ে উঠছে নগরায়ন। প্রকৃতির সঙ্গে পাল্লা দিয়ে প্রাকৃতিক সৌন্দর্যগুলো ধবংস করা হচ্ছে। অপরিকল্পিতভাবে গড়ে উঠছে দালানকোঠা। ধারণ ক্ষমতার চেয়ে কয়েকগুণ বেশি মানুষ বসবাস করছে রাজধানীতে। যে কারণে ৬ তলার অনুমতি নিয়ে ১২তলা বিল্ডিং ওঠাচ্ছে অনেকে। তোয়াক্কা করছে না নিয়ম-নীতির।

বিবিসি বাংলা’য় প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়, বাংলাদেশের দুই দিকের ভূ-গঠনে শক্তিশালী ভূমিকম্পের শক্তি জমা হয়েছে। ওই শক্তি যদি রিখটার স্কেলে প্রকাশ করা হয়, তা ৭.৫ থেকে ৮ মাত্রার ভূমিকম্প সৃষ্টি করতে পারে।

সিলেট এবং চট্টগ্রাম অঞ্চলে ভূমিকম্পের শক্তি জমা হওয়ার ব্যাখ্যা দিয়ে তিনি বলেছেন, একটা হচ্ছে উত্তর-পূর্ব কোণে সিলেট অঞ্চলে ডাউকি ফল্টে, আরেকটা হচ্ছে আমাদের পুবে চিটাগাং ত্রিপুরা বেল্টে পাহাড়ী অঞ্চলে। এখানে আসলে দুইটা বড় ধরনের ভূমিকম্প আমাদের বাংলাদেশের দ্বারপ্রান্তে অবস্থান করছে। উত্তর প্রান্তে যেটা ডাউকি ফল্ট এখানে সংকোচনের হার হচ্ছে প্রতি এক শ’ বছরে এক মিটার। গত ৫শ’ থেকে ৬শ’ বছরে বড় ধরনের ভূমিকম্পের কোন রেকর্ড নেই। তার মানে ৫-৬ মিটার চ্যুতি ঘটানোর মতো শক্তি অর্জন করেছে। এটা যদি আমি রিখটার স্কেলে প্রকাশ করি তাহলে এটা হচ্ছে ৭.৫ থেকে ৮ মাত্রার ভূমিকম্প সৃষ্টি করতে পারে। এখান থেকে ঢাকা শহর হচ্ছে দেড়শ কিলোমিটার।

সব মিলিয়ে ৭.৫ থেকে ৮ মাত্রার ভূমিকম্প যদি বাংলাদেশে আঘাত হানে তবে বড় ধরনের মানবিক বিপর্যয়ের আশঙ্কা করা হয়।

ঢাকা শহরে সিটি কর্পোরেশন এলাকায় রয়েছে চার লাখের বেশি ভবন। রাজউক এলাকায় যে সংখ্যা ১২ লাখেরও বেশি। যার অধিকাংশই ভূমিকম্প সহনীয় নয়।

ভূমিকম্পসহ সকল দুর্যোগ মোকাবেলা করার জন্য সরকারীভাবে প্রচার চালাতে হবে। টিভি, পত্রিকা, অনলাইন, রেডিও, ফেসবুক, স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা এবং সরকারী-বেসরকারী সভা-সেমিনারের মাধ্যমে মানুষের সচেতন করতে হবে। প্রাকৃতিক দুর্যোগ আতঙ্ক নয় মোকাবেলা করার জন্য মানসিকভাবে সকলকে সচেতন হতে হবে।

গোয়ালন্দ, রাজবাড়ী থেকে

শীর্ষ সংবাদ:
আসছে ভয়াবহ বন্যা         বনানীতে মায়ের কবরে চিরনিদ্রায় শায়িত সাহারা খাতুন         টেন্ডারবাজিতে ৫০ কোটি টাকা হাতিয়েছেন সাহেদ         ২৪ ঘণ্টায় করোনায় ৩০ জনের মৃত্যু শনাক্ত ২৬৮৬         বাংলাদেশে করোনা সংক্রমণের গতি নিম্নমুখী         করোনায় অনলাইনে জমজমাট কোরবানির পশুর হাট         বাংলাদেশ থেকে ফ্লাইট ও যাত্রী ৫ অক্টোবর পর্যন্ত নিষিদ্ধ করেনি ইতালি         স্কুল ফিডিংয়ের খাবার করোনাকালে যাবে শিক্ষার্থীদের বাড়ি         ইতিহাসের বৃহত্তম ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনা করছেন শেখ হাসিনা ॥ তথ্যমন্ত্রী         টেন্ডার জটিলতায় থমকে গেছে ড্রাইভিং লাইসেন্স কার্যক্রম         মানব ও অর্থ পাচারের অভিযোগে পাপুলের কুয়েতে শাস্তি নিশ্চিত         উগ্র-ধর্মান্ধদের এখনই প্রতিরোধ করা না হলে মহাসঙ্কটে পড়তে হবে         মাদকের সঙ্গে জড়িত পুলিশের বিরুদ্ধে শাস্তির ব্যবস্থা         আখাউড়া-সিলেট রুটে ডুয়েলগেজ লাইন স্থাপন অনিশ্চিত         বিএসএমএমইউয়ে ‘নেগেটিভ প্রেশার আইসোলেশন ক্যানোপি’ উদ্ভাবন         বাংলাদেশ থেকে আসা ৭০ শতাংশ যাত্রীর করোনা পজিটিভ : ইতালির প্রধানমন্ত্রী         কমিটির সুপারিশ উপেক্ষা করে ডিএনসিসিতে পশুর তিন হাট         করোনায়ও স্বাস্থ্যখাতের সকল সেবা অব্যাহত রাখতে হবে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী         ৮৬টি প্রতিষ্ঠানকে ৩ লক্ষাধিক টাকা জরিমানা        
//--BID Records