ঢাকা, বাংলাদেশ   বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১

সাগরে মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞা বলবৎ ॥ তীরে ফিরেছে নৌযান

স্টাফ রিপোর্টার, চট্টগ্রাম অফিস

প্রকাশিত: ২২:৩৬, ২০ মে ২০২৪

সাগরে মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞা বলবৎ ॥ তীরে ফিরেছে নৌযান

সোমবার থেকে বন্ধ সাগরে মাছ ধরা। তীরে ভিড়েছে বিপুল সংখ্যক ফিশিং বোট

সাগরে মাছের উৎপাদন ও প্রজনন বৃদ্ধির লক্ষ্যে রবিবার মধ্যরাত অর্থাৎ সোমবার থেকে শুরু হয়েছে ইলিশসহ সকল ধরনের মাছ শিকারে ৬৫ দিনের নিষেধাজ্ঞা। সরকারের মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ে ঘোষিত এ নিষেধাজ্ঞা চলবে ২৩ জুলাই রাত ১২টা পর্যন্ত।

এই সময়ে দেশের সামুদ্রিক জলসীমানায় সব ধরনের মাছ শিকার, পরিবহন ও সংরক্ষণ নিষিদ্ধ থাকবে। ফলে চট্টগ্রামের বিভিন্ন ঘাটে নোঙর করেছে গভীর সমুদ্র থেকে ফেরা নৌযানগুলো। প্রান্তিক জেলেরা সাগরে মাছ ধরা বন্ধের ঘোষণায় বরাবরের মতো দুশ্চিন্তায়। 
চট্টগ্রামের ফিশারিঘাট, ব্রিজঘাট, অভয়মিত্রঘাট ও কর্ণফুলীপাড়ের বিভিন্ন ঘাটে ফিরে এসেছে সমুদ্রে যাওয়ার নৌযানগুলো। অপরদিকে কাট্টলী, পতেঙ্গা, সীতাকু-ের উপকূলীয় এলাকার জেলেরা এই ৬৫ দিনের নিষেধাজ্ঞা শুরু হওয়ায় পড়েছেন মহাবিপাকে। উত্তর চট্টলা উপকূলীয় মৎস্যজীবী জলদাস সমবায় ফেডারেশনের সূত্রমতে, নগরীতে প্রায় আড়াই হাজার ও উপজেলা পর্যায়ে আট হাজার চার জেলে সরকারিভাবে নিবন্ধিত কার্ডধারী। 

নোয়াখালী
নিজস্ব সংবাদদাতা, নোয়াখালী থেকে জানান, নোয়াখালীর বিচ্ছিন্ন দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ায় সোমবার থেকে সমুদ্রে মাছ শিকার বন্ধ, তীরে ফিরছে জেলেরা। সমুদ্রে মৎস্য প্রজনন বৃদ্ধির লক্ষ্যে সরকার মাছ শিকারের ওপর ৬৫ দিনের নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। সোমবার থেকে আগামী ২৩ জুলাই গভীর সমুদ্রে সব ধরনরে মাছ শিকার বন্ধ থাকবে।

ইতোমধ্যে নোয়াখালী হাতিয়ায় তীরে ফিরতে শুরু করছে জেলেরা। হাতিয়ার সূর্যমুখী ঘাটের মৎস্যজীবী সমিতির সভাপতি জবিয়ল হক দুপুরে জানান, হাতিয়ার ৪০টি ঘাটের পাঁচ শতাধিক বড় বড় ফিশিং ট্রলার গভীর সমুদ্রে গিয়ে মাছ শিকার করে। নিষেধাজ্ঞার কারণে এসব ট্রলার রাতেই ঘাটে ফিরে আসবে। ইতোমধ্যে অনেক ট্রলার ঘাটে ফিরে এসেছে। 

উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা ফাহাদ হাসান বলেন, হাতিয়ার অনেক ট্রলার গভীর সমুদ্রে গিয়ে মাছ শিকার করে। এই ৬৫ দিন সমুদ্রে মাছ শিকার বন্ধ থাকবে, যা আগেই জেলেদের অবহিত করা হয়েছে। এ কার্যক্রমে গত কয়েকদিন ঘাটে গিয়ে জেলে ও ট্রলার মালিকদের সঙ্গে কথা বলে সবাইকে সতর্ক করা হয়েছে।

×